আসসালামু আলাইকুম। বেসিক আয়োজনে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম, সবাই কেমন আছেন? আমি আলহামদুলিল্লাহ, অনেক ভালো আছি।
দিন যত যাচ্ছে, এআই কিন্তু তত বেশি পাওয়ারফুল হচ্ছে, আর কঠিন কাজগুলো এআই দিয়ে তত বেশি সহজ হচ্ছে। গুগল নিয়ে এলো এর নতুন চমক এবং নতুন ভার্সন, ন্যানো ব্যানানা।
এবার ফটোশপ এবং গ্রাফিক ডিজাইনের ধারণায় পাল্টে যাবে গুগলের এই নতুন এআই, ন্যানো ব্যানানা। মাত্র ১ ক্লিকেই ডিজাইন হবে, এড হবে, রিমুভ হবে, আমরা যা চাই তাই হবে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।
আমি আশিক জুনাইদ রয়েছি আপনাদের সাথে। চলুন, আজকের নতুন ভিডিওটি শুরু করি। গুগলের ন্যানো ব্যানানা ইউজ করার জন্য আমি চলে আসলাম গুগলে এবং এই সার্চ অপশনে লিখে দিব গুগল এআই স্টুডিও। লিখে কিবোর্ডে এন্টার প্রেস করে দিব।
ক্লিক করার সাথে সাথেই গুগলে স্টুডিওর লিংকটি আমার সামনে চলে আসলো। আমি লিংকের উপরে একটা ক্লিক করে দিব। ক্লিক করার সাথে সাথেই আমি চলে আসলাম গুগল এআই স্টুডিওর ইন্টারফেসে এবং শুরুতে দেখতে পাচ্ছি প্রায় নিউ ব্যানানা।
যেহেতু এটা গুগলের আপডেট একটা ভার্সন, তাই এআই শুরুতে রাখা হয়েছে নিউ ব্যানানা। নিউ ব্যানানা ইউজ করার জন্য আমি নিউ ব্যানানার উপর একটা ক্লিক করে দেবো। ফটোশপ, গ্রাফিক ডিজাইন এবং ডিজাইনের যত রকম কাজ আছে, সবগুলোকে সহজ করে দিচ্ছে গুগলের এই ন্যানো ব্যানানা।
আমরা প্র্যাকটিক্যালি দেখতে চাই। তো, শুরুতেই ন্যানো ব্যানানা ইউজ করার জন্য আমরা একটা ছবি এখানে এড করবো। তারপরে আমরা প্রম্পট লিখবো। ছবি এড করার জন্য এই যে দেখতে পাচ্ছেন প্লাস বাটন, আমি প্লাস বাটনে একটা ক্লিক করে দিব।
তারপর এই যে আপলোড ফাইল, এখানে একটা ক্লিক করে দিব। ক্লিক করার সাথে সাথেই আমাদের কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে যে ফোল্ডারে ছবি আছে, সেই ছবিটাকে আমরা আপলোড করে দিব। তো, এই ফোল্ডারের ভেতরে আমার ছবি আছে, তো এখান থেকে আমি এই ছবিটাকে সিলেক্ট করে এই ওপেনের মধ্যে একটা ক্লিক করে দিলে ক্লিক করার সাথে সাথেই ছবিটি কিন্তু গুগল ন্যানো ব্যানানাতে আপলোড হয়ে গেল।
এখন এই ছবিটার মধ্যে আমি কি ধরনের পরিবর্তন চাচ্ছি বা কি চাচ্ছি, সে বিষয়ে আমি এখানে একটা প্রম্পট লিখে দেবো। তো, আমি আমার মতো করে একটা প্রম্পট লিখে দেই। আমি এখানে লিখে দিলাম, ‘এই ছবির ব্যক্তির পাঞ্জাবি পরিবর্তন করে দাও।’ আমি যে পাঞ্জাবিটি পরে আছি এটা পরিবর্তন করে আলাদা একটা পাঞ্জাবি আমাকে পরিয়ে দাও, দেখি গুগল এআই ন্যানো ব্যানানা এই কাজটি করতে পারে কিনা।
আমি এখান থেকে এই রানের মধ্যে একটা ক্লিক করে দেই। করার সাথে সাথেই কাজ কিন্তু শুরু হয়েছে, আমাদেরকে কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হবে। ক্লিক করার সাথে সাথেই, মাত্র কয়েক সেকেন্ডে আমার পাঞ্জাবির ছবি কিন্তু পরিবর্তন করে দিল।
