ইউরোপের মধ্যে স্বপ্নের একটি দেশ হচ্ছে জার্মানি। সেই জার্মানি অপরচুনিটি কার্ড ভিসার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ থেকে কর্মী নেওয়ার এক দারুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। আপনারা যারা আসতে চান, তাদের এখন থেকে কোনো ধরনের ওয়ার্ক পারমিট লাগবে না। কোনো এজেন্সি ধরতে হবে না, দালালকে কোনো টাকা দিতে হবে না। আপনি সম্পূর্ণভাবে নিজে নিজে প্রসেস করে, কিন্তু এই দেশটিতে আসতে পারবেন।
এটা অনেকটা বিজ্ঞাপনের মতো শোনালেও, এটাই সত্য। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, গত জুন মাস থেকে দেশটির সরকার “অপরচুনিটি কার্ড ভিসা” নামে একটি ভিসা বা সুযোগ চালু করেছে। এর মাধ্যমে আপনি জব খোঁজার জন্য এক ধরনের ভিসা নিয়ে এই দেশটিতে আসতে পারবেন এবং পরবর্তীতে আপনি জব পেলে এই দেশটিতে সেটেল হতে পারবেন।
জার্মানি অপরচুনিটি কার্ড ভিসা
জার্মানির অপরচুনিটি কার্ড নিয়ে আজকের আলোচনায় প্রথমেই সুযোগটির বিস্তারিত আমি আপনাদেরকে তুলে ধরবো, যাতে আপনি বুঝতে পারেন আপনি এই সুযোগটি নেওয়ার যোগ্য কিনা।
এবং দ্বিতীয় ধাপে আপনাদেরকে আমি নিজে অ্যাপ্লিকেশনের স্টেপ বাই স্টেপ দেখিয়ে দিব। সুতরাং কোনোভাবেই মিস করবেন না। এছাড়াও আপনি যদি ইউরোপের অন্যন্য দেশে স্থায়ী হতে চান তাহলে জেনে নিন ইউরোপে নাগরিকত্ব যে ৬টি দেশে দ্রুত ও সহজে লাভ করা যায়; এতে আপনার প্লান করা সহজ হবে।
আমি মনে করি এই আর্টিকেল অনুসরণ করলে আপনি নিজে নিজে প্রসেস করতে পারবেন। “জার্মানির অপরচুনিটি কার্ড” নিয়ে আপনি কিভাবে নিজে নিজে এই দেশটিতে আসতে পারবেন, তা নিয়ে আলোচনা শুরু করি।

অপরচুনিটি কার্ড কী এবং এর উদ্দেশ্য কী?
জার্মানি অপরচুনিটি কার্ড আসলে কোনো কার্ড নয়, এটি এক ধরনের ভিসা। এই ভিসাটি এজন্যই আপনাকে দেওয়া হবে, যাতে আপনি এই ভিসা নিয়ে জার্মানিতে আসতে পারেন। এখানে আপনাকে প্রথমত এক বছরের জন্য ভিসাটি দেওয়া হবে।
এই সময়ের মধ্যে আপনাকে জব খুঁজে পেতে হবে এবং যদি আপনি জব খুঁজে পান, তাহলে পরবর্তীতে এই দেশটিতে জব করতে পারবেন এবং পরে সেটেল হতে পারবেন। এটি জার্মানির শ্রমবাজারের শূন্যস্থান পূরণ এবং বিদেশি দক্ষ জনশক্তি আকর্ষণের একটি বৈধ পথ।
জার্মানি অপরচুনিটি কার্ড ভিসার মূল সুবিধা
- ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া জার্মানিতে প্রবেশের সুযোগ।
- নিজেই সম্পূর্ণ প্রসেস করার সুবিধা, দালাল বা এজেন্সি এড়িয়ে।
- প্রাথমিকভাবে ১ বছরের জন্য জার্মানিতে অবস্থান করে জব খোঁজার সুযোগ।
- জব পেলে জার্মানিতে স্থায়ীভাবে সেটেল হওয়ার পথ।
অপরচুনিটি কার্ড ভিসার জন্য আপনি যোগ্য কিনা? (পয়েন্ট সিস্টেম)
আপনি কি চাইলেই জার্মানি অপরচুনিটি কার্ড ভিসা পেতে পারেন? অনেকটা আমি বলবো যে, বাংলাদেশের মানুষ এখন প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশই এই ভিসা পাওয়ার সক্ষমতা বা ইলিজিবিলিটি রাখেন। তবে সেক্ষেত্রে আপনার এই ইলিজিবিলিটি আছে কি নেই, সেটি আমি এখন স্পষ্ট করব। আপনি মিলিয়ে দেখবেন, আপনি এই ভিসা অ্যাপ্লিকেশন করার জন্য ইলিজিবল কিনা।
আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, কানাডায় একটি সিস্টেম রয়েছে যেখানে পয়েন্ট অর্জনের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন হয়। যেমন, আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, জবের অভিজ্ঞতা, বয়স, ফ্যামিলি মেম্বার ইত্যাদির ভিত্তিতে পয়েন্ট গণনা করা হয়। ঠিক তেমনি, এই ভিসার ক্ষেত্রেও একটি পয়েন্ট সিস্টেম আছে।
যোগ্যতার জন্য কত পয়েন্ট দরকার?
