Close Menu
NiceTrixNiceTrix

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 2025

    ক্রোয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সর্বশেষ তথ্য

    October 19, 2025

    বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা নিয়ে ইউরোপ প্রবেশের পূর্ণাঙ্গ গাইড লাইন

    October 17, 2025
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • Advertise With Us
    • Disclaimer
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest Vimeo
    NiceTrixNiceTrix
    • Home
    • Lifestyle
    • Academic
    • AI Tech
    • Career
    • Abroad
    • Update
    Subscribe
    NiceTrixNiceTrix
    Home»Lifestyle Hacks»নিজের সাথে কথা বলার ৩টি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি – 3 Effective and Scientific Method to talk yourself
    Lifestyle Hacks

    নিজের সাথে কথা বলার ৩টি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি – 3 Effective and Scientific Method to talk yourself

    Khairul AlamBy Khairul AlamSeptember 15, 2025Updated:October 16, 2025No Comments10 Mins Read
    Share Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Reddit Telegram Email
    talk yourself - নিজের সাথে কথা বলা
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    নিজেই নিজের সাথে কথা বলা? এটা অসাধারণ একটি যোগ্যতা। যারা উন্নতি করে তারা নিজেরাই আগে নিজের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে নিজেই নিজের সাথে আলোচনা করে। আজ আপনাদের সাথে নিজের সাথে কথা বলার ৩টি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি – 3 Scientific Method to talk yourself জানাবো।

    নিজের সাথে আপনারা কিভাবে কথা বলেন? সাইকোলজিস্টদের মতে, নিজের সাথে কথা বলার একটা বিশেষ টেকনিক আছে। আর এটাতে যারা পারদর্শী, অর্থাৎ নিজের সাথে কথা বলায় যারা পারদর্শী, তারা নাকি জীবনের খুব উন্নতি করতে পারে। তবে বিষয়টা সম্পর্কে বলতে শুরু করার আগে আপনাদেরকে একটা গল্প বলি।

    নিজের সাথে কথা বলা: প্রারম্ভিক আলোচনা

    গ্রামে দুই বন্ধু ছিল রাজ আর রাহুল, নাম তো শুনেছেনই হবে। তারা সবসময় একসাথে থাকতো, একসাথে খেলতো, একসাথে পড়াশোনা করতো। ক্লাস টুয়েলভে দুজনেই খুব ভালো নম্বর পেয়ে পাশ করল। রাহুল একটু অবস্থাপন্ন পরিবারে থাকায় সে শহরের নামী-দামী একটি কলেজে ভর্তি হয়ে গেল, কিন্তু রাজ ভর্তি হল একটি সরকারি কলেজে।

    নিজের সাথে কথা বলার ৩টি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি - 3 Scientific Method to talk yourself

    দেখতে দেখতে রাহুলের অনেক বন্ধু হল, রাজের সাথে অত যোগাযোগ আর নেই। কলেজ শেষ করে রাহুল একটা নামী মাল্টিন্যাশনাল সংস্থায় মোটা মাইনের চাকরি পেয়ে গেল। বেশ কিছু বছর কেটে গেল। রাহুলের এভাবেই একঘেয়ে চাকরিতে বিশেষ কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু বিহীনভাবে জীবনটা কাটতে থাকলো।

    হঠাৎই রাহুল গ্রামের বাড়িতে গিয়ে ছোটবেলার বন্ধু রাজের সাথে দেখা করবে বলে মন স্থির করলো। যেমন ভাবনা তেমন কাজ, চট করে রাজকে একটা মেসেজ করে দিলো, “রাজ, আমি বাড়ি যাচ্ছি এই উইকেন্ডে, দেখা হবে।” রাজ কিছু সময়ের মধ্যে রিপ্লাই দিল, “ওকে।” কিন্তু গ্রামে গিয়ে রাজকে দেখে রাহুলের মাথায় হাত। রাজের এখন বিশাল অবস্থা, দামি গাড়ি নিয়ে এসে ঘুরছে, শহরে বিশাল বাড়ি।

    “ভাই, এসব কি করে?” রাহুল রাজকে জিজ্ঞাসা করতেই রাজ বলল, “এখন আমি একটা শহরের নামী এবং গ্রোইং এবিসি সংস্থার মালিক।” রাহুলের বাড়িতে রাজকে ডেকে জিজ্ঞাসা করল, “ভাই, এরকম জীবন বাঁচার কথা তো লোকে স্বপ্নে ভাবে, তুই এত সফল হলি কিভাবে? আমাকে উপায়টা বল।”

