Close Menu
NiceTrixNiceTrix

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 2025

    ক্রোয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সর্বশেষ তথ্য

    October 19, 2025

    বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা নিয়ে ইউরোপ প্রবেশের পূর্ণাঙ্গ গাইড লাইন

    October 17, 2025
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • Advertise With Us
    • Disclaimer
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest Vimeo
    NiceTrixNiceTrix
    • Home
    • Lifestyle
    • Academic
    • AI Tech
    • Career
    • Abroad
    • Update
    Subscribe
    NiceTrixNiceTrix
    Home»Academic Tricks»ইউনিভার্সিটি ভর্তি সিজনে মনোবল ধরে রাখার ৫ প্রমাণিত কৌশল!
    Academic Tricks

    ইউনিভার্সিটি ভর্তি সিজনে মনোবল ধরে রাখার ৫ প্রমাণিত কৌশল!

    NiceTrix (Admin)By NiceTrix (Admin)September 14, 2025Updated:October 16, 20253 Comments17 Mins Read
    Share Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Reddit Telegram Email
    Bad Habit - ইউনিভার্সিটি ভর্তি সিজনে মনোবল
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    যারা এইচএসসি শেষ করেছো তাদের ইউনিভার্সিটি ভর্তি সিজনে মনোবল ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি। এখন চলছে অ্যাডমিশন সিজন। অ্যাডমিশনের সময় আমরা যখন পড়াশোনা করি, আমাদের মনোবল ধরে রাখা অনেক বেশি কঠিন। কারণ অনেকেই বলে যে, অ্যাডমিশন সিজনটা অনেক ডিপ্রেসিং একটা সময়। আমাদের প্রতি মুহূর্তে আসলে কনফিডেন্স ধরে রাখা বা মন খারাপ না হওয়াটাই অস্বাভাবিক, মন খারাপ হওয়াটাই খুব স্বাভাবিক।

    এইরকম একটা পরিস্থিতিতে সোসাইটি এই জিনিসটাকে এমন বানিয়ে ফেলেছে। মনে হচ্ছে যেন এটা পরিকল্পিতভাবে করা। আমরা এখান থেকে বের হতে পারি না।

    ইউনিভার্সিটি ভর্তি সিজনে মনোবল ধরে রাখার ৫ প্রমাণিত কৌশল!
    ইউনিভার্সিটি ভর্তি সিজনে মনোবল ধরে রাখা

    ইউনিভার্সিটি ভর্তি সিজনে মনোবল

    যখন তোমার মনটা খুব খারাপ থাকবে, যখন তুমি হতাশায় যাচ্ছ, মনে হচ্ছে যে অ্যাডমিশন আমার দ্বারা হবে না, বা আমার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে আমি পৌঁছতে পারব না, তখন এই আর্টিকেল তুমি পড়তে পারো। চাইলে তুমি এটা সেভ করে রাখতে পারো, বা তোমরা আমাকে শেয়ার করতে পারো।

    আমি কিছু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে, নিজে যে কাজগুলো করে আমি ফিল করেছি যে না, আমি আগের থেকে একটু আত্মবিশ্বাসী, বা আগের থেকে একটু মনোবল ফিরে পেয়েছি, আমি সেই বিষয়গুলো তোমাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করি তোমাদের কাজে লাগবে। আমি আগে এরকম প্রত্যাশা করছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কি বলে দিতে পারব একটা?

    আরও পড়ুনঃ এইচএসসি আইসিটির সাজেশন – ৮ মিনিটে পুরো প্রস্তুতি

    ১. সেট স্মল গোলস (Small Goals Set)

    ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় বড় লক্ষ্য (যেমন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটে চান্স পাওয়া) নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা না করে কেন ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করা উচিত?

    বড় লক্ষ্যকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নেওয়ার মূল কারণ হলো তাৎক্ষণিক সাফল্য অর্জন করে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করা এবং হতাশা (ডিপ্রেশন) এড়ানো। যখনই একটি ছোট লক্ষ্য পূরণ হয়, তখন তা একটি ইতিবাচক চক্র তৈরি করে যা ইউনিভার্সিটি ভর্তি সিজনে মনোবল ধরে রাখতে সাহায্য করে।

    শুরু করি প্রথমে, “সেট স্মল গোলস”। দেখো, আমাদের সবার লক্ষ্যটা খুব বড়। সবার লক্ষ্য হয় ডিইউ (DU), সবার লক্ষ্য হয় বুয়েট, না হলে সবার লক্ষ্য হচ্ছে মেডিকেল। এখন তুমি যদি মনে করো যে, আমি একদিন পরে বা দ্বিতীয় দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বা বুয়েটে অ্যাডমিশন নিয়ে নেব।

    Break your goals - ইউনিভার্সিটি ভর্তি সিজনে মনোবল

    তুমি এটা শেয়ার করতে বাধ্য। তাই আমরা বড় গোলটাকে একটু দূরে রেখে ছোট গোলের দিকে ফোকাস করি। যে, যা হবে দেখা যাবে। আপাতত একদম ছোট করে নিয়ে আসি আমাদের গোলটাকে:

    • নেক্সট দুই-তিন ঘণ্টায় আমার লক্ষ্য কী?
    • আমার লক্ষ্য হচ্ছে অমুক চ্যাপ্টার শেষ করা।
    • অমুক কনসেপ্ট থ্রি যা কিছু, যা করতে চাও, সেটা শেষ করা।
    • মানে একটা, চারটা কাজ শেষ করা।

    গোলটাকে ছোট করে ফেলো এবং যখনই গোলটা তুমি অর্জন করে ফেললে, তখন মনে মনে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ পড়ো, যদি মুসলিম হয়ে থাকো। মুসলিম না হলে, নিজের প্রতি নিজে, নিজেকেই প্রশংসা করো। তখন তোমার কনফিডেন্স বাড়তে শুরু করবে যে, হ্যাঁ, আমি পেরেছি।

