Close Menu
NiceTrixNiceTrix

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 2025

    ক্রোয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সর্বশেষ তথ্য

    October 19, 2025

    বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা নিয়ে ইউরোপ প্রবেশের পূর্ণাঙ্গ গাইড লাইন

    October 17, 2025
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • Advertise With Us
    • Disclaimer
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest Vimeo
    NiceTrixNiceTrix
    • Home
    • Lifestyle
    • Academic
    • AI Tech
    • Career
    • Abroad
    • Update
    Subscribe
    NiceTrixNiceTrix
    Home»Update»পরীক্ষার আগে পড়ার কার্যকর রুটিন – Effective Study Routine Before Exam
    Update

    পরীক্ষার আগে পড়ার কার্যকর রুটিন – Effective Study Routine Before Exam

    NiceTrix (Admin)By NiceTrix (Admin)September 15, 2025No Comments11 Mins Read
    Share Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Reddit Telegram Email
    Effective Study Routine Bef - Study Routine Before Exam
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    তোমাদের সবারই পরীক্ষা কিন্তু সামনে চলে এসেছে। কারোর কারোর কুড়ি দিন বাদে তো কারোর তিরিশ দিন বাদে, তো একটু উঁচু ক্লাস হলে ৫০ দিন বা ৬০ দিন বাদে। কিন্তু সবারই মোটামুটি পরীক্ষায় ১–দু মাসের মধ্যেই হতে চলেছে। যারা নিজেদের রুটিন বানিয়ে পড়াশোনা করছো তাদের ব্যাপারটা আলাদা। কিন্তু আমি জানি, তোমাদের মধ্যে অনেক স্টুডেন্ট আছে যারা এখনো ভাবছো যে কিভাবে প্রপারলি রিভিশন করবে, পুরো সিলেবাসটা কমপ্লিট করবে এবং পরীক্ষাতে ভালো রেজাল্ট করবে। তাই আজকে আমি তোমাদের জন্য এমন একটা রুটিন নিয়ে এসেছি যে রুটিনটা পরীক্ষার আগে তোমরা যদি ফলো করো, তাহলে সবকটা বিষয়েই তোমরা মোটামুটি ভালো নাম্বার তুলতে পারবে। আমার রুটিনের মধ্যে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো কিন্তু মাস্ট, আর আমি তোমাদেরকে ১০ ঘণ্টা পড়ার চালি রুটিন দেবো। কেউ যদি ১০ ঘণ্টাটাকে বাড়াতে চাও, ১১–১২ করতে চাও তাহলে তারা কী করবে সেটাও আমি বলে দেবো। কিন্তু একটা কথা সবসময় মাথায় রাখবে, এই পরীক্ষার আগে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার ঘুমানোটা কিন্তু প্রতিদিন খুব দরকার। না হলে যেটা তুমি পড়ছো সেটা তুমি রিটার্ন করতে পারবে না। সেখানে তোমার সারাদিনের যে পড়া তুমি করছো তার মধ্যে ম্যাক্সিমামটা তুমি ভুলে যাবে এবং পরীক্ষার আগে লিখে আসতে পারবে না, সেটার সম্ভাবনাই বেশি। তাই চেষ্টা করবে খাওয়া-দাওয়া ও ঘুম সবসময় নিয়মমতোই করতে।

    তাই রুটিন মেনে রাত্রে এগারোটায় ঘুমিয়ে পড়ো এবং সকালবেলা ছটার সময় উঠে পড়ো। অর্থাৎ তোমার কমপ্লিট ৭ ঘণ্টার রাত্রের স্লিপ দরকার। আর দিনের বেলা এক ঘণ্টা ন্যাপ নেবে, তাহলে তোমার পুরো ৮ ঘণ্টার স্লিপ সাইকেল কমপ্লিট হয়ে যাচ্ছে এবং মাঝখানে অতিরিক্ত পড়াশোনা করার জন্য খুব টায়ার্ড বা এক্সহস্টেডও লাগবে না। এবার আমি ধরে নিলাম যে তোমার পরীক্ষা ২৫ দিন পরে। কারোর কারোর তার আগেও হতে পারে, কারোর কারোর তার পরেও হতে পারে। সেই অনুযায়ী তোমরা কিন্তু আমি যেভাবে রুটিনটা ডিভাইড করছি, সেইভাবেই করবে। যদি কারোর বেশি দিন থাকে তাহলে তোমরা রুটিনটা বেশিদিনে ভাগ করে নেবে, আর যদি কারোর কম দিন থাকে তাহলে তোমরা সেটা কম দিনের মধ্যে ভাগ করে নেবে। এবার আমি ধরছি ২৫ দিন বাকি এবং তোমার সাবজেক্ট হচ্ছে সাতখানা। যদি উঁচু ক্লাসে হও তবে তোমাদের সাবজেক্টটা একটু কমে যাবে, সেই অনুযায়ী আবার তোমরা রুটিনটাকে অলটার করবে।

