Close Menu
NiceTrixNiceTrix

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 2025

    ক্রোয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সর্বশেষ তথ্য

    October 19, 2025

    বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা নিয়ে ইউরোপ প্রবেশের পূর্ণাঙ্গ গাইড লাইন

    October 17, 2025
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • Advertise With Us
    • Disclaimer
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest Vimeo
    NiceTrixNiceTrix
    • Home
    • Lifestyle
    • Academic
    • AI Tech
    • Career
    • Abroad
    • Update
    Subscribe
    NiceTrixNiceTrix
    Home»Update»পড়াশোনার ক্ষেত্রে জাপানিদের ৮টি দারুন পদ্ধতি – 8 Japanese Secret Study Techniques to be a Topper
    Update

    পড়াশোনার ক্ষেত্রে জাপানিদের ৮টি দারুন পদ্ধতি – 8 Japanese Secret Study Techniques to be a Topper

    Khairul AlamBy Khairul AlamSeptember 15, 2025Updated:October 11, 2025No Comments12 Mins Read
    Share Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Reddit Telegram Email
    Japanese Secret Study Techn - Japanese Secret Study Techniques
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    জাপান দেশটা কি অদ্ভুত রকমের সুন্দর। চোখ বন্ধ করলেই চোখের উপর চেরি ব্লসমের অত সুন্দর সুন্দর আর্কিটেকচার ভেসে ওঠে। কিন্তু এই ছোট্ট দেশ জাপান, এর উপর দিয়ে কত ডিজাস্টার গেছে, কত ভূমিকম্প, সুনামি, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুত্পাত। তার উপরে আবার হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে অ্যাটম বোমার আঘাত। তাও টেকনোলজির দিক দিয়ে জাপান এখনো সবার থেকে আগে। সমস্ত টেকনোলজিক্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট জাপানে আছে এবং আগে তৈরি হয়েছে। যতবারই দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে জাপানিজরা, তারপরেও এগিয়ে গিয়ে সবার আগে থেকেছে। আমি যখন এই ভিডিওটা বানানোর জন্য রিসার্চ করছিলাম তখন কিছু জাপানিজ মাইন্ডসেট, কিছু জাপানিজ টেকনিক সম্পর্কে জানতে পারলাম। যে টেকনিকগুলো জাপানিজরা নিজেদের লাইফে ছোটবেলা থেকে ইমপ্লিমেন্ট করে, যার ফলে জাপানিজরা ভীষণই শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং ধৈর্যশীল হয়। আর এর জন্য জাপানিজ ছেলে-মেয়েরা পৃথিবীতে এত এগিয়ে থাকে। আজকে আমি এই ভিডিওতে আটখানা এমন পদ্ধতির কথা বলব যেগুলো জাপানিজরা তাদের ডেইলি লাইফে ফলো করে, যেগুলো স্টুডেন্টরা ফলো করলে তাদের পড়াশোনায় খুব ভালো উপকার পাওয়া যায়। তাহলে চলো আর দেরি না করে প্রথম টেকনিকটা জেনে নিই।

