এগুলো কী হচ্ছে ভাই! এআই কোন লেভেলে চলে যাচ্ছে দিনদিন। এই ভিডিওটা দেখো, তাহলে একটা ১০০ আর বউ উঠে যায়। এডাস্টবিনে যেনো ওই খানে চ্যাপ্টা। পুরো ভিডিওটা কমপ্লিটলি এই আইডি দিয়ে বানানো। শুধু ভিডিও না, এই ভিডিওর ভয়েস, সাউন্ড ডিজাইন।
মানে তুমি জাস্ট কয়েকটা প্রমোট লিখবা আর একটা ফুল মুভি রেডি হয়ে যাবে। তোমার জন্য। কোডিংয়ের কিছুই জানো না তুমি, কয়েকটা প্রমোট মারে দাও, অ্যাপ তোমার চোখের সামনে। বিজনেসের জন্য ওয়েবসাইট লাগবে, কোনো ব্যাপার না। এরাই তোমাকে বেস্ট একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে দেবে। চিন্তা করো তো, তোমার সাথে সবসময় একজন ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট থাকবে।
যে তোমার যে কোনো প্রবলেমে তোমাকে হেল্প করবে। তুমি কিছু বলার আগেই, তুমি যা দেখতেছো সেও তা দেখতেছে। তুমি যা শুনতেছো সেও তা শুনতেছে। যেমন ধরো তুমি চাবি হারায় ফেলছো। সে তোমাকে চাবি খুঁজে দিলো। ধরো তোমার সামনে জাপানিজে কিছু লিখা। সে সাথে সাথে ট্রান্সলেট করে দিলো।
ভাইরে ভাই, ভাবতেই কেমন লাগতেছে যে এগুলা আবার ক্যামনে পসিবল! অলরেডি পসিবল হয়ে গেছে। বস, গুগল একুশে মেতে যা করছে ভাই, পুরাই মাথা নষ্ট ব্যাপার। সবার পুরা ভিডিওটা দেখো, তাহলে তুমি নিজেই বুঝবে যে এই আই কোন লেভেলে চলে যাইতেছে। এইরকম একটা সিচুয়েশনে, তুমি যদি নিজেকে এই আইয়ের সাথে আপডেট না করো, তাইলে কিন্তু বিশাল বিপদে পড়বা।
বস, এআই রিলেটেড ব্যাপারগুলোতে তোমাদেরকে হেল্প করার জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড ইউনিভার্সিটি শুরু হয়েছে। এতদিন আমরা মারাত্মক কিছু এআই টু ইউস দেখছি, যেইগুলা দিয়ে সেই লেভেলের ইমেজ জেনারেট করে ফেলা যাইতো। কিন্তু ভিডিও জেনারেশনের ক্ষেত্রে একটু গ্যাপ ছিল। মানে যেই ভিডিওগুলা এইআই দিয়ে জেনারেট করা হইত, সেইগুলা দেখলে বুঝাই যাইতো যে এগুলা এইআই জেনারেটর।
কিন্তু গুগলের ভিউ থ্রি, এই ভিডিও জেনারেশন গেমটাকে পুরা চেঞ্জ করে দিলো। এখন তুমি একদম রিয়েলাস্টিক সিনেম্যাটিক ভিডিও জেনা এড করে ফেলতে পারবে। ভিউ থ্রি দিয়ে শুধু ভিডিও জেনারেট করবে এরকম না, তোমার ভিডিওর জন্য ডায়ালগ, ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড সবকিছু রেডি করে দেবে। ভিউয়ার্স শুধু রেন্ডোম ভিডিও না, পড়াশোনার জন্য ইন্টারনেটটি ব্লাসেন্স প্রডাক্টের প্রোমোশনাল ভিডিওর সবকিছু কয়েক সেকেন্ড বানায় ফেলতে পারবে।