    রাজ বলল, “কলেজ লাইব্রেরিতে একটা বই পড়ে আমার জীবনটাই বদলে গেছে।” রাহুল বললো, “সে কী! বই পড়ে? কি বই?” রাজ বলল, “উনিশশো ছিয়াশি সালে ডক্টর সাধ হ্যান্ডস্ট্যাটারের লেখা।” এবার এই বইটাতে জীবন বদলে দেওয়ার মতো কি এমন লেখা আছে, চলুন জেনে নিই।

    আরও পড়ুনঃ খারাপ অভ্যাস দূর করার সহজ ও কার্যকর কৌশল

    জীবনের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা

    এই বইটাতে অর্থাৎ মোট তিনটে লাইফ লেসনের কথা বলা হয়েছে। এই তিনটে লাইফ লেসন যদি আমরা ভালো করে বুঝি তাহলে এই জিনিসটা বুঝতে আর কোনো অসুবিধাই থাকবে না।

    প্রথম লেসন হচ্ছে— আমরা যা কিছু, তা কিন্তু আমাদের চিন্তা থেকেই আসে। আমরা সবাই নিজেদের সাথে কখনো না কখনো কথা বলি এবং সেটা কিন্তু বেশিরভাগ সময় প্রাইভেট হয়। অর্থাৎ প্রত্যেকেই প্রাইভেটলি নিজের সাথে নিজে কথা বলে, যেটা অন্য কেউ শুনতে পায় না।

    তাই নিজের সাথে যে কথা বলছেন সেটাতে কোনো বাধা নেই। অর্থাৎ আপনাকে কেউ বাধা দেবে না। আবার আপনাকে ভাবতে হচ্ছে না যে কি বলবো, সামনের জন কি ভাববে বা কিছু। কিন্তু সেই জন্য আপনি যে যা খুশি বলে যাচ্ছেন, সেটাও করলেও কিন্তু চলবে না।

    আপনাকে এই সেল্ফ টকে অর্থাৎ নিজের সাথে কিভাবে কথা বলবেন সেটাতে মাস্টার হতে হবে। তার কারণ আমরা নিজের সাথে যে কথাগুলো বলি সেগুলোই একটা ইলেকট্রিক্যাল ইমপালস হিসেবে আমাদের ব্রেনে স্টোর হয়। আর যার ফলে সেটার অ্যাকর্ডিংলি আমরা কোনো কাজ করি, অর্থাৎ অ্যাকশন নিই।

    যত বেশি আপনি সেই কাজটা নিয়ে ভাববেন তত বেশি ইলেকট্রিক্যাল ইমপালস আপনার ব্রেনে পৌঁছাবে এবং তত বেশি চান্স আছে যে আপনি সেই ভাবনাটার উপরে কাজ করবেন, অর্থাৎ অ্যাকশন নেবেন। তাই সব সময় কি করতে হবে, কি করা উচিত, কোন জিনিসটা এভয়েড করা উচিত— এই জিনিসগুলো আপনাকে খুব ভেবে নিতে হবে। আর যার ফলে আপনি আপনার ব্রেইনকে প্রোগ্রামিং করবেন।

    ব্রেন প্রোগ্রামিং-এর শক্তি

    এবার লেসনের নাম্বার টু বলছে— এভরিথিং ইজ পসিবল, ওয়ে নিউ প্রোগ্রাম ইয়োর ব্রেইন ইন রাইট ওয়ে। আপনাকে আপনার ব্রেইনকে সঠিক পদ্ধতিতে প্রোগ্রামিং করতে হবে, তাহলে কিন্তু আপনি যা চাইছেন সেটাই করতে পারবেন। আপনার জীবনের যে কোনো অ্যাকশন, যেকোনো কাজ আপনি করেন না কেন, সেটা কিন্তু প্রথমে আপনার থট থেকেই আসে। অর্থাৎ থট ইজ দ্য ড্রাইভিং ফোর্স অফ এনি অ্যাকশন।

    নিজের সাথে কথা বলার ৩টি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি - 3 Effective and Scientific Method to talk yourself - Everything is possible, the new way to program your brain in the right way

    এবার এই যে চিন্তা, সেটা দুটো টাইপের হতে পারে—একটা পজিটিভ, একটা নেগেটিভ। পজিটিভ থিঙ্কিং যদি আপনার বেশি হয় তাহলে আপনি জীবনে অনেকটা এগোতে পারবেন।

