Close Menu
NiceTrixNiceTrix

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 2025

    ক্রোয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সর্বশেষ তথ্য

    October 19, 2025

    বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা নিয়ে ইউরোপ প্রবেশের পূর্ণাঙ্গ গাইড লাইন

    October 17, 2025
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • Advertise With Us
    • Disclaimer
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest Vimeo
    NiceTrixNiceTrix
    • Home
    • Lifestyle
    • Academic
    • AI Tech
    • Career
    • Abroad
    • Update
    Subscribe
    NiceTrixNiceTrix
    Home»Lifestyle Hacks»বিসিএস প্রস্তুতি: কম পড়ে পাশ করার ৫টি কৌশল – ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও প্রস্তুতির গল্প – 5 Proven Working Technique to Pass BPSC
    Lifestyle Hacks

    বিসিএস প্রস্তুতি: কম পড়ে পাশ করার ৫টি কৌশল – ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও প্রস্তুতির গল্প – 5 Proven Working Technique to Pass BPSC

    NiceTrix (Admin)By NiceTrix (Admin)September 14, 2025Updated:October 2, 2025No Comments8 Mins Read
    Share Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Reddit Telegram Email
    বিসিএস প্রস্তুতি: কম পড়ে পাশ করার ৫টি কৌশল - ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও প্রস্তুতির গল্প
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    আমার বিসিএস জার্নি শুরু ৪১তম বিসিএস থেকে। কিভাবে বিসিএস প্রস্তুতি নিয়েছি, প্রিলি ও রিটেনে টিকে গিয়েছি, কী কী অভিজ্ঞতা হয়েছে এবং নতুন প্রার্থীরা কিভাবে শিখতে পারেন— জানুন এই আর্টিকেলে।

    অনেকেই আমার বিসিএস প্রস্তুতি জার্নি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন, মন্তব্য করেছেন, ফোন দিয়েছেন। তো আজকে ভাবলাম আমার বিসিএস জার্নিতে আমি কিভাবে পড়েছি, কোন জায়গায় কতদিন পড়েছি, কিভাবে প্রিলি টিকেছে, রিটেন টিকেছে— বিসিএস প্রস্তুতি সংক্রান্ত সে জিনিসগুলো আপনাদেরকে একটু জানিয়ে রাখি।

    বিসিএস জার্নির শুরু

    বিসিএস প্রস্তুতি: কম পড়ে পাশ করার ৫টি কৌশল - ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও প্রস্তুতির গল্প
    একজন চাকরিপ্রার্থী বিসিএস প্রস্তুতি নিচ্ছে। ছবিটি Gemini AI দিয়ে তৈরি।

    খেয়াল করুন, আমার বিসিএস জার্নিটা শুরু হয়েছে ৪১তম বিসিএস থেকে। আমি ৪১তম বিসিএসে জাস্ট অনার্স শেষ করে আবেদন করার সময়টা পেয়েছিলাম। আবেদন মানে প্রথম আবেদন করতে পেরেছিলাম। এই প্রথম পরীক্ষাটা দিয়েছিলাম অনার্সের পরপর। সাধারণত একটা শিক্ষার্থীর যে প্রস্তুতি থাকে, আমার তেমনটা ছিল না।

    তো আমি একটা কথা বলে রাখি— আমি চাকরির জন্য কখনোই সিরিয়াসলি পড়িনি। আমি অনার্স ফার্স্ট ইয়ার থেকেই একটু একটু করে পড়তাম, খুব বেশি না, অনার্সের পাশাপাশি।

    আমার একাডেমিক রেজাল্টও ভালো। আমার অনার্স-মাস্টার্স দুইটাই ফার্স্ট ক্লাস। আমি অ্যাপ্লাইড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং করেছি, আপনারা জানেন এটা একটা কঠিন সাবজেক্ট। ওখানে ফার্স্ট ক্লাস তোলা কিন্তু অনেক কঠিন।

    তো ওই জায়গায় আমি আমার পড়াশোনার পাশাপাশি বন্ধু-বান্ধব, আড্ডা-ফাড্ডা সবকিছু মেইনটেইন করতাম। এগুলোর পাশাপাশি আমি ফার্স্ট ইয়ার থেকে একটু একটু করে পড়তাম। এছাড়াও, খারাপ অভ্যাস দূর করার সহজ ও কার্যকর কৌশল অবলম্বন করে আমি নিজেকে শুধরে নিয়েছিলাম।

