আসসালামু আলাইকুম সবাইকে। আজকে আমি তোমাদের সাথে এই ভিডিওর মধ্যে কথাবার্তা বলবো ঢাবি ‘ক’ ইউনিট প্রিপারেশন নেওয়ার এই টু-জেড মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে। কখন তুমি কী পড়বা, তোমার এখন আসলে কী কী পড়া উচিত। ঠিক কোন সময় থেকে কোয়েশ্চেন ব্যাংক সলভ করা উচিত, ঠিক কোন সময়ে তোমার হচ্ছে যে থিওরির প্রতি বেশি ফোকাস দেওয়া উচিত। তোমার এক্সাম হলে কী ধরনের মেন্টাল টেকনিক বা প্রিপারেশন নিয়ে রাখা উচিত— এইটুকু যে মাস্টারপ্ল্যান থাকবে, ঠিক আছে?
সো চলো আমরা প্রথমে আসলে দেখি আমাদের ভার্সিটির ‘ক’ ইউনিটের প্রিপারেশন নিতে চাইলে আমাদের ভার্সিটির কী কী চাহিদা আছে। যেটা আমাকে অবশ্যই এইচএসসির রেজাল্টের মাধ্যমে ফিলাপ করতে হবে। ওখানে কী আমাদের ডিমান্ড আছে? আমাকে পাস করতে হলে, আমাকে চান্স পেতে হলে। তারপরে আমি দেখব যে আমাদের টার্গেটগুলো কী কী হতে পারে।
এরকমভাবে যদি বিশ্লেষণ করে দেখো, তাহলে তোমার জন্য এই জিনিসটা বোঝা খুবই সহজ হয়ে যাবে। তোমার জন্য গোল ফিক্স করা খুব সহজ হয়ে যাবে। আচ্ছা, চলো যদি শুরু করি। ফার্স্ট অফ অল, জিপিএ অনুযায়ী আমাদের ভার্সিটির ঢাবি কমিটি যেটা রিকয়ার করে, সেটা হলো যে তুমি এসএসসি এবং এইচএসসিতে মিনিমাম সাড়ে তিন মার্ক মানে সাড়ে তিন পয়েন্ট করে অবশ্যই পেতে হবে। মানে, ৩.৫ তোমার জিপিএ মিনিমাম করে থাকা লাগবে, বুঝেছ? মিনিমাম সাড়ে তিন করে টোটালে আট থাকা লাগবে।
তো এটা একটা ফিল্টারেশন, অবশ্যই। সো দেখা যায় যে ম্যাক্সিমাম মানুষজনের এটা কাইন্ড অফ হয়। হ্যাঁ, এ বছর সার্কুলার প্রকাশ পাওয়ার পরে এটা আশা করি এরকমই থাকবে। নরমালি এটা থাকে, বিগত বছর থেকে দেখা গেছে। সো এটা বাড়ার কোনো চান্স নাই। হয়তোবা রেজাল্টের বিভিন্ন ভিন্নতার কারণে বা হচ্ছে যেরকমভাবে ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে, হয়তোবা এটা কমলেও কমতে পারে। কিন্তু বাড়ার কোনো চান্স নাই, ঠিক আছে?
তোমার মিনিমাম টার্গেট থাকবে তুমি চিন্তা করে দেখো এইচএসসিতে আসলে তুমি ৪.৫০ এর মতন গ্রেড করতে পারছ কিনা এবং তোমার এই এসএসসিতে যেটা আছে রেজাল্ট, সেটা টোটালে মিলিয়ে ৮ হচ্ছে কিনা। যদি হয়, তার মানে হ্যাঁ, এবার ওয়েলকাম! তুমি ঢাকা ইউনিভার্সিটির ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য বসতে পারবা, ওকে? না থাকলে পারবা না। সিম্পল। আচ্ছা।
এরপরে আসো। এর কোয়েশ্চেন প্যাটার্ন থেকে তোমাকে যে জিনিসটা রিকয়ার করে, সেটা হলো তোমার মিনিমাম কাজ হচ্ছে, ভাইয়া, প্রথমত এখানে এমসিকিউ আর রিটেন— ২ ধরণের কোয়েশ্চেন থাকে, আমরা জানি। এমসিকিউ কোশ্চেনের ভেতরে তোমাকে অবশ্যই এমসিকিউর ভেতরে ষাট মার্কের যে এমসিকিউ থাকে— আমি কোয়েশ্চেন প্যাটার্ন নিয়ে এক্ষুনি কথা বলবো— ষাট মার্কের যে এমসিকিউ থাকে, তার মধ্যে এমন একটা রেজাল্ট অর্জন করতে হবে। যেন তুমি ১২০০০০ পরীক্ষার্থী, ১৫০০০০ পরীক্ষার্থী— যতজনই পরীক্ষা দিক না কেন, তুমি তার মধ্যে ১ থেকে ১০ হাজারের মধ্যে চলে আসো সিরিয়ালে।
যদি তুমি কেবল এবং কেবলমাত্র ১ থেকে ১০ হাজারের ভেতরে আসো, তখনই কেবলমাত্র তোমার পরীক্ষাটার, পরীক্ষার খাতাটা রিটেনের জন্য চেক করা হবে। মানে, রিটেনের খাতাটা তোমার জন্য চেক করা হবে। যদি তুমি ১ থেকে ১০ হাজারের ভেতরে না আসো, তাহলে তুমি রিটেন যত ভালোই পরীক্ষা দাও না কেন, এমসিকিউটাও মোটামুটি অ্যাবাভ অ্যাভারেজ দিয়ে থাকো বা বিলো অ্যাভারেজ দিয়ে দাও, তার মানে তুমি আসলে আল্টিমেটলি ফেল। বা তুমি ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে চান্স পাওয়ার জন্য আসলে যোগ্য বলে বিবেচিত হবা না, ওকে?
