Close Menu
NiceTrixNiceTrix

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 2025

    ক্রোয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সর্বশেষ তথ্য

    October 19, 2025

    বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা নিয়ে ইউরোপ প্রবেশের পূর্ণাঙ্গ গাইড লাইন

    October 17, 2025
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • Advertise With Us
    • Disclaimer
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest Vimeo
    NiceTrixNiceTrix
    • Home
    • Lifestyle
    • Academic
    • AI Tech
    • Career
    • Abroad
    • Update
    Subscribe
    NiceTrixNiceTrix
    Home»AI Tech»চ্যাট জিপিটি ৫ ইউজ করার পদ্ধতি – A to Z Guide to use ChatGPT 5
    AI Tech

    চ্যাট জিপিটি ৫ ইউজ করার পদ্ধতি – A to Z Guide to use ChatGPT 5

    NiceTrix (Admin)By NiceTrix (Admin)September 13, 2025Updated:October 12, 20251 Comment31 Mins Read
    Share Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Reddit Telegram Email
    chatgpt - ChatGPT 5
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    চিন্তা করো তো, তুমি জাস্ট একটা লাইন লিখলে আর তোমার চোখের সামনে একটা ওয়েবসাইট তৈরি হয়ে যাচ্ছে, একটা অ্যাপ তৈরি হয়ে যাচ্ছে, একটা গেম ডেভেলপ হয়ে যাচ্ছে। জিপিটি-ফাইভ মার্কেটে চলে আসছে আর এটা এমন কিছু কাজ করতে পারছে যেটা দেখলে তোমারও মাথা নষ্ট হয়ে যাবে।

    সো, তুমি আজকের ভিডিওটা সম্পূর্ণ দেখো। এই ভিডিও শেষে তুমিও জিপিটি-ফাইভের বস হয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ। আমি প্রথমেই তোমাদেরকে যে জিনিসটা বলতে চাই সেটা হচ্ছে, এই জিপিটি-ফাইভের সাথে আগের মডেল অর্থাৎ জিপিটি-ফোর এর বেশি ডিফারেন্সটা কোথায়।

    তুমি যদি জিপিটি-ফোরের পেইড ভার্সন ইউজ করো, তাহলে তুমি দেখেছ যে জিপিটি-ফোরে আসলে অনেকগুলো মডেল থাকত। ফোর, ফোর পয়েন্ট ফাইভ, ও-থ্রি, ও-ফোর আরও কী বাকি হাবিজাবি থাকত। একটা নরমাল মানুষ যখন যাবে ওই জায়গায়, সে তো বুঝবেই না যে আমি কোন মডেলটা পিক করব।

    স্যাম অল্টম্যান এই প্রবলেমটা বুঝলেন, তিনি বুঝলেন যে এটা একটা পেইন। তিনি কী করলেন? এই সবগুলো মডেলকে মার্চ করে সিঙ্গেল একটা মডেল বানালেন: জিপিটি ফাইভ শিপ মডেল। তারা বলছে জিপিটি-ফাইভের নলেজ যে কোনো সেক্টরে একজন পিএইচডি হোল্ডারের সমান। তার মানে তুমি যখন জিবিটির সাথে কথা বলতেছ, এটা মানে তুমি একজন পিএইচডি হোল্ডারের সাথে কথা বলতেছ, তার সেই লেভেলের নলেজ আছে।

    এই জিনিসগুলো দেখে না মাঝেমধ্যে ভয় লাগে যে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি হিউম্যান ইন্টেলিজেন্সের থেকে উপরে উঠে যাচ্ছে দিন দিন। বিষয়টা একটু অন্যভাবে চিন্তা করো এই যে আমরা বলতেছি চ্যাট জিপিটি নাকি জব খেয়ে দিচ্ছে, এআই নাকি জব খেয়ে দিচ্ছে। হ্যাঁ, বেশ কিছু কনভেনশনাল জব চলে যাবে।

    দুই বছর পর পৃথিবীটা অবশ্যই অন্যরকম হবে। কিন্তু কথা হচ্ছে, এই যে জবগুলো চলে যাবে, এ দিকে কিন্তু আরো অনেক নতুন জব ক্রিয়েট হবে, আরো অনেক অপরচুনিটিজ ক্রিয়েট হবে। আমরা পড়ে আছি এই জব নষ্ট হওয়া নিয়ে, যে অপরচুনিটিজগুলো আমাদের জন্য ওয়েট করতেছে সেগুলোর দিকে আমাদের কোনো খেয়ালই নেই।

    সো অবশ্যই আমাদেরকে বুঝতে হবে যে এই সময়টা এমন একটা সময়, একটা মানুষ চাইলেই অনেক কিছু করতে পারবে। তোমার মধ্যে এখন সেই পাওয়ার চলে আসছে। সো চলো শুরু করা যাক। প্রথমেই আমরা কথা বলব প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে।

    প্রথমে তোমাকে বুঝতে হবে যে প্রম্পট কী। তুমি চ্যাট জিপিটিকে যে ইনস্ট্রাকশনটা দিচ্ছ, সেটাই প্রম্পট। এখন তুমি এই প্রম্পট যত ভালোভাবে লিখবে, তোমার আউটপুট হবে তত সেরা। ঠিক আছে? আমি এখানে একটা বেসিক প্রম্পটের স্ট্রাকচার দেখাচ্ছি।

    সেটা হলো, প্রথমে আসবে রোল, তারপরে কনটেক্সট, তারপরে টাস্ক, তারপরে স্টাইল। সো জিনিসটা একটু ডিটেইলসে বলি। রোল কী? ধরো তুমি চাচ্ছ চ্যাট জিপিটিকে দিয়ে তুমি তোমার ফিজিক্সের একটা প্রবলেম সলভ করবে। সো, তুমি চ্যাট জিপিটিকে বললে যে, “অ্যাক্ট অ্যাজ এ ফিজিক্স টিচার”, এটাই রোল।

    অথবা তুমি চাচ্ছ যে, চ্যাট জিপিটিকে দিয়ে তুমি একটা বিজনেস সাজেশন নেবে। তুমি চ্যাট জিপিটিকে বললে, “অ্যাক্ট অ্যাজ এ বিজনেস এক্সপার্ট”, এটাই রোল। তারপর আসো কনটেক্সট। কনটেক্সট মানে কী? তুমি অ্যাকচুয়াল যে প্রবলেমটা সলভ করবে, সেই প্রবলেমের একটু ডিটেইলস।

    তুমি যতটুকু ডিটেইলস জানো, সেটা তুমি কনটেক্সটে দিয়ে দিলে। ঠিক আছে? তারপরে টাস্ক, এটা তো একটা বাংলা কথা, বুঝা যাচ্ছে যে টাস্ক মানে কাজ। এটা কী? তুমি অ্যাকচুয়াল যে কাজটা করতে চাও, সেটা তুমি এখানে তাকে বলে দেবে। ঠিক আছে?

    আর ফরম্যাট, ফরম্যাট মানে হচ্ছে তোমার আউটপুট কী রকম হবে। তুমি কি চাচ্ছো বেশ বড় একটা আউটপুট? অথবা তুমি কি একটু ছোট আউটপুট চাচ্ছো? অথবা তুমি চাচ্ছো যে আউটপুটটা একটু টেবিল আকারে দেখাক? অথবা তুমি চাচ্ছো যে একটু মোটিভেশনাল ওয়েতে সেই আউটপুটটা দেখাক? অথবা একটু ফানি ওয়েতে দেখাক?

    যেইটাই চাও না কেন, সেটা তুমি এখানে ফরম্যাটে দিয়ে দেবে। ওকে বস, ঠিক আছে। এরপর আসো। এরপরে প্রথমে আজকে আমরা যে কাজটা করব সেটা হচ্ছে, আমরা আজকে একটা পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানাব। সো পোর্টফোলিও জিনিসটা কী, আমরা অনেকেই জানি না, অনেকে আবার জানি।

    পোর্টফোলিও মানে হচ্ছে, এইখানে তোমার ডিটেইলস থাকবে, তোমার পার্সোনাল ইনফরমেশন থাকবে, তুমি যে কাজগুলো করেছ সেগুলো থাকবে। সো, আমরা যারা ফ্রিল্যান্সিং করতে চাই বা ধরো ফরেন ক্লায়েন্ট, ইউএসএ, ইউকের ক্লায়েন্ট নিয়ে কাজ করতে চাই, তাদের জন্য পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

    তুমি একটা ক্লায়েন্টের সাথে মিটিং করলে, সে কিন্তু তোমার পোর্টফোলিও দেখতে চাইবে যে তুমি একচুয়ালি কী কী কাজ করেছ। সো, এই পোর্টফোলিও কিন্তু আমরা খুব সুন্দরভাবে এখন থেকে জিপিটি দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারব। হ্যাঁ, তো এই পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানানোর জন্য আমরা দুইটা কাজ করব।

    কী কী বল তো? প্রথমে আমরা চ্যাট জিপিটিকে দিয়েই প্রম্পট লেখাবো। কারণ আমি কিন্তু জানি না যে একটা পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটে আসলে কী কী থাকা দরকার, কোথায় কী জিনিস থাকা দরকার। আমার ওতো নলেজ নেই। সো, আমি চ্যাট জিপিটিকে প্রথমে বলব যে, তুমি আমাকে একটা প্রম্পট লিখে দাও।