মোট পয়েন্ট ১৭ এবং এই ১৭ পয়েন্টের মধ্যে আপনি যদি ৬ পয়েন্ট অর্জন করতে পারেন, তাহলে আপনি এই জার্মানি অপরচুনিটি কার্ড ভিসার জন্য ইলিজিবল।
এই ৬ পয়েন্ট অর্জন করতে হবে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, জবের অভিজ্ঞতা এবং ভাষাগত দক্ষতার ভিত্তিতে। ভয় পাবেন না, জার্মান ভাষা লাগবে না। যদি পারেন ভালো, না হলে ইংরেজিরও অপশন রয়েছে।
পয়েন্ট অর্জনের ক্ষেত্র ও বন্টন
| ক্ষেত্র | সর্বোচ্চ পয়েন্ট | যোগ্যতার মাপকাঠি |
| শিক্ষাগত যোগ্যতা | ৬ পয়েন্ট | জার্মান সরকার স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি (৬ পয়েন্ট); স্বীকৃত নয় এমন ডিগ্রি সহ ২ বছরের ভোকেশনাল ট্রেনিং (৪ পয়েন্ট)। |
| জব এক্সপেরিয়েন্স | ৩ পয়েন্ট | ৫ থেকে ৭ বছরের জব অভিজ্ঞতা (৩ পয়েন্ট); ৩ থেকে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা (২ পয়েন্ট)। |
| বয়স | ২ পয়েন্ট | ১৮ থেকে ৩৪ বছরের মধ্যে (২ পয়েন্ট); ৩৫ থেকে ৩৯ বছরের মধ্যে (১ পয়েন্ট)। |
| ভাষাগত দক্ষতা | ৪ পয়েন্ট | জার্মান ভাষার বেসিক জ্ঞান বা ভালো ইংরেজি দক্ষতা (IELTS/সার্টিফিকেট অনুযায়ী)। |
| বিশেষায়িত পেশা | অতিরিক্ত পয়েন্ট | ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক ইত্যাদি জার্মানিতে চাহিদা আছে এমন পেশাজীবী। |
| স্বামী/স্ত্রী | অতিরিক্ত ১ পয়েন্ট | স্বামী বা স্ত্রী যদি যোগ্য হন, অতিরিক্ত ১ পয়েন্ট পাবেন। |
দ্রষ্টব্য: যদি আপনার জার্মান স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি থাকে, তাহলে এই পয়েন্ট হিসাবের প্রয়োজনও নেই। আপনি সরাসরি আবেদন করতে পারবেন।
অর্থনৈতিক সক্ষমতার প্রমাণ ও ব্লক অ্যাকাউন্ট
৬ পয়েন্ট পেলেই আপনি জার্মানি অপরচুনিটি কার্ড ভিসা পাবেন না। আপনাকে অর্থনৈতিক সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে হবে। অর্থাৎ, আপনি জার্মানিতে এক বছর থাকার পুরো খরচ বহন করার মতো সক্ষম তা প্রমাণ করতে হবে। এজন্য “ব্লক অ্যাকাউন্ট” রাখতে হবে।
ব্লক অ্যাকাউন্টের প্রয়োজনীয়তা ও পরিমাণ
- জমা রাখতে হবে: এক বছরের জন্য ১২,৩২৪ ইউরো (২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী)।
- উত্তোলন: এই অ্যাকাউন্ট থেকে আপনি প্রতি মাসে প্রায় ১,০২৭ ইউরো করে তুলতে পারবেন।
- সুবিধা: আপনি আপনার নিজের টাকাই মাসিক ভিত্তিতে ব্যবহার করতে পারবেন।
পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ
এই সময়ের মধ্যে আপনি পার্ট-টাইম কাজ করতে পারবেন। সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা কাজের অনুমতি থাকবে। এতে আপনার মাসে প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ ইউরো ইনকাম করা সম্ভব, যা আপনার খরচের অনেকটা কাভার করবে।
১ বছরের সময়সীমা
জার্মানি অপরচুনিটি কার্ড ভিসা নিয়ে সে দেশে যাওয়ার পর যদি আপনি এক বছরের মধ্যে জব পেয়ে যান, তাহলে সেই জব পার্মানেন্ট হতে পারে। এরপর আপনি জার্মানিতে থেকে কাজ করতে পারবেন এবং স্থায়ীভাবে সেটেল হতে পারবেন।