এটা হচ্ছে আমার অরিজিনাল ছবি আর এটা হচ্ছে গুগলের ন্যানো ব্যানানা এআই দিয়ে বানানো নতুন পাঞ্জাবি। দেখুন, কত নিখুঁত এবং চমৎকার করে সেট করে দিয়েছে। আপনি বুঝতে পারবেন না যে গুগল ন্যানো ব্যানানা এই পাঞ্জাবিটা আমাকে পরিয়ে দিয়েছে, মনে হচ্ছে একদম রিয়েল।
তো, এই ছবিটাকে আমি ডাউনলোড করে নিচ্ছি। ডাউনলোড করার জন্য এই যে ডাউনলোড অপশনের মধ্যে একটা ক্লিক করে দেবো। কম্পিউটার বা ল্যাপটপের যে জায়গায় সেভ করতে চাই, সেই ফোল্ডার সিলেক্ট করে আমি এখানে সেভ অপশনের মধ্যে একটা ক্লিক করে দেবো।
আমার ছবি কিন্তু ডাউনলোড হয়ে গেল গুগলের ন্যানো ব্যানানা এআই দিয়ে। এখন আমরা আরেকটি কাজ করতে চাই। ধরুন, গুগল ন্যানো ব্যানানাকে আমি একটা ছবি দিলাম যে ছবিটার মধ্যে আমার হাসি নাই। আমি চাচ্ছি গুগল ন্যানো ব্যানানা আমার হাসি ছাড়া ছবিটার মধ্যে হাসি ফুটিয়ে দিক।
আমি গুগল ন্যানো ব্যানানার মধ্যে একটা ছবি আপলোড করে দিচ্ছি। ছবি আপলোড করার জন্য এই যে প্লাস অপশনে ক্লিক করে দেবো। এই যে এখানে আপলোড ফাইলের মধ্যে একটা ক্লিক করে দিব এবং এখান থেকে এই ছবিটা সিলেক্ট করে ওপেনের মধ্যে একটা ক্লিক করে দিব।
আমার ছবি কিন্তু আপলোড হয়েছে, এই হচ্ছে ছবি। দেখুন, এই ছবির মধ্যে আমার কিন্তু হাসি নেই। তো, এখন চাচ্ছি গুগল ন্যানো ব্যানানা আমার এই হাসি ছাড়া ছবিটাকে হাসি দিয়ে তৈরি করে দিবে। আর সেজন্য আমাকে একটা প্রম্পট লিখতে হবে।
প্রম্পট মানে হচ্ছে আমি আসলে যা চাচ্ছি গুগল ন্যানো ব্যানানার কাছে সেই বিষয়টা আমি এখানে লিখে দিব। তো, আমি এখানে লিখে দিচ্ছি, তো আমি এখন লিখে দিলাম, ‘ছবিটিকে হাসিমুখে পরিবর্তন করে দাও।’ দিয়ে এখান থেকে এই রান অপশনের মধ্যে একটা ক্লিক করে দেই।
ক্লিক করার সাথে সাথে গুগলের ন্যানো ব্যানানা এআই কিন্তু আমার ছবিটিকে তৈরি করে নিচ্ছে। দেখুন, মাত্র কয়েক সেকেন্ডে আমার হাসিবিহীন একটা ছবিকে হাসি দিয়ে তৈরি করে দিল। আমি দুইটা ছবিকে দেখতে চাই।
এই ছবিটা হচ্ছে আমার হাসি ছাড়া ছবি আর এই ছবিটি গুগল ন্যানো ব্যানানা আমার মুখের মধ্যে হাসি ফুটিয়ে দিলো। চমৎকার। চাইতে জানলেই পাওয়া যায়। তো, এই ছবিটিকে আমি ডাউনলোড করে নিচ্ছি।
ফটোশপ, গ্রাফিক ডিজাইন, ডিজাইনের অনেক কাজ করে দিতে পারে এই ন্যানো ব্যানানা এআই। আমি একটা একটা করে এক্সাম্পল দিয়েই আপনাদেরকে দেখাতে চাই যে গুগল ন্যানো ব্যানানা আসলে কি কি কাজ করতে পারে। এখন আমি একটি ভিন্ন টাইপের কাজ দেখাতে চাই।
আসার জন্য এখানে একটা ছবি আপলোড করে নিচ্ছি। ছবি আপলোড করার জন্য এ প্লাসে ক্লিক করে দিব এবং এই আপলোড ফাইলের মধ্যে একটা ক্লিক করে দিব। তাহলে আমাদের কম্পিউটার বা ল্যাপটপের যেকোনো জায়গা থেকে, যেকোনো ফোল্ডার থেকে কিন্তু আমরা ছবি অ্যাড করে নিতে পারি।
