আপনি কি জানেন? চাইলে পড়াশোনা অবস্থায় টাকা উপার্জন করা যায়। আজকে জানাবো স্টুডেন্ট লাইফে টাকা উপার্জনের প্রয়োজনীয় স্কীল – 10 Online Earning Skills for Student সম্পর্কে। এই সব স্কীলের বর্তমানে যেমন চাহিদা আছে ভবিষ্যতেও সমান তালে থাকবে।
টাকা রোজগার করতে সবাই চায়। যদি প্রশ্ন করি আপনি পড়াশোনা করছেন কেন? যদি ভুল না করি তাহলে এর পিছনেও লক্ষ্য হচ্ছে একটা ভালো চাকরি, অর্থ উপার্জন করা এবং পরিবারকে দেখা, নিজের স্বাচ্ছন্দ্য মেটানো। এই লেখায় আমি আপনাকে সেই অর্থ উপার্জনের উপায় জানাবো।
স্টুডেন্ট লাইফে টাকা উপার্জন

আগে মানুষ ভাবতো পড়াশোনা শেষ করে ক্যারিয়ারে প্রবেশ করবে। কিন্তু সময়ের সাথে এই ধারণার পরিবর্তন হয়েছে। প্রযুক্তির এই সময়ে এমন কিছু স্কীল আছে যা শিখে রাখলে ছাত্র/ছাত্রীরাও মাসে ভালো পরিমাণ অর্থ আয় করতে পারে।
সবচেয়ে বড় কথা আজকে আমি যে স্কীলগুলোর কথা বলবো তা আমি নিজেই নিজের জীবনে যাচাই করেছি এবং আমার কিছু স্টুডেন্টকেও দেখেছি তারা ঘরে বসেই অনলাইনে বিভিন্ন কাজ করে টাকা আয় করছে।
আপনি এতদিনে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরে গেছেন যে, আজকের জব মার্কেট অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। ১০ বছর বা ১৫ বছর আগে যা ছিল, তার থেকে এখন নতুন নতুন প্রচুর স্কিল-বেসড জব তৈরি হয়েছে। আর সেই দক্ষতাগুলো যদি আপনি আয়ত্ত করতে পারেন, তাহলে আপনিও নিজের অর্থ নিজেই জোগাড় করতে পারবেন।
একবার ভাবেন তো, যখন আপনি বলবেন, “মা, বাবা, এই মাসে তোমাদের টিউশন ফিটা দিতে হবে না, ওটা আমিই জোগাড় করে ফেলেছি।” এই কথাটা বলার মধ্যে কতটা গর্ববোধ করবেন! পুজো, ঈদ বা ক্রিসমাসে যদি মাকে একটা শাড়ি বা বাবাকে একটা শার্ট দিতে পারেন নিজের টাকায়, কতটা ভালো লাগবে আপনার!