    তো আমি ধরছি তোমার ২৫ দিন বাকি এবং তোমার সাতখানা সাবজেক্ট আছে। এর মধ্যে একটা সাবজেক্ট হচ্ছে অঙ্ক বা ম্যাথমেটিক্স। সেটা তোমাদেরকে রেগুলার করতে হবে, অর্থাৎ ২৫ দিন যে বাকি আছে তার মধ্যে তোমাকে চব্বিশটি দিন অঙ্কটা করতেই হবে। অঙ্ক এমন একটা জিনিস, তোমরা যদি ডেইলি প্র্যাকটিস না করো তাহলে কিন্তু ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি এবং পরীক্ষার সময় ঠিক ভাবে মনে রেখে সেই সূত্রের মধ্যে অঙ্কটা করা সেটাও বেশ ডিফিকাল্ট হয়ে যায়। এবার এটা আমি আমার এক্সপেরিয়েন্স থেকেই বলছি। আমি নিজেও স্কুল লাইফে বরাবর অঙ্কটা খুব ভয় পেতাম, কিন্তু এই অঙ্কটাই আমার সবথেকে স্ট্রং সাবজেক্ট হয়ে গেছিল যখন আমি কম্পিটিটিভ পরীক্ষার জন্য প্রিপেয়ার করছিলাম। সেইখানেও নাইন–টেনের অঙ্কগুলোই দেয়, অথচ আমি নাইন–টেনে এই অঙ্কগুলো করতে কতটা ভয় পেতাম।

    আমাদের স্কুল বা বেশিরভাগ টিচার কী করে? ধরো তোমার একটা চ্যাপ্টারের মধ্যে কুড়িটা অঙ্ক আছে। ম্যাডামরা কী করে? তার থেকে পাঁচটা ডিফারেন্ট টাইপের অঙ্ক বোর্ডে করিয়ে দেন আর তোমাকে বলে দেওয়া হয় এই রকমই হচ্ছে অঙ্কটা এবং তুমি তার বাকিগুলো সেইভাবেই করবে। তাই তো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যেটা হয়। কিন্তু যখন আমি এটাই কম্পিটিটিভ এক্সামের জন্য করলাম তখন আমি নিজে বুঝে বুঝে করলাম যে কেন এই সূত্রে ফেলা হচ্ছে, কী কারণে হচ্ছে। তাই ভালোবেসে অঙ্কটা করতে শুরু করলাম। তাই এখন আমি বলতে পারি যে আমি যতগুলো পরীক্ষা দিয়েছিলাম, কোয়ালিফাই করেছিলাম সবকটাতেই ম্যাথসে সবসময় ফিফটির উপর আউট অফ ফোর্টি–ফোর্টি ফাইভ মার্কস আমি পেতাম। কেন পেতাম? কারণ যেটা আমি নাইন–টেনে করিনি—ভালোবেসে বুঝে সূত্রগুলো ধরে করিনি এবং ডেইলি প্র্যাকটিস করিনি—সেটাই আমি ওই সময় করেছিলাম।