    ৪১তম বিসিএস অভিজ্ঞতা

    অনার্স ফাইনালে এসে পরীক্ষা দিলাম, তারপরে আমি ৪১তম বিসিএসে আবেদন করি এবং পরীক্ষা দিই। কিন্তু আমার বিসিএস প্রস্তুতি খুব আহামরি ছিল না। ৪১তম বিসিএসের কাহিনী আপনাদের বলি—দুইশো নম্বরের যে প্রিলি, সেটা শুরু হয়েছিল ৩৫তম বিসিএস থেকে। ৩৫তম বিসিএসের পরে সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন ধরা হয়েছিল ৪১তম। বিসিএস জার্নি সম্পর্কে আইডিয়া থাকলে বুঝবেন কোন পরীক্ষায় কাটমার কত হতে পারে।

    ৩৫তম বিসিএসে যখন পরীক্ষা হয় তখন আমি খুব সম্ভবত অনার্স ফার্স্ট ইয়ার বা অ্যাডমিশন দিচ্ছিলাম। তখন আমার মেসের এক বড় ভাই পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তিনি ৯০-এর আশেপাশে পেয়েছিলেন এবং প্রিলিতে ছিলেন। তারপর ধরা হয় ৩৫ এর পরে ৪১তমের প্রশ্নটা কঠিন হয়েছে।

    ৪১তম বিসিএসে আমি জাস্ট দুষ্টামি করে পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলাম। প্রথম বিসিএস দিতে হবে এমন কোন সিরিয়াসনেস ছিল না। এমনও না যে আমি ২ বছর ধরে টানা পড়েছি। আমি পরীক্ষা দিয়ে এলাম, আমার মনে হচ্ছিল ৯৬–৯৭ এর মতো হবে, কিন্তু পাস নম্বর ধরেছিলাম ১০০। কারণ আগের বিসিএসের অ্যানালাইসিস দেখে বুঝেছিলাম এর চেয়ে কম হবে না।

    এর মাঝে আমার একটা সরকারি চাকরি হয়ে যায়—যেটা আমি বর্তমানে করছি। আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী। বড় ভাইয়েরা খুব প্রাউড ফিল করছিলেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ খুব খুশি। যখন একটা চাকরি পাবেন, দেখবেন যে আপনার মধ্যে একটা ন্যাচারাল হাসিখুশি ভাব থাকবে, চাপ থাকবে না।

    ৪১তম বিসিএসে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি আবেদন করেছিল প্রায় ৪,৭৫,০০০ জন। কিন্তু মাত্র ২১,০০০ জন টিকে যায়। আমি প্রিলিতে টিকেছিলাম, কিন্তু রিটেন দেইনি। কারণ আমার চাকরির ট্রেনিং, ট্রান্সফার, বদলি—সব মিলিয়ে সময় পাইনি।

    ৪৩ ও ৪৪তম বিসিএস অভিজ্ঞতা

    তারপর ৪৩ ও ৪৪তম দিলাম। ওই সময় আমার নতুন চাকরি, নতুন অফিস, ট্রেনিং—এসব নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। মোটামুটি ১০-১৫ দিন একটু বই-টই ঘাঁটছিলাম। ৪৩তমে আমার প্রায় ১০০–১৩০ এর মতো হয়েছিল, ৪৪তমে প্রায় ১১০–১১৫। আমি কোনো রকম বিসিএস প্রস্তুতি না নিয়ে, না পড়ে এই নাম্বার পাওয়া যথেষ্ট ভালো মনে করি।

    আমার কাছে ছিল চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি সেরা স্ট্র্যাটেজি যা ফলো করলে এক বছরের মধ্যেই চাকরি পাওয়ার সম্ভবনা আছে।

    ৪৫তম বিসিএস অভিজ্ঞতা

    BPSC Exam Hall - বিসিএস প্রস্তুতি
    এআই দিয়ে তৈরি বিসিএস পরীক্ষা ভাইভা বোর্ডের একটি কাল্পনিক ছবি।

    তারপর হাল ছেড়ে দিলাম যে আমি অনলাইনে ফোকাস করব, বিসিএস আর ট্রাই করব না। কিন্তু ৪৫তমে আবার দিলাম। ৪৫তম প্রশ্ন ছিল একেবারে ৪১তমের মতো কঠিন। কঠিন প্রশ্ন হলে যারা গদবাঁধা মুখস্ত করে তারা কুলাতে পারে না, যাদের বেসিক ভালো তারা টিকে যায়। আলহামদুলিল্লাহ আমি টিকে গেলাম।