তাহলে আশা করি বুঝাতে পারছি। আমার প্রথম প্রায়োরিটি হচ্ছে এমসিকিউ। এমসিকিউ পোরশনে আমাকে ১ থেকে ১০ হাজারের ভেতরে আসতে হবে। এরা আসলে ফিক্সড ১ থেকে ১০ হাজার না। নরমালি যতগুলো সিট থাকে, আঠারোশো পনেরোটা সাধারণত সিট এর আগের বছরও ছিল, এটা আসলে…। তো যাই হোক, আঠারোশো পনেরোটা সিটের যতগুলা সিট তার দ্বিগুণ সংখ্যক, মানে সরি, যার পাঁচগুণ সংখ্যক রিটেন খাতা চেক করার জন্য নেওয়া হয়।
সো ওএমআর-এর ক্ষেত্রে, ওএমআর দিয়ে যে আমার এমসিকিউ, ১২০০০০ হলে ১২০০০০, ১৩০০০০ হলে ১৩০০০০— সবার যেয়ে চেক করে নেওয়া হবে। তার ভেতরে আমার টার্গেট থাকতে হবে আমি যেন ১ থেকে ১০ হাজারের সিরিয়ালের মধ্যে অবশ্যই চলে আসি। আসলে কেবল এবং কেবলমাত্র আমার খাতাটা চেক করা হবে, রিটেন খাতাটা। ওকে? এই যে দেখো, রিটেন চেক করা হবে।
এখন এখানে পাস করার একটা ক্রাইটেরিয়া আছে। ধরো, তুমি এমসিকিউতে, মানে আমি মেনে নিলাম যে তুমি এমসিকিউতে ষাটের মধ্যে ৫০ পেয়ে গেলে। তার মানে অবশ্যই আশা করা যায়, তুমি দশের ভেতরে চলে আসছ। ধরে নাও ১০ হাজারের ভেতরে চলে আসছ। কিন্তু রিটেনের বেলায় দেখা গেলো, তোমার মার্ক খুব বেশি ভালো উঠলো না। তুমি রিটেনের মার্ক পেলে মাত্র ১০। তোমার টোটাল মার্ক কত হয়ে গেল? ভাই, ষাট।
জিপিএ দিয়ে হচ্ছে যে জিপিএর দ্বিগুণ মার্ক। ধরে নাও, তুমি জিপিএতে আট পেয়েছ টোটালে। টোটাল আট মানে হচ্ছে ১৬ মার্ক। পেলে ১৬ মার্ক মানে হচ্ছে ৭৬ মার্ক। খারাপ মার্ক না, ঢাবিতে এই ৭৬ মার্ক নিয়ে ইনশাআল্লাহ দেখা যায় যদি মোটামুটিভাবে, মানে স্ট্যান্ডার্ড পরীক্ষা হয়, তাহলে তুমি ১৫০০-এর ভেতর থেকে ২০০০-এর মধ্যে চলে আসবা সিরিয়ালে, এই ৭৬ মার্ক নিয়ে। কাছাকাছি, এটা অ্যাজাম্পশন করে বললাম আমি। ৭৬ মার্কের ভেতরে।
কিন্তু দেখা গেলো যে তোমার রেজাল্ট আসলে হচ্ছে ফেইল। হোয়াই? জিজ্ঞাসা করতে পারো কেন। কারণটা হচ্ছে তোমার মিনিমাম একটা মার্ক দেওয়া আছে রিটেন আর এমসিকিউতে পাস করার জন্য। এই মিনিমাম মার্কটা তুমি অহরহ পূরণ করতে পারলেও, তুমি এমসিকিউ আর রিটেনের জন্য যে মানে ওইখানে প্রাথমিক স্তরের যে ফিল্টারেশনটা, আসলে পাস করতে পারছ না। তুমি এমসিকিউ-এর ক্ষেত্রে ২৪ পেয়েছ। সেটা ঠিক আছে যে আমি সিওর, তুমি ৫০ পেয়ে গিয়েছিলে। বাট, রিটেনের ক্ষেত্রে তোমার ১২ মার্ক লাগবে মিনিমাম। সেখানে পেয়েছ হচ্ছে তুমি ১০। তার মানে এখানেই তুমি হচ্ছে ফেল।
তুমি ওভারঅল পাস করতে পারলেও, রিটেনে পাস করতে পারোনি। মানে আল্টিমেটলি ফেল। বোঝা গেছে কি জিনিসটা? সো তোমাকে এই রিকোয়ারমেন্টটা মাথায় রাখতে হবে, এটাও পূরণ করতে হবে। ধরো, কেউ বললাম যে, ভাই, ১ থেকে ১০ জন আসতে বলছিলেন, চলে আসছে সে। তারপরে হচ্ছে যে টোটাল ৬০ পার্সেন্ট মার্ক নিতে বলছিলেন, ষাটও পেয়ে গেছে সে। তার মানে তাই সে তো চান্স পেয়ে যাওয়ার কথা। বাট, তার রেজাল্ট আপনি মডিফাইড কেন? এই যে, সে রিটেনে আসলে আলাদাভাবে পাস করতে পারে নাই। সাবজেক্টওয়াইজ আমাদের আলাদা পাস বলে কিচ্ছু নাই এখানে।