    যে প্রম্পটটা আমি হচ্ছে ইউজ করে একটা ওয়েবসাইট বানাব। ঠিক আছে? তো আমি প্রথমে এটা ইংরেজিতে পড়ি। কী দেওয়া আছে এখানে, দেখো তো। “অ্যাক্ট অ্যাজ অ্যা বেস্ট প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ার”। তাকে আমি দিয়ে দিছি বস, তুমি সালাম। তুমি প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ার এখন থেকে।

    আমি ওকে বলতেছি যে আমাকে একটা প্রম্পট তুমি লিখে দেবে। আমি বলছি যে আমার কী রকম কী রকম লাগবে ওই প্রম্পটটা দিয়ে, আমাকে হচ্ছে একটা যেন চ্যাট জিবিটি দিয়ে অন্য প্রম্পট বানায় দেয়। ঠিক আছে? কী আজব এইটা ব্যাপার, তাই না? সো চলো কাজটা করে ফেলা যাক।

    জিনিসটা আমি একটু কপি করে নিই। কোথা থাকে? এই যে এইখানে আমি জিনিসগুলো লেখা রাখছি। ঠিক আছে? সো এইটা এখান থেকে আমি কপি করে নিলাম। আমি এগুলা কপি-টপি ভালোভাবে করতেই পারি না। সো, এই জিনিসটা হচ্ছে আমি চ্যাট ডিভিডিকে দিলাম।

    ঠিক আছে? দেখো সো, চ্যাট ডিভিডিকে দেওয়ার পরে, এই যে আমি বলে দিলাম যে আমাকে একটা প্রম্পট লিখে দাও। এখন দেখো, সে কিন্তু আমাকে একটা খুব সুন্দর মতো প্রম্পট লিখে দেবে। হ্যাঁ, এই যে দেখো, “প্রম্পট ফর জিবিটি ফাইভ ক্যানভাস”। এই দেখছ, দেখছ বস, দেখছ বস!

    জিনিসটা হয়ে যাচ্ছে কেমনে কেমনে। এই যে এখানে তোমার হচ্ছে লিখে দিচ্ছে প্রম্পটটা। আমি একটু ওয়েট করি, হ্যাঁ, হয়ে গেছে। তো এই জিনিসটা আমি এখন কপি করব। এই যে দেখো উপরে একটা কপি অপশন লেখা আছে। কপি, এইটা কপি করে নিলাম। ঠিক আছে? দেন আমরা নিউজে ওপেন করব।

    নিউজে ওপেন করে কপি করা জিনিসটা পেস্ট করে দেব। এখানে যে প্লাস আইকনটা আছে না, এখানে একটু হালকা করে চাপ দিবা। চাপ দিলে দেখবা মোর। “মোর” মানে মারা যেও না প্লিজ। “মোর” মানে হচ্ছে আরও কিছু। ঠিক আছে? মোরে এসে দেখবা যে তুমি এখানে একটা অপশন আছে: “ক্যানভাস”।

    এই ক্যানভাসটাই আমার লাগবে। এটা হচ্ছে কোড লেখার জন্য, অথবা তুমি ধরো ওয়েবসাইট এন্ড হাবিজাবি যা বানাতে চাচ্ছো এই জিনিসটা সেইখানে তোমাকে কাজে লাগবে। কিরে ভাই সেভ প্রাইসেপ্ট তো ভালোই হইতাছে, তুমি ঠিক আছে আছো। ক্যানভাসটা মেরে দিবা। মেরে দেওয়ার পরে এন্টার।

    এরপরে ম্যাজিকটা দেখো, জাস্ট তোমার চোখের সামনে সে এইখানে জিনিসটা স্টেপ-ওয়াইজ করবে। মানে সে কোড লিখতেছে, হাবিজাবি মানে প্রচুর সাইন্টিফিক ট্রেন আছে থাকে না? আগে মুভিতে দেখা যাইত না যে এইডে এইটা আসতেছে, কোড মোড ভাসতেছে, কি না কি না হইতেছে। সো, ওই জিনিসগুলো কিন্তু এখন চোখের সামনে দেখা যাচ্ছে।

    ঠিক আছে? এটা লাইক আ সাই-ফাই মুভি। সো জিনিসটা হচ্ছে হোক আমরা, আমি তোমাদেরকে একটু প্রথম লিখতেছি তো, এটা একটু কোডের ঝলকটা দেখাই। একটু টাইম লাগবে, আমার কাছে এটা আগে করা আছে। তবে এখানে একটা ব্যাপার আছে, তুমি মানে বারবার করে হচ্ছে প্রম্পট দিয়ে দেখবা, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম আউটপুট দিচ্ছে।

    তোমার যেটা ভালো লাগে তুমি সেটা নাও। এই যে দেখো, এই যে দেখো, দেখছো বস! এই যে দেখছো! জাস্ট কোড মোড লিখা হইতেছে, কী একটা অবস্থা! মানে কে লিখতেছে ভাই? ও কোড কে লিখতাছে? আমি তো লিখি নাই, মেশিনে কোড লিখতাছে। সেই ঘটনা! ঠিক আছে? সো গেলো, এটা গেলো তো।

    আচ্ছা, আমি ওইটাতে যাচ্ছি না। তুমি তো দেখলা কেমনে হইতেছে। সো, আমি একটা বানিয়ে রাখছি, সেটাই তোমাদেরকে দেখাই। আমার পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট। মাথা খারাপ হয়ে যাবে। এই দেখো, এই যে পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানাইছি, এই যে, এই যে, এই যে। পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটটা একটু রান করে দিই।

    রান কোড, রান কোড। আমি তো কোড পারি না লিখতে, কিন্তু রান কোড। সো দেখো এখানে কেমন হয়েছে জিনিসটা। আরে তাড়াতাড়ি হও। “হাই, আই এম এমএআরআর, মোহাম্মদ আসিফ রায়হান রূপক।” দেখছো? এটাই আমার পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট। সো, দেখো জিনিসটা জাস্ট চিন্তা করো যে সে কী জিনিস বানাইছে।

    এই যে দেখো এইখানে হচ্ছে, অ্যাবাউট মি। আমার সম্পর্কে কিছু বলছে। আমার কী কী স্কিলস আছে। এগুলো কিন্তু আমার নাই আসলে, উদাই দিছে। এই জিনিসগুলো দিছে। তারপর হচ্ছে, “হাইলাইটেড প্রজেক্টস”, অর্থাৎ আমি কী কী প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছি সেগুলো এখানে। মানে জাস্ট এইটা নরমাল।

    আমি কিন্তু এই ডিটেইলসগুলো দিইনি। তুমি চাইলে তোমার সব ডিটেইলস দিয়ে দিতে পারবে। দেন হচ্ছে দেখো এই জিনিসটা জাস্ট দেখো একবার বস, কী বানাইছে! এক্সপেরিয়েন্স টাইমলাইন। আমি হচ্ছে ‘২৩-এ কী করছি, ‘২৪-এ কী করছি, ‘২৫-এ কী করছি। সাংঘাতিক! মানে এটা কিন্তু আমার না, সে একটা ধরে নিয়ে বানিয়ে ফেলছে আর কী।

    তারপর হচ্ছে, “লেটস টক”। কেউ যদি আমার সাথে কথা বলতে চায় এখানে সে তার নাম, ঠিকানা, মেসেজ দিয়ে সাবমিট করে দিতে পারবে। জাস্ট চিন্তা করো, আমি চ্যাট জিপিটি থেকে দিয়েই প্রম্পট লিখাইলাম। সেই প্রম্পট দিয়েই কী লেভেলের একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে ফেললাম! কেন? ইমাজিন, কই যাইতেছে দুনিয়া?

    আর তুমি পড়ে আছো হচ্ছে কী, সি, সি++, জাভা। এইগুলো শিখার টাইম নাই বস। প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং শেখো। ফাস্ট কাজ করো। ঠিক আছে? কাদেরকে বলতেছি, যারা ব্যাকবেঞ্চার। ঠিক আছে? সবাইকে বলিনি। আসো এরপরে। সো এটা গেলো। এটা গেলো।

    তারপরে হচ্ছে, আর কেমনে যে করে ভুলায়ে গেল। আমি কিছু শর্টকাট-টিক্যাট আসলে আজকে। ওকে। সো, পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানানো ডান। এরপরে আসো, “টুডু লিস্ট” থাকে না? মানে আমি হচ্ছে ওই যে, কেউ কেউ দেখবে যে খুব রসুন-রসুন কি কি ইউজ করে, কি কি কাজ করবে, এগুলা ট্রাই করার জন্য।

    সো আমরাও চাচ্ছি আজকে একটা টুডু লিস্ট বানাব। আমি তাকে আগের মতো করে বলছি যে তুমি প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ার, আমার একটা টুডুডি মানে বলতেও না পারি, টুডু লিস্ট লাগবে। ইন্টারনেট এভাবে হাবিজাবি, এগুলো বলে দিছি। তো, প্রথমে আমরা কী করব, বল তো? প্রথমে আমরা হচ্ছে চ্যাট ডিপেন্ডেন্টের কাছ থেকে প্রম্পট লিখে নেব।

    ঠিক আছে? এই প্রম্পট লিখা পার্টটা তোমাদেরকে দেখাচ্ছি। না হলে এবার জিনিসটা কেমন কেমন লাগবে, মনে হচ্ছে এইখানে তো কিছুই করতেছে না। সো দেখো এই যে, ঠিক আছে? তো এই যে জিনিসটা আমি এখান থেকে কপি করে নিলাম। সুন্দর করে, সুন্দর করে কপি করে নেওয়ার পরে, এখন আমি চলে যাবো এই যে আমার বসের কাছে।