    ৪৫তম বিসিএসে ইতিহাসে সবচেয়ে কম প্রিলি পাস হয়েছিল—মাত্র ১২,০০০ জন। রিটেনেও ছিল নতুন ইতিহাস। কোন অপশনাল প্রশ্ন ছিল না। ইংরেজি রচনা দুইটা এসেছে, দুটোই উত্তর করতে হবে। অংকে আগে ১২ সেট প্রশ্ন আসতো, ২টা বাদ দিতে পারতেন, এবার সেই সুযোগও ছিল না। প্রশ্নের মানও কঠিন ছিল। নয়শো নম্বরে সাড়ে চারশো পেলেই পাস। কিন্তু এত কঠিন প্রশ্নে সাড়ে চারশো পাওয়া খুব কঠিন। তবুও আলহামদুলিল্লাহ, আমি রিটেনেও টিকে যাই।

    ৪৬তম বিসিএস অভিজ্ঞতা

    ৪৬তম বিসিএসেও আমি প্রিলিতে টিকে গেছি। ইতিহাসে সবচেয়ে কম পাস—প্রথমে মাত্র ১০,০০০ জন। পরে সরকার পরিবর্তনের পরে পিএসসি প্রায় ২১,০০০ জনকে ফলাফলে যুক্ত করে। তবে আমি ৪৬তম রিটেন দেব না, কারণ আমার ফোকাস এখন বর্তমান চাকরি, অনলাইন ক্যারিয়ার ও পরিবার।

    আমার পড়াশোনা নিয়ে সামারি

    এখন আমার পড়াশোনা নিয়ে একটা সামারি করি। আমি ৪৫তম বিসিএসে টিকেছি মাত্র ১৫ দিন পড়ে। অনেকে এই নিয়ে হাসি-তামাশা করে। কিন্তু আমি ক্লাস থ্রি থেকে ক্লাস টেন পর্যন্ত এমনভাবে পড়েছি যে আমার ক্লাস ফাইভে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি ছিল, মেট্রিকেও বৃত্তি ছিল। এই বেসিকের কারণে চাকরির প্রস্তুতিতে আমাকে খুব বেশি পড়তে হয়নি।

    চাকরির পরীক্ষায় যে গণিত, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান আসে, এর বেশিরভাগই আমরা স্কুলেই পড়েছি। সিরাজউদ্দৌলার ইতিহাস, পলাশীর যুদ্ধ, বক্সারের যুদ্ধ, সিপাহি বিদ্রোহ—এসব আমি তখনই পড়েছি। তাই বিসিএসে এসে এগুলো নতুন করে পড়তে হয়নি।

    রিটেন পরীক্ষায় পাস বা ফেল পুরোপুরি আপনার হাতে। প্রিলিতে ২০০টি নির্দিষ্ট প্রশ্ন, অতিরিক্ত কিছু লিখতে পারবেন না। কিন্তু রিটেনে আপনি আপনার পূর্বের জ্ঞান ব্যবহার করে উত্তরকে সমৃদ্ধ করতে পারেন। যেমন ইংরেজিতে রচনা এসেছিল Refugee Problem নিয়ে। আমি আলাদা করে পড়িনি, কিন্তু আগে থেকে খবর-পত্রিকা পড়ে যা জানতাম তা লিখে পাস করেছি।

    আমার একটি সমস্যা হলো আমি দ্রুত লিখতে পারি না। যার ফলে বেশি লিখতে পারিনি। যারা দ্রুত লিখতে পারেন তারা বেশি নম্বর পেতে পারেন। তাই হাতের লেখার অনুশীলন করা জরুরি।

    ভবিষ্যৎ প্রার্থীদের জন্য বার্তা

    যারা এখনো অনার্স ফার্স্ট ইয়ার বা ইন্টারমিডিয়েটে আছেন, তাদের বলবো—স্কুল-কলেজে যতটা সম্ভব ক্লিয়ার করে পড়ুন। তাতে চাকরির প্রস্তুতিতে বেশি সময় লাগবে না। কেউ যদি ১০–১৫ দিনের প্রস্তুতিতে প্রিলিতে টিকে যায়, তাকে ছোট করে দেখবেন না। কারণ তার ব্যাকগ্রাউন্ড আপনার চেয়ে শক্তিশালী হতে পারে।