    আর যদি নেগেটিভ থিঙ্কিং আপনার বেশি হয় তাহলে আপনি জীবনে পিছিয়ে পড়বেন। ধরুন আপনার অতীতে কোনো দুর্ঘটনা হয়েছে, ঘটনা ঘটেছে বা আপনি ফেল হয়েছিলেন বা নম্বর কম পেয়েছিলেন, সেটা নিয়ে যদি আপনি ভাবতে থাকেন আপনার নেগেটিভিটি আপনাকে পাঁচটার মধ্যে আটকে রাখবে, আপনাকে এগোতে দেবে না।

    আবার ধরুন আপনার কোনো একটা ব্যাড হ্যাবিট আছে, যেটা আপনি জানেন ব্যাড হ্যাবিট এবং যেটা আপনি চেঞ্জও করতে চান। আপনি জানেন যেটা চেঞ্জ হলে আপনার জীবন আরো বেটার হবে। সেইখানে লেখক বলছেন, আপনারা যখন জানেন যে এটা ব্যাড হ্যাবিট, আপনারা এটাও জানেন যে কোন চিন্তার জন্য আপনারা সে ব্যাড হ্যাবিটকে বারবার রিপিট করছেন।

    অর্থাৎ একটা জিনিস ধরে আপনি ছেড়ে দিতে চাইছেন, কিন্তু আপনি ছাড়তে পারছেন না কেন? না পারার পেছনের যে চিন্তা আপনার কাজ করছে, ওইটাতে যদি আপনি ওয়ার্ক করতে পারেন তাহলে আপনি কিন্তু আপনার ব্যাড হ্যাবিটকে কন্ট্রোল করতে পারবেন। তাই আপনাকে এমনভাবে জীবনের ডিসিশন নিতে হবে, এমনভাবে আপনার ব্রেইনকে আপনাকে প্রোগ্রামিং করতে হবে, যাতে আপনার চিন্তা আপনার পক্ষে কাজ করে, আপনার বিপক্ষে নয়।

    বিশ্বাস থেকে ফলাফল

    লেখকের মতে এই ব্রেইন প্রোগ্রামিং আমরা কয়েকটা স্টেপের মাধ্যমে করতে পারি। সেই স্টেপ প্রথম যে প্রোগ্রামে, অর্থাৎ আপনি নতুন কোনো ভাবনা দিয়ে আপনার পুরনো ভাবনাটাকে রিপ্লেস করছেন, সেটাকে বলছে প্রোগ্রামে। সেই প্রোগ্রামিংটা আপনাকে একটা কিছুর বিলিফ দিচ্ছে, একটা বিশ্বাস দিচ্ছে।

    ধরুন আপনি রেজাল্ট ভালো করতে চান, আপনি বললেন আমাকে এভাবে পড়াশোনা করতে হবে, তাহলে আমি এই রেজাল্টটা অ্যাচিভ করতে পারব। তার মানে আপনি একটা প্রোগ্রামিং করছেন ব্রেনে, যেটা আপনাকে একটা কিছু অ্যাচিভ করার বিশ্বাস দিচ্ছে। এই বিশ্বাসটাই আপনার অ্যাটিটিউডে আপনার লাইফে বদল আনছে, আপনার কাজে বদল আনছে।

    Results from faith - নিজের সাথে কথা বলা

    এই যে বিশ্বাস আপনি একবার করে ফেললেন, আপনার তাতে অ্যাটিটিউডের বদল আসবে। অ্যাটিটিউড ক্রিয়েটস ফিলিংস। আর এই যে বদল হওয়া অ্যাটিটিউড, সেটা আপনার মধ্যে একটা অনুভবের সৃষ্টি করবে যে, হ্যাঁ আমাকে এটা পারতে গেলে এরকম ভাবে কাজ করতে হবে।

    সেই অনুভবটা, সেই ফিলিংসটা আপনার জন্মাবে। ফিলিংস ডিটারমাইন অ্যাকশন। আপনার সেই অনুভবটার জন্যই আপনি কিন্তু কাজ করবেন, সেই গোলটাকে অ্যাচিভ করার জন্য যা করতে হয়, যেভাবে পড়াশোনা করতে হয়, যা প্ল্যান করতে হয়, সেটা আপনি করবেন।