আমি আবারও বলতেছি, সাবজেক্টওয়াইজ আমাদের আলাদা পাস বলে কিচ্ছু নাই এখানে। আমাদের কী লাগবে? রিটেন এবং এমসিকিউতে আলাদা পাস, আলাদা আলাদা পাস। তারপরে রিটেন আর এমসিকিউ মিলে ওভারঅল ৪০ পেতে হবে, দেওয়া হচ্ছে আমার প্লাস। এমনিতে তুমি রিটেনের, মানে মেইনলি বা মিনিমাম মার্কগুলো যোগ করলে কিন্তু ৩৬ আসে। ৪০ কিন্তু আসে না। বাট ওভারঅল তোমাকে চল্লিশটা চেক করতে হবে। না হলে তোমার পাস হবে না। ক্লিয়ার? ওকে।
এরপরে তোমার টার্গেট কী থাকা উচিত? এখানে এই যে এগুলোর, এগুলোর আন্ডারে, মানে এগুলোর আরকি কাউন্টারে, তোমার টার্গেট কী কী হওয়া উচিত, সেটা যদি আমি একটু বলি: তো ফার্স্ট অফ অল তোমার এমসিকিউ মিনিমাম ৪৫ প্লাস কারেক্ট হচ্ছে যে দাগানো। যদি তুমি ৪৫ প্লাস কারেক্ট দেখাতে পারো, তার মানে অবশ্যই তুমি রিটেনের জন্য এলিজিবল। এবং রিটেনের মধ্যে তো একটা ভালো কিছু দিতেই হবে তোমাকে। মানে, রিটেনের মধ্যে আশা করি একটা ভালো তুমি মানে পারফর্ম্যান্স দেবে। এবং রিটেনের ভেতরে যেহেতু আমাদের ৪০ মার্কের প্রাইভেট থেকে…।
আমি অ্যাবাভ অ্যাভারেজ যদি চিন্তা ভাবনা করি যে, তুমি ৪০ মার্কের ভেতরেও মিনিমাম ২৫ প্লাস মার্ক তুমি গ্র্যাব করতে পারতেছ, তাহলে আলহামদুলিল্লাহ, তুমি খুব ভালো একটা মার্ক পাবা। কত পাবা, চিন্তা করে দেখো। এখানে তো তোমার হচ্ছে যে ৬০ চলে, মানে এখানে তো তোমার হচ্ছে ৭০ চলে আসতেছে। এই ৭০-এর সাথে যদি তোমার জিপিএ ২০ যোগ হয়, তাহলে একেবারে ৯০! আরে বাপরে বাপ! বেশ মাশাআল্লাহ মার্ক, যাকে বলে বেশ ভালো একটা মার্ক। বোঝা গেছে আমার কথা?
আচ্ছা, সো এই যে, এই যে যেই তোমার টার্গেট হলো যে, ৪৫ প্লাস তুমি কারেক্ট দাগাবা। উইদাউট ক্যালকুলেটর, একটা এমসিকিউ-র জন্য তুমি মাত্র সময় পাবা হচ্ছে ৪৫ সেকেন্ড। উইদাউট ক্যালকুলেটর, একটা এমসিকিউ-র জন্য সময় পাবা কতটুকু? ৪৫ সেকেন্ড। হ্যাঁ, এক্ষেত্রে তুমি অপশনাল সাবজেক্ট বাদে, শুধুমাত্র ধরো হচ্ছে যে, ফিজিক্স আর বায়োলজি অথবা হচ্ছে ম্যাথ-এর, সেটার বাদে বাংলা বা ইংরেজি হচ্ছে যে দাগাতে পারো, বা লিখতে পারো, বা উত্তর দিতে পারবা। এমন কথা হলো যে, দুইটা তো হচ্ছে ফিক্সড। একটা ফিজিক্স কেমিস্ট্রি আর একটা হচ্ছে আমাদের ফিক্সড। এই দুইটাতে হচ্ছে ফিক্সড। এই দুইটা নিয়ে তো কোনো কথা নেই।
এখন আমি ধরে নিলাম যে আমি আলোচনা করতেছি ধরো, যারা সাইন্সের সাবজেক্টে চারটা দাগাবে। পিসিএমবি দাগাবে, হ্যাঁ। ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ম্যাথ, বায়োলজি দাগাবে। তাদের ক্ষেত্রে তাদের প্র্যাকটিসটা কী হওয়া উচিত, সেটা যদি আমি একটু বলি: উইদাউট ক্যালকুলেটর যেহেতু আমাদেরকে ৪৫ সেকেন্ডে একটা মাত্র এমসিকিউ দাগাতে হবে। কারণ, রিটেনে আমাদের ষাটটা এমসিকিউ, টাইম হচ্ছে আমাদের ৪৫ মিনিট। এই হচ্ছে আমাদের সামারি। আর বাকি ৪৫ মিনিটের জন্য থাকে হচ্ছে আমার ৪০ মার্কের রিটেনস। ৪০ মার্কের লিডার থাকে বাকি ৪৫ মিনিটের মধ্যে।