তবে, যদি এক বছরের মধ্যে জব না পান, তাহলে আপনাকে দেশে ফিরে যেতে হবে। না গেলে আপনি অবৈধ হয়ে যাবেন।
অপরচুনিটি কার্ড ভিসার জন্য স্টেপ-বাই-স্টেপ অ্যাপ্লিকেশন প্রসেস
আপনারা যারা অপরচুনিটি কার্ড ভিসা নিয়ে জার্মানিতে আসতে চাচ্ছেন, তারা কিভাবে প্রসেস করবেন, কিভাবে নিজে নিজে প্রসেস করবেন, কী কী ডকুমেন্ট লাগবে এবং কত টাকা খরচ হবে, তার বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।
ইউরোপের স্বপ্নের দেশ জার্মানি, সেই জার্মানিতে আসার অন্যতম সুযোগ হচ্ছে জার্মানি অপরচুনিটি কার্ড ভিসা। তাহলে চলুন এই পর্যায়ে জেনে নিই কিভাবে কি করবেন-
প্রথম ধাপ: অ্যাপয়েন্টমেন্ট (Appointment Booking)

ওয়েবসাইট ভিজিট: জার্মানি অপরচুনিটি কার্ড ভিসার প্রাপ্তির আবেদন করতে সরাসরি জার্মান এম্বাসির ওয়েবসাইটে যান।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট অপশন: হোমপেজে ‘Service’ অপশন থেকে ‘Make an appointment’ এ ক্লিক করুন।
অনলাইন বুকিং: ‘Online Booking System’ এ ক্লিক করে নিচে ‘Continue’ অপশন ও এরপর ‘New Appointment’ অপশনে ক্লিক করুন।
তথ্য পূরণ: আপনার তথ্য পূরণ করুন।
সময়: অ্যাপয়েন্টমেন্ট ডেট পেতে সাধারণত ৮ থেকে ১২ সপ্তাহ (২ থেকে ৩ মাস) সময় লাগে। এই সময়ের মধ্যে আপনি বাকি ডকুমেন্টগুলো সংগ্রহ করতে পারবেন।
দ্বিতীয় ধাপ: ডকুমেন্ট চেকলিস্ট ও সংগ্রহ (Document Checklist)
জার্মানি অপরচুনিটি কার্ড ভিসার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার পরপরই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংগ্রহ করা।
| ডকুমেন্ট | বিবরণ ও শর্ত |
| অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম | এম্বাসির ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে দুই কপি পূরণ করতে হবে। |
| পাসপোর্ট সাইজের ছবি | ৫টি পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি প্রয়োজন। |
| বৈধ পাসপোর্ট | পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ৬ মাস (১ বছর হলে ভালো) থাকতে হবে এবং এর ফটোকপি। |
| কভার লেটার | সংক্ষেপে নিজের যোগ্যতা এবং কেন এই ভিসার জন্য আবেদন করছেন তা উল্লেখ করতে হবে। |
| সিভি (CV) | শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সিভির তথ্য যেন অন্যান্য ডকুমেন্টের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। |
| একাডেমিক ডকুমেন্ট | ডিগ্রি/ভোকেশনাল ট্রেনিং সার্টিফিকেট। বিশ্ববিদ্যালয় জার্মান স্বীকৃত না হলে, জার্মানির ‘Anabin’ বা ‘ZAB’ ওয়েবসাইটে গিয়ে সার্টিফিকেট ভেরিফাই করতে হবে। |
| ভাষাগত সার্টিফিকেট | ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স (জার্মান বা ইংরেজি, যেমন আইইএলটিএস) সার্টিফিকেট থাকলে যুক্ত করতে হবে। |
তৃতীয় ধাপ: অর্থনৈতিক ও অন্যান্য ডকুমেন্ট প্রস্তুত
- ব্লক অ্যাকাউন্ট ডকুমেন্ট: জার্মানির এক বছরের থাকার খরচ বাবদ ১২,৩২৪ ইউরো একটি ব্লক অ্যাকাউন্টে (যেমন, স্বনামধন্য কোম্পানির মাধ্যমে অনলাইনে খোলা) জমা দেওয়ার পর প্রাপ্ত ডকুমেন্ট।