    উপসংহার

    প্রিয় শিক্ষার্থীরা, এ ছিল আমার বিসিএস জার্নি। অনেক কথা বলেছি। ভুল-ত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। যেসব কথা আপনার ভালো লাগবে, সেগুলো নিয়ে নিজের জার্নি শুরু করুন। আপনাদের জন্য রইল অনেক শুভকামনা। গণিতের বিষয়ে যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের পেইজে নক দিতে পারেন। আমাদের পেইজে ফ্রি ভিডিও দেখতে পারেন। আল্লাহ হাফেজ।

    বিসিএস জার্নি সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর

    প্রশ্ন ১: আপনার বিসিএস জার্নি কিভাবে শুরু হয়েছিল?

    উত্তর: আমার বিসিএস জার্নি শুরু হয়েছিল ৪১তম বিসিএস থেকে। আমি তখন অনার্স শেষ করেছি এবং প্রথমবারের মতো আবেদন করার সুযোগ পেয়েছিলাম।

    প্রশ্ন ২: ৪১তম বিসিএসে আপনার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

    উত্তর: ৪১তম বিসিএসে আমি কোনো সিরিয়াস প্রস্তুতি ছাড়াই পরীক্ষা দিয়েছিলাম। মনে হচ্ছিল ৯৬–৯৭ নম্বর হবে, কিন্তু পাস নম্বর ১০০ হবে ধরে নিয়েছিলাম। তবুও আলহামদুলিল্লাহ, প্রিলিতে টিকে গিয়েছিলাম।

    প্রশ্ন ৩: কেন ৪১তম বিসিএসকে কঠিন বলা হয়?

    উত্তর: ৩৫তম বিসিএস থেকে ২০০ নম্বরের প্রিলি শুরু হয়েছিল। ৩৫তমের পরে সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন ধরা হয়েছিল ৪১তম বিসিএসকে।

    প্রশ্ন ৪: ৪৩তম ও ৪৪তম বিসিএসে আপনার ফলাফল কেমন হয়েছিল?

    উত্তর: ৪৩তম বিসিএসে আমার প্রায় ১০০–১৩০ এর মতো হয়েছিল এবং ৪৪তম বিসিএসে প্রায় ১১০–১১৫ এর মতো হয়েছিল। তবে আমি তখন চাকরি ও ট্রেনিং নিয়ে ব্যস্ত থাকায় বেশি পড়াশোনা করতে পারিনি।

    প্রশ্ন ৫: ৪৫তম বিসিএসে মাত্র ১৫ দিন পড়ে কিভাবে টিকে গেলেন?

    উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ, আমি ৪৫তম বিসিএসে মাত্র ১৫ দিন পড়ে টিকে গিয়েছিলাম। কারণ আমি ক্লাস থ্রি থেকে টেন পর্যন্ত খুব ভালোভাবে পড়েছি। ক্লাস ফাইভ ও মেট্রিক উভয় ক্ষেত্রেই বৃত্তি পেয়েছিলাম। সেই শক্তিশালী বেসিক আমাকে সাহায্য করেছে।

    প্রশ্ন ৬: ৪৫তম বিসিএস রিটেন পরীক্ষায় কী ধরনের পরিবর্তন ছিল?

    উত্তর: ৪৫তম বিসিএসে রিটেনে কোনো অপশনাল প্রশ্ন ছিল না। ইংরেজি রচনা দুইটা এসেছে এবং দুটোই উত্তর করতে হয়েছে। অংকে আগে ১২ সেট প্রশ্ন আসতো, এবার বাদ দেওয়ার সুযোগ ছিল না।

    প্রশ্ন ৭: ৪৬তম বিসিএসে কেন রিটেন দিলেন না?

    উত্তর: আমি ৪৬তম বিসিএসে প্রিলিতে টিকে গিয়েছিলাম। কিন্তু বর্তমান চাকরি, অনলাইন ক্যারিয়ার ও পরিবারকে গুরুত্ব দেওয়ার কারণে রিটেন দিইনি।

    প্রশ্ন ৮: আপনার একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড বিসিএস প্রস্তুতিতে কতটা সাহায্য করেছে?