    বসকে বলব যে বস, আমাকে একটা প্রম্পট লিখে দাও। ঠিক আছে? বস হচ্ছে প্রম্পট লিখে দেবে এই যে। দেখো এখানে কিন্তু প্রম্পট লিখা পার্টটা আমি তোমাদেরকে দেখাচ্ছি। জাস্ট এখান থেকে তুমি প্রম্পটটা লিখবে, তারপরে কী করবে? তারপর হচ্ছে ক্যানভাসে যাই এই প্রম্পটটা তুমি পেস্ট করে দেবে।

    ঠিক আছে? এই যে, সো দেখো এখানে এই যে প্রম্পটটা আমাকে সুন্দর মতন লিখে দিচ্ছে। সেই লাগতেছে জিনিসগুলো। দুনিয়া কই কই যাইতেছে বাবা। মানে দেখো, জিপিটি-ফাইভ এখন মানে এই মডেলটা কত পাওয়ারফুল, না জানি সামনে আরো কত কী হবে। সেই লাগতেছে ভাই, সেই লাগতেছে।

    সো দেখছো? এখান থেকে হচ্ছে তুমি জাস্ট এইটা কে হচ্ছে কপি করে দাও। কপি করে দাও, দেন হচ্ছে একটা নতুন নিউজ অ্যাপ নাও। মানে আমি জিনিসটা দুইবার কেন দেখাচ্ছি, কারণ অনেকে জিনিসটা প্রথমে বোঝনি। সো এই যে ভি। সো এই যে দেখো এখানে প্লাস, এখানে ক্লিক করবে, মোরে যাবে।

    মোরে যায় ক্যানভাস অন করবে। বলছে ভাই, মোরে গেলে ক্যানভাস কেমনে অন করব? সো এখানে তুমি মেরে দিবা। ঠিক আছে? তারপরে সে তোমাকে মানে সামথিং সামথিং সাইন্টিফিক কিছু একটা হবে, সে বানিয়ে দেবে। ঠিক আছে? ভাই বলতেছে ভাই, আমরা অত কিছু বুঝি নাই ভাই।

    কেমনে কি হচ্ছে খালি দেখতেছি কোডের আর কোড আর কোড খালি চোখের সামনে। ওকে ভাই। সো দেখো, এবার হচ্ছে এই যে টুডু লিস্ট অ্যাপ আমি আগে বানিয়ে রাখছি। আমি এগুলা দেখাচ্ছি না। এটা একটু টাইম লাগবে। অবশ্যই টাইম লাগবে। এডি কি মানে কী, মানে আকাশ থেকে পড়বে নাকি? হ্যাঁ। সো গেল টুডু লিস্ট। দেখো এখানে সে যে একটা বানাইছে। এই যে। এটা আমি আগে করে রাখছি তোমাদের জন্য, শুধু তোমাদের জন্য। ঠিক আছে? সো গেল এখানে। এই যে রান কোড দিয়ে দিলাম আমি। সো, দেখো জাস্ট কী সুন্দর মানে জিনিসটা কেমন মানে ফ্রেশ একদম।

    ঝাকানাকা না কিন্তু একদম মানে ভাল্লাগতেছে। সো, এখানে হচ্ছে তুমি এই যে ‘অ্যাড টাস্ক’, উপরে দেখো, এইখানে তুমি কোনো একটা কাজ যোগ করতে পারবে। সো, আমি প্রথমে ধরে বললাম যে হচ্ছে আমি আজকে চাচ্ছি প্রথমে করব ভিডিও এডিটিং। একটা মানে বলে দিলাম ভিডিও এডিটিং করলাম, হ্যাঁ।

    নোট এ ডিসিশন কিছু চাও দিতে পারো। সো, ‘অ্যাড টাস্ক’ এই আমি টাস্কটা অ্যাড করে দিলাম, হ্যাঁ। তো দেখো এই যে ‘অল’, এখানে কিন্তু আমার ভিডিও এডিটিংটা অ্যাড হয়ে গেছে। দেখছো? ভিডিও এডিটিং অ্যাড হয়ে গেছে। ওকে, তারপরে হচ্ছে একটি হচ্ছে একটা কাজই আছে।

    তুমি চাইলে পরে আরো করতে পারো। সো, আমি যখন এটাকে এখানে যে ট্রিক্স করে দিবো, সো এখানে কী হবে, ‘মার্ক কমপ্লিট’। মানে এখানে আমি এটা কি কমপ্লিট যদি করে ফেলি, এটা আমি যে কমপ্লিট হিসেবে দিতে পারব। দেন দেখো, হারায়ে গেল। সো, এটা তখন চলে আসল কমপ্লিটে। একটা কাজ করছি ভিডিও এডিটিং।

    এইভাবে তুমি করতে পারো আর কী। জিনিসগুলো নিয়ে ট্রাই করো, হে। এরকম কত পসিবিলিটিস আছে, জাস্ট চিন্তা করো যে কী কী বানানো যাবে, দেন তুমি বানিয়ে ফেলো। কোনো টাইম আছে? গেলো, ঠিক আছে। এরপরে আমরা ফিরে আসি আমাদের পড়াশোনাতে। টুডু লিস্টের কাজ হয়ে গেছে বস।

    এবার আমরা কী করব? এবার আমরা একটা ল্যান্ডিং পেজ বানাব। বলছে ভাই, ল্যান্ডিং পেজ কী? ভালোভাবে শোনো। সো, আমরা যখন কোনো একটা বিজনেস করতে চাচ্ছি, ধরো যে তুমি হচ্ছে একটা কী বেচতেছো? তুমি একটা ফোন বেচতেছো। এহ না, ফোন না, ফোন একটু বেশি হাইফাই হয়ে গেছে। কী বেচতেছো তুমি? আচ্ছা, ধরো তুমি একটা হেডফোন বেচতেছো। ঠিক আছে?

    তো তুমি হচ্ছে ওই হেডফোনের একটা অ্যাড ফেসবুকে দিলা, হুম। ওই হেডফোনের একটা অ্যাড তুমি ফেসবুকে দিলা। একটা ভিডিও অ্যাড দিলা। তো এখন ওই হেডফোনের অ্যাড দেইখা, অ্যাড দেইখা কারো পছন্দ হইছে, হেডফোনটা নিব। সো, কী করবে সে? তুমি ওইখানে একটা ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দিলা, সে তখন ওই লিংকে ক্লিক-ক্লিক করবে।

    ওই লিংকে ক্লিক করার পরে সে একটা জায়গায় যায় ল্যান্ড করবে, এজন্য এটার নাম হচ্ছে ল্যান্ডিং পেজ। অর্থাৎ তুমি তোমার প্রোডাক্ট, অর্থাৎ তুমি তোমার প্রোডাক্টটা যেই পেজটাতে শো করবা, যেখানে সে অর্ডার করতে পারবে, সেটাকে আমরা বলতেছি ল্যান্ডিং পেজ। তো ল্যান্ডিং পেজ বুঝছো যে, বিজনেসের জন্য খুব ইম্পরট্যান্ট একটা ব্যাপার।

    তুমি যে কোনো বিজনেস দিতে চাও, যে কোনো প্রোডাক্ট সেল করতে চাও, তোমার অবশ্যই একটা ল্যান্ডিং পেজ লাগবে। ওয়েবসাইট ছাড়া আসলে প্রোডাক্টটা ভেবে শেয়ার হবে না। তোমার মেসেঞ্জারে নক দিবে কোন টাইমে? ঐ টাইমে যাবা কোথাও? তোমার রিপ্লাই পাবে না, তোমার জন্য ওয়েট করবে? হ্যাঁ, হয়তো অন্য কোথাও থেকে অর্ডার করে নিবে।

    এজন্য তোমার একটা ওয়েবসাইট খুব জরুরি। সে যখন ইচ্ছা অর্ডার করতেছে, পেমেন্ট করতেছে, তোমার যখন ইচ্ছা তুমি ডেলিভারি করে দিচ্ছো, এমনি, হ্যাঁ। তো আমরা ল্যান্ডিং পেজটা বানাব। সেইম আগের মত, আগের মত তুমি প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ার এটা সেটা। আমরা এখানে হচ্ছে আমাদের একটা মার্কেটিং এজেন্সির ল্যান্ডিং পেজ বানাইতে চাচ্ছি।

    যেটার নাম হচ্ছে এসআর মার্কেটিং ভেনচারস। তো কিছু বলছি যে এটা হচ্ছে তোমার ইউজার-ফ্রেন্ডলি থাকবে, এনগেজিং থাকবে, ডার্ক থিম থাকবে। এগুলা বলে দিছি। চলো বানাই ফেলা যাক। কিসের এত দুঃখ, বানাই ফেলব আজকে সব। সো দেখি এই যে, এ স্যার মার্কেটিং ভেনচারসের জিনিস আজকে করে ফেলব।

    এটা হচ্ছে ক্যামনে? যে কোনো মাথাটা খাচ্ছে, আমি আসলে ম্যাক বেশি ইউজ করি না, বুঝছো। এইজন্য মানে না এলোমেলো হয়ে যাই খালি। কপি কোনটা দিয়ে, পেস্ট কোনটা দিয়ে ব্রেইনটা দিয়ে ঢুকতেছে না। বলতেছে ওকে। তো এটা আসো, আচ্ছা, ফিরাই যাই আমি আবার আগে। ভুল জায়গায় চলে আসলাম। আচ্ছা, আবার ঠিক জায়গায় যাই।

    হ্যাঁ, সো এই যে আমরা চ্যাটের ডিপিতে চলে আসছি। এখানে আমরা প্রথমে হচ্ছে ওইটাই করব। কী করব, কী করব? প্রথমে হচ্ছে আমরা এটাকে পেস্ট করে দেব জিনিসটাকে। যে হচ্ছে আমরা আমাদের মার্কেটিং কী বলে ওটাকে? মার্কেটিং এজেন্সির জন্য একটা ল্যান্ডিং পেজ চাচ্ছি। আমাকে ডিটেইলস দাও।

    এই যে, সে সুন্দরমতো ডিটেইলস দিয়ে দিচ্ছে। সো এইটা নিয়ে তখন আবার ক্যানভাসে যাই পেস্ট করবা। সেইম প্রসেস। এবার চলো দেখি যে সে আমাকে কী বানায়ে দিছিলো। একটু আগে কঠিন জিনিস বানায়ে দিছে ভাই, মাথা-মুথা খারাপ পুরা। এই দেখো, ল্যান্ডিং পেজ। ঠিকাছে, আসো। কিরে? এখান থেকে স্টার্ট ধরে না কেন রে হো শেষ?