তো আমি তোমার জন্য যদি একটু বলি: ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ম্যাথ, বায়োলজি— যে কথা, হ্যাঁ। তার ভেতরে এই কেমিস্ট্রি এবং বায়োলজি, এই যে এই চারটা সাবজেক্টের মধ্যে, এই দুইটা হবে হচ্ছে তোমার মেইনলি স্ট্র্যাটেজিক। জিজ্ঞাসা করতে পারো কেন? খুবই স্বাভাবিক। কারণ, এই দুইটার ক্ষেত্রে, বায়োলজির ক্ষেত্রে দেখা যাবে, ১৫টার মধ্যে প্রায় হচ্ছে যে ১৪টা প্লাস। মানে, ১৩টা প্লাস বা ১৪টা প্লাস— এগুলাই থাকবে হচ্ছে থিওরিটিক্যাল। ম্যাথ থাকার তো কোনো চান্সই নাই। আর বাকি যে দুইটা বা একটা থাকতেছে, এইগুলাকে আমি ও ধরে নিচ্ছি একটু উল্টাপাল্টা টাইপের কোশ্চেন। যেহেতু তোমাদেরও শর্ট সিলেবাস, ভাইয়া, তো ধরে নিচ্ছি আমি একটু উল্টাপাল্টা টাইপের কোশ্চেন। উল্টাপাল্টা টাইপের কোশ্চেন ছাড়া একেবারে রুট থিওরি কোশ্চেন থাকবে হচ্ছে ১২টা বা ১৪টা। তুমি বলো, এই ১২টা ১৪টা, তুমি যদি তুমি উত্তর এক্স্যাক্টলি পারো…।
তাহলে তোমার এটা দাগাতে হাইয়েস্ট কতক্ষণ লাগা উচিত? হাইয়েস্ট কতক্ষণ লাগা উচিত? আমার মতে, হাইয়েস্ট ৪ থেকে ৫ মিনিট লাগা উচিত, মাত্র। এর বেশি সময় দেওয়া উচিত না এখানে। হাইয়েস্ট কতক্ষণ লাগা উচিত, বুঝেছো? ৪ থেকে ৫ মিনিট। কেমিস্ট্রির মধ্যে তুমি দেখতে পাবা…।
১০ প্লাস তোমার হচ্ছে থিওরি। ১০ প্লাস হচ্ছে থিওরি কোশ্চেন। বা চারটা থেকে, মানে এটা নরমালি হচ্ছে দুইটা থেকে হচ্ছে যে চারটা থাকে। দুইটা থেকে চারটা দেখা যায় ম্যাথমেটিক্যাল রিলেটেড কোশ্চেন দিয়েছে। তাও ম্যাথমেটিক্যাল রিলেটেড যেগুলো কোশ্চেন দিয়েছে, এগুলা আসলে হ্যান্ড ক্যালকুলেশনের মাধ্যমেই করে ফেলা যাবে। ইনশাআল্লাহ, এরকম টাইপের কোশ্চেন দেবে। সো, যেহেতু এই যে ১০ প্লাস তোমার রুট থিওরি কোশ্চেন আছে…।
যেটা আসলে বুঝে উত্তর করতে হবে তোমার। আমি বলছি না হুবহু বায়োর মতো মুখস্থ, বাট বুঝে উত্তর। এটা করার জন্য তোমার হাইয়েস্ট টাইম দেওয়া উচিত হচ্ছে ঐ যে ঐ ৫ মিনিট। ঐ যে ঐ ৫ মিনিট। ঐ যে ঐ ৫ মিনিট।
সো, তাহলে তুমি আমি যদি ধরে নিই, এখানে প্রায় দশটা কোশ্চেন। এখানে হচ্ছে যে তুমি প্রায় বারোটা কোশ্চেনের মতো উত্তর করলা। কতক্ষণ? ১০ মিনিটে। তার মানে ১০ মিনিট তুমি প্রায় বাইশটা কোশ্চেনের উত্তর করে ফেলেছ। তোমার হাতে আরও সময় আছে হচ্ছে কত, ভাইয়া, বলো? ১০ মিনিট হয়েছে, আরও ৩৫ মিনিট সময় আছে।
এই ৩৫ মিনিট সময়ের ভেতরে তুমি হচ্ছে এখানকার পনেরো, এখানকার পনেরো কোশ্চেন উত্তর করবা। ফিজিক্সের যদি আমি এই স্টার্টটা চিন্তা করি, তাহলে ফিজিক্সের ক্ষেত্রে দেখা যায় হাফ-অ্যা-মানে, প্রায় দেখা যায় হচ্ছে যে সাতটা মতন ম্যাথ। ম্যাথমেটিক্যাল রিলেটেড। তার ভেতরে ২-৩টা থাকবে খুবই ইজি। মানে হচ্ছে হ্যান্ড ক্যালকুলেশনই করা যাচ্ছে এরকম। আর কঠিনগুলোও হ্যান্ড ক্যালকুলেশন করা যায়, বাট একটু টাইম রিকোয়ার্ড। হ্যাঁ।