    উত্তর: আমার অনার্স-মাস্টার্স দুটোতেই ফার্স্ট ক্লাস আছে। আমি অ্যাপ্লাইড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং করেছি। এই কঠিন সাবজেক্টে ভালো রেজাল্ট করার কারণে আমার বেসিক খুব শক্তিশালী হয়েছে, যা বিসিএস প্রস্তুতিতে অনেক সাহায্য করেছে।

    প্রশ্ন ৯: বিসিএস প্রিলিতে টিকে থাকার জন্য সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর কী বলে মনে করেন?

    উত্তর: স্কুল-কলেজে শক্তিশালী বেসিক থাকলে প্রিলিতে টিকে যাওয়া সহজ হয়। কারণ বেশিরভাগ প্রশ্নই স্কুল-কলেজে পড়ানো হয়।

    প্রশ্ন ১০: রিটেন পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাওয়ার জন্য কী টিপস দেবেন?

    উত্তর: রিটেন পরীক্ষায় পূর্বের জ্ঞান ব্যবহার করে উত্তর সমৃদ্ধ করতে হয়। খবর-পত্রিকা পড়া, বিষয়ভিত্তিক ধারণা থাকা এবং দ্রুত লেখার অভ্যাস থাকলে বেশি নম্বর পাওয়া যায়।

    প্রশ্ন ১১: দ্রুত লেখার অভ্যাস কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    উত্তর: আমি দ্রুত লিখতে পারি না, তাই বেশি লিখতে পারিনি। যারা দ্রুত লিখতে পারে তারা বেশি উত্তর লিখতে পারে এবং নম্বরও বেশি পায়। তাই দ্রুত লেখার অনুশীলন জরুরি।

    প্রশ্ন ১২: স্কুল-কলেজের বেসিক জ্ঞান বিসিএস প্রস্তুতিতে কতটা কাজে আসে?

    উত্তর: অনেক কাজে আসে। যেমন—সিরাজউদ্দৌলার ইতিহাস, পলাশীর যুদ্ধ, সিপাহি বিদ্রোহ এগুলো আমি স্কুলে পড়েছি। তাই বিসিএসে এসে নতুন করে শিখতে হয়নি।

    প্রশ্ন ১৩: নতুন বিসিএস প্রার্থীদের জন্য আপনার বিশেষ পরামর্শ কী?

    উত্তর: যারা এখনো অনার্স ফার্স্ট ইয়ার বা ইন্টারমিডিয়েটে আছেন, তারা স্কুল-কলেজে যতটা সম্ভব পরিষ্কারভাবে পড়ুন। তাহলে চাকরির প্রস্তুতিতে বেশি সময় লাগবে না।

    প্রশ্ন ১৪: চাকরি পাওয়ার পর বিসিএস প্রস্তুতিতে মনোযোগ দেওয়া কতটা কঠিন?

    উত্তর: চাকরি পেলে স্বাভাবিকভাবে ট্রেনিং, বদলি, অফিসের কাজ নিয়ে ব্যস্ততা আসে। তাই সময় বের করা কঠিন হয়ে যায়। এ কারণেই আমি কয়েকবার রিটেন দিতে পারিনি।

    প্রশ্ন ১৫: বিসিএস প্রিলি ও রিটেনের মধ্যে মূল পার্থক্য কী?

    উত্তর: প্রিলি পরীক্ষায় নির্দিষ্ট ২০০টি প্রশ্ন থাকে যেখানে অতিরিক্ত কিছু লেখার সুযোগ নেই। কিন্তু রিটেন পরীক্ষায় আপনি আপনার পূর্বের জ্ঞান ব্যবহার করে উত্তরকে সমৃদ্ধ করতে পারেন।