    এরপর ছোট আরেকটা গোল সিলেক্ট করো, ঐ যে রাতের মধ্যে গিয়ে শেষ করব, পরের দিন এই জিনিসটা করব। তোমাদের মধ্যে দুই ধরনের ভুল আছে: এক, দূরের স্বপ্ন দেখতে গিয়ে তোমরা বেশির ভাগ সময় স্বপ্নই বিভোর হয়ে যাও।

    যেমন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ব, কার্জন হলে সামনে ছবি তুলব, টিএসসিতে গিয়ে চা খাব, শহীদ মিনারের সামনে ছবি তুলব, কার্জন পুকুরে বসে থাকব পুকুর পাড়ে। হ্যাঁ, এই যে বিশাল বিশাল স্বপ্ন দেখে ফেলো তোমরা, এতে একটা সমস্যা হয়।

    আর সব সময় যে তোমরা এটাকে এতটাই কঠিন মনে করো, যে ঐ অনুযায়ী তোমার আর এফোর্টই দেওয়া হয় না। এফোর্টই দিতে পারো না। তুমি ভাবো যে, ‘না, এটা সম্ভব না’। তখন তোমার মন একটু হাল ছেড়ে দেয়। কোনোটাই করা যাবে না। ছোট ছোট লক্ষ্য পূরণ করতে হবে, ভাই।

    কারণ দেখো, ঐ যে একটা খুব সুন্দর একটা কথা আমি দেখলাম কদিন আগে, ‘তুমি যেই ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করছ, হয়তো সেই ভবিষ্যতে তুমি এক্সিস্টই করো না’।

    জিনিসটা খুবই কিন্তু, মানে, ফিল করলে কিন্তু খুব হৃদয়স্পর্শী। কারণ আমরা চিন্তা করছি যে, পাঁচ বছর পর, আজ থেকে কোথায় নিজেকে দেখতে চাই, কী করতে চাই, না করতে চাই। কিন্তু পাঁচ বছর পাঁচ মিনিট পর, পাঁচ সেকেন্ড পর তুমি বেঁচে থাকবে কিনা, সেই গ্যারান্টি তো নাই রে ভাই।

    সো, তুমি এরকম একটা ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করছ, যেখানে, যেটা তুমি থাকবে কিনা সেটারই গ্যারান্টি নাই। সো আমরা এটাকে ছোট করে আনি। মানে, প্রোবাবিলিটি কীভাবে কাজ করে জানো কিনা?

    যেমন মনে করো যে, আজ থেকে একশো বছর পরে, একশো বছর পরে, মনে করো যে আমার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা, প্রোবাবিলিটি হচ্ছে… এরকম কিছু একটা। অনেক কম, বললেই চলে। বাট একদম জিরো বলা যাবে না। আল্লাহ চাইলে হতেই পারে।

    সো, প্রোবাবিলিটি অনেক কম। আজ থেকে যখন এটা আমি ৯৯ বানাব, তখন এই প্রোবাবিলিটি সামান্য একটু হয়তো বাড়বে, সামান্য একটু বাড়বে।

    যদি আজ থেকে বলি যে ৫০ বছর পরে, তখন সেটার প্রোবাবিলিটি হয়তো আরেকটু ডিফারেন্ট নাম্বার হবে। নাম্বারটা আরও বড় হচ্ছে। আস্তে আস্তে আরও বিগ নাম্বার হবে। এখানে আরেকটু বড় নাম্বার হবে। এখানে একটু বড় নাম্বার হবে। আর এখন থেকে পাঁচ ঘণ্টা পরে প্রোবাবিলিটি কি আরও বড়? আরও বেশি।

    এখন থেকে পাঁচ সেকেন্ড পরে আরও বেশি। বাট কোথাও কি না, ‘ওয়ান’ না। এখন থেকে পাঁচ সেকেন্ড পরে আমার বেঁচে থাকার প্রোবাবিলিটি হচ্ছে ০.৯৯৯৯… বাট ‘ওয়ান’ না। এই ‘ওয়ান’টাই কোনোখানে নাই। সুতরাং কী? যত সময় যাবে প্রোবাবিলিটি ততই কি হবে? কমবে।

    সো, জাস্ট মোর লাইক যে, আছে… আমরা নেক্সট পাঁচ ঘণ্টার জন্য একটু প্ল্যান করি। এইটুকুের জন্য প্ল্যান করি। গেছে, ঠিক আছে। তারপর আবার আরেকটা, আর এক পাঁচ ঘণ্টার জন্য বা পাঁচ দিনের জন্য করলাম।

    তো আমরা এত বড় স্বপ্ন দেখছি, এত বড় প্ল্যান করছি, এরকম একটা সময়ের জন্য প্ল্যান করছি, সেখানে হয়তো আমরা নাই। মারা গেলাম। হতে পারে না? বলো, অবিশ্বাস্য কিছু না।

    অ্যাডমিশন ক্যালেন্ডারে জীবনে কেউ মারা যায় নাই? গেছে তো। কারণ শুধু শুধু কি শুধু টেনশন করে এখন বর্তমান খারাপ করে লাভ আছে? ‘লিপিং ইন প্রেজেন্ট’ বলে, প্রেজেন্ট তো নাই। যেই মুহূর্তে প্রেজেন্টেশন বলছে, এটা ফাস্ট হয়ে যাচ্ছে। সো নেটওয়ার্ক ইজ ফিউচার, যেটা…

    নেক্সট এক-দুই-তিন ঘণ্টা কী করব, সেটা নিয়ে চিন্তা করি আমরা। ঠিক আছে? দেখো, নেক্সট ‘টাস্ক’ টা খুব সহজ। তোমার লক্ষ্য হচ্ছে বুয়েটে চান্স পাওয়া। তোমার লক্ষ্য নেক্সট এক ঘণ্টার মধ্যে একটা চ্যাপ্টার শেষ করা। এটা অনেক সহজ। আরে!