    প্রথম টেকনিক হচ্ছে ইকিগাই। এই ইকিগাইয়ের লজ অনুযায়ী প্রত্যেকটা জাপানিজ স্টুডেন্ট ছোট থেকে চেষ্টা করে তাদের নিজের মধ্যের পোটেনশিয়ালিটি খুঁজে নিতে। অর্থাৎ সবাইকে যে পড়াশোনায় খুব ভালো হতে হবে সেটা কিন্তু নয়। কিন্তু প্রত্যেকের মধ্যে কিছু হিডেন ট্যালেন্ট থাকে যেগুলো খুঁজে নিতে পারলে সে সেই দিকে শাইন করতে পারে। ইকিগাই কথার অর্থ হচ্ছে “রিজন ফর বিং”। তোমার থাকার একটা উদ্দেশ্য আছে পৃথিবীতে, আর সেই উদ্দেশ্যটাই তোমাকে খুঁজে নিতে হবে। সেই উদ্দেশ্যটা কী, সেটা দিয়ে পৃথিবীতে তুমি কিভাবে সার্ভ করতে পারবে এবং সেই সার্ভিসের মাধ্যমে তুমি কিভাবে আর্ন করতে পারবে, উপার্জন করতে পারবে—এই তিনটে ধাপে নিজেদেরকে আগে অ্যানালাইসিস করতে হবে। তাহলে কি কি বললাম—প্রথমত নিজের পোটেনশিয়ালিটি খুঁজে বের করো। দ্বিতীয়ত, সেই পোটেনশিয়ালিটি দিয়ে তুমি পৃথিবীকে কিভাবে সার্ভিস দিতে পারবে, লোকজনকে কিভাবে সাহায্য করতে পারবে সেটা দেখো। আর তৃতীয়ত, সেই সাহায্যের মাধ্যমে তুমি কিভাবে উপার্জন করতে পারবে সেটা দেখো। এই পদ্ধতিটা জীবনের যেকোনো ধাপে ভীষণভাবে কার্যকরী। একবার যদি তুমি ফাইন্ড আউট করতে পারো যে তোমার পোটেনশিয়ালিটি কী, তাহলে তোমাকে সাকসেস পাওয়া থেকে কেউ আটকাতে পারবে না।

    এবার আসি সেকেন্ড টেকনিকে। সেকেন্ড টেকনিক হচ্ছে কাইজেন। কাইজেন কথার অর্থ হচ্ছে ছোট ছোট চেঞ্জ। অর্থাৎ ডেইলি তুমি যদি নিজেকে ওয়ান পার্সেন্ট ইমপ্রুভ করতে পারো আগের দিনের থেকে, তাহলে মনে করবে ধীরে ধীরে ছোট ছোট স্টেপ ফেলে ফেলে তুমি একদিন অনেকখানি ইমপ্রুভ করতে পারবে। কাইজেন কথার অর্থই হচ্ছে কন্টিনিউয়াস ইমপ্রুভমেন্ট। তুমি একদিনে কিন্তু চাইলে একশতে ১০০ পেতে পারবে না। হয়তো তোমার টার্গেট আছে পরীক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করা বা ফুল মার্কস পাওয়া, কিন্তু তুমি একদিন পড়ে হঠাৎ করে বসে অথবা পরীক্ষার আগে দুদিন পরেই তো সেটা পারবে না অ্যাচিভ করতে। তাহলে তোমাকে কি করতে হবে? সারা বছরই অল্প অল্প করে সেই সাবজেক্টটাকে বেশি করে পড়তে হবে। একদিনে জাম্প করে যে শিফট সেটাকে কাইজেন বলে না। কাইজেন মানে হচ্ছে প্রতিদিন তোমার গোলের দিকে অল্প অল্প করে ইমপ্রুভমেন্টের স্টেপস ফেলা। এই জাপানিজ ফিলোসফিটাকে ইউনিভার্সিটি অফ টোকিও সাপোর্ট করেছে তাদের একটা রিসার্চ আর্টিকেলে। তারা বলেছে, হঠাৎ লাইফস্টাইল চেঞ্জ করার থেকে এটা অনেক বেশি এফেকটিভ—ছোট ছোট স্টেপসে নিজের গোলকে অ্যাচিভ করা।