    তাই সেটাই যদি আমি আগে করতাম, ছোটবেলায় করতাম তাহলে অনেকটা বেশি উপকার হতো। কিন্তু ছোটবেলায় এভাবে বোঝানোর মতো কেউ ছিল না। তোমরা এই ভুলটা করো না। তোমরা ডেইলি অঙ্কটা প্র্যাকটিস করো আর বুঝে বুঝে করো কোন সূত্রে কেন ফেলছো এবং মজা করে করো। এবং যাদের অঙ্কের ভীতি আছে এবং পরীক্ষার আগে অঙ্কটা করতে ভয় পাচ্ছো, ভাবছো কিভাবে করবে তাদেরকে অবশ্যই বলব তোমরা ডেইলি প্র্যাকটিস করবে অঙ্কটা এবং অঙ্কটা করবে সব সময় ঘুম থেকে ওঠার পরে ফ্রেশ মাইন্ডে। তখন দেখবে যেগুলো তোমার মনে হচ্ছে টায়ার্ড মাইন্ডে তুমি বুঝতে পারছো না, কেন এটাতে হচ্ছে বা কেন এটাতে হচ্ছে না—এই সমস্যাগুলো আর হবে না এবং তোমরা খুব ভালো করে অঙ্কগুলো করতেও পারবে এবং পরীক্ষায় ভালো নাম্বার তুলতে পারবে।

    তাই প্রথমেই ঘুম থেকে উঠে প্রথম ১.৫ ঘণ্টা ধরো, সাড়ে ছয়টায় তুমি পড়তে বসলে সাড়ে ছয়টা থেকে আটটা অব্দি তুমি ম্যাথ প্র্যাকটিস করো। সেখানে তুমি বিজগণিত করতে পারো, বীজগণিত করতে পারো, বাটিগণিত করতে পারো, যেটা তোমার মনে হচ্ছে একটু কঠিন এবং পরীক্ষার সময় বেশি সংখ্যায় প্রশ্ন আসে, বেশি প্রশ্ন তোমাকে ওই পার্টগুলো থেকে দেওয়া হয়—সেই পার্টগুলো তুমি সকালবেলাতে কভার করো। এবং ঠিক আটটার সময় উঠে তুমি ব্রেকফাস্ট করো, নিজের মতো একটু রিল্যাক্স করো। নেক্সট তুমি গোটা দিনে কী করবে সেগুলো নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করতে পারো, কিন্তু মোটামুটি আধ ঘণ্টার মতন ব্রেক দাও। এবং পরীক্ষার আগে যদি টেনশন থাকে, মনে হয় আধ ঘণ্টাটা বেশি হয়ে যাচ্ছে তাহলে কমও দিতে পারো।

    কিন্তু আমি ধরে নিচ্ছি তুমি আধ ঘণ্টার ব্রেকে খাওয়া-দাওয়া কমপ্লিট করে মোটামুটি রিল্যাক্স করে আবার সাড়ে আটটা থেকে সেশন শুরু করছো। সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে দশটা অব্দি তুমি যে কোনও বিষয় করবে। এবার এখানে ট্রিক্স হচ্ছে ধরো তোমার ২৫ দিন বাকি আছে। লাস্ট দিনটা বাদ দেবে কারণ তুমি লাস্ট দিনের পরের দিনের পরীক্ষার যা পড়া, সেইটাই তোমাকে করতে হবে, অন্য কিছু তুমি করতে পারবে না। তাই ধরে নাও তোমার কাছে যেটা আছে তার থেকে একদিন কমিয়ে দাও অথবা দুদিন কমিয়ে দাও। আমি একদিন কমিয়ে ধরছি তোমার কাছে ২৪ দিন আছে, অথচ তোমার কাছে ২৫ দিন আছে। কিন্তু আমি ধরছি তোমার কাছে ২৪ দিন আছে। এবার অঙ্ক বাদ দিয়ে তোমার তাহলে আর ছটা সাবজেক্ট আছে। এবার তুমি তাহলে প্রত্যেকটা সাবজেক্টের জন্য ৪ দিন করে সময় পাচ্ছ। এবার প্রত্যেকটা সাবজেক্ট তুমি চার দিনে ভাগ করে নেবে।

    এইবার এখানে তুমি কী করতে পারো? তোমার যেটা মনে হচ্ছে স্ট্রং সাবজেক্ট বা তুমি তাড়াতাড়ি রিভাইস করে নিতে পারবে, তুমি ৩ দিন রাখবে। যেটা মনে হচ্ছে তোমার একটু দুর্বল সাবজেক্ট, অনেকটা বেশি পড়তেও হবে, সেটাতে তুমি ৪ দিনের জায়গা ৫ দিন করে দেবে। এটা নিজের অনুযায়ী, নিজের ক্যাপাসিটি অনুযায়ী তুমি করতে পারো। কিন্তু সেটা ছাড়া আমি ধরে নিচ্ছি তুমি সবকটা বিষয়ে চার দিন করে রাখছো। এবার তুমি সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে দশটা যে সাবজেক্টটা তুমি ওই টাইম পিরিয়ডের মধ্যে চুজ করেছো, সেই সাবজেক্টটা তুমি পড়তে শুরু করলে। ধরে নিলাম তুমি লাইফ সাইন্স, জীবন বিজ্ঞান বা বায়োলজি পড়ছো। বাইরে যেটা তুমি এই সময় প্রথম স্টাডির সেশন, সেটা হচ্ছে সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে দশটা।