    আর লাস্টে হচ্ছে দ্যাট অ্যাকশন ক্রিয়েটস রেজাল্ট। আপনি যে কাজটা করছেন তার জন্যই কিন্তু আপনি রেজাল্টটা পাবেন, যেই রেজাল্টটা আপনি ব্রেনে প্রোগ্রামিং করেছিলেন ফার্স্ট স্টেপে। তাই লেখকের মতে নিজের সাথে কথা বলা, নিজের ব্রেইনকে প্রোগ্রামিং করা হচ্ছে সিঙ্গেল মোস্ট এফেক্টিভ টেকনিক, যেটা আপনাকে আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করবে।

    সেল্ফ টক-এর ৫টি ধাপ

    এবার সেটা হচ্ছে আপনাকে বুঝতে হবে, জানতে হবে যে কিভাবে আপনি সেল্ফ টক করবেন, মানে নিজের সাথে কথা বলবেন। অর্থাৎ আপনাকে কিভাবে নিজের নেগেটিভ থটকে সরিয়ে দিয়ে তার জায়গায় নিজের পজিটিভ থটকে বসাতে হবে, কিভাবে সেটার উপর কাজ করতে হবে সেটা আপনাকে বুঝতে হবে।

    এবার কিভাবে করবেন সেটা বোঝার জন্য লেখক পাঁচটা ধাপ বলেছেন। যে মানুষ এই পাঁচটা ধাপের মধ্যেই থাকে, কেউ ১ নম্বর ধাপে থাকতে পারে, কেউ ২ নম্বর ধাপে থাকতে পারে, কেউ ৫ নম্বর ধাপে থাকতে পারে। এবার পরপর আমি যেগুলো বলছি, সেগুলো শুনে আপনি আমাকে কমেন্ট করবেন যে আপনি এখন কোন ধাপে রয়েছেন।

    ১. প্রথম ধাপ: নেগেটিভ অ্যাকসেপ্টেন্স

    প্রথম ধাপ হচ্ছে নেগেটিভ অ্যাকসেপ্টেন্স, অর্থাৎ আপনার যে কোনো নেগেটিভ চিন্তাধারা রয়েছে সেটাকে অ্যাকসেপ্ট করা যে হ্যাঁ আমার এই জিনিসগুলো নেগেটিভ, এগুলো কি আমাকে বদল করতে হবে। আমি বসে সারাদিন ভাবি যে আমি হয়তো ওই জায়গায় পৌঁছাতে পারব না—এগুলো সবই কিন্তু নেগেটিভ চিন্তা, যেটা আপনাকে আসলে আপনার সাকসেস পাওয়া থেকে প্রথমেই আটকে দিচ্ছে।

    ফার্স্টে আপনাকে নেগেটিভটা অ্যাকসেপ্ট করতে হবে যে হ্যাঁ, এটা আমার ভুল। এই চিন্তাটা আমার ভুল, এই চিন্তাটাকে আমাকে রিপ্লেস করতে হবে একটা ভালো চিন্তা দিয়ে।

    ২. দ্বিতীয় ধাপ: রেকগনিশন অ্যান্ড নিড টু চেঞ্জ

    সেকেন্ড হচ্ছে রেকগনিশন অ্যান্ড নিড টু চেঞ্জ। এবার নেগেটিভটা আপনি অ্যাকসেপ্ট তো করলেন, আপনি রেকগনাইজও করলেন, এবার সেটাকে তোমায় চেঞ্জ করতে হবে। কিভাবে চেঞ্জ করতে হবে? নতুন থট দিয়ে রিপ্লেস করতে হবে।

    এই স্টেজে এসে আপনি এটা কখনই বলছেন না, “আই ক্যান নট ডু দিস।” এই স্টেজে এসে আপনি এটা বলছেন যে “আই ক্যান ডু দিস, বাট আই নিড টু চেঞ্জ।” আমি এটা করতে পারব, কিন্তু আমাকে এগুলো চেঞ্জ করতে হবে। আমার মধ্যে এই বদলগুলো আনা দরকার। সেইটা আপনাকে রেকগনাইজ করতে হবে আর অ্যাকসেপ্ট করতে হবে, আর সেই বদলগুলো কি কি সেটা আপনাকে নিজেকে আইডেন্টিফাই করতে হবে।

    ৩. তৃতীয় ধাপ: ডিসিশন টু চেঞ্জ

    থার্ড স্টেজ হচ্ছে ডিসিশন টু চেঞ্জ। আপনি প্রথমে নেগেটিভটা ধরলেন, তারপর নেগেটিভিটিটা কিভাবে চেঞ্জ করবেন, কি চেঞ্জ করবেন সেটাও আপনি রেকগনাইজ করলেন। থার্ড স্টেপে হচ্ছে সেই নেগেটিভ চেঞ্জটা আপনাকে করতে হবে অ্যাকশনের দ্বারা, কাজের দ্বারা। এটা কিন্তু ভীষণ পাওয়ারফুল একটা লেভেল।