    এবার থার্ড যে টেকনিকের কথা বলব সেটা হচ্ছে কেইকাকু বা কাইকাকু। এটা কাইজেনের ঠিক অপজিট, অর্থাৎ একটা সাডেন মেজর চেঞ্জ। এবার তুমি আমাকে বলবে, ম্যাম এক্ষুনি আপনি বললেন যে আমাকে স্মল স্টেপসে সাকসেসের দিকে এগোতে হবে, তাহলে আবার এখন বলছেন যে একটা সাডেন চেঞ্জ দরকার! তাহলে এটা কি করে হবে? একচুয়ালি এই দুটো দুটো ডিফারেন্ট সিনারিওতে কাজ করে। কাইজেন অনেক দূরের কোন গোলকে অ্যাচিভ করার জন্য বেস্ট, কিন্তু যখন তোমাকে সাডেন কোন চেঞ্জ আনতে হবে তখন এই কেইকাকু টেকনিকটা কাজে আসে। ধরো তুমি দিনের মধ্যে ৫–৬ ঘণ্টা মোবাইলে গেম খেলে কাটিয়ে দিচ্ছ বা ৩–৪ ঘণ্টা ফোনে কথা বলে বা রিলস দেখেই কাটিয়ে দিচ্ছ। তোমাকে এটা বন্ধ করতে হবে তৎক্ষণাৎ বা ইমিডিয়েটলি, তা না হলে তুমি কখনোই বড় গোল কিছু অ্যাচিভ করতে পারবে না। তাই এই পদ্ধতিতে তোমাকে ডিসাইড করতে হবে যে তোমার কোন হ্যাবিট তোমাকে সাডেনলি চেঞ্জ করতেই হবে।

    এবার এটা হঠাৎ করে কিন্তু সম্ভব নয়। তার জন্য এখানে একটা কেইকাকু টেকনিক টুল আছে। এই টুলটাতে পাঁচটা ‘Why’ কোয়েশ্চেনস তুমি নিজেকে করবে। ধরো তুমি পড়তে বসেছ, সেই সময় তুমি ফোনটাকে দেখছো। তখন তুমি নিজেকে প্রথম প্রশ্ন করো—কেন আমি এই মোবাইল ফোনটাকে ব্যবহার করছি পড়ার সময়? তখন সেটার উত্তর তুমি দেবে—এখন আমি মোবাইলটা ব্যবহার করছি কারণ আমার কাছে মোবাইলটা রয়েছে আর আমি রেজিস্ট করতে পারছি না, আমি কিছুতেই মোবাইলটাকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারছি না। দ্বিতীয় প্রশ্ন করো—কেন তুমি মোবাইলটাকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারছো না? তখন তার উত্তর তুমি দেবে—হয়তো কোন ইম্পর্ট্যান্ট কল বা মেসেজ আসবে আমার ফোনে, সেই জন্য আমি ফোনটাকে আমার সাথেই রাখছি। এরপর তুমি প্রশ্ন করো—কেন তোমাকে তোমার পড়ার সময় লোকে কল বা মেসেজ করবে? এর উত্তর হয়তো তোমার কাছে হবে—তারা জানে না যে তুমি কখন পড়ছো বা না পড়ছো। কিন্তু সেটা তো তোমাকেই ডিসাইড করতে হবে, তোমাকেই বলে দিতে হবে তাদেরকে যে এই সময়টা তোমার পড়ার সময়, এই সময়টা যেন ডিস্টার্ব না করে। পরের প্রশ্ন—কেন তুমি তোমার ফোনটাকে এয়ারপ্লেন মোডে রাখছো না? উত্তরে তুমি দেবে—হ্যাঁ, এয়ারপ্লেন মোডে যদি আমি ফোনটাকে রাখি তাহলে তো আমার কোন প্রবলেমই নেই, আমাকে কাউকে বলেও দিতে হবে না যে আমি এ সময় পড়ছি, আমার ফোনটা অটোমেটিক্যালি আউট অফ রিচ আসবে আর আমাকে কেউ ফোন করে বা মেসেজ করে পাবেনা। তাহলে আমার সমস্যার সমাধান হয়ে গেল। শেষ প্রশ্ন—তুমি এয়ারপ্লেন মোডে রেখে তাও আবার বারবার কেন খুলে দিচ্ছো এয়ারপ্লেন মোডটা? কারণ তুমি তোমার কাছে ফোনটাকে রাখছো, তাই বারবার এয়ারপ্লেন মোডে থাকা সত্ত্বেও আবার এয়ারপ্লেন মোডটাকে তুমি নরমাল মোডে নিয়ে আসছো। তার মানে তোমাকে কি করতে হবে? এই পাঁচটা প্রশ্ন নিজেকে করে শেষের সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে না, তুমি পড়ার সময় তোমার ফোনটাকে দূরে কোথাও রাখবে, এমন জায়গা যেখানে হাতের কাছে তুমি ফোনটাকে পাচ্ছো না। অর্থাৎ ফোনটাকে বন্ধ করে বা এয়ারপ্লেন মোডে রেখে তুমি অন্য রুমের ড্রয়ারে রেখে দিয়ে আসছো, যাতে তোমার পড়ার সময় সেই ফোনটা তোমাকে কোনভাবেই ডিস্টার্ব না করতে পারে। তো এই সাডেন চেঞ্জ, সেটা তোমাকে খুঁজে নিতে হবে যে তোমার লাইফে কিসের সাডেন চেঞ্জ এই মুহূর্তে দরকার।