    প্রথমে বলেছিলাম অঙ্কটা তোমাকে ১.৫ ঘণ্টা করতে, কিন্তু এর পরে যেগুলো স্টাডি সেশন সাবজেক্ট করবে সেগুলো সব সময় না, চেষ্টা করবে দু ঘণ্টার রাখার। দু ঘণ্টার পড়া স্টাডি সেশন তার পরে আরেকটা ব্রেক। এইভাবে দু ঘণ্টা টু আওয়ার স্টাডি সেশনগুলোকে তোমরা ডিভাইড করবে নিজেদের পড়ার টাইমটাকে। তো ফার্স্টে সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে দশটা অব্দি তোমরা বিষয়টা প্রথম ভাগটা করছো। কিন্তু এটা মাথায় রাখবে যে দু ঘণ্টা পরে অবশ্যই তোমাদেরকে একটা ব্রেক নিতে হবে। ব্রেকটা তোমরা কতক্ষণে নেবে সেটা তোমাদের উপর নির্ভর করছে। তুমি কুড়ি মিনিটের নিতে পারো, ১৫ মিনিটের নিতে পারো, কিন্তু চেষ্টা করবে আধ ঘণ্টার বেশি ব্রেক কখনো না নেওয়ার।

    তো আমি ধরে নিচ্ছি তুমি আধ ঘণ্টা ব্রেক নিয়েছো। এবার এই আধ ঘণ্টায় তুমি কী করতে পারো? তোমাকে এক সেকেন্ড বলি, অলরেডি ব্রেকফাস্ট কমপ্লিট, তার দু ঘণ্টা হয়ে গেছে। এবার তুমি এক্সারসাইজ করতে পারো, যে কোনও ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ। খুব এক্সহস্টিং কোনো এক্সারসাইজ পরীক্ষার আগে করবে না তোমরা। হালকা ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ, তোমরা যোগ বা এগুলো বাড়িতে প্র্যাকটিস করতে পারো। তারপর উঠে তোমরা আবার এগারোটায় পড়তে বসবে। এবার এগারোটা থেকে একটা অব্দি মন দিয়ে আবার নেক্সট স্টাডি সেশনের পড়াটা পড়বে। এই দু ঘণ্টার গ্যাপে আবার তুমি সাবজেক্টটাই পড়বে।

    এবার একটা সময় উঠে, একটা থেকে দুটোর মধ্যে তোমরা ১ ঘণ্টার ব্রেক নেবে। আর এই ১ ঘণ্টার ব্রেকের মধ্যে তোমরা স্নান, দুপুরের খাওয়া সমস্ত সেরে দুটো সময় আবার পড়তে বসবে। এবার দুটো থেকে তিনটে অব্দি তোমরা প্রিভিয়াস ইয়ার কোয়েশ্চেনগুলো দেখবে এবং সলভ করার চেষ্টা করবে। যারা হায়ার ক্লাসে পড়ো, তাদের ক্ষেত্রে প্রিভিয়াস ইয়ার কোয়েশ্চেন পাওয়া খুবই এভেলেবল, যেকোনো জায়গায় পাওয়া যায়। কিন্তু যারা একটু নিচের ক্লাসে পড়ো তারা চেষ্টা করবে প্রিভিয়াস ইয়ার কোয়েশ্চেনগুলো লাস্ট ফাইভ ইয়ার্স অন্তত ফুল থেকে বা সিনিয়র কোনো দিদি–দাদার থেকে কালেক্ট করে নেওয়া যাতে তোমরা আগের বছরে কী কী প্রশ্ন এসেছে সেইগুলো দেখতে পারো, সেই অনুযায়ী নিজেকে প্রিপেয়ার করতে পারো।