তাহলে চলুন, আর দেরি না করে এই লেখায় দেখে নিই কোন স্টুডেন্ট লাইফে টাকা উপার্জন করতে প্রয়োজনীয় দশটা স্কিল যা আপনি আয়ত্ত করলে এখন থেকে এবং পরবর্তীকালে বিভিন্ন ধরনের কাজের সুযোগ পাবেন। তবে শুরু করার আগে খারাপ অভ্যাস দূর করার সহজ ও কার্যকর কৌশল অবলম্বন করে নিজের কোনো বাজে অভ্যাস থাকলে এখনি শুধরে নিন।
১. ডিজিটাল মার্কেটিং

স্টুডেন্ট লাইফে টাকা উপার্জন করার প্রথম স্কিল যেটা বলব, সেটা হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং। একটা ছোট-বড় যেকোনো বিজনেসের মার্কেটিং কিন্তু প্রচন্ড গুরুত্বপূর্ণ। আর এই মার্কেটিং এখন আর পেপারের লিফলেটের মাধ্যমে হয় না, এখন হয় ডিজিটালি— বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে, ইমেইল ক্যাম্পেইনিংয়ের মাধ্যমে এবং আরও বিভিন্ন স্টেপে।
এই ডিজিটাল মার্কেটিং তোমরা ঘরে বসে, ফ্রিতে শিখতে পারবে। গুগল-এরও ডিজিটাল মার্কেটিং-এর সার্টিফিকেশন কোর্স আছে। এছাড়াও মেটা অ্যাড কিভাবে দিতে হয়, গুগল অ্যাড কিভাবে দিতে হয়, এস.ই.ও. (SEO) কিভাবে ঠিক করতে হয়, এইগুলো জানা থাকলে তুমি যেকোনো ছোট-বড় ইন্ডাস্ট্রির কাছে নিজের স্কিলটাকে কাজে লাগাতে পারবে এবং তাদের গ্রো করতে হেল্প করতে পারবে।
শুরুর টিপস: শেখার পরে লোকালি যে ছোট ব্যবসাগুলো আছে, সেগুলোকে নিজে থেকে অ্যাপ্রোচ করো, তাদের মার্কেটিংটা দেখো। ছোট ছোট সাফল্য এনে দিতে পারলে, তাদের ফিডব্যাক দিয়ে তোমরা নিজেদের পোর্টফোলিও বানাতে পারবে এবং বড় ক্লায়েন্ট পিচ করতে পারবে।
২. সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট

দ্বিতীয় যে স্কিলটার কথা বলব, সেটা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট। এই স্কিলটার এখন প্রচুর ডিমান্ড। এমনকি অনেকে স্টুডেন্ট লাইফে টাকা উপার্জন করছে এই স্কীল ব্যবহার করে। আপনি হয়তো ইনস্টাগ্রামে রিলস স্ক্রল করছেন বা, করতে থাকেন। কিন্তু এটা যদি আপনি প্রফেশন হিসেবে নেন, তখন দেখতে হবে যে কোন ট্রেন্ড কেন হিট করছে, কেন ভাইরাল যাচ্ছে— অর্থাৎ, অ্যানালাইসিস করো।
সোশ্যাল মিডিয়া বলতে লিঙ্কডইন, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, ইউটিউব তো আছেই। কিভাবে কন্টেন্ট দেবে, কোন কন্টেন্ট কখন দেবে, কন্টেন্টটা কিভাবে প্ল্যান করবে, কবে কোন পোস্টটা পোস্ট করতে হবে, কি করে গ্রো করতে হয়— সেইটা দেখবে। এইভাবে তুমি ছোট-বড় ক্রিয়েটরকে বা বিজনেসের গ্রো করতে সাহায্য করবে।
শুরুর টিপস: প্রথমে স্কিলসগুলো শেখো। তারপর তোমার স্কুল-কলেজের পেজ বা লোকাল কোনো ফেস্টিভ্যালের পেজ ক্রিয়েট করে সেটাকে গ্রো করানোর চেষ্টা করবে। সফলভাবে গ্রো করাতে পারলে, সেই পেজ দেখিয়ে অন্যান্য ক্লায়েন্টকে পিচ করতে পারো। টেস্টিমোনিয়ালস সংগ্রহ করে আরও বড় হতে পারো।
আরও পড়ুনঃ কথা বলার ৫টি কৌশল যাতে শ্রোতা মুগ্ধ হতে বাধ্য!