    এরপরে আসে চতুর্থ টেকনিকে। নতুন টেকনিক হচ্ছে কানবান টেকনিক। এই কানবান হচ্ছে তোমার কাজের একটা চার্ট যেখানে তুমি একটা টুডু লিস্ট বানাবে যে এই এই পড়া আমাকে পড়তে হবে। নেক্সট কলাম হবে ওয়ার্ক ইন প্রগ্রেস, আর থার্ড কলাম হবে ডান অর্থাৎ ডান কাজ। কাজ কি করতে হবে, ওয়ার্ক ইন প্রগ্রেসের মধ্যে কতটা তোমার হয়েছে, আর যদি হয়ে যায় সেখানে ডানের জায়গায় তোমাকে টিক মার্ক করতে হবে। তোমার যা সাবজেক্ট সেগুলোর প্রত্যেকটার প্রত্যেকটা টপিক বা প্রত্যেকটা চ্যাপ্টারের এইভাবে তুমি একটা কানবান চার্ট বানাও। যেই কানবান চার্টের মধ্যে কি কি কাজ তোমাকে করতে হবে, কি কি পড়া করতে হবে—ধরো বইটা তোমাকে রিডিং করতে হবে, পড়াটা বুঝতে হবে, তারপর তার প্রিভিয়াস ইয়ার কোয়েশ্চেন সলভ করতে হবে, তারপর সেটাকে রিভাইস করতে হবে। তবে গিয়ে তোমার কাজটা কমপ্লিট হবে। চারটা ধাপ কমপ্লিট হলে তবেই তুমি যদি এই তিনটা স্টেপ করে থাকো, তাহলে গিয়ে তুমি ডানে টিক করবে। না হলে এই তিনটা স্টেপের মধ্যে যেগুলো তোমার হয়ে যাচ্ছে সেগুলো তুমি ওয়ার্ক ইন প্রগ্রেসের মধ্যে রাখবে, আর তারপরে যখন কমপ্লিট হয়ে যাবে, পুরোটা কমপ্লিট হয়ে গেলে ওয়ার্ক ইন প্রগ্রেসটাও শেষ হয়ে যাবে, তখন তুমি গিয়ে ডানে একটা টিক মারবে। এতে কি হবে? তোমার ভিজ্যুয়াল স্যাটিসফ্যাকশন আসবে আর তুমি তোমার গোলের কাছে পৌঁছানোর জন্য অনেক বেশি রেডি থাকবে। তোমার কাছে পুরো ক্লিয়ার থাকবে যে তোমাকে এই কাজ করতে হবে, এই কাজ তোমার করা হয়ে গেছে এবং এই কাজ করা আরো বাকি আছে। এই পুরো জিনিসটা জাপানিজরা তাদের ডেইলি লাইফে, সেটা অফিস হোক বা স্কুল হোক, প্রত্যেকে ফলো করে। আর এই সুন্দর পদ্ধতিটার নাম হচ্ছে কানবান পদ্ধতি।