আর এখানে আটটা মতন থাকবে হচ্ছে থিওরি। সো, আটটা দেখাতে তোমার মিনিমাম হচ্ছে ওই যে ওই মানে, আমি হাইয়েস্ট দিলেও তোমাকে ২ থেকে ৩ মিনিট সময় দিতে পারি। ঠিক আছে। সো, তুমি এরকম এরকমভাবে ধাপে ধাপে আগাচ্ছ। এই যে ম্যাথের যে জায়গাটা, এই ম্যাথের জায়গাটা আবার তোমাকে একটু উৎকর্ষ সাধন করতে হবে। ম্যাথে আবার হ্যান্ড ক্যালকুলেশন করে কিছু শর্ট টাইপের যে ম্যাথটা থাকবে, এক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি হচ্ছে শর্টটাইপ বা ম্যাট্রিক্স থেকে সকল জিনিসপাতি বা কিছু থিওরিটিক্যাল কোশ্চেন উত্তর করে দিলে, কোনো সূত্র বা অপশন টেস্টের মাধ্যমে উত্তর করা যায়।
এরকম শর্টকাট টেকনিক দিয়ে উত্তর করা যাবে না, দ্রুততম সময়ে উত্তর করা যায় এরকম জিনিসপাতি হাইয়েস্ট থাকতে পারে হচ্ছে যে তিনটা থেকে পাঁচটা মতন। ওকে। বাদবাকিগুলোতে দেখা যাচ্ছে ম্যাথ করে উত্তর করা লাগতেছে। এই যে ওভারঅল আমি তোমাকে একটা সিনারিওর কথা বললাম। তো এখানে তুমি একটা সিম্পল চিন্তা করে দেখো, তোমার আল্টিমেটলি সেভিয়ার সাবজেক্ট কে? কেমিস্ট্রি আর বায়োলজি, না?
সেই কেমিস্ট্রি আর বায়োলজিতে তুমি দাগিয়ে ফেলো। প্রথম হচ্ছে ওই ১০ মিনিটের ভেতরে এই এতগুলা কতগুলা? মিনিমাম টার্গেট থাকবে হচ্ছে যে তুমি আসলে ২২টা মতন কারেক্ট দাগিয়ে ফেলেছ। ২২টার মতন যদি কারেক্ট দাগিয়ে ফেলো, তারপরেও চেষ্টা কর যে ফিজিক্স আর ম্যাথ থেকে পিকআপ করে। এরকমভাবে পিকআপ করো। পিকআপ করে বাকি আরও ১০ মিনিট টাইম ইনভেস্ট করো অথবা ১৫ মিনিট টাইম ইনভেস্ট করো। আমি নরমালি ১৫ মিনিট টাইম ইনভেস্ট করছিলাম।
বাকি আরও ১৫ মিনিট টাইম ইনভেস্ট করে, আমি ওই ২২ থেকে নিয়ে গেছিলাম সেটা হচ্ছে আসলে ৩৫-এ। ৩৫-এ। তাহলে আমার কাছে টোটাল টাইম গেছিল হচ্ছে ধরো আরও ১৫ মিনিট সময় কিনতে, মানে আরও ১৫ বার বলি, আরও হচ্ছে যে আমার মানে ২৫ মিনিট। অলরেডি হচ্ছে যে ১০ মিনিটের পরে ১৫ মিনিট, ২৫ মিনিট সময় ছিল। আরও ২০ মিনিট সময় আমার কাছে এক্সট্রা ছিল।
ওই ২০ মিনিট সময় আমি হ্যান্ড ক্যালকুলেশনে যেগুলা করা ছিল সবগুলা করলাম। দেন আমি এটাতে টার্গেট নিয়েছিলাম প্রায় ৫০টা মতো, নিয়ে যেটা আরও ২০ মিনিটের ভেতরে পনেরোটা দাগিয়েছি। এই হচ্ছে তোমার একটা সিম্পল স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান হতে পারে। সো, তুমি এখন থেকে যখন প্রিপারেশন নেওয়া শুরু করতেছ, কীভাবে প্রিপারেশন নিবে আমি সেখানেও যাচ্ছি।
বাট, তোমার কাছে কেমিস্ট্রি এবং বায়োলজি এটা থ্রি-ডি টু ওয়ান ফোকাস। থ্রি-ডি টু ওয়ান ফোকাস থেকে হ্যান্ড ক্যালকুলেশন কোশ্চেন তো শিখবাই। কী ধরনের ক্যালকুলেশন আসছে সেটা তো দেখবাই। ধরো, মোলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম থেকে কোশ্চেন আসছে। ওখান থেকে কি আসলে হ্যান্ড ক্যালকুলেশনের কোনো কোশ্চেন আসবে রে ভাইয়া? নাকি ওখান থেকে ওই যে জ্ঞানমূলক থিওরিটিক্যাল ক্রিটিক্যাল কোশ্চেনগুলো আসবে?