৩. ইনফ্লুয়েন্সার ম্যানেজমেন্ট
তিন নম্বর স্কিল হলো ইনফ্লুয়েন্সার ম্যানেজমেন্ট। ছোট-বড় ইনফ্লুয়েন্সারদের কাছে ব্র্যান্ড আসে। এই ব্র্যান্ডগুলোকে তুমি কিভাবে হ্যান্ডেল করবে, নেগোশিয়েট করবে, সেই কাজ তুমি করবে। ইনফ্লুয়েন্সাররা কন্টেন্ট ক্রিয়েশনে মন দেন, ব্র্যান্ডের সাথে হয়তো অত ভালো করে কথা বলতে পারেন না। তাই প্রচুর ইনফ্লুয়েন্সার এই ম্যানেজমেন্টের জন্য লোক রাখে।
স্টুডেন্ট লাইফে টাকা উপার্জন করার এই কাজের জন্য তোমার দরকার কমিউনিকেশন স্কিল এবং ব্র্যান্ডের সাথে ভালো করে বার্গেইন করার ক্ষমতা। প্রথমে ভালো ব্র্যান্ড এনে দিতে হবে সেই ইনফ্লুয়েন্সারকে। ভালো অ্যামাউন্ট যাতে ব্র্যান্ড সেই ইনফ্লুয়েন্সারকে পে করে, সেই দিকটা দেখবে। যখন তুমি একজন ভালো হয়ে উঠবে কাজে, তখন তুমি ইনফ্লুয়েন্সারের থেকে কমিশন দাবি করতে পারো (১০-২০ পার্সেন্টও হতে পারে)।
৪. কন্টেন্ট রাইটিং
তোমার যদি মনে হয় তুমি কথা বলতে পারছ না, কিন্তু লিখতে খুব ভালো পারো, লিখে ভাব প্রকাশ করতে দক্ষ, সেই ক্ষেত্রে তুমি কন্টেন্ট রাইটিং করতে পারো। এই কাজেও স্টুডেন্ট লাইফে টাকা উপার্জন করার অনেক সুযোগ আছে।
কন্টেন্ট রাইটিং-এর ক্ষেত্র:
- নিজের ব্লগপোস্ট বানানো।
- সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের জন্য ক্যাপশন লিখে দেওয়া।
- ভিডিওর জন্য স্ক্রিপ্ট লিখে দেওয়া।
- যে কোনো বিজনেসের ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট লিখে দেওয়া।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: বর্তমানে এ.আই. (যেমন ChatGPT) রাইটিং-এর কাজ করে দিলেও, এখনও হাতে-কলমে ভাব প্রকাশের ক্ষমতা মানুষের অনেক বেশি। এ.আই.-এর লেখা ব্লান্ট হয়, কিন্তু একটা মানুষের লেখা মন ছুঁয়ে যায়। এ.আই.-এর সাহায্য নিয়ে তোমার রাইটিং আরও ইম্প্রুভ করে তাতে হিউম্যান টাচ দিলে তোমার পোটেনশিয়ালিটি বেড়ে যাবে।
৫. নিউজলেটার রাইটিং
স্টুডেন্ট লাইফে টাকা উপার্জন করার পঞ্চম স্কিলটি হলো নিউজলেটার রাইটিং। এটি কন্টেন্ট রাইটিং থেকে আলাদা। সাবস্ট্যাক, বিহ্যান্স-এর মতো সাইটে তুমি নিউজলেটার পাবলিশ করতে পারো।
তোমাকে নিজের একটি নিস খুঁজে নিতে হবে (যেমন: রোস্টিং, এডুকেশনাল, ফানি), যেখানে তুমি অনবরত লিখতে ভালোবাসবে।
আয়ের উৎস:
১. সাবস্ক্রিপশন চার্জ: পপুলারিটি পেলে মাসিক একটা টাকা চার্জ করতে পারো পাঠকের কাছে। তবে শুরুতে আগে বেস বানাতে হবে।
২. ব্র্যান্ড প্রমোশন: নিউজলেটার-এর মধ্যে অন্যান্য কোম্পানিরা অ্যাড দেয়। তুমি তাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে লিখে তাদের থেকে চার্জ করতে পারো।