    নেক্সট ৫ নম্বর টেকনিক, এটা খুবই ইন্টারেস্টিং একটা টেকনিক। টেকনিকটার নাম হচ্ছে ইনেমুরি। এই পদ্ধতিতে ধরো তোমার স্কুলে ক্লাস চলাকালীন তোমার খুব ঘুম পাচ্ছে বা কাজে অফিসে বসেও তোমার খুব ঘুম পাচ্ছে, তুমি ডেস্কে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়তে পারো। কেউ তোমাকে বকবে না, টিচার এসে তোমাকে তুলে দেবে না যে কেন তুমি ঘুমাচ্ছো। জাপানিজদের এই স্লিপিং টেকনিকটাকে বলা হয় ইনেমুরি বা পাবলিক স্লিপিং প্রসেস। এর মাধ্যমে তুমি ঘুমন্ত অবস্থাতেও তোমার কাজে প্রেজেন্ট আছো। তোমার শরীর যদি ঘুম ডিমান্ড করে, তাই তুমি ঘুমাচ্ছো এবং জাপানিজরা এটাকে ভীষণ সম্মানের চোখে দেখে। তাদের কাছে বাসে, ট্রেনে ঘুমিয়ে পড়াটা, স্কুলের ড্রেস পরে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়াটা কোন লজ্জার বিষয় নয়। কিন্তু অবশ্যই ঘুম থেকে জেগে ওঠার পরে তোমাকে তোমার কাজে আবার খুবই অ্যাটেনটিভ হয়ে ফেরত আসতে হবে। আর ঘুমিয়ে পড়াটা যেন তোমার লেজিনেস থেকে না আসে, ঘুমানোটা যেন তোমার বডির ডিমান্ড হয়।

    ৬ নম্বর টেকনিক হচ্ছে শোশিন। এই শোশিন মানে হচ্ছে তুমি যাই করো না কেন সেটা একদম বিগিনারের লেভেল থেকে শিখো। মানে তোমার মাথাকে একদম পরিষ্কার রেখে যখন কিছু জানছো সেটা একদম বাচ্চাদের মত কিউরিওসিটি দিয়ে শিখো। খুব মন দিয়ে যে “হ্যাঁ, আজকে আমি নতুন কিছু শিখবো” সেই মাইন্ডসেট থেকে পড়ো। এবার তুমি আমাকে বলবে, ম্যাম আমি তো রিভাইজও করি, অনেক সময় পুরনো জিনিসও পড়ি, তাহলে আমি কি করে সেটা বিগিনার লেভেল থেকে পড়বো? সেই ক্ষেত্রে জাপানিজরা বলে যে তুমি আগে যাই পড়েছ সেটা মাথায় রেখে সেই এক্সপার্টিস দিয়ে তুমি পড়তে বসো না। নতুন জিনিস বা পুরনো জিনিস যখন তুমি রিভাইস করবে তখন এই টেনডেন্সিতে পড়ো যে “আমি আবার নতুন কিছু শিখবো, আমি আগে যা জেনেছি তার থেকেও নতুন কিছু আমি আবার পড়লে জানতে পারব।” তার ফলে স্টুডেন্টরা যতবারই রিভাইস করে ততবারই নতুন কোন টপিক তাদের মধ্যে কিউরিওসিটি জাগায় এবং তার ফলে তারা পড়াটাকে আরো ভালোভাবে আরো মন দিয়ে পড়তে পারে। এই টেকনিকের মাধ্যমে বলা হয় যে মানুষ যেন অলওয়েজ রেডি টু লার্ন থাকে। অর্থাৎ সব সময় নতুন কিছু শেখবার আগ্রহ যেন তার মধ্যে থাকে, মাইন্ড যেন ওপেন হয়। তুমি ওপেন মাইন্ডে সবকিছু অ্যাকসেপ্ট করো, কিন্তু অন্ধ বিশ্বাস নয়, সেটাকে ভেরিফাই করে নাও। ধরো আমি যে তোমাদেরকে টেকনিকগুলো বলছি প্রত্যেকটাই তুমি সার্চ করে নিজের মত করে রিসার্চ করে দেখে নিতে পারো যে এগুলো সঠিক কিনা। কিন্তু তোমাকে আগে সেটা শুনতে হবে, জানতে হবে, সেটা তোমার ক্ষেত্রে অ্যাপ্লাই করার চেষ্টা করার জন্য তোমাকে সেটাকে গ্রহণ করতে হবে মাথায়। তবে তো তুমি সেটা যাচাই করবে। তুমি যদি প্রথমেই গ্রহণ করা বন্ধ করে দাও, তাহলে তো তুমি কোনো কিছু নতুন শিখতে পারবে না। তাই এই পদ্ধতিতে সব সময় বলা হয় যে নতুন কিছু শেখার তাগিদ যেন সব সময় তোমার মধ্যে থাকে। সেটা তুমি পুরনো কিছু কাজ করলেও সেই মাইন্ডসেট যেন তোমার থাকে যে তুমি পুরনো জিনিস থেকেই নতুন কিছু শিখতে পারবে। আর এর মাধ্যমে পড়াশোনা যখন তুমি করবে, কোনো একটা প্রবলেমের সলিউশন যখন তুমি করবে, সব সময় নতুন কোনো ইনোভেটিভ আইডিয়া, ক্রিয়েটিভ আইডিয়া তোমার মাথায় আসতে পারবে, যদি পুরনো এক্সপার্টিস দিয়ে তুমি আবার একটা প্রবলেম সলভ করো।