    কিরে? স্টার্ট ধরে না কেন রে? এই স্টার্ট দিচ্ছিস, স্টার্ট ধরে না। সামনে থেকে রং আছে একটু, একটু, একটু, একটু। ল্যান্ডিং পেজ ডিজাইন। এই যে, ল্যান্ডিং পেজ ডিজাইন, এখানেই সামথিং কিছু রং আই গ্যাস। কেন জানি স্টার্ট ধরতেছে না। ফেইল টু জেনারেট। আহ, হেব্বি টা মর্ডান।

    আচ্ছা, কোনো কারণে এটা ফেইল করছে। সো, এখন এটা আমরা স্ক্রিনেস থেকে বানাই। ঠিক আছে? যেহেতু এটা আগেরটা, আগের টাইগারের সামথিং সামথিং রং উইথ দিস। মাঝে মধ্যে প্রবলেম হয়। কোনো কারণে হয়তো সে করতে পারতেছে না। সো, আমরা দেখি চলো। এই যে, আমরা যে হচ্ছে একটু আগে যে এইটা বানাইলাম না?

    একটু আগে যে প্রম্পটটা নিলাম, সেটা দিয়ে করে দেখাই চলো। এটা একদম স্ক্র্যাচ থেকে হোক। আমরা কিছু কথা বলি আর এটা এখান থেকে হয়েও যাক। তোমাদের চোখের সামনে হয়ে যাক জিনিসটা। একদম লাইফ, লাইফ, লাইফ, লাইফ। সো, এখান থেকে হচ্ছে ‘মোর ক্যানভাস’।

    তো একটা জিনিস চিন্তা করে দেখো যে তুমি কিন্তু এখন চাইলে খুব সহজেই একটা আইডিয়া নিয়ে সেটাকে এক্সিকিউশন ফেসে নিয়ে যাইতে পারতেছ। হ্যাঁ, তোমার যে কোনো কিছুতে একটা সাজেশন লাগবে। চিন্তা করে দেখো জাস্ট মানে জিনিসটা কত ইজি হয়ে গেছে না। তোমার যে কোনো কিছুতে একটা সাজেশন লাগতেছে, জাস্ট তুমি ইয়া ইউজ করতেছ।

    তোমার প্রত্যেকটা কাজে কিন্তু ইয়া ইউজ করতে পারতেছ, হে। জাস্ট মানে যে শুধু তুমি মানে লিখা লিখি করতে পারতেছ এরকম না। তুমি ভিউসরি দিয়ে মারাত্মক কিছু ভিডিওর জেনেরাল হইতেছে, ওইদিকে হচ্ছে তোমার সূরা ইলেভেন ল্যাপস ভয়েজ যেন এটাতেসে। মানে আমি জাস্ট চিন্তা করতেছি যে এখন এমন একটা সময়, এখন যদি তোমার মনে হয় যে না আমি আসলে কিছু করব না, তাইলে কিন্তু খবর আছে বস। কিন্তু আমাদের আসলে এডুকেশন সিস্টেমটা কী বলব?

    এটাতো খুব বাজে। যবে থেকে চ্যাটজিপিটি আসছে, তবে থেকে টিচারদের একটা ঝামেলা শুরু হয়েছে যে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা যাবে না। তুমি আমাকে বলো যে, আমি কীভাবে এটা ব্যবহার করে আরও প্রোডাকটিভ হতে পারব, আমার কাজগুলো আরও ভালোভাবে করতে পারব না?

    ওরা ১৪ ঘণ্টার কাজ ১৪ সেকেন্ডে করছে, সো আমি কেন ওই জিনিসটা এখন করব? তোমরা কি একটু বুঝতে পারতেছো? কিছু তো একটা আঁচ পেয়েছো যে এই কোন লেভেলে যাচ্ছে দিনদিন। সো, এরকম একটা পর্যায়ে এখন যদি আমারে বেসিক শিখতে হয়, এখন যদি আমারে ‘সি’ দিয়ে এমন এমন সেপ আঁকতে হয়, ‘সি’ দিয়ে যদি 1+2+3+4 এটার সমষ্টিই বের করতে হয়, তাহলে কিন্তু সমস্যা আছে বস।

    তাহলে কিন্তু অ্যাকচুয়ালি সমস্যা আছে। ঠিক আছে, সো জিনিসটা হয়ে গেছে। দেখি একটু রান করে, রান করতে ঠিক আছে। কি যে চলে আসবে! নিয়ে যাবে সেই ডিজিটাল মার্কেটিং, ব্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজিস, সোশ্যাল মিডিয়া, গ্রোথ পেইড-প্রত্যেকটা জিনিস। এই যে দেখো এখানে প্রত্যেকটা জিনিস, ওমা! ইনি আনলে আবার কালারও চেঞ্জ হচ্ছে, ওমা! সেই!

    তারপর হচ্ছে কেস স্টাডিস। মানে কারো কারো যে কাজ করছো, ওই জিনিসগুলো এখানে দেখাইছে। ঠিক আছে, তারপর হচ্ছে ‘হোয়াট কাস্টমার সে?’ মানে পুরো প্রফেশনাল থাকে না যে নিচে হচ্ছে আমাদের কাস্টমাররা কী বললো, ওই জিনিসটাও অ্যাড করে দিছে। চিন্তা করছো ভাইয়া? তুমি হচ্ছে ওই ইয়াও নও!

    তো দেখো, ‘লেটস টক’। কেউ যদি আমার সাথে কথা বলতে চায়, সেখানে হচ্ছে ‘লেটস টক’। ‘লেটস টক তুমি’, সো তুমি কিন্তু চাইলে তোমার পার্সোনাল যে ডিটেলসগুলো আছে না, তুমি তাকে সেটা দিয়ে দিতে পারো। অথবা তুমি কিছু এডিট করতে চাও, তুমি এই যে রাইটে মানে হচ্ছে ‘রাইট ওর কোড’ এখানে যেয়ে তুমি ধরে আরো কিছু অ্যাড করতে চাচ্ছো, কিছু চাচ্ছো, সেই জিনিসটা তোমাকে সে এডিট করে দিবে।

    ওকে, ইয়েস পেয়ে গেছি, পাওয়ার পেয়ে গেছি। এবার খেলা হবে, সো আসো গেলো। ঠিক আছে, সো ল্যান্ডিং পেজ আমরা বানাই ফেললাম। এরপর আসলে আমরা একটা গেম বানাই। গেম ডেভেলপ করা আছে। ইফরাইহান আমি একটু গেম ডেভেলপ করতে চাই। আজকে আমরা একটা স্নেক গেম বানাবো। ঠিক আছে, আমি বলছি যে হচ্ছে, স্যাম আমরা প্রমট নিব, দেন হচ্ছে স্নেক গেম বানাবো।

    বুঝতেছ তো প্রসেসটা? সো আমি জাস্ট মানে তোমাদেরকে প্রমটটা টাইপ করে দেখাচ্ছি। কেন? মানে এইটা যেন তোমাদের কাছে একটু ইন্টারঅ্যাক্টিভ মনে হয়, যে মনে হয় যেন না কিছু একটা হইতাছে, কিছু একটা করতেছি। ওকে? সো আজকের ভিডিওটা দেখো প্লিজ। এটা ভংচং করি নাই, খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা সময়ে সময়োপযোগী, সমাজের সেবায় একটা কাজ করতেছে। সো, ভিডিও অবশ্যই তোমাকে দেখতে হবে।

    আসো কোথায় গেলো? জিনিসটা আবার ভুলে যাচ্ছি। সো এই যে আমি ফার্স্টে কী করব বস? বলো তুমি বল, আমি কী করব? ফার্স্টে হচ্ছে আমি এখান থেকে তোমার হচ্ছে মারে নেব। সো আমি তাকে বললাম যে আমাকে একটা প্রমট বানিয়ে দাও। স্নেক গেম বানাবো হাবিজাবি এরকম। সো স্নেক গেমটা আমি বানিয়ে ফেলেছি, সেটা তোমাদেরকে দেখাই।

    তোমাদের সামনে একটু খেলি, পারি নাকি? সো এই যে দেখো, স্নেক স্নেক গেম। এই যে এটা হচ্ছে তার কোড। এখানে আমি রান কোড দিয়ে দিলাম। এই যে দেখো, ‘রেডি টু’! যে ওয়ার্ডটা দিসে, ওইটা আমি বুঝতেছি না। স্লিদার নাকি ইন-দেয়ার পারিবারিক না! সো, এইখানে আমি ডিফিকাল্ট লেভেল হার্ড। আমি সবসময় হার্ড গেম খেলি। বুঝছো ভাইয়া?