অবশ্যই। থিওরিটিক্যাল ক্রিটিক্যাল কোশ্চেন যেগুলো উত্তর করতে তোমার পয়তাল্লিশ সেকেন্ড লাগবে না। তার থেকেও কম সময় লাগবে। তুমি পারবা যদি তুমি উত্তরটা জানো, তাহলে হয়ে যাচ্ছে। এই থাকবে হচ্ছে তোমার টার্গেট। এখন তুমি যখন প্রিপারেশন নিচ্ছ, তখন তুমি এরকম টেন্ডেন্সিতে প্রিপারেশন নিবা এদের। হ্যান্ড ক্যালকুলেশন খুব বেশি পরিমাণে ইনভেস্ট করবা।
আর এই যে এই কেমিস্ট্রি আর বায়োলজি যেগুলো, সেগুলাতে থিওরি। তুমি এখানে কিন্তু টাইম বাঁচাবা। এটাই হচ্ছে তোমার কিন্তু মেইন টার্গেট, মেইন গোল। ওকে। এরপরে যদি আমি আরেকটু সামনে আগাই, তোমাদের আসলে টাইমলাইন বিশ্লেষণটা করাটা খুবই জরুরী হয়েছে, ভাইয়া। যে, এক্স্যাক্টলি তুমি কোথায় আছো এখন।
তুমি আসো, ভাইয়া, দেখো। এক্স্যাক্টলি আগস্টটা, আমি যদি ধরে নিই যে জানুয়ারীর দিকে, জানুয়ারী টাইমটার ভেতরে হচ্ছে তোমার ডিইউ-এর এক্সাম। এবং এর মধ্যে তুমি হচ্ছে নভেম্বরের কাছাকাছি টাইমের ভেতরে অবশ্যই তুমি তোমার এইচএসসির রেজাল্টটা পেয়ে যাবা। এইচএসসির রেজাল্টের উপরে নির্ভর করে অনেক মানুষজন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রিপারেশন থেকে ভার্সিটিতে আসবে।
অনেক দেখা যাবে ভার্সিটি ‘বি’ ইউনিট নিচ্ছিল, স্ট্যান্ড সিয়োর ভার্সিটি ‘এ’ ইউনিটের জন্য এখন ট্রাই করা শুরু করবে। এর ভেতরেই কিন্তু তুমি প্রিপারেশন নেওয়া শুরু করবা, শুরু করে দিবা। বাট, তুমি ওই যে একটা ধীরে ধীরে ধীরে আগাচ্ছ, এটা ধীরে ধীরে ধীরে চেষ্টা করতেছো। তোমার কাছে র-টাইম যদি আমি চিন্তা করি, যে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার আগ পর্যন্ত, তাও সময় থাকে কতটুকু?
এগুলা ধরো আগস্ট চলতেছে। সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর— এগুলা তো রেজাল্ট, এগুলোতে টাইম নিয়ে চিন্তা করার নাই। সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর— তিন মাস। ডিসেম্বর, এই ডিসেম্বরের ভেতরে মেডিকেল। তার আগে রিভিশন করতে হবে, মানে র-তিন মাস আছে হচ্ছে তোমার কাছে সময়। আমি যদি চিন্তা করি র-এক্কেবারে তিন মাস। আমি তিন মাসের কথা বলবো না, আমি ধরে নেব হচ্ছে ১০০ ওয়ার্কিং ডে।
একশো ওয়ার্কিং ডে, একশোটা দিন তোমার কাছে হাতে আছে। তোমার এর ভেতরেই সামনে চার বছরের ভবিষ্যতটা কোনদিকে যাচ্ছে, তুমি তোমার বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফোটাতে পারছ কিনা, তাদের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারছ কিনা— এ টু জেড ডিটেইলস ঠিক হতে চলেছে এই একশটা ওয়ার্কিং ডে-র ভেতরে, তুমি আসলে কী পরিমাণে ইফোর্ট দিবা, কী পরিমাণে পরিশ্রম দিবা, সেটার উপরে। ওকে।
সো, এটা তুমি আসলে শুরু করবা কীভাবে? তোমার করণীয়গুলো কী কী? এটা নিয়েই আমি কথা বলবো। তার আগে একটু ছোট্ট করে খালি কোশ্চেন প্যাটার্নটা বলে দিই। কোশ্চেন প্যাটার্নের ক্ষেত্রে ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ম্যাথ, বায়োলজি— যারা অপশনাল সাবজেক্ট ম্যাথ বা বায়োলজি সেটা ছাড়া সে বাংলা ইংরেজি দাগাতে পারে, কিন্তু কোশ্চেন প্যাটার্ন সেম। এক্ষেত্রে এমসিকিউ থাকে তার প্রত্যেকটা সাবজেক্টে পনেরোটা করে, ৪x১৫=৬০।