    আরও পড়ুনঃ চ্যাটজিপিটি স্টাডি মডেল দিয়ে ১০ গুণ বেশি পড়াশোনা

    ২. কেন কোচিংয়ের মার্ক বা পজিশন ভর্তি পরীক্ষায় সফলতা নির্ধারণ করে না?

    কোচিংয়ের মার্কস বা পজিশন কেন ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়? কোচিংয়ের মার্কস বা পজিশন সাধারণত ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে প্রভাব ফেলে না, কারণ কোচিং পরীক্ষা ও মূল ভর্তি পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড, প্রশ্নপত্রের ধরন, পরিবেশ ও পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা।

    তাই কোচিংয়ের খারাপ ফলাফলে হতাশ না হয়ে বরং মূল পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়া উচিত। কোচিংয়ের মার্ক বা পজিশন ম্যাটার করে না। এই কথাটা ভাই আমি চাইলে, পারলে এভাবে কোটেশন করে আমার নাম লিখে এখানে, এরপরে তোমাদের বাসায় বাসায় দিয়ে আসতাম, দেয়ালে টাঙিয়ে আসতাম যে, নে ভাই, আমি বলতেছি বিশ্বাস কর আমার কথা।

    Couching Marks - ইউনিভার্সিটি ভর্তি সিজনে মনোবল

    আমি বড় ভাই হিসেবে বলতেছি, তোর ক্ষতি করে আমার কোনো লাভ নাই। তুই চান্স না পাইলে আমি আর টাকা পাব না ভাই, চান্স পাইলে বরং আমাকে মিষ্টি খাওয়াইতে পারিস। ধর, তোকে আমি বলতেছি ভাই, বিশ্বাস কর প্লিজ। আমি বড় হয়ে বলতেছি, কোচিংয়ের মার্কস আর পজিশন ম্যাটার করে না রে ভাই।

    আমি নিজের চোখে দেখেছি, যে পজিশন সবসময় থাকত, আরেকটা ফ্রেন্ড ছিল মেডিকেলে কোচিং করছিল, সবসময় ‘লেস দ্যান ফিফটি’, সবসময়। মারাত্মক লেভেলের ফ্ল্যাক্সিবল। তো ভাই, মেসেঞ্জার-ম্যাসেঞ্জারটা আমরা ধ্বংস করে ফেলতাম আর প্রতিদিন পরীক্ষা দিয়ে এসে রেজাল্ট যখন আসে, স্ক্রিনশট নেওয়া যাবে না ভাই।

    ‘ট্রাস্ট মি অন দিস’। ও চান্স পাইছিল। ও চান্স পায়নি দেখে আমি খুশি হয়ে নিই ভাই। একদমই ‘ট্রাস্ট মি অন দিস’। বাট ও চান্স পেয়েছিল। বাস্তবতা, ও চান্স পাইছিল দেইখা আমি থ হয়ে গিয়েছিলাম। অবাক হয়ে যেয়ো না। আবার এরকম পোলাপান আমি দেখছি ভাই, ওদের পজিশন সবসময় ‘গ্রেটার দ্যান ফোরকে’।

    ফাজলামো থাকত। ওরাও গিয়ে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ চান্স পেয়েছে। সুতরাং ‘ট্রাস্ট মি’, প্লিজ বিশ্বাস কর ভাই, কোচিংয়ের পজিশন, কোচিংয়ের ব্র্যান্ড নাম্বারে ম্যাটার করে না।

    আরও পড়ুনঃ Winning Formula to BUET, Medical & DU Admission Preparation Strategy | ট্রিপলেট অ্যাডমিশন গাইড

    কোচিং পরীক্ষা ও মূল ভর্তি পরীক্ষার মধ্যে পার্থক্য

    বিষয়কোচিং পরীক্ষাভর্তি পরীক্ষা (DU/বুয়েট/মেডিকেল)
    স্ট্যান্ডার্ডনিজস্ব স্ট্যান্ডার্ডভর্তি পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড আলাদা
    সিচুয়েশনতুলনামূলকভাবে শিথিলঐ সিচুয়েশনের ভর্তি সিচুয়েশন আলাদা
    আবহাওয়াপরীক্ষার আবহাওয়া আলাদাঐখানে পরীক্ষার আবহাওয়া আলাদা
    দিনটিএই দিনটা আলাদাঐ দিনটা আলাদা

    সুতরাং এই দুইটাকে একসাথে করে ফেলো না। ভাইবো না যে, কোচিংয়ের পরীক্ষায় ভালো মার্কস পাচ্ছি না দেখে আমি অ্যাডমিশন পরীক্ষায় ভালো মার্কস পাব না। এটা ভেবে নিজেকে হতাশার মধ্যে ফেলে দিও না। এটা একটা শয়তানের কুব, মানে, কু-চিন্তা ভাবনা ছাড়া, কুচক্র ছাড়া কিছু না। ঠিক আছে? বিশ্বাস করো।

    ৩. মাল্টিপল অপশন হাতে রাখা কি ব্যর্থতার লক্ষণ?

    মাল্টিপল অপশন বা ব্যাকআপ প্ল্যান হাতে রাখা কি প্রত্যাশিত লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হওয়া বা ব্যর্থতার ইঙ্গিত দেয়?