- হেলথ ইন্স্যুরেন্স: বাংলাদেশ থেকে বা জার্মানির কোনো কোম্পানির মাধ্যমে হেলথ ইন্স্যুরেন্স করতে হবে। (গড়ে খরচ প্রায় ১২০ ইউরো)।
চতুর্থ ধাপ: ভিসা ফি এবং জমা দেওয়া
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট প্রস্তুত হলে নির্ধারিত তারিখে এম্বাসিতে জমা দিতে হবে।
- ভিসা ফি: ৭৫ ইউরো।
- প্রসেস: এখন থেকে অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন সিস্টেম চালু হয়েছে, তাই আপনি চাইলে পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনেও সম্পন্ন করতে পারেন।
ডকুমেন্ট জমা দেওয়ার পর ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে জার্মানি অপরচুনিটি কার্ড পেয়েছেন কি না, এরপর আপনি জার্মানিতে উড়ে যেতে পারবেন।
আপনি কি জানেন? বাংলাদেশ থেকে গ্রীণকার্ড নিয়ে স্বপ্নের দেশ আমেরিকা যাওয়া যায়। হ্যাঁ, বাংলাদেশ থেকে আমেরিকার ইবি-৩ ভিসা নিয়ে সহজেই সেটেল হওয়া যায়।
৩. প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ Section)
১. জার্মানি অপরচুনিটি কার্ড ভিসার জন্য প্রধান যোগ্যতা কী?
যোগ্যতা অর্জনের জন্য ১৭ পয়েন্টের মধ্যে কমপক্ষে ৬ পয়েন্ট পেতে হবে। এটি শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, জব এক্সপেরিয়েন্স, এবং ভাষাগত দক্ষতার (জার্মান বা ইংরেজি) ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।
২. অপরচুনিটি কার্ড নিয়ে জার্মানিতে থাকার সর্বোচ্চ সময় কত?
অপরচুনিটি কার্ড ভিসা প্রথমত এক বছরের জন্য দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে জব খুঁজে না পেলে আবেদনকারীকে দেশে ফিরে যেতে হবে।
৩. ব্লক অ্যাকাউন্টে কত ইউরো জমা রাখতে হবে এবং কেন?
জার্মানিতে এক বছর থাকার অর্থনৈতিক সামর্থ্যের প্রমাণ হিসেবে ব্লক অ্যাকাউন্টে (২০২৪ তথ্যমতে) ১২,৩২৪ ইউরো জমা রাখতে হবে। এটি মাসিক কিস্তিতে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন।
৪. অপরচুনিটি কার্ড ভিসার জন্য আবেদনের খরচ কত?
ভিসা ফি বাবদ ৭৫ ইউরো লাগবে। এছাড়া ব্লক অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা (যা আপনারই থাকবে), হেলথ ইন্স্যুরেন্স (প্রায় ১২০ ইউরো), এবং ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন (Anabin/ZAB) খরচ রয়েছে।
৫. অপরচুনিটি কার্ড নিয়ে কি পার্ট-টাইম কাজ করা সম্ভব?
হ্যাঁ, এই ভিসা নিয়ে আপনি জার্মানিতে থাকা অবস্থায় সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত পার্ট-টাইম কাজ করার অনুমতি পাবেন। এতে আপনার মাসিকভাবে প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ ইউরো আয় হতে পারে।
৬. সার্টিফিকেট যাচাইয়ের জন্য ‘Anabin’ বা ‘ZAB’ কী?
জার্মানির ‘Anabin’ বা ‘ZAB’ হলো এমন ওয়েবসাইট/সিস্টেম, যেখানে আপনার দেশের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং বিশ্ববিদ্যালয় জার্মান সরকার কর্তৃক স্বীকৃত কিনা, তা যাচাই বা ভেরিফাই করা হয়।


1 Comment
জার্মানি অপরচুনিটি কার্ড ভিসা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো লাগলো। ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন।