Close Menu
NiceTrixNiceTrix

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 2025

    ক্রোয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সর্বশেষ তথ্য

    October 19, 2025

    বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা নিয়ে ইউরোপ প্রবেশের পূর্ণাঙ্গ গাইড লাইন

    October 17, 2025
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • Advertise With Us
    • Disclaimer
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest Vimeo
    NiceTrixNiceTrix
    • Home
    • Lifestyle
    • Academic
    • AI Tech
    • Career
    • Abroad
    • Update
    Subscribe
    NiceTrixNiceTrix
    Home»Academic Tricks»মেডিকেল ভর্তি বায়োলজিতে ৩০ এ ৩০ পাওয়ার গোপণ কৌশল! – Secret Tricks to get 30 out of 30 in Medical Admission Test Biology
    Academic Tricks

    মেডিকেল ভর্তি বায়োলজিতে ৩০ এ ৩০ পাওয়ার গোপণ কৌশল! – Secret Tricks to get 30 out of 30 in Medical Admission Test Biology

    NiceTrix (Admin)By NiceTrix (Admin)September 14, 20253 Comments11 Mins Read
    Share Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Reddit Telegram Email
    Medical Admission Test Biol - Medical Admission Test Biology
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    আসসালামু আলাইকুম। সো, মেডিকেল অ্যাডমিশনের আরেকটা গাইডলাইন ভিডিওতে তোমাদের স্বাগত জানাচ্ছি। তোমাদের সাথে আছি তোমাদের সামিউল ভাইয়া। তো, এমবিবিএস কমপ্লিট করলাম স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ থেকে। এবার, তো…

    দেখো, যে মেডিকেলে যদি তুমি চান্স পেতে চাও, তোমাকে বায়োলজিতে সবচেয়ে বেশি নাম্বার থাকে। তাই না? সো, তিরিশ মার্ক, অর্থাৎ ১০০ মার্কের মধ্যে তিরিশটা মার্ক থাকে বায়োলজিতে। তো, এই বায়োলজিতে যদি তুমি ভালো না করো, তাহলে মেডিকেলে চান্স পাওয়াটা একটু কঠিন হয়ে যায়।

    তাই আমরা আজকে জানার চেষ্টা করব, তুমি যদি বায়োলজিতে তিরিশে তিরিশ নিশ্চিত করতে চাও, তাহলে তোমাকে কী স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ী পড়াটা গুছাইতে হবে। চলো, শুরু করা যাক। সর্বপ্রথম হচ্ছে তোমার প্রপার বুক সিলেকশন। তুমি যদি বই ঠিকমতো সিলেকশন না করো, তাহলে একটু ঝামেলায় যাবে।

    তাহলে আমার যেই দুইটা বই আমরা রিকমেন্ড করি মেডিকেল অ্যাডমিশনের জন্য, বায়োলজি পেপার ওয়ানের জন্য আবুল হাসান স্যার এবং বায়োলজি পেপার টুয়ের জন্য আসগর স্যারের বইটা। আর এক্সট্রা তথ্যের জন্য তোমরা আলিম স্যারের বই থেকে দেখতে পারো।

    সো, এই তিনটা বইয়ের মধ্যে যদি বা এই ৩ রাইটারের মধ্যে তুমি যদি ঘোরাফেরা করো, তোমার অ্যাডমিশনে মোটামুটি বলা যায় প্রায় ১০০ পারসেন্ট কোশ্চেন কমন পাবা। প্রায় ১০০ পারসেন্ট কোশ্চেন কমন পাবা। তো, এই হলো মোদ্দা কথা।

    এখন আমরা আসি যে, অনেকের একটা প্রশ্ন থাকে যে, ভাইয়া, মেডিকেলের জন্য আপনারা তো বই দাগিয়ে দেন, বা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম বিভিন্ন বই দাগিয়ে দেন। এখন আমরা কি শুধুমাত্র দাগানো লাইনগুলোই পড়ব, নাকি সব লাইন পড়ব? আমার সাজেশন হচ্ছে, তুমি সব লাইন অন্তত একবার হলেও রিডিং দিবা, কেন?