তো, আমি এখান থেকে এই ছবিটিকে অ্যাড করে নিচ্ছি। এই ছবিটি সিলেক্ট করে দিলাম, দিয়ে এই ওপেনের মধ্যে একটা ক্লিক করে দিব। ছবিটি কিন্তু গুগল ন্যানো ব্যানানার মধ্যে আপলোড হয়ে গেল। এখন এই ছবিটাকে আমি আসলে কী করতে যাই সেই প্রম্পট লিখে দিব বা ডিরেকশন দিয়ে দিব।
আমরা দেখতে পাচ্ছি এখানে একটা সোফা রয়েছে এবং এই সোফার কালার কিন্তু ব্লু। আমি যদি মনে করি যে সবকিছু ঠিক থাকবে, সোফার যে কাভার রয়েছে বা সোফার যে কালার ব্লু কালার, সেই ব্লু কালারটাকে পরিবর্তন করে দিতে। দেখি গুগল ন্যানো ব্যানানা এই সোফার ব্লু কালারটা পরিবর্তন করে অন্য কোনো কালার দিতে পারে কিনা।
তো, এখানে আমি একটা প্রম্পট লিখে দিচ্ছি। আমি এখানে লিখে দিলাম, ‘সোফার বর্তমান কালার পরিবর্তন করে গ্রিন করে দাও।’ তো, ব্লু কালার যেটা রয়েছে আমি চাচ্ছি যে এই কালারটা পরিবর্তন করে গ্রিন হয়ে যাক। তো, প্রম্পট লেখার পর আমি এখান থেকে এই রান অপশনের মধ্যে একটা ক্লিক করে দেবো।
ক্লিক করার সাথে সাথে আমার সোফার ব্লু কালার থেকে গ্রিন কালারে পরিবর্তন করে দিলো গুগলের ন্যানো ব্যানানা এআই। আমি একটু বড় করে দেখি। এই ছবির মধ্যে একটা ক্লিক করে দেই। দেখুন, কত নিখুঁতভাবে সোফার কালারটা পরিবর্তন হয়ে গেলো।
বালিশের কালার যা ছিল তাই আছে। এই যে দেখতে পাচ্ছেন দুটি ছবি পাশাপাশি রাখলাম, একটা হচ্ছে ব্লু সোফা আর একটা হচ্ছে গ্রিন সোফা। এটা কিন্তু কয়েক সেকেন্ডের বিষয়। গুগল ন্যানো ব্যানানার একটা বিশেষত্ব হচ্ছে ছবির ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারে।
তো, এখন যদি এই ছবির মধ্যে আরো পরিবর্তন করতে চাই, সেটাও কিন্তু করতে পারবো। গুগল ন্যানো ব্যানানার এটাই হচ্ছে স্পেশাল একটা ফ্যাসিলিটি। যে ধারাবাহিকভাবে এখন যে ছবিটা করলাম, পরবর্তীতে আমি যখন আরেকটা প্রম্পট দিবো, ওই ছবিটার মধ্যে কিন্তু ধারাবাহিক বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন আমি করতে পারবো।
আমি একটা এক্সাম্পল দিচ্ছি, চলুন দেখতে দেখতে দেখাই। যেমন, এই সোফার নিচে কিন্তু একটা কালো কার্পেট বিছানো আছে। আমি চাচ্ছি যে এই কার্পেটটাই পরিবর্তন করে ফেলতে। আমি চাচ্ছি এই কার্পেটের পরিবর্তে দামি টাইলস এখানে বসিয়ে দেবো।
এটাও কিন্তু সম্ভব। তা আমি গুগলের ন্যানো ব্যানানাকে একটা প্রম্পট দিচ্ছি, দেখি আসলে গুগল ন্যানো ব্যানানা কতটুকু পরিবর্তন করতে পারে। তো, আমি এই ছবিটাকে গুগল ন্যানো ব্যানানার মধ্যে আবার এড করে দিচ্ছি।
এই ছবিটার উপরে চাপ দিয়ে ধরে এই যে নিচে আমি ছেড়ে দেবো। ছেড়ে দিলাম, ছবিটা কিন্তু অ্যাড হয়ে গেল। এখন এখানে আসলে এই ছবিটাকে আমি কী করতে যাচ্ছি, কী ধরনের পরিবর্তন চাচ্ছি, ওরকম একটা প্রম্পট এখানে লিখে দিচ্ছি।
তবে এখানে লিখে দিলাম, ‘ছবির বর্তমান ফ্লোরকে প্রিমিয়াম টাইলস দিয়ে পরিবর্তন করে দাও।’ লিখে এই রানের মধ্যে একটা ক্লিক করে দেই। কত চমৎকারভাবে এখানে ফ্লোর থেকে প্রিমিয়াম টাইলস দিয়ে পরিবর্তন করা হয়েছে। আমি ছবিটাকে একটু বড় করে দেখি।
দেখতে পাচ্ছেন, ছবির সবকিছু কিন্তু ঠিক আছে, শুধু কার্পেটটা কিন্তু পরিবর্তন হয়ে এখানে দামি টাইলস বসিয়ে দেয়া হয়েছে। অসাধারণ। এই হচ্ছে কার্পেটওয়ালা ছবি আর এই হচ্ছে টাইলস দিয়ে পরিবর্তন করা ছবি। এই ছবিটিকে আমি ডাউনলোড করে নিচ্ছি।
আমি যদি মনে করি এই ছবিটাকে আরও পরিবর্তন করব, এখানে যে গাছ রয়েছে এই গাছটা পরিবর্তন করে এখানে আমি অন্য কোনো গাছ বসাবো। আমি যদি মনে করি সোফার সামনে একটা ছোট্ট টেবিল আছে, এটা পরিবর্তন করে টি টেবিল বসাবো, সেটাও করতে পারি।
আমি যদি মনে করি এই সোফার মধ্যে আমাকে বসিয়ে দিব, সেটাও করতে পারি। আমি যদি মনে করি এই যে দেখতে পাচ্ছেন এখানে দুইটা ফ্রেম আছে, আমার একটা ছবি দিয়ে বলবো যে আমার এই ছবিটাকে ফ্রেমে বসিয়ে দাও, সেটাও করতে পারি।
তো, এই ফ্রেম যেহেতু খালি আছে, আমার একটা ছবি দিয়ে গুগল ন্যানো ব্যানানাকে বলে দেই যে তুমি আমার দুটি ছবিকে এই ফ্রেমের মধ্যে বসিয়ে দাও। চলুন, প্র্যাকটিক্যালি দেখি। তো, ফ্রেমের মধ্যে ছবি বসানোর জন্য শুরুতেই আমি একটা ছবি অ্যাড করে নিচ্ছি।
ছবি অ্যাড করার জন্য এ প্লাসে ক্লিক করে দেবো এবং এখানে আপলোড একটা ক্লিক করে দিব। তবে এই ছবিটাকে অ্যাড করে নিচ্ছি। ছবির উপর এটা ক্লিক করে দিলাম এবং এখান থেকে ওপেনের মধ্যে একটা ক্লিক করে দিলাম। আমার এই ছবিটি কিন্তু গুগল ন্যানো ব্যানানার মধ্যে অ্যাড হয়ে গেল।
এখন এই ফ্রেমের মধ্যে আমার এই ছবিটিকে বসাতে চাই। আমি চাইলে এই ছবিটিকে প্লাসে ক্লিক করে আমার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে এখানে অ্যাড করে দিতে পারে। ছবিটি যেহেতু এখানে আছে, আমি চাইলে এই ছবিটিকে চাপ দিয়ে ধরে এই ফ্রেমের মধ্যে বসিয়ে দিতে পারবো।
ছবিটি কিন্তু অ্যাড হয়ে গেল। এখন এখানে আমি একটা প্রম্পট লিখে দেবো। আমি প্রম্পট লিখে দিলাম, ‘আমার ছবিটিকে দ্বিতীয় ছবির ফটো ফ্রেমে সেট করে দাও।’ লিখে এখান থেকে এই রান অপশনের মধ্যে একটা ক্লিক করে দেই।
চমৎকার। ক্লিক করার সাথে সাথে আমার ছবি কিন্তু ফ্রেমের মধ্যে সেট করে দেওয়া হলো। আমি এখানে একটা ক্লিক করে দেই। এই হচ্ছে ছবি। তো এখানে একটা সমস্যা হয়েছে, একটা ছবি দিয়েছি তাই দুটি ফ্রেমের মধ্যে একই ছবি সেট করে দেওয়া হয়েছে।
আমি যদি এখানে দুটি ছবি দিতাম এবং বলে দিতাম যে দুটি ছবি দুটি ফ্রেমের মধ্যে সেট করে দাও, তাহলে কিন্তু গুগল ন্যানো ব্যানানা এআই এই কাজটি আমাকে করে দিতো। যাক, তারপরও ছবিটি কিন্তু অনেক চমৎকার হয়েছে।
তো, নিশ্চয়ই আপনারা বুঝতে পারছেন যে গুগল ন্যানো ব্যানানা এআই যে ধারাবাহিক যে কাজগুলো করে যায়। আমি একটা ফ্রেমের মধ্যে আসলে টিকে পরিবর্তন করতে চাচ্ছি, সে কিন্তু ঠিক ওইভাবেই কাজ করে যাচ্ছে। একের পর এক এটাই হচ্ছে গুগল ন্যানো ব্যানানার স্পেশালিটি।
তো, এখন আমি আরেকটা বিষয় করতে চাই। আমি যাচ্ছি কক্সবাজারের একটা বিচের ছবিকে নিয়ে এড করে দিব এবং আমার একটা ছবিও এড করে দিব। আমি ন্যানো ব্যানানাকে বলে দিচ্ছি, ‘কক্সবাজার সি বিচে আমার ছবিটিকে সেট করে দাও, যাতে একদম রিয়েলিস্টিক মনে হয়।’
ছবি এড করার জন্য এই প্লাস অপশনে ক্লিক করে দিব। আপলোড ফাইল এবং এখান থেকে এই যে কক্সবাজারের একটা ছবি সিলেক্ট করে ওপেনে ক্লিক করে দিলাম। আমি কিন্তু এই ছবিটি গুগল থেকে ডাউনলোড করেছি। আপনি যেকোনো জায়গা থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
আমার কক্সবাজারের ছবি এড করে দিলাম। এখন যে ছবিটি আমি এখানে দাঁড় করাতে চাই, ওই ছবিটিকে আপলোড করে দেবো। এই আপলোড ফাইলে একটা ক্লিক করে দিলাম এবং এখান থেকে এই ছবিটি সিলেক্ট করে ওপেনে একটা ক্লিক করে দিতে। এই ছবিটা কিন্তু অ্যাড হয়ে গেল।
তো, আমি এখানে একটা প্রম্পট লিখে দিচ্ছি। আমি লিখে দিলাম, ‘আমার ছবিটিকে সমুদ্র সৈকতে নিয়ে যাও।’ জাস্ট সিম্পল একটা প্রম্পট লিখে আমি রানের মধ্যে একটা ক্লিক করে দেই। ক্লিক করার সাথে সাথে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে আমার ছবিটির ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করে এই সমুদ্র সৈকতের মধ্যে কিন্তু সেট করে দিল।
এই যে দেখতে পাচ্ছেন ছবিটি একদম মনে হচ্ছে যে সত্যি সত্যি এখানে দাঁড়িয়ে আমি ছবিটি উঠিয়েছি। এই ছবিটি কিন্তু আমার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে ডাউনলোড করে নিচ্ছি। আমি এই ডাউনলোড অপশনে একটা ক্লিক করে দেই। সেভ অপশনে ক্লিক করে দেই।
ছবিটি কিন্তু আমার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে ডাউনলোড হয়ে গেল। গুগলের এ নতুন টুলস ন্যানো ব্যানানা, এটা যাত্রা মাত্র শুরু। প্রতিনিয়ত কিন্তু আপডেট হবে। আরো অনেক কিছু পরিবর্তন হবে।
আমি মাত্র বেসিক কিছু বিষয় দেখালাম। ভিডিও কিন্তু আরো আসবে। আজকের ভিডিওটি আপনাদের কেমন লেগেছে? যদি ভিডিওটি ভালো লাগে, তাহলে অবশ্যই ভিডিওতে একটা লাইক দিন এবং ভিডিওর নিচে কমেন্ট করে আপনার ভালোলাগার বিষয়টি আমাকে জানিয়ে দিন।
এবং এই ভিডিওটি যদি অন্যদের জন্য প্রয়োজন মনে হয়, তাহলে শেয়ার করে দিন। আজকের ভিডিওটি এখানে শেষ করছি। দেখা হচ্ছে বেসিক আইটেম আইটেমের নতুন কোনো ভিডিওতে। ভালো থাকবেন সবাই, আল্লাহ হাফেজ।


1 Comment
Pingback: গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio): সকল এআই মডেল একসাথে ব্যবহারের সুযোগ - 3 Steps to Master Any Skill with the Power of Google AI Studio - NiceTrix