    এই বিগত বছরের কোশ্চেন অ্যানালাইসিস করে নিজেকে প্রিপেয়ার করা কিন্তু ভীষণ একটা ইফেক্টিভ টেকনিক। এর জন্য প্রচণ্ড মস্তিষ্ক খাটাতে হবে, তবু তুমি বুঝতে পারবে কী ধরনের প্রশ্ন তোমার কাছে আসতে পারে, কী ধরনের প্রশ্ন গত বছর এসে গেছে, কোন জিনিসগুলো বেশি ইম্পরট্যান্ট—সেই অনুযায়ী বিষয়টা পড়া। এগুলো খুব দরকারি। খাওয়ার পরে আমি জেনুইনলি রিডিং পড়া বা সাবজেক্ট পড়াটা রাখছি না, তার কারণ খাওয়ার পরে সবারই একটু ভাতঘুম পায়, একটু টায়ার্ড লাগে। কিন্তু এই সময়টা যদি তোমরা কোয়েশ্চেন প্র্যাকটিস করো, কোয়েশ্চেনগুলো দেখো, তখন তোমাদের ব্রেইনটা আরো বেশি অ্যাকটিভেটেড হয় এবং তোমরা যেটা পড়ছো সেটার সাথে আরও বেশি এঙ্গেজ ফিল করো। তাই এই সময়টা কোয়েশ্চেন প্র্যাকটিস করা, কোয়েশ্চেন দেখা, প্রিভিয়াস ইয়ার কোয়েশ্চেনগুলো চেক করা, অ্যানালাইসিস করা—সমস্ত কাজ তোমরা এই সময়ের মধ্যে করবে।

    এই সময় তোমরা আগের সিস্টেম, অর্থাৎ সকালে যে দুটো স্টাডি সেশন নিয়েছো দু ঘণ্টা দু ঘণ্টা করে সেগুলোর কোয়েশ্চেন দেখবে। আবার নেক্সট স্টাডি সেশনে যা যা পড়তে চলেছো তুমি প্ল্যান করেছো, সেগুলোর কোয়েশ্চেন দেখবে। তাহলে তোমার নেক্সট স্টাডি সেশনগুলোও কিন্তু অনেক ভালো হবে। এবার তিনটার সময় তোমরা কী করবে? ভাত খেয়েও সাথে সাথে ঘুমাতে নেই, তোমরা ১ ঘণ্টা পড়াশোনা করে তিনটের সময় একটা ন্যাপ নেবে। তিনটে থেকে চারটে অব্দি ন্যাপ নিলে এই দুপুরের ন্যাপটা নেওয়া কিন্তু খুব দরকার, কারণ অনেকেই তোমরা পরীক্ষার সময় কী করো—খুব এক্সট্রা হয়ে সারাদিন পড়ো এটা ভাবতে থাকো। কিন্তু সারাদিন পড়লে লাস্টের দিকে তোমরা এতটাই ব্রেন এক্সহস্টেড হয়ে যায় যা পড়ছো মাথায় রাখতে পারো না। তার জন্য ডেইলি রুটিনটা কিন্তু ফলো করা খুব দরকার।

    আর আমি তোমাদের বেস্ট ইফেক্টিভ রুটিনটা এখানে বলছি। এবার এক ঘণ্টা ঘুমিয়ে ওঠার পরে ১ ঘণ্টা তোমরা আবার অঙ্ক করবে। অর্থাৎ ডেইলি তোমাদের ২.৫ ঘণ্টা অঙ্কের জন্য রাখবে। এই ১ ঘণ্টার অঙ্কে তোমরা কী করতে পারো? কৃপণভিত্তিক করতে পারো, যেমন বীজগণিত, বাটিগণিত, রিকনিং, জ্যামিতি—যেগুলো একটু কঠিনের দিকে, যেগুলো তোমাকে একটু প্র্যাকটিস বেশি করতে হবে সেগুলো সকালে। যেগুলো একটু বেশি পড়তে হবে, প্র্যাকটিস একটু কম করতে হবে, একটু সূত্র মুখস্থ করতে হবে—সেই ধরনের জিনিসগুলো তোমরা এই সময়টাকে রাখবে, এই ১ ঘণ্টায় রাখবে।