    কারণ হচ্ছে অনেকেরই একটা চ্যাপ্টার পুরোটা পড়া থাকে না। বিশেষ করে তোমরা, যারা এইচএসএ টুয়েন্টি ফাইভ, তোমাদের তো শর্ট সিলেবাস ছিল। তোমাদের শর্ট সিলেবাসের বাইরে কিছু চ্যাপ্টার আছে, যেসব চ্যাপ্টার সম্পর্কে তোমাদের ন্যূনতম অনেকের কোনো ধারণাই নাই।

    ওই চ্যাপ্টারগুলো পড়ো নাই। তাহলে, সেই চ্যাপ্টারে তুমি যদি শুধু দাগানো লাইন পড়ো, তুমি তো কনটেক্সট বুঝবা না। এর লাইনটা কোন কনটেক্সটে আসছে, সেটা যদি না বোঝো, তখন হচ্ছে কী হবে? প্রশ্ন একটু ঘুরিয়ে দিলে দেখবা যে, “আইলা, এই তো আমি পারি নাই! কোত্থেকে আইলো!” ঠিক আছে? “খাই না মাথায় দেয় তো!”

    এই জন্য, তোমাকে সব লাইন অন্তত একবার হলেও পড়াটা আমার মতে যৌক্তিক। বিশেষ করে যেসব চ্যাপ্টার তুমি জীবনেও পড়ো নাই। ঠিক আছে? আর দাগানো লাইনগুলো তোমাকে ৪ থেকে ৫ বার বেশি পড়তে হবে। মানে, সব লাইন থেকে, আরকি। ঠিক আছে?

    তাহলে এমফাসিস থাকবে দাগানো লাইনের উপর, কিন্তু তোমাকে সব লাইন একবার হলেও পড়তে হবে। এটা থাকবে আমার সাজেশন তোমাদের জন্য। এখন চলে আসি যে, বই পড়ে ফেললাম, ভাইয়া। মেইন একটা বই পড়তে বলছেন, সেই মেইন বইয়ের দাগানো লাইন পড়লাম।

    যেমন ধরুন, আপনারা আবুল হাসানের বই দেখিয়ে দিলেন, আসগর স্যারের বই দেখিয়ে দিলেন, সেই দাগানো লাইন আমরা ৪ থেকে ৫ বার রিডিং দিলাম বা পড়লাম ৪ থেকে ৫ বার, খুব ভালো করে পড়লাম। মানে ওভারভিউ করলাম সব লাইন। ঠিক আছে? এখন আমার কী করা দরকার?

    এখন আমার কাজ হচ্ছে, সর্বপ্রথম গিয়ে কোশ্চেন ব্যাংক সলভ করা। মেডিকেল এবং মেন্টাল কোশ্চেন ব্যাংকে গিয়ে দেখব, আমি কয়টা কোশ্চেন পারি। তুমি যদি ৮০% এর উপর কোশ্চেন পারো, আলহামদুলিল্লাহ, তোমার পড়া ভালো হয়েছে। যদি দেখো ৮০% এর উপর না পারো, তোমার উচিত তুমি আবার গিয়ে বইটা পড়া।

    কারণ ৮০ পারসেন্টের মতো কোশ্চেন তুমি যদি না পারো, তার মানে তোমার বই পড়ার মধ্যে গ্যাপ আছে। ওইটা গিয়ে আবার রিভাইজ করা। বেটা, তুমি যদি ৮০% এর উপর পারো, একটা চ্যাপ্টারে করতে গিয়ে, তাহলে তুমি মনে করবা, তোমার পড়া মোটামুটি ভালো হয়ে গেছে।

    যেগুলো পারো নাই, শুধুমাত্র সেগুলো একটু কারেক্ট করবা। এবং সেগুলোর ব্যাখ্যাসহ দেখে নিবা যে, এটা কেন এই কারণে ভুল করলাম, কোন কারণে? যেমন, আমাদের অ্যানালাইসিস মেগাবুকগুলোতে আমরা ব্যাখ্যা অ্যাড করে দেই।

    একটা কোয়েশ্চেনের উত্তর কেন এটা হইলো? যে চারটা অপশন থাকে, কেন এই তিনটা অপশন হইলো না? সেটার উত্তরটাও বলা থাকে সেখানে। এভাবে আমরা সাজানোর চেষ্টা করি বই-এর তথ্যগুলোকে। সো, এইজন্য মাথায় রাখবা যে, এইভাবে ব্যাখ্যাসহ পড়ার ট্রাই করবা যে, শুধুমাত্র যে অপশনটা কারেক্ট হয়েছে, ওইটা পড়ে ফেললেই হবে না।