    মাল্টিপল অপশন হাতে রাখা বা ব্যাকআপ প্ল্যান তৈরি করা মোটেও ব্যর্থতার লক্ষণ নয়, বরং এটি একটি বাস্তবসম্মত, মানসিক চাপ-হ্রাসকারী এবং বুদ্ধিদীপ্ত কৌশল। এটি চূড়ান্ত লক্ষ্যের উপর থেকে অতিরিক্ত বোঝা কমিয়ে দেয় এবং মানসিক স্বস্তি প্রদান করে, যা মূল লক্ষ্যে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বাড়ায়।

    মাল্টিপল অপশন হাতে রাখা। হ্যাঁ, এই জিনিসটা খুবই বাস্তবিক একটা কথা। তোমাদের শুনতে খুব খারাপ শোনা যেতে পারে, বাট এটা সত্য কেন? মনে করো যে তোমার টার্গেট হচ্ছে গিয়ে বুয়েট। ধরলাম বুয়েট। এখন, তোমাকে যে আমি জিজ্ঞেস করি, তুমি, আচ্ছা, বুয়েটে না হলে তোমার প্ল্যান কী?

    তোমার মনটা খারাপ হয়ে যাবে। তুমি ভাবো, আরে ভাইয়া, তাইলে কি বলতে চাচ্ছেন আমি বুয়েটে আসতে পারব না? আমি সেটা বলছি না। ‘দেয়ার শুড বি অলওয়েজ এ ব্যাকআপ প্ল্যানস’, ঠিক কি না বলো? ‘দেয়ার শুড বি অলওয়েজ এ ব্যাকআপ প্ল্যানস’। ব্যাকআপ প্ল্যানস কিন্তু খারাপ কিছু না। ব্যাকআপ প্ল্যানস হচ্ছে ‘গুড থিং’। ‘ব্যাকআপ প্ল্যান ইজ এ গুড থিং’।

    আরও পড়ুনঃ মেডিকেল কেমিস্ট্রির ২০০% গুরুত্বপূর্ণ টপিক – শিখা পরীক্ষার বর্ণ মনে রাখবে যেখাবে!

    ব্যাকআপ প্ল্যান রাখার সুবিধা

    বার্ডেন কমায়: তোমার উপর থেকে ‘বার্ডেন’ টা কমে যায়। তুমি যখন একটা প্ল্যান করতেছো, মানুষের এটা ভাই, মানুষের প্ল্যানিংয়ের অভাব নাই। মানুষ প্ল্যান করে কী জানো? ‘শুধু বুয়েট না, বুয়েটের সিএসই লাগবে আমার, অন্য কিছু হইলে হবে না’।

    হতাশা কমায়: এটি খুব হাস্যকর। তুমি নিজের উপর কী ‘বার্ডেন’ করতেছ? এখন যদি আমি বলি যে, না তুমি বুয়েটে যাচ্ছ না, তুমি ফার্স্ট হয়ে যাবে। বুয়েটে আর কোনো অপশন নাই। তোমাকে ফার্স্ট হতেই হবে। ফার্স্ট টাইম ফার্স্ট ছাড়া কোনো অপশন নেই। ফার্স্ট না হলে তুমি ব্যর্থ।

    এটা তো ‘হিউম্যান ক্রিয়েটেড সাকসেস‘ এর ডেফিনেশন হচ্ছে যে তুমি নিজে ‘ডিফাইন’ করছো তোমার সাকসেস।

    সফলতার হার বাড়ায়: তোমার সাকসেস তুমি ‘ডিফাইন’ করার কেউ না, ভাই। তোমার সাকসেস ‘ডিফাইন’ করবে আল্লাহ। তুমি ভাবতেছো বুয়েটে চান্স পাওয়া ‘সাকসেস’। বুয়েটের একটু খোঁজ নিয়ে দেখো। বুয়েটের বড় ভাইদের কাছে খোঁজ নিয়ে দেখো যে, কত মানুষ বুয়েটে পড়ার পরে পাশ হয়ে বের হতে পারে না।

    তুমি ভাবতেছো ঢাবিতে চান্স পাওয়া ‘সাকসেস’। আমাকে জিজ্ঞেস করো ঢাবিতে আমার সাথে যারা পড়তেছে, তারা। আমার, আমার বেস্ট ফ্রেন্ডের মধ্যে এক-দুই মানুষ পড়ালেখা নিয়ে আর সিরিয়াসই না।

    তুমি ভাবতেছো ঢাবিতে চান্স পাওয়া ‘সাকসেস’। আমাকে জিজ্ঞেস করো ঢাবিতে আমার সাথে যারা পড়তেছে, তারা। আমার, আমার বেস্ট ফ্রেন্ডের মধ্যে এক-দুই মানুষ পড়ালেখা নিয়ে আর সিরিয়াসই না। তারা ঢাবিতে চান্স পাওয়ার জন্য জানো কত কষ্ট করছিল! তারা পড়াশোনায় সিরিয়াসলি তারা পারতেছে না।

    যে ওকে, সমস্যা হচ্ছে না। একদিন এক বাস করা… কত মানুষ ঝড়ে যাচ্ছে আমি জানি! মানে, আন্ডার অ্যাচিভারের এই নাম্বারগুলো… এগুলো একটু খোঁজখবর নাও। দেখো, তুমি তোমার মনের মধ্যে ‘সাকসেস’-এর ডেফিনেশন শয়তান ‘ক্রিয়েট’ করে দিচ্ছে। যে, বুয়েট না হলে তুমি ‘ফেল’।

    সিরিয়াসলি না হলে তুমি ‘ফেল’। ফার্স্ট না হলে তুমি ‘ফেল’। বুয়েটের জায়গায় তুমি যদি অপশন বাড়াও, তখন তোমার কী? ‘হরাইজন’ টা বাড়বে। তোমার ‘সাকসেস’ এর রেট বাড়বে। যেহেতু ‘হিউম্যান ক্রিয়েটেড সাকসেস’ নিয়ে আমরা কথা বলতেছি, সো আমাদের যেমন ‘সাকসেস’টাকে ‘পিনপয়েন্ট’ করার সুযোগ আছে, আমাদের ‘সাকসেস’টাকে ‘ব্লার’ করার সুযোগ আছে।