    সো এখানে যে স্টার্ট গেম দিয়ে দিলাম, ওমা ওমা! ওমা, সাপটা চোখ টোকাচ্ছে, দেখছো! মানে কী জোস! ওয়াও! এইডা নিউ নিউ নিউ মানে চকচকা দেখছো? আচ্ছা আমি গেমটা খেলি তো কতক্ষণ পারি। বললে ডিস্টার্ব দিয়েন না প্লিজ, অন্য কিছু দেখেন। সেরা সেরা ভাই! মানে পুরা চকচকানি!

    সাপটার খালি চকচকানি দেখেই আমার মাথা খারাপ হয়ে যাইতেছে। নিউ নিউ! এইডা বুঝছো! ইচ্ছা করে আউট হয়ে গেলাম। আমি কিন্তু আউট হই নাই। তোমরা মনে করতেছো যে, এই ডাইরেক্ট ডিস্টার্ব, এইজন্য আউট হয়ে গেলাম। ঠিক আছে, দেখছো গেমটা? জাস্ট ইন্টারফেসটা দেখো। মানে, কিরে ভাই! পুরাই মনে হচ্ছে যে কোন… গুড গেম ডেভেলপমেন্ট বানাইছে। স্কোর হাই মানে হাই স্কোর, ডিফিকাল্টি স্পিড, প্রত্যেকটা জিনিস এখানে কত সুন্দরভাবে দেখানো।

    সো, চলো আরেকটু কিছু দেখি। স্নেক গেম বানাইছি। এবার আমরা বানাবো স্টাডি গেম। এইটা কী? এখানে আমি মানে অনেকগুলা জিনিস নিয়ে ট্রাই করছি। আসলে স্টাডি গেম কী? ধর, তুমি চাচ্ছো ইংরেজি শিখবা। আমার মতো তুমিও ইংরেজি পারো না। তোমার ইংরেজি বলতে গেলে ফাটে।

    সো তখন কী হবে? তুমি চাচ্ছো যে একটা গেমের মাধ্যমে হচ্ছে তুমি ইন্টারঅ্যাক্টিভ ওয়েতে ইংলিশ শিখবা। সো আমি তাকে বললাম যে ব্রোকেন জিরোিয়াম, তুমি আমি হচ্ছে একটা ইন্টারঅ্যাক্টিভ ইংলিশ শেখার গেম বানাতে চাচ্ছি। চলো দেখি কেমন হয়েছে জিনিসটা। সো এইখানে আমি এটাকে করে দেই, লার্নিং হ্যাঁ।

    লার্নিংয়ের ব্যাপারটা এখানে চলে আসছে। আমরা এখন পড়াশোনা করব। আমরা কি শুধু ব্যাকবেঞ্চার হইলে হবে, কিছু পড়াশোনাও লাগবে জীবনে, বুঝো কিছু? হুহ! সো এখানে আসো আমরা এখান দিয়ে প্রমট মারা দিলাম। হ্যাঁ, সো এখন আমাকে ফার্স্টে প্রমটটা দিচ্ছে।

    এই কাজটা সবাই করবা। হ্যাঁ, জাস্ট মানে কিছু একটা লিখে ক্যানভাসে যাবা না। তুমি প্রমটটা তার বডির কাছ থেকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে নিবা। সে তোমাকে প্রমট দিবে, সেইটা তুমি মারবা, তারপরে দেখবা খেলা কারে কয়। সো এবার আসো, এই যে আমাদের ইন্টারঅ্যাক্টিভ ইংলিশ লার্নিং জিনিস এখানে চলে এসেছে।

    সো রান কোড, কোডটা রান করে দিলাম। ভাই, ভাবতেই অবাক লাগছে। জাস্ট মানে আমি একটা জিনিস দেওয়ার পরে সে আমাকে কী বানিয়ে দিয়েছে! আল্লাহরে! ওয়াহ! সো দেখো, এইখানে ‘ইংলিশ কুয়েস্ট’ নাম দিছে। এইটার আমার আসলে প্রনান্সিয়েশনও তো ভালো না, সো ভুল ধরবা না প্লিজ। দেখো, এখানে কয়েকটা জিনিস আছে। ফার্স্ট হচ্ছে ‘ভোকাবুলারি বিল্ডার’। তোমার ভোকাবুলারি দুর্বল, তুমি ভোকাবুলারি বিল্ড করে নাও।

    তারপর হচ্ছে ‘গ্রামার চ্যালেঞ্জ’। ঠিক আছে, তারপরে ‘স্টোরি মোড’। এই জিনিসগুলো এখানে দেওয়া, হ্যাঁ? তো দেখো সুন্দরভাবে। উপরে আবার হচ্ছে ‘গোল’। তুমি কী ‘জেনারেল’, ‘ট্র্যাভেল’, ‘বিজনেস’, ‘ক্যাজুয়াল’-কেমন চাচ্ছো, সেটা বলা। ‘লেভেল’, তারপর হচ্ছে ‘লিডারবোর্ড’ পর্যন্ত দেওয়া।

    দেখি তো লিডারবোর্ডে যাই! এই যে দেখো, এখানে কার কার পয়েন্ট বেশি, কার কার পয়েন্ট কত, এটা এখানে দেওয়া। এই যে এইখানে ব্যাক দিয়ে ব্যাকে চলে যাবে, দেখছো? মানে পুরা একটা সুন্দর জিনিস বানিয়ে দিয়েছে সে। সো, ভোকাবুলারি বিল্ডারে একটু যাইতো, কী আছে দেখি। ‘ম্যাচ দ্য ইমোজি উইথ ইটস ওয়ার্ড’। মানে হচ্ছে তোমাকে ওইটা ইমোজির সাথে মেলাতে হবে। ‘ডগ’ কোনটা? এই যে ‘ডগ’।

    এই, একটু বুঝিয়ে দেখো! ‘কারেক্ট’ লেখা উঠছে। পাড়ায়ে গেছি বস! তারপরে হচ্ছে ‘হাউস’। এইডা কী? ‘হাউস’। এইডা ‘হাউস’। এই যে নিচে ‘কারেক্ট’ উঠছে। বুঝছো কিছু? তারপরে হচ্ছে তোমার ‘আমব্রেলা’। আমব্রেলা কোনটারে? এই যে আমব্রেলা। ঠিক আছে, দেখো জিনিসটা মানে কাজও করছে! সেরা!

    সো, গেলো। হ্যাঁ, আমরা ব্যাকে যাই। আমরা একটু এবার গ্রামারটা দেখি কিরকম কী। এখানে বলছে যে, “শি ড্যাশ ফ্রম স্পেন”। শি কি? ফ্রম স্পেন, সে স্পেন থেকে এসেছে। “শি কেম ফ্রম স্পেইন”। “শি কেম ফ্রম স্পেইন”। দেখি চেক করি। কী উঠলো? কী যে উঠলো! ভুল লিখছি মনে হয়। বাদ হ্যাঁ!

    তারপর আসো, ‘লিসেনিং প্র্যাকটিস’। এখানে বলছে, “হ্যালো, হাউ আর ইউ?” এটা কিন্তু তুমি প্লে… “হ্যালো, হাউ আর ইউ”। মামা কথা কইতাছে! এই দাঁড়াও দাঁড়াও, তোমারে শোনাই, এই দেখো! “হ্যালো, হাউ আর ইউ”। কথাও কইতাছে! সেরা ভাই সেরা! সো আমি তখন তাকে কী বলব? “আই অ্যাম ফাইন, থ্যাংকস”। ওকে, এই যে “আই অ্যাম ফাইন, থ্যাংকস” এখানে অপশন আছে। এরকম আরকি। বুঝছো? মানে জিনিসটা পুরা একটা লেভেলের জিনিস বানিয়ে ফেলেছে।

    তারপর হচ্ছে ‘স্টোরি মোড’। এইগুলা আমি সব কিছু দেখালাম না। তুমি তৈরি করো। তুমি বানাও। তুমি দরকার হলে এরকম দশটা বানাও। দশটা বানানোর পরে তোমার যেটা ভালো লাগে, তুমি সেটা পিক করো। ঠিক আছে, এরকম। এরপরে এইগুলা তো বানাবানি গেলো।

    এবার এক্সট্রা কিছু জিনিস দেখি। ঠিক আছে, স্টাডি গেম বানালাম আমরা। আমরা হচ্ছি এই জিনিসটা খুব বেশি ইম্পর্ট্যান্ট। এটা ভালোভাবে শোনো। ‘ফিউচার রিজনিং’। এটা মানে কী? ধরো, তুমি একটা স্টার্টআপ দিতে চাচ্ছো। ভাইয়া, স্টার্টআপ বললে এটা সেই ব্যাপার ব্যাপার লাগে! স্টার্টআপ বিজনেস অন্ট্রাপ্রেনরশিপ-মারাত্মক ব্যাপার স্যাপার। সো, ধরো তুমি চাচ্ছ একটা বিজনেস দিতে, কিন্তু তুমি বুঝতেছ না যে এই বিজনেসটা কি দুই বছর পরে রিলেভেন্ট থাকবে কিনা?

    কারণ এই যুগে আসলে কী হচ্ছে না হচ্ছে, আমরা কিন্তু ঠিকভাবে প্রেডিক্ট করতে পারতেছি না। সো, তোমার ফিউচার প্রুফ একটা আইডিয়া লাগবে যে অ্যাকচুয়ালি কি এই আইডিয়াটা দুই বছর পরেও কাজ করবে? কারণ কী? দুই বছর পরে কই যাবে আইডিয়া? একটা বিজনেসে ইনভেস্ট করবা, হাবিজাবি করবা, পরে গেলো গা। নট লাইক দ্যাট। সো এই ফিউচার রিজনিং এর জন্য কিন্তু জিপিটি ফাইভ মারাত্মকভাবে কাজ করছে।

    তুমি জাস্ট চিন্তা করতে পারবা না! আমি তাকে বললাম যে, “ইউ আর এ বিজনেস এক্সপার্ট”। আচ্ছা, আমি বাংলায় বলি। কোনদিন তোমরা বলবা ভাই, ইংরেজিতে কেন বলতেছো না? আমরা তো বুঝতেছি না। আমি তাকে বলে দিলাম যে, তুমি একজন বিজনেস এক্সপার্ট। আমি বলছি যে হচ্ছে, আমি একটা ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি ক্রিয়েট করতে চাচ্ছি। ফ্রম জিরো, একদম ছোট থেকে বড় হতে চাই। ওকে?

    “অ্যান্ড আই ডোন্ট হ্যাভ ওহ হাই বাজে যাক টাকা-টাকা ভাইজান”। “বেসড অন দ্য কারেন্ট রেভ্যুলেশন ইন এআই”। আমি তাকে বলতেছি এই যে এআই, এই একটা অবস্থা কী কী জানি হয়ে যাইতেছে তো। আমার কী স্টেপস নেওয়া উচিত সাকসেসফুল হওয়ার জন্য? আর সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে, আমি তাকে এইটা জিজ্ঞেস করছি যে কোন কোন কাজগুলো করলে আমি পসিবল সাকসেস হইতে পারবো, আর কোন কোন কাজগুলো করলে আমার ফেইলিওর চান্স বেশি থাকবে।

    তার মানে জিনিসটা চিন্তা করো! আমি তাকে বললাম যে হচ্ছে কোন কাজগুলো করলে আমার ভালো, কোন কাজগুলো করলে আমার খারাপ হতে পারে। আমি কিন্তু জানি না কিভাবে হবে, বা হবে না। বাট আমি তাকে জিজ্ঞাসা করছি, প্রেডিক্ট করতে বলতেছি। তারপর বলছি, “আই ওয়ান্ট সামথিং ফিউচার প্রুফ”। মানে যেন দুই-তিন বছর পরে জিনিসটা রিলেভেন্ট থাকে। হ্যাঁ? তারপরে বলছি, “দেন গিভ মি আর কম্পিউটার ফর মাইট বিজনেস”। সো এই জিনিসটা আমি তাকে জিজ্ঞেস করতে চাচ্ছি।

    ওকে, পুরাটা পুরাটা। এটা কিন্তু বেশ টাইম লাগবে। এটা কিন্তু তারও ভাবতে বেশ টাইম লাগবে, যেহেতু বেশ বড়সড় একটা ব্যাপার একদম মনে করো সেই। সো আমি তোমাদেরকে দেখাই যে এটা সে কীভাবে চিন্তা করতেছে। আমরা একটা নিউ চ্যাট নিয়ে নিই। এখানে হচ্ছে আমরা এটা পেস্ট করে দেই। হ্যাঁ, তো এটা কিন্তু বেশ টাইম লাগবে। ঠিক আছে।

    তুমি দেখবা যে এখানে আসলে এই যে এইখানে না দেখাবে যে সে আসলে কী কী চিন্তা করতেছে। এই যে বলতেছে, “থিংকিং লংগার ফর এ বেটার অ্যান্সার”। মানে তোমার অ্যান্সারটা যেন ভালো হয়, এইজন্য সে একটু বেশিক্ষণ চিন্তা করছে। “গেট আ কুইক অ্যান্সার”? নো! আমার কুইক অ্যান্সারের কোনো দরকার নাই। আমার সময়ের অনেক দাম। উল্লেখ করলাম।

    সো এইখানে দেখো, “চেকিং গুগল এআই আপডেটস”। প্রত্যেকটা জিনিস যেগুলা যেগুলাতে যাচ্ছে, এখানে কিন্তু উঠতেছে। “ব্রাউজিং ফর আপডেটস”, “সোনে ইয়ার মার্কেটিং”, আরো কী কী “ভেরিফাইংস” করতেছে না আপডেট। এটা বেশ টাইম লাগবে। এইটা আমি যখন করছিলাম ফার্স্টে, অনেক টাইম লাগছিল। সো…

    আমি তোমাদেরকে জাস্ট সলিউশনটা দেখাই। সো, উম্মাহ! এই যে ‘ফিউচার রিজনিং’, এইটা। ঠিক আছে, সো এই যে দেখো, দেখো, দেখো না! একবার জিনিসটা কত পাওয়ারফুল, চিন্তা করা যায়! সে প্রথমে হচ্ছে আমাকে পঁচিশ-ছাব্বিশের একটা মানে দিয়ে দিছে যে কী কী জিনিস এখানে ওয়ার্ড করতে পারে। এই যে তারপরে হচ্ছে, “থিসিস সেট থিসিস করছে”। “দাঁত থিসিস মারছে রে”! তারপর হচ্ছে “পজিশনিং”, “পিক”, “আনলকড”, “প্রোডাক্টটাইজ”-কিছু ওয়ার্ড আসলে কঠিন, আমার স্পেল করতে ঝামেলা হচ্ছে।

    তারপর হচ্ছে “প্রাইসিং” মানে প্রাইসিং মডেল। প্রত্যেকটা জিনিস এখানে দেখো, সে তোমাকে ফুল একটা প্ল্যান এখানে বলে দিচ্ছে। “নাইনটি ডে লঞ্চ প্ল্যান”। তুমি যে প্রোডাক্টটা লঞ্চ করবা, সেটার একটা প্ল্যান দিয়েছে। ধরছো? তুমি এইগুলা বুঝতেছো না, বাংলায় বাংলায় বলো যে হচ্ছে, “গিভ দিয়া ফুল প্ল্যান ইন বাংলা”। আমি ইংরেজি অত বুঝি না। “গিফ দাও আরে গিভ দা ফুল প্ল্যান ইন বাংলা”। ঠিক আছে, সো এখন সে কিন্তু তোমাকে বাংলায় জিনিসটা বলবে।

    সো, তোমার যেমনই লাগে। হে! তোমার যা ইচ্ছা তাই বলো। সে কি তোমারে গাইল দেবে? এই, ভুল কিছু বললে যা ইচ্ছা তাই বলো। এই যে দেখো, বাংলায় লিখছে। ঠিক আছে, আমি দেখাচ্ছি না বাংলায় কী লিখলো। তোমরা লেখে দেখে নিও। আর পরেরটা তো চলে যায়, এইটা নিয়ে কাজ করবা। এইটা নিয়ে। এইটা নিয়ে মারাত্মক কিছু কাজ করা যাবে। যে আসলেই মানে সে একটা জিনিস এডিট করতে পারতেছে, এটা দিয়ে কিন্তু বহুৎ জায়গায় খেলা যাবে। একটু ভালোভাবে চিন্তা করে দেখিও। ঠিক আছে, এবার আসো।

    “ম্যাসিভ কনটাক্টস টোয়েন্টি”-এই জিনিসটা কী? ধরো, জিপিটি ফোরের ক্ষেত্রে যে প্রবলেমটা হইতো, তুমি যখন তাকে বেশ বড় একটা ফাইল দিবা, ধরো যে তুমি তাকে একশ-দুশ পেজের একটা ফাইল দিয়ে বললা যে, এটার একটা সামারি চাই। সে কী করে? সে কিন্তু কিছুদূর যাইতে যাইতে আগের জিনিসগুলো ভুলে যায়। ধরো, সত্তর পেজে গেছে, আগেরটার কিছু মনে নাই। ব্রেইন করা হয়ে গেছে, ওর মনে নাই।

    এই জিনিসটা সলভ করছে জিপিটি ফাইভ। তুমি তাকে এখন থেকে চাইলে একটা গোটা বই আপলোড করতে পারবা, হে! তুমি ধরো, তোমার পরীক্ষা। তুমি তাকে গোটা বই আপলোড দিয়ে বললা যে, এখান থেকে ইম্পর্ট্যান্ট জিনিসগুলো আমাকে বের করে দাও। এই জিনিসটা এখন হবে। সো, এইটা হচ্ছে। আচ্ছা, আমি এখানে একটা কাজ করেছি। সেটা হচ্ছে আমি তাকে বলব যে, আমি, তুমি আমার ফিজিক্স টিচার। আমার কালকে পরীক্ষা, আমি কিচ্ছু করি নাই। সো, তুমি আমাকে হচ্ছে ইম্পরট্যান্ট টপিকগুলা খুঁজে দিবা।

    আর এক রাতে পড়া যায়, এরকম একটা আমাকে তুমি প্ল্যান দিবা। ঠিক আছে, এই যে নিচে লিখছি। এই যে দেখো, এই যে প্রমট। এই প্রমটটাই আমি লিখছি। ইংরেজিতে লিখছি। তোমরা তবে কেউ ইংরেজি বুঝো না, আমার কী করার আছে এখন? এই জিনিসটা আমি এখন এই যে এইখানে, “অ্যাক্ট আস মাই ফিজিক্স টিচার”, এই যে এটা কপি করলাম। এটা কপি করে হচ্ছে আমি যাই। আচ্ছা, আমি লিখে দিয়েছি। ওকে, খুব ভালো লাগতেছে, অনেক ভালো লাগতেছে জিনিসগুলো আমার কাছে এটা।

    সো, আমি এখন যেটা করব, আমি এখানে হচ্ছে আমার একটা, এই যে আমার না মানে হচ্ছে এই যে ক্লাস নাইন টেনের একটা ফিজিক্স বই এখানে আপলোড করে দেব। ঠিক আছে, এই যে ফিজিক্স। চিন্তা করতেছো? তুমি গোটা একটা বই আপলোড করতে পারতেছো মামা! কই চলে যাইতেছো দুনিয়া, হে? ওমা! সো এখন কিন্তু সে এই পুরা বইটা ফার্স্টে কী করবে, রিসার্চ করবে। রিসার্চ, রিসার্চ করার পরে সে তোমাকে ইম্পরট্যান্ট টপিকগুলা বের করে দিবে।

    আচ্ছা, এখানে একটা কথা হচ্ছে যে, তোমাদের এই পড়াশোনা রিলেটেড বিষয়গুলাতে কীভাবে ইয়া ইউজ করবা, সেটা নিয়ে ইনশাআল্লাহ পরের ভিডিও আসতেছে। সো ওয়েট করে থাকো, হুম। একদম অনলাইন ভাইদের দিন শেষ করে দিবো, দাঁড়াও। ঠিক আছে, সো গেলো। এখন দেখবা যে হচ্ছে আমি একটু ওয়াটার খাই। ওমা! ওয়াটারও শেষ হয়ে গেছে।

    এখানে এখন এই জিনিসটা হচ্ছে আরকি “রিডিং ডকুমেন্ট”। ওই যে আমি ওকে তাকে বইয়ের ইটা দিছি, সে পড়তেছে। এই যে দেখো, কী সুন্দরভাবে সে তোমাকে এই যে দেখো, ‘চ্যাপ্টার ওয়ান’-এ ভূতও রাশি এবং তাদের পরিমাপ। এখানে কী কী জিনিস আমাকে পড়তে হবে, ভাই আমারে বলে দিছে। তারপরে গতি। গতিতে আমি কী কী পড়ব? বলো, চিন্তা করো! সবথেকে এবং সে সবচেয়ে বড় কথা, পেজও পর্যন্ত উল্লেখ করে দিছে যে জিনিসটা তুমি বইয়ে যদি পড়তে চাও, কই থেকে পড়বা!

    চিন্তা করছো? তারপরে, ‘ওয়ান ডে কুইক স্টাডি প্ল্যান’। এই যে এইটা, ওয়ান ডে মানে আমি একদিনের কথা বলছি না? সো, এই যে দেখো, তিন ঘণ্টা। আমি পড়ব হচ্ছে সকালে হচ্ছে, সকালে করতে হবে, বিকালে, দুপুরে, রাতে, সব আমাকে একটা সুন্দর মতো প্ল্যান বানিয়ে দিছে। ওকে বস, এইতো খেলা হয়ে গেছে। এবার আসো পরেরটা দেখি।

    লাস্টে হচ্ছে “ডিজিটাল টুয়েন্টি”। এই জিনিসটা জিপিটি ফাইভ খুব ভালোভাবে করতে পারতেছে যে, তোমার স্টাইল কপি করতে পারতেছে। চিন্তা করো তো! ধরো তুমি লেখালেখি করো, তুমি ব্লগ পোস্ট লেখ। এখন, তুমি যে ওয়ার্ডগুলো ইউজ করবা, তোমার কথার যে টোন, এই টোনটা যদি কেউ কপি করতে পারে, তাহলে কী হবে? তোমার মানে তুমি জাস্ট ওকে ইনস্ট্রাকশন দিবা, সে তোমার মতো করে লিখে দিবে না?

    তোমাকে রিচার্জ করতে হবে না, তোমাকে প্যারা খাইতে হবে টপিক খোঁজা নিয়ে হাবিজাবি, কিছু না। জাস্ট তুমি তাকে বলবা, সে তোমাকে বলে দিবে। এইটার জন্য আমি কী করবো, বলতো? আমি তাকে বলছি যে, তুমি স্ক্রিপ্ট রাইটার। আমি হচ্ছে আমার একটা আগের ইউটিউব ভিডিওর স্ক্রিপ্ট তাকে দিবো। এই স্ক্রিপ্টটা আমি তাকে দিয়ে বলবো যে, আমার স্টাইলটা কপি করতে, আর নতুন একটা ভিডিওর স্ক্রিপ্টটা আমাকে লিখে দিতে।

    সেই ভিডিওটা হচ্ছে “হাউ টু ইউজ চ্যাটজিপিটি ইন দুই হাজার পঁচিশ”। সো এটা চলো করে ফেলা যাক। প্রথমে আমি কী করব, বলতো? প্রথমে আমি যাই হচ্ছে আমার আগের একটা হচ্ছে ভিডিওর স্ক্রিপ্ট লিখব। এই স্ক্রিপ্ট তাকে দিব, হ্যাঁ? এই হইতেছে আমার আগের ভিডিও। সো এই ভিডিওটার স্ক্রিপ্ট আমি তাকে হচ্ছে দিয়ে দিব। ওকে ওকে ওকে! এই ভিডিওর স্ক্রিপ্টটা তাকে দিয়ে দিই। ঠিক আছে, নিউ চ্যাটটা নিয়ে নিই। এখানে হচ্ছে আমি তাকে আরে! স্ক্রিপ্টটা আগে দিয়ে দিচ্ছি কেন? আগে তো প্রমটটা দিতে হবে। প্রমট না দিতে স্ক্রিপ্ট দিয়ে দিছি। আচ্ছা, প্যারা নিই। এখানে আমি একটু ফাঁকা করে দেই, দুইটা কমা দিয়ে দেই। ঠিক আছে।

    আর এখন আমি প্রমটটাই তো তাকে দেইনি, তাই না? সো আমার হচ্ছে প্রমটটা আগে দিতে লাগবে। প্রমটটা কই? এখান থেকে কপি করে নেই। এই যে দেখো, এই জিনিসটা কিন্তু বেশ সুন্দরভাবে বানাইছে না? এগুলা তোমরা কেন্ভা দিয়ে বানাতে পারবা। কেন্ভার হচ্ছে, যদি টিউটোরিয়াল চাও, তাহলে কমেন্টে লিখো। কেন্ভার টিউটোরিয়াল ড্রপ করে দিব। ইনশাআল্লাহ! কেন্ভার টিউটোরিয়ালও দিব।

    সো এই জিনিসটা আমি কপি করলাম। কপি করে এখন হচ্ছে আমি ওকে বলে দিব। এখানে এটা পেস্ট করে দিচ্ছি। সো আমি জাস্ট তাকে বললাম যে হচ্ছে, তুমি একজন স্ক্রিপ্ট রাইটার। আমার যে হচ্ছে স্টাইলটা আমি দিছি, সেটা তুমি কপি করবা। কপি করার পরে তুমি হচ্ছে আমাকে একটা নতুন ভিডিওর স্ক্রিপ্ট লিখে দিবা। সো দেখি জিনিসটা কীভাবে করে।

    দেখছো! ঠিক আছে তো! তোমার স্ক্রিপ্টের ভাই এনার্জি আর স্টোরিটেলিং, স্টোরিটেলিং একদম ধরে রেখে আমি নতুন স্ক্রিপ্ট লিখে দিলাম। ঠিক আছে। এগুলা কী হচ্ছে ভাই? দিন দিন কোন লেভেলে চলে যাচ্ছে! চিন্তা করো তো। মানে আমি যেভাবে কথা বলি আরকি, সেইভাবে সে বলার ট্রাই করছে। ঠিক আছে।

    তুমি জাস্ট দেখবা যে তোমার কোনো ধরনের খাতার মধ্যে লেখালিখি আছে, তুমি কিছু একটা ভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখালিখি করছো, ওই খাতার পাতার ছবিগুলো তুমি তাকে দাও। সে সেটা থেকেও তোমার স্টাইলটা ধরতে পারবে। ওকে, এই আরকি। ঠিক আছে বস! সেই না! দেখছো দেখছো! এখানে বলতেছে আরকি, তোমরা এগুলা দেখবা, হে! অনেক অপরচুনিটিস! অনেক হিউজ হিউজ অপরচুনিটিস!