    বরং তোমার তিনটা অপশন কেন ভুল, ওই অপশনগুলো কোন প্রশ্নের সাথে যেত, সেটা পড়ে ফেলাটাও আসলে মেডিকেল অ্যাডমিশনের প্রিপারেশনের একটা সবচেয়ে বড় অংশ। এইভাবে কোশ্চেন ব্যাংক সলভ করে না বলেই অনেক ছাত্র বলে হচ্ছে, “কোশ্চেন ব্যাংকে তো তেমন কোনো কোশ্চেন নাই।”

    কোশ্চেন ব্যাংকে অনেক কোশ্চেন আছে। তুমি চারটা অপশনের সাথে রিলেটেড আরো অনেক প্রশ্ন হতে পারে। তুমি যদি সেগুলো পড়ে ফেলতে পারো, তাহলে তোমার একটা এরিয়া পড়া হয়ে যায়। তো, আমরা এই জিনিসটাকে অনেক সময় বলি হচ্ছে এরিয়া মার্কিং। কী বলি? আমরা অনেক সময় এই ব্যাপারটাকে বলি এরিয়া, আরকি। ঠিক আছে?

    তাহলে, চারটা অপশনের সাথে রিলেটেড যেই এরিয়াগুলো, সেই এরিয়াগুলো পড়ে ফেললে দেখা যায় অনেক কোশ্চেন পড়া হয়েছে। অনেক কোশ্চেন পড়া হয়েছে। কথার কথা, এখন তোমাকে বলি যে, প্রোটিন সংশ্লেষণ করা কোন অঙ্গাণুর কাজ?

    রাইবোজোম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস দিল, ক্লোরোপ্লাস্ট। এখন তোমার দায়িত্ব শুধুমাত্র রাইবোজোমের কাজ হচ্ছে প্রোটিন সংশ্লেষণ করা, সেটাতে আবদ্ধ থাকে না। অন্য যে চারটা অপশন, সেটার কী কাজ, সেগুলো পড়ে ফেলাটাও হচ্ছে আসলে এই জায়গায় সবচেয়ে পারফেক্ট একটা সলিউশন।

    সো, এই কাজটা করতে যে পারবে, সেই হচ্ছে মেডিকেলের জন্য সবচেয়ে বেস্ট, পারফেক্ট প্রিপারেশন সে নিচ্ছে। ঠিক আছে? এখন আসি, সর্বাধিক পরিমাণ এমসিকিউ সলভ করা। কোশ্চেন ব্যাংক সলভ শেষ, তুমি এভাবে পড়ছ, এগুলো এভাবে পড়া শেষ।

    এখন তুমি কোনো একটা মডেল টেস্ট নিবা অথবা কোনো একটা গাইড নিবা। সেখান থেকে সর্বাধিক পরিমাণ এমসিকিউ সলভ করার ট্রাই করবা। বাট, এর মধ্যে এই জিনিসগুলো যাতে সলভ করা বাদ না যায়। প্রথমত, অনুশীলনীর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা দেখবা কী, কেমেস্ট্রি এবং ফিজিক্সে বিশেষ করে, প্রায় ৭০%।

    প্রায় ৭০% একটু এদিক সেদিক হয়। প্রায় ৭০% এর মতো প্রশ্ন দিনে কোনো স্টুডেন্টের থেকে ধরা হয়, একেবারে হুবহু তুলে দেওয়া হয়। যদি না প্রশ্ন প্যাটার্ন চেঞ্জ হয়, এই বছরের সেম কাজটাই করবে।

    তাহলে তোমাকে অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো একেবারে ভাজাভাজা করে পড়তে হবে। বিশেষ করে, মানে বহুপদী গুলা বাদ দিবা। বহুপদী মূলক যে অনুশীলনীগুলো, সেগুলো থেকে প্রশ্ন আসে না। উদ্দীপক মূলক অনুশীলনী থেকে সচরাচর প্রশ্ন আসে না। এইটা বাদে নরমাল যে প্রশ্নগুলো, সেখান থেকে প্রশ্নগুলো একদম ভালো করে পড়ে ফেলবা। ঠিক আছে, এটা তো তোমাদের দায়িত্ব।

    দেন হচ্ছে বোর্ড কোশ্চেন। অনেক সময় দেখবা বোর্ডের এমসিকিউ থেকে রি-একশন মানে দিয়ে দেয়। সো, বিগত ৫ থেকে ৭-৮ বছরের অ্যাটলিস্ট বোর্ড কোশ্চেনগুলো সলভ করার ট্রাই করবা। এমসিকিউ বোর্ড এমসিকিউ সলভ করা ট্রাই করবা।