    আমি চাইলে ‘পিনপয়েন্ট’ করে দিতে পারি, বুয়েটে ফার্স্ট হলে তুমি সফল, না হলে তুমি ব্যর্থ। আমি ‘পিনপয়েন্ট’ করে দিতে পারি যে, সিকিউরিটি গার্ড এক জায়গায় হলেই হইলো ভাই, পাবলিকে হলেই হইলো। এগুলো আমি ‘ব্লার’ করে দিলাম। যেহেতু এটা ‘হিউম্যান ক্রিয়েটেড সাকসেস’, সো ‘লেটস মেক ইট প্ল্যান বি’। এই জায়গাগুলোর মধ্যেই যদি আমি যাইয়া গলি, আমি হইলো ‘আলহামদুলিল্লাহ’। বুঝলাম? জীবনটাকে সহজ করতে শিখো।

    আরও পড়ুনঃ ৭ ধরণের স্টুডেন্ট যারা কোনোদিনও পাবলিকে চান্স পায় না!

    ৪. কেন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার ‘রিলাক্স’ নয় বরং মানসিক চাপ বাড়ায়?

    সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে স্ক্রল করা আপাতদৃষ্টিতে রিলাক্সেশন মনে হলেও কেন তা অ্যাডমিশন সিজনে মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?

    সোশ্যাল মিডিয়ার ক্রমাগত স্ক্রলিং ব্রেইনকে প্রচুর পরিমাণে ডোপামিন রিলিজ করে, যা সাময়িকভাবে ভালো লাগার অনুভূতি দিলেও তা আসলে একটি আসক্তির মতো কাজ করে। এটি মস্তিষ্কে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে এবং ব্যবহারকারীকে এক প্রকার ‘মহাহতাশা’য় ঠেলে দেয়।

    ফোনটা খুলো, ফেসবুক খুলো। তোমরা ভাবছো যে তোমরা এই জিনিসটা করতেছো, তোমরা ভাবছো যে তোমরা ‘রিলাক্স’ করতেছো। ‘রিলাক্স’, তোমরা ‘রিলাক্স’ করতেছো, ‘রিলাক্স’ করতেছো। ‘ট্রাস্ট মি’, তোমার ব্রেইন, যখন ‘স্ক্রল’ করি আমরা, আল্লাহ, মানে তোমার ব্রেইন তখন মারাত্মক প্রেসারে থাকে।

    বাট তুমি বুঝতে পারবা না কেন? কারণ ‘ডোপামিন’ বলে একটা জিনিস ‘রিলিজ’ হয়। মনে করো কথার কথা। কথার কথা, নিশ্চয়ই এরকম যে, তোমাকে আমি বললাম যে, তোমার হাতের মধ্যে আমি হাতুড়ি দিয়ে বাড়ি দিব। তুমি বললে, যোহ, ভাই, কী বলে, ব্যাথা পাবো। আমি বললাম যে, ঠিক আছে। ব্যথা দিব না। তাহলে একটা কাজ করি।

    হাতুড়ি দিয়ে বাড়ি দিব আর প্রত্যেক বাড়িতে তোমাকে এক হাজার করে টাকা দেব। হোমওয়ার্ক কিন্তু বিশাল। এক হাজার টাকা দিব। সারা জীবন লাগে আমার খাওয়াইতে হবে। দেখবে, বাড়িতে পাঠাই দিলাম, দিলাম এক হাজার টাকার চেক। খুশি হয়ে যাবে। ফোকাসটা যাবে কোথায় তোমার?

    এক হাজার টাকার চেকের ওপরে। তোমাকে আবার দিব। চলেন, যে ভাই, টাকা দিবেন? হ্যাঁ, দিব তো। এক হাজার টাকা দিব। বাদ দেন, দেন আমারে বাড়ি। হাতুড়ি দিয়ে বাড়ি আর এক হাজার টাকার চেক। তখন ফোকাসটা কোথায় যাচ্ছে বলতো? ফোকাসটা কিন্তু বাড়িতে নাই। ফোকাসটা হয়ে গেছে কোথায়? এক হাজার টাকার চেকে। এক হাজার টাকার চেক হচ্ছে ‘ডোপামিন’।

    আর হাতের বাড়িটা হচ্ছে তুমি যখন ‘স্ক্রল’ করতেছো, তুমি ‘রিলাক্স’ ফিল করতেছো। ‘রিলাক্স’, ‘রিলাক্স’ করতেছ। বাট ‘একচুয়ালি রিলাক্স’ করতেছ না। আমি এই জিনিসটা ফিল করছি। মনে হয় ভার্সিটির ধারে যখন উঠে তখন থেকে। প্রশ্ন করলাম এবং তখন আমার ‘স্ক্রিন টাইম’ ছিল অলমোস্ট ৬৭ আওয়ারস।

    যেটা এখনো তোমাদের অনেকের থেকে হোক, তোমাদের ‘স্ক্রিন টাইম’ আমি মাশাল্লাহ ১২ ঘণ্টা প্লাস। আমি জানি। বাট এখনো ‘স্ক্রিন টাইম’টা জানো, ম্যাক্সিমাম থ্রি আওয়ারস। এই থ্রি আওয়ারস এর আমি একটা ‘টাইমিং স্ক্রিন’-এ সেট করছি ফোনে।

    ‘টু আওয়ারস’-এর ‘স্ক্রিন টাইম’-এর কাছাকাছি গেলে আরও এক ঘণ্টা ধরে ‘ওয়ার্নিং’ দেয়। তখন থেকে আমি ফোন ছাড়া দিব। ‘টু আওয়ারস’-এর আমি দেখা যাই আর ফোন চালানো যাবে না।

    সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের উপায়

    • আমার ফোনে ফেসবুক নাই। মেসেঞ্জার আছে, হোয়াটসঅ্যাপ আছে খালি।
    • আমার ফেসবুকের পেইজ এটা আমার ম্যানেজার চালায়।
    • আমার টিকটকের একটা অ্যাকাউন্ট আছে।
    • আমি টিকটকে জীবনে মনে হয় দুই মিনিটও ‘স্ক্রল’ করি না।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় হচ্ছে এই কাজটা করে। অ্যাডমিশন সিজনে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকাটা ‘ফরজ’। ‘ফরজ’ যদি এমন হয় যে ক্লাস করা লাগে, কিছু করা লাগে। নতুন আইডি খুলো। এই আইডিতে শুধু গ্রুপগুলোতে অ্যাড হও।

    তুমি শুধু ‘সেটিং ওয়েতে’ চালাও। চালাতেই হয়, শুধু সেলফি তুলে চালাও। ফেসবুক থেকে দূরে থাকো, দরকারই নাই। এই ভিডিওটা তোমরা দেখতেছো সোশ্যাল মিডিয়াতে। ভিডিওটা শেষ হলে ডিলিট করে দাও, ভাই। ‘আনইন্সটল’ করে দাও। ওকে। তুমি ‘আনইন্সটল’ করে দাও, আমার লস।

    ৫. হেলদি লাইফস্টাইল ও নামাজ: মানসিক শান্তির মূল মন্ত্র

    ভর্তি পরীক্ষার টেনশন কমানো এবং ডিপ্রেশন (হতাশা) থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য একটি হেলদি লাইফস্টাইল এবং নিয়মিত নামাজ/প্রার্থনা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    একটি হেলদি লাইফস্টাইল, বিশেষ করে পর্যাপ্ত ঘুম (৬-৭ ঘন্টা) এবং নিয়মিত প্রার্থনা (যেমন মুসলিমদের জন্য নামাজ) মানসিক চাপ কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। নামাজ একটি শক্তিশালী ‘রিলাক্সি’ এবং ‘মেডিসিন’ হিসেবে কাজ করে যা সারাদিনকে এমনভাবে ভাগ করে দেয় যে ডিপ্রেশনে পড়ার সুযোগ থাকে না।

    পাঁচ নাম্বারে আসি, ‘হেলদি লাইফস্টাইল’। নামাজ, ‘হেলদি লাইফস্টাইল ইজ রিয়েলি ইম্পরট্যান্ট’, স্পেশালি ইন অ্যাডমিশন সিজন। যখন তোমার মারাত্মক লেভেলের মানসিক চাপে মনই তুমি ডাকছো, এক্ষেত্রে আমি আমার একটা গল্প শেয়ার করি। আমার যখন অ্যাডমিশন চলে, তখন আমার একটা সমস্যা হয়েছিল।

    এই সমস্যাটা এক্সাক্টলি, এক্সাক্টলি নাম আছে, এক্সাক্ট নাম ভুলে গেছি। ‘এক্সট্রিম লেভেল এংজাইটি ড্রাইভ‘। একটা ‘ডিজিজ’। যেটা হতো আমি যখন নিঃশ্বাস নিতাম, আমার কাছে মনে হতো যে নিঃশ্বাস আমি পুরাটা নিতে পারতেছি না।

    ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার একটু চেকআপ-টাকআপ করলো। তারপর, আমি কিন্তু বলি নাই ডাক্তারকে যে আমি টেনশনে আছি, আমি অ্যাডমিশন চলতেছে বাট কিচ্ছু বলি নাই। ডাক্তারের কাছে গিয়ে ডাক্তারের কাছে সমস্যাটা বললাম মানে, আচ্ছা আমার মনে হচ্ছে না আমি শ্বাস নিলে এভাবে নড়তেছে না।

    তাহলে আমার মুখ, মানে মনে হচ্ছে যে আমি সাসপেন্ড নিচ্ছি না। তো ডাক্তার সাব ডিরেক্টলি আমার দিকে তাকিয়ে থাকে বললো যে, তুমি খুব বেশি টেনশনে আছো।

    ‘টেনশনে’? এখন মানে হ্যাঁ। ডাক্তার, আমি তো অ্যাডমিশন চলতেছে তো টেনশনে আছি। ডাক্তার বললো যে এই জন্যই হচ্ছে, ‘ইনস্পিরি সিম্পল’। টেনশন করা কমিয়ে দাও। দেখবা চলে যাবে।

    আরও পড়ুনঃ ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা প্রস্তুতি ও সমস্যা সামলানো!

    হেলদি লাইফস্টাইল এর প্রধান উপাদান

    পর্যাপ্ত ঘুম: এটলিস্ট ছয়-সাত ঘণ্টা ঘুম ইজ ইম্পরট্যান্ট। টাইম লিস্ট চেষ্টা করবা। আমি জানি যে এখন খুবই ডিফিকাল্ট, বর্তমান লাইফস্টাইলের সাথে এটা দিয়ে খাপ খাওয়ানো। বাট এগারোটা থেকে সকাল পাঁচটা বা ছয়টা। ফজরের নামাজ পর্যন্ত এই টাইমটা ঘুমানোর ট্রাই করবে। ‘বেস্ট টাইম’।

    নামাজ/প্রার্থনা: নামাজ পড়া শেষ, মুসলিমদের জন্য বলতেছি। অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা তোমাদের যেই প্রেয়ার আছে, তোমাদের যেই ‘রিচুয়াস’ আছে, ‘কাস্টম’ আছে সেগুলা ফলো করা উচিত। এইটা মারাত্মক ‘রিলাক্সি’। এইটা হচ্ছে আসল ‘রিলাক্স’। এবং নামাজটা হচ্ছে মেডিসিন টাইপের।

    সারাদিনের ভিতর এমন ভাবে ডিভাইড করে দিসে আল্লাহ, মাশাআল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, যে সারাদিনের ভিতর এমন ভাবে ডিভাইড করে দিছে না? তাইলে ডিপ্রেশনে পড়ার সুযোগ নাই। আল্লাহর সামনে গেলে দেখবা এমন ভালো হয়ে গেছে।

    এইগুলা জানি জাস্ট এই যে, বিকজ ডিপ্রেশন জিনিসটা শয়তানের ‘সুইসাইডি’, ‘আই সিম্পল আইজ ডার্ক’। ‘রিয়াল ইন্টারফেস’-এর নামাজ পড়াটা তোমার অ্যাডমিশন লাইফ ‘ইজি’ করে দিবে।

    তো এই ভিডিওটা আমি একটু সময় নিয়ে বানালাম। অনেক কথা বললাম। কারণ জিনিসটা খুবই সিরিয়াস এবং আমি ‘ক্যান নট ডিভোর্স ইমাজিন’ যে কত পরিমাণ মানুষ এই অ্যাডমিশন থেকে যে ডিপ্রেশন সৃষ্টি হয়, সেই ডিপ্রেশনকে পরে গিয়ে ‘সুইসাইড ডিলিট’ করে।

    পরে গিয়ে আরও খারাপ কাজ, নেশা বা ‘প্রাইভেটেশন’, বা ‘ফেসবুক অ্যাডেকশন’, বা ‘কোনো অ্যাডেকশন’ বা অন্য যেকোনো ‘গ্যাংমালিয়া’ অ্যাডেকশন, খারাপ সঙ্গে পড়া, ইত্যাদি ইত্যাদি সমস্যার মধ্যে পড়ে। ‘হেলথ ইফেক্টস’, মানুষ এইখানে ফিজিক্যাল ‘হেলথ ইফেক্টস’, ‘লটস অফ ইস্যুস’।

    দেখো, ‘আইল্যান্ড’-এর টার্গেট আমাদের ‘কোর্স বাজ’। আমিও মানি ‘আইল্যান্ড’-এর টার্গেট আমাদের ব্যবসা, আমিও মানি। বাট দিন শেষে যদি আমি সারাজীবন খালি কোর্সই বেচলাম, বাট আমারও আমার আমি কখনো বললাম না স্টুডেন্টদেরকে যে, কীভাবে ডিপ্রেশন থেকে বের হইতে হবে। আলহামদুল্লিলাহ! আমি শুধু নতুন নতুন ডিপ্রেশন হওয়ার রাস্তা খুঁজে দিলাম।

    FAQ Section (প্রায়শ জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন)

    ১. অ্যাডমিশন সিজনে কেন শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা (ডিপ্রেশন) খুব স্বাভাবিক?

    অ্যাডমিশন সিজনে ডিপ্রেশন স্বাভাবিক কারণ শিক্ষার্থীরা বড় লক্ষ্য (যেমন DU/বুয়েট) পূরণের তীব্র চাপ এবং সমাজের উচ্চ প্রত্যাশার কারণে মানসিক চাপে ভোগে, যা ইউনিভার্সিটি ভর্তি সিজনে মনোবল ধরে রাখা কঠিন করে তোলে।

    ২. ছোট ছোট লক্ষ্য পূরণ করা কীভাবে মনোবল (কনফিডেন্স) বাড়াতে সাহায্য করে?

    ‘সেট স্মল গোলস’ নীতির মাধ্যমে ছোট লক্ষ্য পূরণ হলে তাৎক্ষণিক সফলতার অনুভূতি হয়। এই অনুভূতি মস্তিষ্কে ইতিবাচক উদ্দীপনা যোগায় এবং পরবর্তী কঠিন টাস্কটি করার জন্য আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে।

    ৩. কোচিংয়ের খারাপ ফলাফল কি চূড়ান্ত ভর্তি পরীক্ষায় চান্স না পাওয়ার ইঙ্গিত দেয়?

    না, কোচিংয়ের খারাপ ফলাফল চূড়ান্ত ভর্তি পরীক্ষায় চান্স না পাওয়ার ইঙ্গিত দেয় না। কোচিং পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড মূল ভর্তি পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ডের চেয়ে আলাদা, তাই খারাপ মার্কস দেখে হতাশ না হয়ে মনোযোগ ধরে রাখা উচিত।

    ৪. ব্যাকআপ প্ল্যান (মাল্টিপল অপশন) রাখা কি মূল লক্ষ্য থেকে মনোযোগ সরিয়ে দেয়?

    ব্যাকআপ প্ল্যান রাখলে মূল লক্ষ্য থেকে মনোযোগ সরে যায় না, বরং এটি মানসিক চাপ (বার্ডেন) কমায়। এটি প্রত্যাশিত লক্ষ্য অর্জিত না হলেও জীবনের সুযোগ খোলা রাখে, যা মনোবল ধরে রাখতে সাহায্য করে।

    ৫. একজন শিক্ষার্থী কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ফোকাস করতে পারে?

    একজন শিক্ষার্থী ‘স্ক্রিন টাইম’ সীমিত করে, ফেসবুক/টিকটক আনইনস্টল করে এবং কেবল শিক্ষামূলক গ্রুপে থাকার জন্য নতুন আইডি ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি (ডোপামিন পুশ) থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে।

    ৬. মানসিক চাপ (টেনশন) কমাতে দৈনিক কত ঘণ্টা ঘুমানো আবশ্যক?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যাডমিশন সিজনে মানসিক চাপ কমানো ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ঠিক রাখতে দৈনিক কমপক্ষে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা ঘুমানো আবশ্যক, যা রাত ১১টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে হলে সর্বোত্তম।

    Table of Contents

    • ইউনিভার্সিটি ভর্তি সিজনে মনোবল
    • ১. সেট স্মল গোলস (Small Goals Set)
    • ২. কেন কোচিংয়ের মার্ক বা পজিশন ভর্তি পরীক্ষায় সফলতা নির্ধারণ করে না?
      • কোচিং পরীক্ষা ও মূল ভর্তি পরীক্ষার মধ্যে পার্থক্য
    • ৩. মাল্টিপল অপশন হাতে রাখা কি ব্যর্থতার লক্ষণ?
      • ব্যাকআপ প্ল্যান রাখার সুবিধা
      • ৪. কেন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার ‘রিলাক্স’ নয় বরং মানসিক চাপ বাড়ায়?
      • সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের উপায়
      • ৫. হেলদি লাইফস্টাইল ও নামাজ: মানসিক শান্তির মূল মন্ত্র
      • হেলদি লাইফস্টাইল এর প্রধান উপাদান
    • FAQ Section (প্রায়শ জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন)
      • ১. অ্যাডমিশন সিজনে কেন শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা (ডিপ্রেশন) খুব স্বাভাবিক?
      • ২. ছোট ছোট লক্ষ্য পূরণ করা কীভাবে মনোবল (কনফিডেন্স) বাড়াতে সাহায্য করে?
      • ৩. কোচিংয়ের খারাপ ফলাফল কি চূড়ান্ত ভর্তি পরীক্ষায় চান্স না পাওয়ার ইঙ্গিত দেয়?
      • ৪. ব্যাকআপ প্ল্যান (মাল্টিপল অপশন) রাখা কি মূল লক্ষ্য থেকে মনোযোগ সরিয়ে দেয়?
      • ৫. একজন শিক্ষার্থী কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ফোকাস করতে পারে?
      • ৬. মানসিক চাপ (টেনশন) কমাতে দৈনিক কত ঘণ্টা ঘুমানো আবশ্যক?

    University Admission
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Previous Articleমেডিকেল ভর্তি বায়োলজিতে ৩০ এ ৩০ পাওয়ার গোপণ কৌশল! – Secret Tricks to get 30 out of 30 in Medical Admission Test Biology
    Next Article পড়ার ঘরের ১০টি অপরিহার্য জিনিস: ছাত্রছাত্রীদের জন্য সেরা Study Space সাজানোর গাইড – 10 Study Room Essentials for Students
    NiceTrix (Admin)
    • Website
    • Facebook
    • X (Twitter)
    • Pinterest
    • Instagram
    • Tumblr
    • BlogLovin
    • LinkedIn

    I am an education administrator and digital entrepreneur with 12+ years of experience in school management, IT, and digital services. I have founded SoftDows and BidyaShikhi, working on impactful web projects to empower education, technology, and business communities.

    Related Posts

    Academic Tricks

    মেডিকেল ভর্তি বায়োলজিতে ৩০ এ ৩০ পাওয়ার গোপণ কৌশল! – Secret Tricks to get 30 out of 30 in Medical Admission Test Biology

    September 14, 2025
    Academic Tricks

    ঢাকা ইউনিভার্সিটি ভর্তি প্রস্তুতি A to Z মাষ্টার প্লান – Complete Guide for Dhaka University Admission Preparation Master Plan

    September 14, 2025
    Academic Tricks

    নার্সিং ভর্তি প্রস্তুতি ও বিস্তারিত গাইড লাইন – 3 Proven & Successful Nursing Admission Preparation and Detailed Guideline

    September 14, 2025
    View 3 Comments

    3 Comments

    1. Pingback: Winning Formula to BUET, Medical & DU Admission Preparation Strategy | ট্রিপলেট অ্যাডমিশন গাইড - NiceTrix

    2. Pingback: ৭ ধরণের স্টুডেন্ট যারা কোনোদিনও পাবলিকে চান্স পায় না! - Why 7 Types of Student Never Get Chance in Public University! - NiceTrix

    3. Pingback: নার্সিং ভর্তি প্রস্তুতি ও বিস্তারিত গাইড লাইন - 3 Proven & Successful Nursing Admission Preparation and Detailed Guideline - NiceTrix

    Leave a ReplyCancel reply

    Demo
    Top Posts

    ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া – প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফল!

    August 27, 20254,611 Views

    গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio): সকল এআই মডেল একসাথে ব্যবহারের সুযোগ

    September 14, 2025142 Views

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 202592 Views
    Stay In Touch
    • Facebook
    • YouTube
    • TikTok
    • WhatsApp
    • Twitter
    • Instagram
    Latest Reviews

    Subscribe to Updates

    Get the latest tech news from FooBar about tech, design and biz.

    Demo
    Most Popular

    ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া – প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফল!

    August 27, 20254,611 Views

    গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio): সকল এআই মডেল একসাথে ব্যবহারের সুযোগ

    September 14, 2025142 Views

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 202592 Views
    Our Picks

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 2025

    ক্রোয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সর্বশেষ তথ্য

    October 19, 2025

    বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা নিয়ে ইউরোপ প্রবেশের পূর্ণাঙ্গ গাইড লাইন

    October 17, 2025

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    NiceTrix
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube LinkedIn WhatsApp TikTok Telegram Threads
    • Home
    • Contact Us
    • Our Authors
    © 2026 Copyright @ NiceTrix. Designed by SoftDows

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Ad Blocker Enabled!
    Ad Blocker Enabled!
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please support us by disabling your Ad Blocker.