    তারপরে অঙ্ক প্র্যাকটিস করে উঠার পরে পাঁচটার সময় উঠে তোমরা কিছু স্ন্যাকস খাবে। কারণ অলরেডি তোমরা একটা দেড়টার সময় খাবার খেয়েছো। এবার পাঁচটার সময় অল্প কিছু স্ন্যাকস না খেলে তোমাদের খিদে পেয়ে যাবে। এই স্ন্যাকিংটা অবশ্যই খুব জাঙ্ক ফুড কিছু খাবে না, হেলদি খাওয়ারই খাবে। পরীক্ষার আগে নিজের হেলথকে মেইনটেইন করা, শরীরকে মেইনটেইন করা কিন্তু খুব দরকারি। এবার এই সময়টা কিছু খাওয়া-দাওয়া খেয়ে সাড়ে পাঁচটায় নেক্সট স্টাডি সেশনে বসে যাবে। এটা কিন্তু আবার দু ঘণ্টার এবং যে সাবজেক্টটা তুমি চুজ করেছো চার দিনে পড়ার জন্য সেই সাবজেক্টটা। অর্থাৎ সাড়ে পাঁচটা থেকে সাড়ে সাতটা আবার।

    সাড়ে সাতটা থেকে দু ঘণ্টা পরে আবার একটা হাফ এন আওয়ার বা টোয়েন্টি মিনিট বা ফিফটিন মিনিটের একটা ব্রেক নিয়ে তোমরা ছাদে একটু হাঁটতে পারো, তোমাদের কমিউনিটি কমপ্লেক্সে যদি জায়গা থাকে সেখানে একটু ওয়াক করে আসতে পারো। একটু রিফ্রেশড হয়ে আবার এসে ব্যাক করে আটটা থেকে দশটা অব্দি নেক্সট স্টাডি সেশন করবে। অর্থাৎ তোমার গোটা দিনের মধ্যে দুটো ম্যাথের সেশন থাকছে—একটা ১.৫ ঘণ্টার, একটা ১ ঘণ্টার; ৪ খানা তোমার স্টাডি সেশন থাকছে সাবজেক্টের প্রত্যেকটা দু ঘণ্টা দু ঘণ্টা করে। অর্থাৎ এই টোটাল কমপ্লিট তুমি পড়ছো তোমার সাবজেক্ট নিয়ে। অর্থাৎ এখানে ৮+২.৫ ঘণ্টা, আমি ১০.৫ ঘণ্টার একটা স্টাডি সেশন দিলাম।

    এবার এইটাকে তোমরা নিজেদের অনুযায়ী বাড়াবে কী করে? আমি দেখছি তুমি আধ ঘণ্টা ব্রেক রেখেছি, এগুলো তুমি ১৫ মিনিটের করে দিলে, এখানে তুমি আরো ১ ঘণ্টা এক্সট্রা পাবে। তখন তোমার এটা সাড়ে ১১ বা সাড়ে ১২ ঘণ্টাও পড়তে পারে। যারা হায়ার ক্লাসে পড়ো তাদের জন্য যেটা খুব দরকার। কিন্তু চেষ্টা করবে বেশি এক্সহস্টিং স্টাডি স্ট্যান্ডিং না বানানোর। তাতে কী হবে? তোমার ব্রেইন খুব এক্সহস্টেড হয়ে যাবে, যেটা করছো মনে রাখতে পারবে না। একটুও আবার স্টাডি সেশন রাখাটা কিন্তু খুব নেসেসারি। আর তারপরে মিনিমাম ১৫ মিনিটের একটা শর্ট ব্রেক কিন্তু ভীষণ ভীষণ দরকার।

    এবার দশটায় উঠে একটু হাত-পা ছেড়ে তোমরা ডিনার করলে। ডিনার করার পরে সাথে সাথে শুয়ে পড়বে না। কী করবে? পুরো দিন কী কী পড়াশোনা করেছো, তুমি আদৌ নিজের রুটিন যেটা বানিয়েছো, যেটা প্ল্যান কর

    েছো, সেই অনুযায়ী কাজ করতে পেরেছো কিনা, টার্গেট ফুলফিল করতে পেরেছো কিনা সেটা দেখবে। কী কী পড়েছো সেটা একবার চোখ বন্ধ করে ভাববে। আর নেক্সট দিনে ঠিক কী করতে চলেছো, যদিও তোমার কাছে জানি রুটিন বানানোই থাকবে, তাও একবার ভেবে নেবে যে তুমি পরের দিনে কী কী পড়া করবে। এতে তুমি সেফ মাইন্ডে তোমার ব্রেনকে রেজিস্টার করাচ্ছো যে তুমি নেক্সট দিনের জন্যও প্রস্তুত।

    তো এইভাবে ভাবার পরে তোমরা ঘুমোতে যাবে একদম এগারোটার সময়। আর এই রুটিনটা আমি সেইসব স্টুডেন্টদের জন্যই বলছি যাদের পরীক্ষার আগে স্কুল অফ আছে বা স্কুল ছুটি নেওয়ার প্রভিশন আছে। তো আমি ধরে নিচ্ছি তোমাদের সবার এই সময় ছুটি আছে এবং তোমরা এই রুটিন মেইনটেইন করে পড়াশোনা করতে পারবে। কিন্তু যাদের স্কুল আছে, একান্ত যাদের যেতেই হচ্ছে তাদের ক্ষেত্রে বলবো, স্কুলেও কিন্তু সিলেবাস কাভার হয়েই গেছে অলমোস্ট। তাই তোমরা স্কুলের মধ্যে যে পিরিয়ডগুলো পাচ্ছো সেগুলোকে ভীষণভাবে ইফেক্টিভলি কাজে লাগাবে। টিচারদের থেকে যা যা জানার জেনে নেবে এবং বাড়িতে এসেও নিজেদের সেল্ফস্টাডিতে যথেষ্ট সময় দেবে। এবার তুমি আমাকে কমেন্ট সেকশনে কমেন্ট করে জানাও যে তুমি কোন ক্লাসে পড়ো আর তোমার পরীক্ষা ঠিক কতদিন পরে।

    Easy Life Exam Hacks Exam Tricks
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Previous Articleআত্মবিশ্বাস বাড়ানোর ৬টি অব্যর্থ কৌশল – 6 Social Skills for Home Event or Big party
    Next Article ৭ কোরিয়ান প্রবাদ জীবন বদলে দিতে পারে – 7 Life Changing Proven Korean Proverbs
    NiceTrix (Admin)
    • Website
    • Facebook
    • X (Twitter)
    • Pinterest
    • Instagram
    • Tumblr
    • BlogLovin
    • LinkedIn

    I am an education administrator and digital entrepreneur with 12+ years of experience in school management, IT, and digital services. I have founded SoftDows and BidyaShikhi, working on impactful web projects to empower education, technology, and business communities.

    Related Posts

    Career Guide

    চাকরি নাকি উচ্চশিক্ষা কোনটি আগে করবেন?

    October 13, 2025
    Career Guide

    কার্যকরী সময় ব্যবস্থাপনার জন্য ৪টি টাইম ম্যানেজমেন্ট প্রিন্সিপাল – 4 Effective Time Management Principles

    October 12, 2025
    Career Guide

    ১০ টি স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির কৌশল – 10 Scientifically Proven Ways to Boost Brain Power

    October 11, 2025
    Add A Comment

    Leave a ReplyCancel reply

    Demo
    Top Posts

    ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া – প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফল!

    August 27, 20254,611 Views

    গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio): সকল এআই মডেল একসাথে ব্যবহারের সুযোগ

    September 14, 2025147 Views

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 202592 Views
    Stay In Touch
    • Facebook
    • YouTube
    • TikTok
    • WhatsApp
    • Twitter
    • Instagram
    Latest Reviews

    Subscribe to Updates

    Get the latest tech news from FooBar about tech, design and biz.

    Demo
    Most Popular

    ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া – প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফল!

    August 27, 20254,611 Views

    গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio): সকল এআই মডেল একসাথে ব্যবহারের সুযোগ

    September 14, 2025147 Views

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 202592 Views
    Our Picks

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 2025

    ক্রোয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সর্বশেষ তথ্য

    October 19, 2025

    বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা নিয়ে ইউরোপ প্রবেশের পূর্ণাঙ্গ গাইড লাইন

    October 17, 2025

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    NiceTrix
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube LinkedIn WhatsApp TikTok Telegram Threads
    • Home
    • Contact Us
    • Our Authors
    © 2026 Copyright @ NiceTrix. Designed by SoftDows

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Ad Blocker Enabled!
    Ad Blocker Enabled!
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please support us by disabling your Ad Blocker.