    বোর্ড অ্যানসারগুলো অনেক ক্ষেত্রে বইয়ের অনুশীলনের মধ্যে ইনপুট করা থাকে। তাও যদি তোমার কোনো একটা গাইড থাকে যে, সেখানে তুমি আলাদা করে বোর্ড অ্যানসারগুলো পাচ্ছ, সেখান থেকে তুমি সেভাবে সলভ করে দিলা। ঠিক আছে? এবং আমি এই কথাটা বারবার বলতেছি, কী? সলভ নিজে সলভ করতে হবে।

    শুধুমাত্র বইয়ের সলভ দেখলাম, হয়ে গেল, তা না। তুমি নিজে সলভ করতে বসলে, তখনই বুঝবা তোমার প্রিপারেশনের অবস্থা কতটুকু। বুঝছো? সো, নিজে থেকে সলভ করার ট্রাই করবা। ইয়েস।

    আচ্ছা, একটা চ্যাপ্টার, চ্যাপ্টার ওয়াইজ কতটা কোশ্চেন সলভ করা উচিত? আমার মতে, তুমি যদি পারো, চ্যাপ্টারে ৫০০ থেকে ১০০০। যে যত বেশি করতে পারবে, ততো ভালো। ৫০০ থেকে ১০০০ কোশ্চেন যদি কেউ একটা চ্যাপ্টারে সলভ করে, তার কি আদৌ কোনো ইম্পর্টেন্ট নাই বা বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা আছে?

    আদৌ আছে? কখনোই পসিবল না। পসিবল না, ইভেন তার এক্সট্রা ইনফরমেশনও অনেক ক্ষেত্রে কভার হয়ে যাবে। সো, যারা অনেক বেশি কোশ্চেন সলভ করতে চাও, তাদের জন্য একটা আলাদা গাইডের সাজেশন দিতে পারি।

    বাট, মনে রাখবে এটা সবার শেষে দেখা ভালো বা সবার শেষে এটা দেখা ভালো। সেটা হচ্ছে রয়েল। রয়েলে অনেক কোশ্চেন থাকে। ঠিক আছে? সো, আমরা বলব কী, যে তুমি যদি অনেক ভালো স্টুডেন্ট হও, তোমার সব পড়া শেষ, তোমার আর প্র্যাকটিস করা ছাড়া কিচ্ছু বাকি নাই, তুমি চাইলে তখন রয়েল কিনতে পারো।

    বাট, এর আগে রয়েল ধরাটা উচিত না। কারণ কী? রয়েলে অনেক বেশি সল্যুশন থাকে। তোমাকে আগে মেইন তথ্যগুলো তোমাকে আগে ঠিক থাকতে হবে, পড়ে ফেলতে হবে। এই হল কথা। কোশ্চেন ব্যাংক সলভ করতে হবে, অনুশীলনীর সলভ করতে হবে, বোর্ড কোশ্চেন সলভ করতে হবে।

    এগুলো করা শেষে তোমার যদি মনে হয় যে, তুমি এক্সট্রা অনেক কিছু করবা, গো ফর ইট। ওকে? দেন আসো, টার্মিনাল রিভিশন মেথড। এই মেথডটা আমি নিজে একটা নাম দিয়েছি। কারণ কী? ধরো, একটা চ্যাপ্টার পড়ে ফেলার পরে ৪-৫ ঘণ্টা ধরে একটা চ্যাপ্টার পড়ছো।

    কথার কথা, ৫ ঘণ্টায় একটা চ্যাপ্টার পড়ার কথা। তুমি সময় বাঁচিয়ে ৪ ঘণ্টায় শেষ করলে ৫ ঘণ্টার পরিবর্তে। এখন বাকি ১ ঘণ্টায় তুমি আবার এই চ্যাপ্টারটাকে পড়ো। এটাকে আমি বলি, একটা চ্যাপ্টার শেষে টার্মিনাল পয়েন্টে এসে আমি আবার তারপরে রিভিশন করলাম।

    এইজন্য এটার নাম দিয়েছি কী? টার্মিনাল রিভিশন মেথড। এই মেথডে যেটা হয়, তোমার হচ্ছে অনেক কিছু অ্যাকটিভ রি-কল হয়। তুমি ধরো, একটা চ্যাপ্টার অনেক কিছু ভাসাভাসা পড়ে গেছো বা পড়ছো, কমবেশি বুঝে বুঝে পড়ছো, কিন্তু এটা ১০ দিন পরে রিভিশন দিতে গেলে তোমার আবার ৪ ঘণ্টা লাগতো।