৬. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
ছয় নাম্বার স্কিলটি হলো ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। এটা সবথেকে হাই পেইড স্কিল, তবে খাটনিও একটু আছে। তোমাকে শিখতে হবে:
- এইচ.টি.এম.এল. (HTML)
- সি.এস.এস. (CSS)
- জাভা (JAVA)
কোডিং শুনতে কঠিন মনে হলেও, বেসিক জেনে একটা মিনিমাম ওয়েবসাইট ডেভেলপ করতে পারলে স্টুডেন্ট লাইফে টাকা উপার্জন করা যাবে। এখন সবাই অনলাইন প্ল্যাটফর্মে চলে যায়, সবার একটা করে ওয়েবসাইট আছে, কিন্তু সবার কাছে এই দক্ষতা থাকে না।
কাজের সুযোগ: এই ধরনের কাজগুলো তোমরা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে করতে পারো। ফাইবার, আপওয়ার্ক-এর মতো সাইটে প্রোফাইল অ্যাড করে কাজ পেতে পারো। ক্লায়েন্ট আসে বাইরে থেকে (মোস্টলি ইউ.এস.এ., ইউ.কে.) এবং তারা যথেষ্ট ভালো পে করে।
শুরুর টিপস: তুমি নিজের একটা ওয়েবসাইট বানাও, সেটাই তোমার পোর্টফোলিও হয়ে যাবে।
৭. ভিডিও এডিটিং
আজকে আমরা যেকোনো জিনিস কেনার আগে বা জানার আগে ভিডিও দেখি। আর এই ভিডিও ক্যাপচারের থেকেও বেশি ফোকাস করতে হয় ভিডিওটা এডিট করার উপরে, কারণ তবেই সেটা ভিজুয়ালি ভালো লাগে। তাই ভিডিও এডিটিং শিখে রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ছাত্র/ছাত্রী এইসব করে তাদের স্টুডেন্ট লাইফে টাকা উপার্জন করছে।
এডিটিং সফটওয়্যার:
- অ্যাডোবি প্রিমিয়ার প্রো (ভীষণ ভালো সফটওয়্যার)
- ক্যাপকাট
- ভি.এন.
শুরুর টিপস: তোমার নিস চুজ করো (যেমন: ট্র্যাভেল ভিডিও, ফুড ব্লগ)। র-ফুটেজ সংগ্রহ করে সেগুলোকে আরও ভালো করে এডিট করার চেষ্টা করো। ছোট ক্রিয়েটরদেরকে পিচ করো যে, “আমি আপনাদের ভিডিও এডিট করে দিতে চাই।” কাজ করার পর তাদের থেকে ফিডব্যাক/টেস্টিমোনিয়ালস নিয়ে প্রোফাইল অ্যাট্রাক্টিভ করতে পারো।
৮. ইউ.এক্স. ও ইউ.আই. ডিজাইনার: ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন তৈরি
ইউজার এক্সপেরিয়েন্স (UX) হলো একটি সাইটে দ্রুত কোনো কিছু খুঁজে পাওয়া, ফিল্টার করা বা কেনার সামগ্রিক অভিজ্ঞতা। আর ইউজার ইন্টারফেস (UI) হলো সেই সাইটের ভিজ্যুয়াল ডিজাইন।
এই কাজটি ক্রিয়েটিভ এবং লজিক-এর মিশ্রণ। তোমাকে ভাবতে হবে যে, একটা কাস্টমার যখন সাইটে আসবে, কিভাবে সে ইন্টারঅ্যাক্ট করবে, এটা ইউজার-ফ্রেন্ডলি হবে কিনা। সেইগুলো মাথায় রেখে তোমাকে ডিজাইন করতে হবে। তাহলে আপনার স্টুডেন্ট লাইফে টাকা উপার্জন অনেকটা সহজ হয়ে যাবে।