    নেক্সট ৭ নম্বর টেকনিক হচ্ছে ওয়াবি-সাবি। ওয়াবি-সাবির কথার অর্থ হচ্ছে এক্সেপ্টিং ইমপারফেকশন। কোনো কিছুই কিন্তু পারফেক্ট হয় না পৃথিবীতে, কেউই কিন্তু পারফেক্ট হয় না। তোমার ইমপারফেকশনটাকে তোমাকে একসেপ্ট করতে জানতে হবে। সবাই কিন্তু হান্ড্রেডে হান্ড্রেড পাওয়ার মত স্টুডেন্ট হয় না। একটা গল্প নিশ্চয়ই শুনেছো—একটা রেসে একটা কচ্ছপ দৌড়াচ্ছে, আবার একটা খরগোশ দৌড়াচ্ছে। তো খুব স্বাভাবিকভাবেই তো খরগোশটা জিতে যাবে কারণ খরগোশ তো অনেক জোরে রান করে। তাই না? কচ্ছপ জিততে কখনোই পারবে না। খরগোশ না হয় ঘুমিয়ে পড়েছিল, সবসময় তো খরগোশ ঘুমিয়ে পড়বে না। তাই কচ্ছপের জেতার চান্স কিন্তু থাকে না। কচ্ছপ কেন জিততে পারছে না সেই দিকে যদি কচ্ছপ ভাবতে বসে, তাহলে তো কচ্ছপ কোনোদিনও জিততে পারবে না। এদিকে কচ্ছপ যে এত বেশি বছর বাঁচে, খরগোশ তো এত বেশি বছর বাঁচে না। তাই কচ্ছপের পোটেনশিয়ালিটি কিন্তু অন্যদিকে আছে। তাই সে যদি বসে ভাবে যে আমি কেন জোরে দৌড়াতে পারি না, তাহলে তার যে ক্ষমতা সেটাকে না দেখেও নিজের ইমপারফেকশনটা দেখে দেখে সে কিন্তু নিজের জীবনের অর্ধেক সময় নষ্ট করে দেবে। ওয়াবি-সাবিতে তাই বলা হয়, যখন তুমি কিছু চেষ্টা করবে, সেটাতে নিজের হান্ড্রেড পার্সেন্ট দাও, কিন্তু সেটা যদি ইমপারফেক্ট হয়, সেটা যদি পারফেক্ট না হয় সেটার জন্য আফসোস করো না। ধরো তুমি খুব পড়াশোনা করছো, তুমি দেখছো তুমি সিক্সটি পেলে, তারপরেও তুমি নিজেকে চেক করলে যে কেন তোমার ভুলগুলো হয়েছে, তুমি সেটা নিয়ে ওয়ার্ক করলে এবং তুমি নিজেকে ইমপ্রুভ করলে। কিন্তু তোমার হান্ড্রেড পার্সেন্ট দিয়ে ইমপ্রুভ করার পরেও দেখলে যে তুমি এইটি পাচ্ছো, হান্ড্রেডে যেতে পারছো না, তাই জন্য তুমি দুঃখ করবে না। তুমি যে এগেছো, যে টুয়েন্টি মার্কস ইন্টারেস্ট করেছো সেটাকে সেলিব্রেট করো। টুয়েন্টি মার্কস কেন কম পেলে সেটা দেখে সময় নষ্ট করো না। তাই নিজের জীবনের তোমার পোটেনশিয়ালিটি যেদিকে আছে, সেই দিকে নিজের হান্ড্রেড পার্সেন্ট দেওয়ার চেষ্টা করো—এইটাই ওয়াবি-সাবির মূল মন্ত্র। আর এটাও বিভিন্ন রিসার্চ আর্টিকেল সাপোর্ট করেছে। কারণ অনেকেই, বিশেষ করে এই কম্পিটিশনের যুগে, যখন বাচ্চারা কোনো কিছু পাওয়ার জন্য তার পিছনে খাটে, সেটা যখন।