বস, জাস্ট কয়েকটা ঠিকঠাক প্রম্পট দিয়ে, তুমি তোমার ইমাজিনেশনকে রিয়েলিটিতে দেখতে পারবে। আচ্ছা আমি যদি তোমাকে বলি যে, তুমি কয়েকটা প্রমোট দিয়ে একটা ওয়ার্ল্ড ক্লাস মুভি বানায় ফেলতে পারবে। তাহলে কেমন হয় বিষয়টা! গুগল তাদের এয়া স্টোরিটিনিং অ্যাপ্লিকেশন ফ্লোল অন করছে।
যেখানে তুমি একটা উপর একটা ক্রোম দিয়ে একটা মুভি অর শর্ট ফ্লিম বানায় ফেলতে পারবে। কয়েক মিনিটের মধ্যে, তুমি তোমার পছন্দের ক্যারেক্টার সেখানে আপলোড করতে পারবে আর সেই ক্যারেক্টার ইউজ করে একটা ছোটখাটো মুভি তুমি বানায়ে ফেলতে পারবে কয়েক মিনিটের মধ্যে। সো একসাথে গুগলে তিনটা পাওয়ারফুল এআই, ভিউ, ইমাজেন আর জেমিনায়ের সমন্বয় তৈরি।
মানে এইখানে তুমি নিজে একজন মুভি ডিরেক্টর। একটা সিনের জন্য ক্রোম লিখলে সেই সিন রেডি হলো। তারপরে নেক্সট সিন, এখানে তুমি ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল চেঞ্জ করতে পারবে। কোনো সিনকে ছোট বড় করতে পারবে অথবা একটা পিকচার আপলোড করেও সেটা থেকে একটা সিন ক্রিয়েট করে ফেলতে পারবে। তারমানে বুঝতেছো যে, কয়েক বছরের মধ্যে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি গায়েব হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
বস, কেউ কেন কোটি কোটি টাকা খরচ করে একটা মুভি বানাবে, সেই কাজ যদি এরাই তাকে অনেক কম টাকায় করে দিতে পারে। চিন্তা করো তো, তোমার সাথে যদি এমন একটা পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট থাকতো যে সবসময় তোমাকে যেকোনো সিচুয়েশনে হেল্প করবে। তাহলে মারাত্মক হইতো না জিনিসটা! গুগলের প্রজেক্ট অ্যাস্টা এই অসম্ভবকে সম্ভব করছে।
জাস্ট ফোনটা হাতে নিয়ে তোমাকে ক্যামেরাটা অন করতে হবে আর বলতে হবে কী সমস্যা। সাথে সাথেই তুমি সলিউশন পায়ে যাবে বস। তুমি জাস্ট স্টেপ বাই স্টেপ বলবা যে কী করতে হবে, সে ওইটাই তোমাকে করে দিবে। ধরো তুমি কেমিস্ট্রির একটা প্রবলেমের প্যারা খাইতেছো। ক্যামেরাটা অন করে জাস্ট বলো যে কী সমস্যা।
একটা টিচারের মতো এয়ারে তোমাকে স্টেপ বাই স্টেপ জিনিসটা বুঝায় দিবে। ধর তুমি কিছু একটা ভুল করছো, কিন্তু বুঝতেছো না যে কী ভুল করছো। বেয়াই তোমাকে বলে দিবে তোমার ভুলটা আসলে কোথায়। দেখো বস, চেকজিপিটি আসার পর থেকে মানুষ যেকোনো কিছু সার্চ করার জন্য গুগলের থেকে চ্যাট জিপিটিকে বেশি প্রেফার করতেছে।
কারণ চেক জিপিটি থেকে আমরা খুব সানলাইজড একটা আনসার পাই। সো আমি ভাবতেছিলাম যে, ১.৫ জিবি টি মনে হয় গুগলের মনোপলিটা ব্রেক করে দিবে এবার। কিন্তু গুগল শেষমেষ এ কী খেলা দেখাইলো! ভাইরে ভাই! এতদিন কিন্তু গুগলে কোন কিছু সার্চ দিলে উপরে একটা এয়ার ওভারভিউ দেখাইতো।
যেখানে যে কোনো টপিক রিলেটেড একটা সামারি পাওয়া যাইতো। কিন্তু এখন ধরো তুমি কোনো কিছু জানতে চাইতেছো, এআই সার্চ মোট শত শত ওয়েবসাইট খুঁজে সবথেকে রেললাইন জিনিসটা বের করে তোমাকে দেখাবে। মানে আমরা তো বেশি পার্সোনালাইজড কোনো কিছু গুগলে আস্ক করতে পারতাম না এতদিন। এখন পারবো বস।
ধরে যাও তোমরা কয়েক বন্ধু কক্সবাজার যাইতে চাইতেছো। দেন তুমি আস্ক করলে যে, কক্সবাজার যাইতে চাইতেছি আমরা ৫ বন্ধু। আমাদের বাজেট ৫০০০০ টাকা। আমরা চারদিন থাকার প্ল্যান দিচ্ছি। আমাদের মেইন টার্গেট বিচে ঘোরা আর অ্যাফোর্টেবল প্রাইসে খাওয়া দাওয়া করা। এখন আমাদের জন্য একটা ট্রু প্ল্যান দিয়ে দাও।
এখন গুগল জেমিনে তোমার এই মনটাকে ছোট ছোট প্রান্তে ডিভাইড করবে। দেন পুরা গুগোলে যা কিছু আছে, সব দেখে শুনে তোমাকে একটা বেস্ট আউটপুট দিয়ে দিবে। তারমানে গুগল এখন একজন হিউম্যান এক্সপার্টের মতো কাজ করবে। এই এক্সপার্ট তোমাকে যে কোনো সিচুয়েশনে একটা সেরা সাজেশন দিয়ে দিবে।
চিন্তা করো তো, তুমি কারো সাথে ভিডিও কলে কথা বলতেছো, কিন্তু তোমার মনে হচ্ছে যে মানুষটা একদম তোমার সামনেই বসে আছে। গুগল বিম ইন্ট্রোডিউস করলো সিডি ভিডিও কল।
যেখানে ছয়টা ক্যামেরা ইউজ করে, একদম রিয়েলিস্টিক সিডি একটা ক্যারেক্টার ডিলিট করা হবে। সো তুমি যখন কারো সাথে ভিডিও কলে কথা বলবে, তখন মনে হবে যে তোমরা একদম একে অপরের সামনেই বসে আছো। আবার ধরো যে তুমি ভিডিও কলে বাংলায় কথা বলতেছো, কিন্তু তোমার ইউএস এর ফ্রেন্ড সে তো বাংলা বোঝে না।
তাহলে এখন কী হবে? এখন তোমার বাংলা কথার রিয়েল টাইমে ট্রান্সলেট হয়ে ইংলিশ হিসেবে তোমার বন্ধুর কাছে পৌঁছাবে। শুধু যে ট্রান্সলেট হবে তা না, তোমার কথার টোন, ইমোশন সবকিছু খুব ঠিকঠাক ভাবেই বোঝা যাবে। অনেকে ফ্রিল্যান্সিং করতে যাইয়া প্যারা খায়, কারণ তারা ইংলিশ বলতে পারে না ঠিকমতো।
ঐ দিন শেষ বস। এখন তুমি বলবে বাংলায়, মামু শুনবে ইংলিশে। আচ্ছা বস, অনলাইনে শপিং তো আমরা অনেকেই করি, কিন্তু একটা জায়গায় আমরা প্যারা খাইয়ে যাই, আমরা ট্রায়াল দিয়ে দেখতে পারি না যে ড্রেসটা আমরা কিনব, সেটা পরলে আমাদেরকে কেমন দেখা যাবে। সো এই প্রবলেম সলভ করতে গুগল নিয়ে আসছে ভার্চুয়াল ট্রাইঅন ফিচার।
এখানে জাস্ট তোমার একটা পিক আপলোড করতে হবে। এই পিকের উপর তোমার পছন্দের কাপড় এমন ভাবে বসায়ে দিবে গুগল, মনে হবে যে তুমি ওই ড্রেস নিজে পরে আছো। এরপরে আসো আর্জেন্টিক শপিং নিয়ে কথা বলি। ধরো তুমি গুগলকে বললে যে, একটা এয়ারভারর্টস কিনতে চাইতেছো। এখন তুমি তোমার বাজেট দিয়ে দিলে।
এই বাজেটে গুগল সবথেকে বেস্ট দিলটা তোমাকে খুঁজে দিবে। তুমি চাইলে একটা স্পেসিফিক বাজেট সেট করে দিতে পারো। ওই প্রোডাক্টের প্রাইস যখন কমে যাবে, গুগল তখন তোমাকে নোটিফাই করবে যে, দাম কমে গেছে, বস নতুন জিনিসটা কিনে ফেলো। তারপরে জাস্ট বাই ফর ইউ বাটনে ক্লিক করলেই অর্ডার ডান।
আর যতবার শপিং করবে, তোমার টেস্ট অ্যান্ড চয়েসের উপর বেস্ট করে গুগল তোমাকে আরো নতুন নতুন প্রোডাক্ট সাজেস্ট করবে। সো তোমাকে আজাইরা টাইম নষ্ট করে এই পেজে যাই কোনো জিনিস খুঁজতে হবে না। এআই দিয়ে ছবি জেনারেট করতে গেলে, কিছু কিছু জায়গায় প্যারা হয়ে যাইতো। যেমন এআই ছবিতে ঠিকমতো টেক্সট জেনারেট করতে পারতো না।
তারপরে ছবিগুলোতে খুব বেশি ডিটেইলস থাকতো না। কিন্তু এখন, সেই লেভেলের ডিটেইলস দিয়ে যেকোনো পিক তুমি জেনারেট করতে পারবে। ইমাজেন ফোর দিয়ে যে পোস্টার, ব্যানার, কভার ফটো সবকিছু একদম পারফেক্টলি হবে। এখন থেকে বস, এই পিকগুলা দেখো বস, এগুলা সব ইমাজান ফোর দিয়ে ক্রিয়েট করা।
ডিটেইলস দেখছো একবার? তারপর আবার ধরো তুমি কমিকস লিখতে চাইতেছো, সেটাও পসিবল। জাস্ট কয়েকটা ক্রোম দিয়ে, তোমার শুধু লাগবে একটা ক্রিয়েটিভ আইডি। আর সেই আইডিয়া ইউজ করে ইমাজান ফোর তোমাকে সেরা কিছু পিক চ্যানেলে অ্যাড করে দিবে। তুমি গেছো বিদেশ, ধরতে চায় না গেছো, কিন্তু তুমি তো ম্যান্ডারিন বুঝো না।
এখন কেউ তোমার সামনে ম্যান্ডারিন নিয়ে কথা বলতেছে, কিন্তু তোমার চোখের সামনে ছাপ টাইপের ভাষায় উঠতেছে। না বস, এটা কোনো সাইফাই মুভির সিন না। গুগল লঞ্চ করতেছে অ্যান্ড্রয়েড এক্সার গ্লাস। অ্যান্ড্রয়েড অ্যাক্সার গ্লাস ইউজ করে, তুমি যে কোনো ভাষার রিয়েল ট্রান্সলেশন চোখের সামনে দেখতে পাবে।
মানে এটা হলো একটা সানগ্লাস যেটা তুমি পরবে আর তোমার হয়ে পুরা দুনিয়া দেখবে এ গ্লাস। সেইসাথে তোমাকে যে কোনো কাজে হেল্প করবে। ধরো তুমি হারায় গেছো কোথাও, জেমিনাই তোমার জন্য চারপাশটা দেখে বলে দিবে যে, তুমি কই আছো, এখন তোমার কী করা উচিত, কোথায় যাওয়া উচিত। সবকিছু বাদ ধরো, তুমি সামনের সিনার একটা পিক তুলতে চাইতেছো।
জাস্ট বলো টেক আফটাও অথবা দুইবার চোখের পাতা ফেলো, পিক তোলা হয়ে যাবে। একবার চিন্তা করছো কোনো দিন আশা করছে? আবার ধরো তোমার ফোনে একটা নোটিফিকেশন আসছে, এখন তোমাকে কিন্তু ফোন বের করার দরকার নাই। তোমার নোটিফিকেশনটা তোমার চোখের সামনে ভাষা উঠবে। প্রজেক্ট মেরিনার হইল গুগলের নতুন এ আইয়াজেন্ট।
যেটা তোমার অনেক কাজ অটোমেটিক্যালি করে ফেলতে পারবে। এটা সেম টাইমে দশটা কাজ করে ফেলতে পারবে। সবথেকে বড় কথা হচ্ছে, যে কোনো কাজ তুমি একবার দেখায় দিলে, মারিনাস সেটা শিখে নিবে। পরের ১২ থেকে, সেম টাইমের কাজ সে নিজে নিজেই করে ফেলতে পারবে। এই কনসেপ্টটার নাম হলো টিচ অ্যান্ড রিপিট।
অর্থাৎ রিপিটি টিভ যে কাজগুলো আছে। যেমন ধরো ডাটাইন ফ্রি ফায়ার। ওর ডোকুমে দরকার নাইজেশন। ইনভয়েজ প্রসেসিং, ইমেল ম্যানেজমেন্ট, এসব কাজ এখন ইজিলি আইডি দিয়ে করে ফেলা যাবে। ধরো যে তুমি বাসা খুঁজতেছো। সো তুমি তোমার বাজেট, লোকেশন সহ আরো ডিটেইলস দিয়ে দিলে, এখন এআইআরএড তোমার জন্য বেস্ট বাসাটা খুঁজে দেবে।
এই জিনিসগুলো বাংলাদেশে খুব বেশি এপ্রিল কেবল না, কিন্তু তোমাকে এইটা বুঝতে হবে যে এআই কোন লেভেলে চলে যাচ্ছে তিন দিন। এখনই যে অবস্থা, আর পাঁচ বছর পর না জানি কী কী দেখতে হবে। সো তুমি যদি এই এআই টিউসগুলোর সাথে নিজেকে আপডেট না করো, তাইলে কিন্তু ওই ঘুরে ফিরে বিসিএস দেয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না। ধরো, তুমি তোমার বিজনেস এর জন্য একটা ওয়েবসাইট বানাতে যাচ্ছো।
এখন তুমি জাস্ট লিখলে যে, আমার ক্লোজিং বিজনেসের জন্য একটা ই-কমার্স ওয়েবসাইট লাগবে। কালারফুল থিম থাকবে। হোমপেজে নতুন নতুন কালেকশনগুলা শো করানো হবে। মেনুতে ম্যানস সেকশন, উইমেনস সেকশন, কিটস সেকশন এমনে ভাগ করা থাকবে। এভাবে তুমি আরো কিছু ডিটেইলস সেট করলে, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ওয়েবসাইটটা তোমার চোখের সামনে।
তোমাকে কিন্তু ১ লাইনও কোড লিখতে হয় নাই। ধরো এআইএর বানানো ওয়েবসাইটের কোনো একটা পার্ট তোমার ভাল লাগে নাই। তাহলে বলো যে, ওয়েবসাইটের কালারটা একটু ব্রাইট করে দাও অথবা কেতা গরীব বাটনটা একটু বড় করো। সাথে সাথেই কাজ হয়ে যাবে। আবার ধরো, তুমি কোনো পপুলার ওয়েবসাইটের হোমপেজে স্ক্রিনশট মারে, সেটা স্টিকে দিয়ে বললা।
তোমার ঠিক এরকম একটা ওয়েবসাইট লাগবে। দেখবে যে, ষ্টীজ সেম জিনিস তোমাকেও বানায় দিয়েছে। তারপরে সেটা তুমি নিজের মতো করে কাস্টমারস করে নিতে পারবে। শুধু একটা না, স্টিচ তোমাকে বেশ কয়েকটা ডিজাইনের ভেরিয়ান দেখাবে। তোমার যেটা ভালো লাগে সেটা তুমি চুস করতে পারবে। এখন কথা হচ্ছে, তোমাকে এই আইটেমগুলো প্রোফাইল ইউস করা শিখতে হবে।
এইআই ডিলেট বিষয়গুলোতে তোমাদেরকে হেল্প করার জন্য, দেখবেন জাস্ট ইউনিভার্সিটিতে শুরু হইছে দা আল্টিমেট এআই ওয়ার্কশপ। সো সাবস্ক্রাইব করে রাখো। আর যারা নিজেকে পরিবর্তন করতে চাচ্ছো, কিন্তু নামাজ পড়ো না, এখনই নামাজ শুরু করো। সেরা কিছু হবে ইনশাল্লাহ। আল্লাহ হাফেজ।