আর রিটেনে থাকে হচ্ছে প্রত্যেকটাতে দশ মার্ক করে, ৪x১০=৪০। ৪০ মার্কের ক্ষেত্রে চারটা করে কোশ্চেন থাকে, চারটারই উত্তর করা লাগে। প্রত্যেকটার পূর্ণমান হচ্ছে ২.৫ মার্ক করে। আশা করি বোঝা গেছে। তুমি ৪৫ মিনিট প্রথমে এমসিকিউ পরীক্ষা দিয়ে দিবা। তারপরে তুমি ৪৫ মিনিট সময় পরীক্ষা দিবা হচ্ছে রিটেনে।
এখানে একটা কমন ভুল ধারণা হয় আসলে। যে, ৪৫ মিনিট এমসিকিউ ভালো মতোন যদি দিতে পারি, তাহলে ৪৫ মিনিট রিটেনে বোধহয় মানে, এক মার্কের পিছনে তো এক মিনিট থেকেই সময় পাচ্ছি। আরামসে কোনো প্যারা হবে না বোধহয়, এরকমটা মনে হতে পারে। বাট, এটা আসলে ভুল ধারণা একটা। প্যারা হবে না, না। লিটারেলি প্যারা হয় আসলে। এখানে এমসিকিউ দাগানোটা হচ্ছে সহজ, রিটেন দাগানোর থেকে।
আচ্ছা। এরপরে চলে আসো তোমার করণীয়। তুমি এখন ভার্সিটি ইউনিট প্রিপারেশন নিতে চাচ্ছো। এই মাস্টারপ্ল্যানে তোমার কী করণীয় করতে হবে? এই যে আজকে এখন থেকে তুমি কী করবা? সোজা বাংলা কথা বলি। আমার ডেসক্রিপশন বক্স বা কমেন্ট বক্স চেক করো। হাল্ক্স স্ট্রাইক ভার্সিটি ‘এ’ ইউনিট প্রোগ্রাম দেওয়া আছে।
এই প্রোগ্রামের ভেতরে তুমি আসবাই। বিশ্বাস করো, এর প্রোগ্রামের ভেতরে তুমি আসবা। এখন যদি নিয়ে থাকো, তাহলে তুমি এখন একটা ছাড়ে কিনতে পারবা, এই হচ্ছে কথা। আমরা ঐ বিনা নিব, খুব দ্রুত ঐ বিনা নেওয়ার পর থেকে দেখবা হচ্ছে যে এটার মানে, প্রাইস আল্টিমেটলি বেড়ে গেছে। সো, আমি যেটা বলতেছি, হাল্ক্স স্ট্রাইক ভার্সিটি ‘এ’ ইউনিটে তোমাকে অ্যাডমিশন স্ট্যান্ডার্ড থিওরি ক্লাস দিয়ে শেষ করা আছে আসলে।
আটটা সাবজেক্ট না, ভাইয়া! ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ম্যাথ, বায়োলজি। বাংলা ইংরেজি যুক্ত করা থাকবে কোনো দুশ্চিন্তা নাই, বাট আমরা বলবো বা সাজেস্ট করবো তুমি ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ম্যাথ, বায়োলজি দাগাও। ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ম্যাথ, বায়োলজিতে টোটালে আশিটা ক্লাসে শেষ করা আছে। আশিটা একাডেমিক ক্লাসে। মানে, একাডেমিক মানে অ্যাডমিশন স্ট্যান্ডার্ড যে থিওরি ক্লাস, সেই ক্লাসে তোমাকে অ্যাডমিশন ঢাবি ‘ক’ প্রিপারেশন এ টু জেড শেষ করে দেওয়া আছে। শর্ট ট্রিকও আছে।
এই আশিটা ক্লাস তুমি কমপ্লিট করবা হচ্ছে ৪০ দিনে। ৪০ দিনে। এখন এই ৪০ দিনে তো ৪০ দিনই তো আনন্দ তুমি পড়তে পারবা না। একটু এদিক-ওদিক ফ্ল্যাকচুয়েশন ঘটবে। আমি এটাকে ধরলাম হচ্ছে ৫০ দিন। ৫০ দিন। কীভাবে শেষ হবে? প্রত্যেকদিন তোমার টার্গেট থাকবে দুইটা করে ক্লাস করা। প্রত্যেকদিন দুইটা সাইন্সের সাবজেক্টে ক্লাস করবা, তাহলেই ডান।
ওই সাইন্সের সাবজেক্টগুলার কী করা লাগবে, এটা আমি এখানে বলে দিয়েছি। সাইন্স সাবজেক্টগুলোর ক্ষেত্রে আমি যেটা কাজ করতাম, সেটা হচ্ছে ফিজিক্সের সাথে ম্যাথকে রাখতাম। আর মঙ্গল-বৃহস্পতিবার হচ্ছে, ভাইয়া, বায়োলজির সাথে কেমিস্ট্রিকে। আমি ভালো পারতাম, ওখানে আমার টাইম কম লাগতো। বায়োলজি আমি কম পারতাম, সেখানে আমার টাইম বেশি লাগতো। তো ওখানে মেকআপ হয়ে যেত।
আর কেমিস্ট্রি আর ম্যাথ, সরি, ফিজিক্স আর ম্যাথ যেহেতু যেদিন করা লাগবে, সেদিন আমাকে টাইম বেশি ইনভেস্ট করতে হবে, এটা আমার মাথায় থাকতো আরকি। সকালে মানে দিনের একটা পুরো দিনের বেলা যেটা, সেটা আমি টোটালি ফিজিক্স ক্লাসটা কমপ্লিট করলাম, ভালো করে বুঝুন। একটা অ্যাডমিশন স্ট্যান্ডার্ড যে থিওরি ক্লাস, সেটা কমপ্লিট করলাম। ওখানে কোশ্চেন ব্যাংক সলভ ক্লাস দেওয়া আছে।