    এই লেভেলে যারা আছে তারা কিন্তু অলরেডি জানে তাদের নেগেটিভ থট কি ছিল, সেটাতে কি বদল আনতে হবে এবং সে বদলের উপরে তারা কাজ অলরেডি শুরু করে ফেলেছে। ধরুন আপনি ভাবতে, “এই পরীক্ষায় আমি পাস করতেই পারব না, বিশাল সিলেবাস।” কিন্তু আপনি সেটাকে রিপ্লেস করলেন যে “না, আমি পারবো। আমাকে যদি এই এই চেঞ্জগুলো, এই বদলগুলো আমি ঘটাই।”

    এরপরে আপনি সেই চেঞ্জগুলোকে নিজের লাইফে অ্যাপ্লাই করছেন, প্ল্যান করছেন কিভাবে সেই কাজটাকে প্রগ্রেস করবেন, সেই প্রগ্রেসের দিকে আপনি এগোচ্ছেন, আপনি চেঞ্জ করছেন।

    ৪. চতুর্থ ধাপ: দ্য বেটার ভার্সন অফ ইউ, দ্য বেটার ইউ

    এরপরে আসছে ফোর্থ স্টেট—দ্য বেটার ভার্সন অফ ইউ, দ্য বেটার ইউ। এই চতুর্থ স্টেজে পৌঁছানো কিন্তু কোনো ছোট ব্যাপার নয়। এই স্টেজে আপনার লাইফের কন্ট্রোল আপনার হাতে আছে। আপনি জানেন আপনি যেকোনো কাজ করতে পারেন, আপনি জানেন সেই গোলটা অ্যাচিভ করার জন্য আপনাকে কিভাবে কাজ করতে হবে, কি কি বদল আপনাকে আপনার জীবনে আনতে হবে।

    আপনি ওপেন, আপনি যেকোনো লাইফে নিজের লাইফে চেঞ্জ আনার জন্য আপনি ওপেন। অর্থাৎ আপনার জীবনের কন্ট্রোল এখন আপনার হাতে আছে, অন্য কারোর হাতে নেই। এই জায়গাটাতে পৌঁছালে একটা উইনার মেন্টালিটি তৈরি হয়। উইনার মেন্টালিটি মানে হচ্ছে যার ভিশনটা ক্লিয়ার। এই মেন্টালিটি যখন আপনি অ্যাচিভ করবেন তখন দেখবেন জীবনের বড় সিদ্ধান্তগুলো আপনার নিজের হাতে।

    ৫. পঞ্চম ধাপ: ইউনিভার্সাল অ্যাকসেপ্টেন্স

    এবার লাস্ট ফিফথ স্টেপ হচ্ছে ইউনিভার্সাল অ্যাকসেপ্টেন্স। জীবনের কন্ট্রোল তো আপনার হাতে আছেই, তার সাথে আপনি ভালো করে বুঝে গেছেন যে আপনার জীবনের মিনিং কি, মানে কি, আপনি কেন আছেন, আপনার থাকার পারপাস কি। আপনি এই সময় জীবনকে মিনিংফুলি আর পারপাসফুলি বাঁচতে পারছেন।

    এই স্টেজটায় যাওয়া বেশ কঠিন, কিন্তু যারা এই বাকি চারটে ধাপ পেরিয়ে পঞ্চম ধাপে যায় তারা এক উচ্চতায় পৌঁছে যায়। আমি হয়তো গল্পতে আপনাকে বলছি যে সাকসেস মানে বিশাল একটা কোম্পানির মালিক এবং সে বহু টাকা রোজগার করছে। আমি এই গল্পটা এই কারণেই বলেছি কারণ বহু মানুষ এখনও অব্দি টাকা দিয়ে জীবনটাকে বিচার করে।

    কিন্তু সেটা সবসময় কিন্তু নাও হতে পারে। ধরুন দুজন ডাক্তার আছে—একজন ডাক্তার চোরাই পথে কিডনি বিক্রি করে বিশাল অর্থ উপার্জন করছে, আবার একজন ডাক্তার গ্রামে দেবতার মতো পূজিত হচ্ছে কারণ তিনি ভীষণভাবে সমস্ত গ্রামের মানুষের চিকিৎসা করে যাচ্ছেন।