    Table of Contents

    • বিসিএস জার্নির শুরু
      • ৪১তম বিসিএস অভিজ্ঞতা
      • ৪৩ ও ৪৪তম বিসিএস অভিজ্ঞতা
      • ৪৫তম বিসিএস অভিজ্ঞতা
      • ৪৬তম বিসিএস অভিজ্ঞতা
      • আমার পড়াশোনা নিয়ে সামারি
      • ভবিষ্যৎ প্রার্থীদের জন্য বার্তা
      • উপসংহার
    • বিসিএস জার্নি সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর
      • প্রশ্ন ১: আপনার বিসিএস জার্নি কিভাবে শুরু হয়েছিল?
      • প্রশ্ন ২: ৪১তম বিসিএসে আপনার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
      • প্রশ্ন ৩: কেন ৪১তম বিসিএসকে কঠিন বলা হয়?
      • প্রশ্ন ৪: ৪৩তম ও ৪৪তম বিসিএসে আপনার ফলাফল কেমন হয়েছিল?
      • প্রশ্ন ৫: ৪৫তম বিসিএসে মাত্র ১৫ দিন পড়ে কিভাবে টিকে গেলেন?
      • প্রশ্ন ৬: ৪৫তম বিসিএস রিটেন পরীক্ষায় কী ধরনের পরিবর্তন ছিল?
      • প্রশ্ন ৭: ৪৬তম বিসিএসে কেন রিটেন দিলেন না?
      • প্রশ্ন ৮: আপনার একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড বিসিএস প্রস্তুতিতে কতটা সাহায্য করেছে?
      • প্রশ্ন ৯: বিসিএস প্রিলিতে টিকে থাকার জন্য সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর কী বলে মনে করেন?
      • প্রশ্ন ১০: রিটেন পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাওয়ার জন্য কী টিপস দেবেন?
      • প্রশ্ন ১১: দ্রুত লেখার অভ্যাস কেন গুরুত্বপূর্ণ?
      • প্রশ্ন ১২: স্কুল-কলেজের বেসিক জ্ঞান বিসিএস প্রস্তুতিতে কতটা কাজে আসে?
      • প্রশ্ন ১৩: নতুন বিসিএস প্রার্থীদের জন্য আপনার বিশেষ পরামর্শ কী?
      • প্রশ্ন ১৪: চাকরি পাওয়ার পর বিসিএস প্রস্তুতিতে মনোযোগ দেওয়া কতটা কঠিন?
      • প্রশ্ন ১৫: বিসিএস প্রিলি ও রিটেনের মধ্যে মূল পার্থক্য কী?

    Exam Hacks Exam Tricks
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Previous Articleচাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি সেরা স্ট্র্যাটেজি – 1 Year Master Plan for Getting Govt Job
    Next Article মেডিকেল কেমিস্ট্রির ২০০% গুরুত্বপূর্ণ টপিক – শিখা পরীক্ষার বর্ণ মনে রাখবে যেখাবে! Awesome Technique to Memorize Metals Flame Test Color
    NiceTrix (Admin)
    • Website
    • Facebook
    • X (Twitter)
    • Pinterest
    • Instagram
    • Tumblr
    • BlogLovin
    • LinkedIn

    I am an education administrator and digital entrepreneur with 12+ years of experience in school management, IT, and digital services. I have founded SoftDows and BidyaShikhi, working on impactful web projects to empower education, technology, and business communities.

    Related Posts

    Update

    পড়াশোনার ক্ষেত্রে জাপানিদের ৮টি দারুন পদ্ধতি – 8 Japanese Secret Study Techniques to be a Topper

    September 15, 2025
    Update

    ভালো ফলাফল এর জন্য ঘুম কতটা জরুরী! Sleep necessary for academic success

    September 15, 2025
    Lifestyle Hacks

    নিজের সাথে কথা বলার ৩টি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি – 3 Effective and Scientific Method to talk yourself

    September 15, 2025
    Add A Comment

    Leave a ReplyCancel reply

    Demo
    Top Posts

    ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া – প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফল!

    August 27, 20254,611 Views

    গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio): সকল এআই মডেল একসাথে ব্যবহারের সুযোগ

    September 14, 2025144 Views

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 202592 Views
    Stay In Touch
    • Facebook
    • YouTube
    • TikTok
    • WhatsApp
    • Twitter
    • Instagram
    Latest Reviews

    Subscribe to Updates

    Get the latest tech news from FooBar about tech, design and biz.

    Demo
    Most Popular

    ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া – প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফল!

    August 27, 20254,611 Views

    গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio): সকল এআই মডেল একসাথে ব্যবহারের সুযোগ

    September 14, 2025144 Views

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 202592 Views
    Our Picks

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 2025

    ক্রোয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সর্বশেষ তথ্য

    October 19, 2025

    বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা নিয়ে ইউরোপ প্রবেশের পূর্ণাঙ্গ গাইড লাইন

    October 17, 2025

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    NiceTrix
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube LinkedIn WhatsApp TikTok Telegram Threads
    • Home
    • Contact Us
    • Our Authors
    © 2026 Copyright @ NiceTrix. Designed by SoftDows

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Ad Blocker Enabled!
    Ad Blocker Enabled!
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please support us by disabling your Ad Blocker.