বাট, তুমি থিওরি ক্লাসটা কমপ্লিট করে নিজের নোট করে কমপ্লিট করছ। যে এই নোট করে কমপ্লিট করার পরেই, মানে কোশ্চেন ব্যাংক সলভ ক্লাস দেখতে চাওয়ার থেকে আমার পার্সোনাল সাজেশন হচ্ছে, তোমার কাছে যে অফলাইনের কোশ্চেন ব্যাংক আছে, সেটা যদি ‘এ’ ইউনিট প্রিপারেশনগুলো করতে পারো অথবা যেটাই থাকুক না কেন, সেটার কুইজটা ফেস কর। কুইজটিংগুলোকে নিজে সলভ করো।
নিজে সলভ করো, নিজেই এফোর্ট দাও, নিজে সলভ করো। নিজে সলভ করার পরে, এটা যখন তুমি প্রথম দিন পড়ে ফেলেছো, তাহলে পরের দিন নিশ্চয়ই আগের দিনের পড়াটা রিভিশন করতে হবে। পরের দিন সেটাকে রিভিশনে নিয়ে আসো। তারপরে হচ্ছে ভার্চুয়াল ভার্সিটির ‘এ’ ইউনিটেই হচ্ছে যে এক্সাম অ্যাড করা আছে। তুমি সেটার উপর, সেই টপিকের উপরে, সেই সাবজেক্টে, সেই চ্যাপ্টারের সেই টপিকের উপরে এক্সাম দাও একটা।
এই হচ্ছে তোমার রেগুলার সাইকেল। পিডিসিএ সাইকেলের মতন প্ল্যান-ডু-চেক-অ্যাক্ট। এই হচ্ছে তোমার কাজ। কথা বোঝা গেছে আমার? তুমি ঠিক একই রকমভাবে পরের দিন যখন হচ্ছে বায়োলজি আর কেমিস্ট্রির বায়োলজি যা পড়তেছো, সেম এই সাইকেলটা খালি রিপিট করো। আবার কেমিস্ট্রি পড়তেছো, সেম এই সাইকেলটা খালি রিপিট করো।
বিলিভ মি, তুমি আমাকে পঞ্চাশটা দিন হচ্ছে যে করে ঠিক করে দাও যে, ভাই, আমি ৫০ দিনের ভেতরে আপনার এই আশিটা ক্লাস শেষ করে দিতে পারবো। তোমার ভার্সিটিতে চান্স পাওয়া বলে শুধু না, ভাইয়া, একটা ভালো পজিশন হোল্ড করতে পারার গ্যারান্টি আমরা ইনশাআল্লাহ দিতে পারবো। বোঝা গেছে? সো, যারা ভার্সিটি ইউনিট প্রিপারেশন নেওয়া শুরু করতেছ, ডেসক্রিপশন বক্স বা কমেন্ট বক্সে লিংক দেওয়া আছে।
শুরুর দিকে অনেক মানুষজন অনেক এদিক-ওদিক অনেক দিকে দৌড়ায়। আল্টিমেটলি তারা জেতে যারা এক জায়গাতে যুক্ত থাকে, একটা সঠিক গাইডলাইন মেন্টরশিপের মধ্যে দিয়ে থাকে। এবং কখন কী করা লাগবে, কখন কীভাবে পড়া লাগবে, কোন অংশটাকে কতটা গুরুত্ব দিয়ে পড়া লাগবে, এই জিনিসগুলো কে একটু দেখে দেখে রেখো। আশা করি তুমি বুঝতে পারছো।
একবারে শুরু থেকে ভার্সিটির ডিমান্ড থেকে শুরু করে তোমার টার্গেট কী হওয়া উচিত। ঠিক একই রকমভাবে, তোমার টাইমলাইনের অবস্থা কী, তোমার কোশ্চেন প্যাটার্নটা কী থাকে এবং তোমার এক্স্যাক্ট, এই যে এখন থেকে ভার্সিটি ইউনিট প্রিপারেশন নেওয়া শুরু করতে চলেছ, তোমাকে এক্স্যাক্টলি কী কাজটা করতে হবে, কোন রুটিনের সাথে তোমার বেস্ট সিনক্রোনাইজেশন হয়। এই হচ্ছে এই প্ল্যানটা এখানে। কথা বোঝা গেছে?
সো, আশা করি বুঝতে পারছ। ডেসক্রিপশন বক্স ও কমেন্ট বক্স চেক করো। আমাদের ডেমো ক্লাসে যুক্ত করে দেওয়া আছে। তুমি ডেমো ক্লাসগুলোও দেখতে পারো। ক্লাস কোয়ালিটি নিয়ে তোমার আর আশা করি কোনো প্রকার মানে, ইস্যুজ ফিল হবে না বা কোনো ইস্যুজ থাকবে না। সো, তুমি আমাদের হাল্ক্স স্ট্রাইক ভার্সিটি ইউনিট প্রোগ্রামে আজকে যুক্ত হয়ে যেতে পারো। সবাই অনেক ভালো থাকো। আল্লাহ হাফেজ। আসসালামু আলাইকুম।


1 Comment
Pingback: ৭ ধরণের স্টুডেন্ট যারা কোনোদিনও পাবলিকে চান্স পায় না! - Why 7 Types of Student Never Get Chance in Public University! - NiceTrix