    এবারে আপনি কি বলবেন? কে বেশি সফল? যার কোটি কোটি টাকা আছে কিন্তু সে টাকা ব্যাংকেও রাখতে পারে না, নাকি যে অর্থের সাথে সাথে অনেক ভালোবাসা উপার্জন করছে পৃথিবীতে? আপনার টিকে থাকার মানে, অর্থ ও পারপাস খোঁজার জন্য আপনাকে বাকি স্টেপগুলো পেরিয়ে তবেই লাস্টে যেতে হবে।

    আর এই পঞ্চম ধাপে যখনই আপনি পৌঁছে যাবেন আপনার মধ্যে একটা ইউনিভার্সাল অ্যাকসেপ্টেন্স আসবে। সবকিছু আপনি ওপেন মাইন্ডেডলি দেখতে পারবেন, বুঝতে পারবেন এবং সেই অনুযায়ী আপনি আপনার জীবনটাকে আরো গুছিয়ে, ভালোভাবে, পারপাসফুলি বাঁচতে পারবেন।

    Table of Contents

    • নিজের সাথে কথা বলা: প্রারম্ভিক আলোচনা
    • জীবনের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা
    • ব্রেন প্রোগ্রামিং-এর শক্তি
    • বিশ্বাস থেকে ফলাফল
    • সেল্ফ টক-এর ৫টি ধাপ
      • ১. প্রথম ধাপ: নেগেটিভ অ্যাকসেপ্টেন্স
      • ২. দ্বিতীয় ধাপ: রেকগনিশন অ্যান্ড নিড টু চেঞ্জ
      • ৩. তৃতীয় ধাপ: ডিসিশন টু চেঞ্জ
      • ৪. চতুর্থ ধাপ: দ্য বেটার ভার্সন অফ ইউ, দ্য বেটার ইউ
      • ৫. পঞ্চম ধাপ: ইউনিভার্সাল অ্যাকসেপ্টেন্স

    Handy Tips Life Hacks
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Previous Article৭ কোরিয়ান প্রবাদ জীবন বদলে দিতে পারে – 7 Life Changing Proven Korean Proverbs
    Next Article ভালো ফলাফল এর জন্য ঘুম কতটা জরুরী! Sleep necessary for academic success
    Avatar photo
    Khairul Alam
    • Website
    • Facebook
    • X (Twitter)

    I am an Assistant Teacher (Agriculture) at Aziara High School, Nangalkot, Cumilla. I am dedicated to inspiring students with practical agricultural knowledge and modern farming practices, helping them connect classroom learning with real-world applications. Passionate about education and sustainable agriculture, I work to prepare the next generation with the skills needed for a better future.

    Related Posts

    Career Guide

    চাকরি নাকি উচ্চশিক্ষা কোনটি আগে করবেন?

    October 13, 2025
    Career Guide

    কার্যকরী সময় ব্যবস্থাপনার জন্য ৪টি টাইম ম্যানেজমেন্ট প্রিন্সিপাল – 4 Effective Time Management Principles

    October 12, 2025
    Career Guide

    ১০ টি স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির কৌশল – 10 Scientifically Proven Ways to Boost Brain Power

    October 11, 2025
    Add A Comment

    Leave a ReplyCancel reply

    Demo
    Top Posts

    ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া – প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফল!

    August 27, 20254,611 Views

    গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio): সকল এআই মডেল একসাথে ব্যবহারের সুযোগ

    September 14, 2025144 Views

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 202592 Views
    Stay In Touch
    • Facebook
    • YouTube
    • TikTok
    • WhatsApp
    • Twitter
    • Instagram
    Latest Reviews

    Subscribe to Updates

    Get the latest tech news from FooBar about tech, design and biz.

    Demo
    Most Popular

    ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া – প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফল!

    August 27, 20254,611 Views

    গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio): সকল এআই মডেল একসাথে ব্যবহারের সুযোগ

    September 14, 2025144 Views

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 202592 Views
    Our Picks

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 2025

    ক্রোয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সর্বশেষ তথ্য

    October 19, 2025

    বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা নিয়ে ইউরোপ প্রবেশের পূর্ণাঙ্গ গাইড লাইন

    October 17, 2025

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    NiceTrix
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube LinkedIn WhatsApp TikTok Telegram Threads
    • Home
    • Contact Us
    • Our Authors
    © 2026 Copyright @ NiceTrix. Designed by SoftDows

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Ad Blocker Enabled!
    Ad Blocker Enabled!
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please support us by disabling your Ad Blocker.