    মানে জাস্ট তোমাকে বুঝতে হবে যে, আমি একচুয়ালি কোন দিকে যাব। লাস্টে আজকে শেষ করব এটা দিয়েই, ‘এজেন্ট মোড’। এজেন্ট মোডটা কী? ধরো, তুমি চাইছো যে এই জিপিটি কোনো একটা বিষয়ে রিসার্চ করুক। তুমি আরে একটা সহজ এক্সাম্পল বলে দিচ্ছি। ইনশাআল্লাহ! এজেন্ট মোড নিয়ে একটা ডেডিকেটেড ভিডিওর সামনে দিয়ে দিবো।

    তো ধরো, তুমি চাচ্ছো যে কক্সবাজার যাবা। তোমার বাজেট হচ্ছে দশ হাজার টাকা, তুমি থাকবা তিনদিন। তুমি চাচ্ছো যে, এই বাজেটে সবথেকে বেস্ট একটা ট্যুর তুমি কীভাবে দিতে পারবা। তো এই জিনিসটা কিন্তু তোমাকে বেশ ঘাঁটাঘাঁটি করতে হবে। ফেসবুক পেজ দেখো, হেভি যাবে ইনস্টাগ্রাম। তারপরে হচ্ছে কোন বাস দিয়ে যাবা, কই থাকবা, হাবিজাবি।

    তোমার বাজেটে মিলল কিনা, এই জিনিসগুলো তোমাকে দেখতে হবে। কিন্তু চ্যাটজিপিটিতে এখন ‘এজেন্ট মোড’ চলে আসছে। তুমি জাস্ট ‘এজেন্ট মোড’টা অন করবা, আর এই প্রমটটা দিবা। তারপরে খেলা দেখবা, কী হয়। সো এইখানে ওইটাই বলছি যে হচ্ছে, তুমি একটা ট্যুরিস্ট গাইড। আমি হচ্ছে কক্সবাজার যেতে চাইতেছি, দশ হাজার টাকা বাজেটে তিন দিনের জন্য।

    তুমি হচ্ছে আমাকে একটা প্ল্যান সাজিয়ে দাও, আমার থাকা-খাওয়া, হে! হাবিজাবি এসব নিয়ে। হ্যাঁ! সো এই জিনিসটা হচ্ছে আমি এখন তাকে এইটাই জাস্ট কপি করে দেই। ওকে, এইটা জাস্ট কপি করে দিয়ে দেই। উফফ! এটা লাস্ট, আর কিছু নাই। আজকের, আজকে জাস্ট এইটুকুই। আমরা ইনশাআল্লাহ! এটা নিয়ে ফার্দার আরও অনেক বেশি কাজ করব।

    সো এইটা তোমাদেরকে দেখাই, কেমনে? এটা কিন্তু ফ্রি ভার্সনে নাই। জাস্ট হচ্ছে পেইড ভার্সনটাতে আছে। ফ্রি ভার্সনে আবার যদি এজেন্ট মোড খুঁজে না পাও, তখন মানে আমারে কিছু বলিও না। এই যে ফ্রি ভার্সনের এখানে এই যে দেখো, এই সরি, পেইড ভার্সনে এই যে ‘এজেন্ট মোড’ আছে। এটা যখন আমি চালু করে দিলাম না, তখন আমি যখন সার্চ দিব, এখানে জাস্ট একটা আজব জিনিস দেখবা যে, সে তোমার সামনে জিনিসগুলো মানে কী করতেছে না করতেছে, কই কই থেকে খুঁজতেছে, এটা তুমি এখানে একটা দেখতে পাবা।

    আসো, এটা তারপরে তুমি বুঝবা আসলে। ঠিক আছে, এই যে “থ্যাংকিং”। চিন্তা করতেছে সে। তোমাকে একটা পুরোপুরি প্ল্যান দিয়ে দিবে। এইটা কিন্তু দিয়ে এই যে দেখছো দেখছো! একটা জিনিস দেখো, সে কই কই কী খুঁজতেছে না খুঁজতেছে, তুমি লাইভ দেখতে পাচ্ছো! এই যে দেখো, নিচে এই যে ‘লাইভ’ লেখা উঠছে। হ্যাঁ?

    তুমি লাইভ দেখতে পাচ্ছো। মারাত্মক লাগছে এটা আমার কাছে। তুমি জাস্ট এইটা না, এই এজেন্টের মধ্যে অনেক কাজ করা পসিবল বস। ইনশাআল্লাহ! আমি সেগুলো নিয়ে সামনে কথা বলব। সো, আমি এটা করে রাখছি, তোমাদের জন্য, শুধু তোমাদের জন্য। এই যে করে রাখছি, এটা আগে করছি। এটা বেশ টাইম লাগবে। মানে ভালোই দশ-পনের মিনিট টাইম লাগে আরকি। নাকি আরো কম-বেশ এরকম কিছু হতে পারে। সো দেখো, সে প্রথমে হচ্ছে একটা সামারি দিয়ে দিছে।

    তারপর হচ্ছে যে, তিনদিন আমি কী করব না করব, তিনদিন কোথায় থাকব, হাবিজাবি অ্যাক্টিভিটিস, এক্সট্রা কোনো পোস্ট, হাবিজাবি সব দিয়ে দিছে। মানে আমি কী করব, আমাকে জাস্ট চিন্তায় ঘুরতে হচ্ছে না। কোথায় কত টাকা খরচ হবে না হবে, অ্যাবসেমেট সে আমাকে দিয়ে দিছে। সবচেয়ে বড় কথা, এখানে সে খুব সুন্দরভাবে জিনিসটা দেয়ার পরে, আমাকে প্রত্যেকটা জিনিসের লিঙ্কও দিয়ে দিছে।

    আমি টিকিট কই থেকে কিনব, আমার থাকার জায়গা, আমার পোস্ট গাইড, আমার হচ্ছে কোন রেস্টুরেন্ট, আচ্ছা যাই হোক ওইটা। তারপরে প্রত্যেকটা জিনিসের দেখো, সুন্দর মতো দিয়ে দিছে। আর এইখানে আমি যেটা দেখলাম যে, ঝাউবন রেস্টুরেন্ট। এই রেস্টুরেন্টে সে এক্সেপ্ট কেন দিল, বলো তো? আরো তো অনেক ছিল। আমার প্রাইসের মধ্যে ফিট হয় যে জিনিসগুলা, সে সেগুলো রিসার্চ করছে।

    রিসার্চ করার পর আমার জন্য বেস্ট সুইটেবল জিনিসটা সেখানে দিছে। জিপিটি ফাইভের আরেকটা জিনিস হচ্ছে, সে কিন্তু তোমাকে চিনে রাখতেছে। সো, তুমি যখন একটা পার্সোনাল অ্যাকাউন্টে তার সাথে কথা বলতেছো, তোমার পছন্দ, তোমার হচ্ছে যে জিনিসগুলো ভালো লাগে, খারাপ লাগে, তুমি কী কী নিয়ে কাজ করতেছো, এই প্রত্যেকটা জিনিসই মনে রাখতেছে। সো, তোমার প্রত্যেকটা আউটপুট আরো পার্সোনালাইজড হবে।

    ঠিক আছে, এই ছিল আজকের মোটামুটি জিপিটি ফাইভ নিয়ে কিছু জিনিস দেখানোর ট্রাই করছি। ইনশাআল্লাহ! দোয়া করব আমার জন্য, সামনে যেন এই জিনিসগুলো নিয়ে আরও কাজ করতে পারি। আসসালামু আলাইকুম, আল্লাহ হাফেজ।

    AI Tech ChatGPT 5 New AI
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Previous Articleচ্যাটজিপিটি স্টাডি মডেল দিয়ে ১০ গুণ বেশি পড়াশোনা – Learn 10x Faster and Effective using ChatGPT Study Model
    Next Article এআই জেনারেলিস্ট হওয়ার বিস্তারিত গাইড লাইন – 4 Effective Roadmap to become an AI Generalist
    NiceTrix (Admin)
    • Website
    • Facebook
    • X (Twitter)
    • Pinterest
    • Instagram
    • Tumblr
    • BlogLovin
    • LinkedIn

    I am an education administrator and digital entrepreneur with 12+ years of experience in school management, IT, and digital services. I have founded SoftDows and BidyaShikhi, working on impactful web projects to empower education, technology, and business communities.

    Related Posts

    AI Tech

    গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio): সকল এআই মডেল একসাথে ব্যবহারের সুযোগ

    September 14, 2025
    AI Tech

    গুগল এর বিশ্ব কাঁপানো এআই – Google I/O 2025

    September 13, 2025
    Lifestyle Hacks

    এআই জেনারেলিস্ট হওয়ার বিস্তারিত গাইড লাইন – 4 Effective Roadmap to become an AI Generalist

    September 13, 2025
    View 1 Comment

    1 Comment

    1. Pingback: ChatGPT 5 কি এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন? Simple and Powerful way to use ChatGPT-5 in Bangla - NiceTrix

    Leave a ReplyCancel reply

    Demo
    Top Posts

    ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া – প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফল!

    August 27, 20254,611 Views

    গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio): সকল এআই মডেল একসাথে ব্যবহারের সুযোগ

    September 14, 2025147 Views

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 202592 Views
    Stay In Touch
    • Facebook
    • YouTube
    • TikTok
    • WhatsApp
    • Twitter
    • Instagram
    Latest Reviews

    Subscribe to Updates

    Get the latest tech news from FooBar about tech, design and biz.

    Demo
    Most Popular

    ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া – প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফল!

    August 27, 20254,611 Views

    গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio): সকল এআই মডেল একসাথে ব্যবহারের সুযোগ

    September 14, 2025147 Views

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 202592 Views
    Our Picks

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 2025

    ক্রোয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সর্বশেষ তথ্য

    October 19, 2025

    বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা নিয়ে ইউরোপ প্রবেশের পূর্ণাঙ্গ গাইড লাইন

    October 17, 2025

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    NiceTrix
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube LinkedIn WhatsApp TikTok Telegram Threads
    • Home
    • Contact Us
    • Our Authors
    © 2026 Copyright @ NiceTrix. Designed by SoftDows

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Ad Blocker Enabled!
    Ad Blocker Enabled!
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please support us by disabling your Ad Blocker.