    কারণ অনেকেই, বিশেষ করে এই কম্পিটিশনের যুগে, যখন বাচ্চারা কোনো কিছু পাওয়ার জন্য তার পিছনে খাটে, সেটা যখন তারা পায় না, তখন তাদের ডিপ্রেশন হয় এবং তারা প্রচুর মারাত্মক ড্রাস্টিক স্টেপ নিতে পারে। কিন্তু তারা কখনোই ভেবে দেখেনা যে তাদের অন্যদিকে হয়তো পোটেনশিয়ালিটি অনেক বেশি ছিল। ইমপারফেক্ট জিনিসের পিছনে ভেবে খেটে সেটা কেন হচ্ছে না, সেটা নিয়ে স্ট্রেস নেওয়ার থেকে, তোমার যা পোটেনশিয়ালিটি আছে সেই দিকে যাওয়াটা অনেক বেশি ভালো। আর তোমার ইমপারফেকশনগুলোকে এক্সেপ্ট করার নাম হচ্ছে ওয়াবি-সাবি।

    এবার লাস্ট ৮ নাম্বার পদ্ধতি, সেটা হচ্ছে হারাহাচি বুক। এই পদ্ধতিটা জাপানের ওকিনাওয়া শহরে প্রথম আবিষ্কার করা হয়েছিল। সেখানকার বাসিন্দারা কখনোই ভরপেট খায় না। তারা সবসময় ৮০% খায়, ২০% ফাঁকা জায়গা রেখে দেয়। অর্থাৎ পেট ভরে খায় না। যখন তারা মনে করে যে তাদের পেট প্রায় ভর্তি হয়েছে, সেই সময় খাবারটা থামিয়ে দেয়। এর ফলে সারপ্রাইজিংভাবে সেখানে অনেক লোক ১০০ বছরেরও বেশি বাঁচে।

    এটা পড়াশোনায় কিভাবে কাজে লাগে? পড়াশোনায় ছোট থেকে প্র্যাকটিস করানো হয়। ছেলে-মেয়েদেরও ছোটবেলা থেকে শেখানো হয়। ফলে যখন তুমি পেট পুরো ভর্তি করছো না, ওভারফিট করছো না, তখন তোমার স্টম্যাক অনেক বেশি একটিভ থাকে, লিভার ভালোভাবে ফাংশন করে। খাবার দ্রুত হজম হয়, আর খানিকক্ষণ বাদে আবার খিদে পায়। খিদে পেলে আবার খাবার খেতে হবে, আর এই নিয়মিত খাবারের মাধ্যমে তুমি প্রোডাক্টিভ থাকতে পারো। একবারে ভরপেট খেলে ক্লাস বা কাজের সময় চোখ বন্ধ হয়ে আসে, কিন্তু হারাহাচি বুক পদ্ধতিতে সেটা হয় না। এর ফলে হেলথ, মাইন্ড ও লেজিনেস—সবকিছুর উপকার হয়।

    এই আটখানা পদ্ধতির মধ্যে তোমার ফেভারিট কোনটা লেগেছে? প্রত্যেকেরই ফেভারিট থাকবে। কিন্তু বাকিগুলোর মধ্যে তোমার ফেভারিট কোনটা, সেটা তুমি কমেন্ট সেকশনে জানাতে পারো। কোনো কিছু লিখলে, সেটা তোমার মাইন্ডেও অনেকক্ষণ থেকে যায়, আর তুমি চেষ্টা করবে সেইগুলোকে নিজের লাইফে অ্যাপ্লাই করতে।

    নিজের জীবনে কোন পদ্ধতি তুমি রিপ্লাই করতে চলেছো, সেটা কমেন্ট সেকশনে জানাও। আমি আশা করি এই ভিডিওটা তোমাদের খুব ভালো লেগেছে। ভালো লাগলে লাইক দেবে, আর ভিডিওটা বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারো। এরপর দেখা হবে আবার পরবর্তীতে এমনই কোনো ইন্টারেস্টিং ও ইউজফুল ভিডিওতে, যেখানে আমি তোমাদেরকে পড়াশোনার জন্য হেল্প করবো।

    Exam Hacks Handy Tips Life Hacks
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Previous Articleভালো ফলাফল এর জন্য ঘুম কতটা জরুরী! Sleep necessary for academic success
    Next Article স্মলপক্স বা গুটিবসন্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সব তথ্য – Smallpox epidemic Explanation
    Avatar photo
    Khairul Alam
    • Website
    • Facebook
    • X (Twitter)

    I am an Assistant Teacher (Agriculture) at Aziara High School, Nangalkot, Cumilla. I am dedicated to inspiring students with practical agricultural knowledge and modern farming practices, helping them connect classroom learning with real-world applications. Passionate about education and sustainable agriculture, I work to prepare the next generation with the skills needed for a better future.

    Related Posts

    Career Guide

    চাকরি নাকি উচ্চশিক্ষা কোনটি আগে করবেন?

    October 13, 2025
    Career Guide

    কার্যকরী সময় ব্যবস্থাপনার জন্য ৪টি টাইম ম্যানেজমেন্ট প্রিন্সিপাল – 4 Effective Time Management Principles

    October 12, 2025
    Career Guide

    ১০ টি স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির কৌশল – 10 Scientifically Proven Ways to Boost Brain Power

    October 11, 2025
    Add A Comment

    Leave a ReplyCancel reply

    Demo
    Top Posts

    ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া – প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফল!

    August 27, 20254,611 Views

    গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio): সকল এআই মডেল একসাথে ব্যবহারের সুযোগ

    September 14, 2025152 Views

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 202593 Views
    Stay In Touch
    • Facebook
    • YouTube
    • TikTok
    • WhatsApp
    • Twitter
    • Instagram
    Latest Reviews

    Subscribe to Updates

    Get the latest tech news from FooBar about tech, design and biz.

    Demo
    Most Popular

    ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া – প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফল!

    August 27, 20254,611 Views

    গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio): সকল এআই মডেল একসাথে ব্যবহারের সুযোগ

    September 14, 2025152 Views

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 202593 Views
    Our Picks

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 2025

    ক্রোয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সর্বশেষ তথ্য

    October 19, 2025

    বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা নিয়ে ইউরোপ প্রবেশের পূর্ণাঙ্গ গাইড লাইন

    October 17, 2025

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    NiceTrix
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube LinkedIn WhatsApp TikTok Telegram Threads
    • Home
    • Contact Us
    • Our Authors
    © 2026 Copyright @ NiceTrix. Designed by SoftDows

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Ad Blocker Enabled!
    Ad Blocker Enabled!
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please support us by disabling your Ad Blocker.