শিক্ষার মাধ্যম: তুমি ফিগমা শিখতে পারো, গুগলে ফ্রি সার্টিফিকেশন করতে পারো, বা ইউটিউবের কোর্স দেখতে পারো। এই কাজগুলোও কিন্তু সবই হাই-পেইং।
৯. গ্রাফিক ডিজাইনার
প্রথম জিনিস যেটা তুমি দেখো, সেটা হচ্ছে লোগো। যেকোনো ব্র্যান্ডের লোগো (যেমন: ফ্লিপকার্ট, মিন্ট্রা) তোমার মনে থাকে। এই লোগো ডিজাইন একটি ব্র্যান্ডের আইডেন্টিটি। গ্রাফিক ডিজাইনিং-এর মধ্যে শুধু লোগো নয়, প্রচুর ডিজাইন পড়ে— যা গ্রাফিক্যালি রিপ্রেসেন্টেড হয়। তোমাকে ভিজুয়ালি চিন্তা করতে হবে যে কিভাবে ডিজাইন করলে লোকের বেশি মনে থাকবে।
শিক্ষার মাধ্যম:
- অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর
- ক্যানভা
এখানেও তাই, প্রথমে ফ্রি সার্ভিস দাও, ক্লায়েন্টের থেকে টেস্টিমোনিয়ালস সংগ্রহ করো, তারপর পেইড সার্ভিস দাও। বিভিন্ন কোম্পানিতেও জবের জন্য অ্যাপ্লাই করতে পারো।
১০. ভয়েস ওভার
তোমার যদি খুব ভালো ভয়েস থাকে, কথা বলতে খুব ভালো পারো, ভয়েস তোমার খুব ক্লিয়ার এবং অ্যাপিলিং, তবে এই দক্ষতা কাজে লাগাতে পারো। অনেক স্টুডেন্ট আবৃত্তি পাঠ, কবিতা পাঠ বা গল্প ভালো বলতে পারায় স্টুডেন্ট লাইফে টাকা উপার্জন এর পথ দেখে ফেলেছে।
কাজের ক্ষেত্র:
- অডিওবুক: স্টোরিটেলিং-এর জন্য প্রচুর ভয়েস আর্টিস্ট দরকার হয়, যারা একটি বইকে এমনভাবে পড়বে যাতে লোকে শুনে শুনে পড়তে পারে।
- পডকাস্ট: ভিডিও পডকাস্টের থেকে অডিও পডকাস্ট কিন্তু অনেক পপুলার। তোমার ভয়েস অ্যাপিলিং হলে তুমি পডকাস্ট অ্যারেঞ্জ করতে পারো এবং সেগুলোকে মনিটাইজ করতে পারো।
এর জন্য তুমি ভয়েস-এ.ডট.কম বা অ্যাঙ্কার এই ধরনের ওয়েবসাইটগুলোকে দেখতে পারো।
উপসংহার
স্টুডেন্ট লাইফে টাকা উপার্জন করার জন্য শেয়ার করা এই দশটা কাজই বেশ ভালো এবং প্রত্যেকটাই কিন্তু হাই-পেইং। এই কাজগুলো অলমোস্ট ৯০% আমি নিজে ট্রাই করেছি। সমস্ত কিছু তোমাকে একা একা শিখতে হবে না! তোমার যেটা ইন্টারেস্ট, সেটার পিছনে তুমি যদি এফোর্ট দাও, যেকোনো একটা বা দুটো যদি শেখো, তাহলে দেখবে তুমি সেই কাজগুলোকে দেখিয়ে প্রচুর জব অপরচুনিটিও পাবে।
আশা করছি স্টুডেন্ট লাইফে টাকা উপার্জন করতে প্রয়োজনীয় স্কীল – Top Awesome 10 Online Earning Skills for Student এর আয়োজনটি আপনার ভালো লেগেছে। যদি মনে হয় আরও নতুন অনেক স্কিলস আছে, সেই স্কিলসগুলো তোমরা আমাকে নিচে কমেন্ট সেকশনে কমেন্ট করে জানাতে পারো, যাতে আর পাঁচজন তোমার বন্ধুরা জানতে পারে এবং সেইগুলো শেখার চেষ্টা করতে পারে। তাহলে চলো, দেখা হবে আবার কমেন্ট সেকশনে!