    কিন্তু তুমি এখনই আবার যখন রিভিশন দিবা, তুমি দেখবা, তোমার আধা ঘণ্টা থেকে ১ ঘণ্টার মধ্যে আবার রিভিশনটা কমপ্লিট হয়ে গেছে। এবং যে পড়াগুলো তোমার একটু ভাসাভাসা বা একটু ব্রেনের মধ্যে ভাসতেছিল, এগুলো সেটেল ডাউন হবে। সোজা কথা, সেটেল ডাউন, তোমরা জানো কি না জানি না।

    একটা ইনফরমেশন থ্যালামাস ফাঁস করে তোমার ব্রেনের কর্টেক্সে যায়। যত বেশি, তোমরা বইয়ে পাবা, বায়োলজি বইয়ে, সকল সংবিধি উদ্দীপনার রিলে স্টেশন হিসেবে কাজ করে কে? থ্যালামাস। এই কথাটা তোমরা পড়বা তো।

    যত বেশি ইনফরমেশন তুমি ব্রেনে পাঠাবা, সেটা থ্যালামাস দিয়ে যাবে। সো, একটা থ্যালামাসের যত বেশি ইনফরমেশন একই ধরনের নির্ভর করবে, থ্যালামাস সেই জিনিসটাকে দেখা যায়, কনভার্ট করে শর্ট টার্ম মেমরি থেকে লং টার্ম মেমরিতে কনভার্ট হয়। রিভিশন ইজ দা আল্টিমেট কি।

    তুমি যতটুকুই পড়ো না কেন, অল্প পড়ো বা বেশি পড়ো, সেটা বারবার রিভাইজ করতে হবে। এরপরে আসো, নট মিসিং এনি এক্সাম। দেখো, যারা ভালো পরীক্ষা মানে ভালো রেজাল্ট করে, তাদের একটা গুণ থাকে, এটা তারা সহজে এক্সাম মিস করে না। এক্সাম ফিয়ারটা কাটাতে হবে।

    আরে, তুমি এক্সামে কম পাও, সমস্যা নাই তো। বাপ-মা একটু মহা বকা দিল, পারলে ভাই, বাপ-মার নাম্বার চেঞ্জ করে দিয়ে আসিস। তাও পরীক্ষা দিতে যাইস। সোজা কথা হচ্ছে এটা, কিন্তু এক্সাম দিয়ে মিস করা যাবে না। এক্সাম দিলে, অনেক ভুল বের হয়ে আসে।

    বিশ্বাস করো, তোমার কাছে মনে হতে পারে, এই চ্যাপ্টারটা আমি সবকিছু পারি। ইভেন, আমি যে এত বড় বড় কথা বলতেছি তোদেরকে গাইডলাইন দিতেছি, আমাকে একটা চ্যাপ্টার বসিয়ে দে তো পরীক্ষা দিতে, আমিও মিনিমাম ১০০টা পয়েন্টে আমি ১০টা, ৫টা থেকে ১০টা ভুল করে আসব। শুধু আমাকে না, আরো যত ভাইয়া ১ টাকার ভাইয়ারা তোদের পড়াচ্ছে, তোদের দেখবে যে, ১০০টা প্রশ্ন দিলে অ্যাটলিস্ট ৫-৭টা কোশ্চেনে তারা তালমাটাল হয়ে গেছে।

    তাহলে, সবারই একটা ফল্ট থাকে, সবারই একটা দুর্বল পয়েন্ট থাকে। যত এক্সাম দিবা, তখনই তোমার উইক পয়েন্টগুলো আইডেন্টিফাই করতে পারবা, এগুলো নিয়ে কাজ করতে পারবা। সো, এক্সাম দিয়ে আসলাম, এইটা তোমার কাজ শেষ, না। ওখান থেকে কাজ শুরু।

    তুমি বাসায় এসে দেখবা যে, কী কী কোশ্চেন পারো নাই, কেন পারো নাই? কোন বক্স থেকে প্রশ্ন আসছে, আমি পারি নাই। কোন লাইন থেকে প্রশ্ন আসছে, আমি পারি নাই। সেগুলো ফাইন্ড আউট করো। ঠিক আছে?

    আচ্ছা, একটা সামারাইজিং কথা যে, মেন্টরের গাইডলাইন অনুযায়ী চলা। ধরো, তুমি আমাদের অ্যাডমিশন কোর্সে ভর্তি আছো। সো, আমাদের অ্যাডমিশন কোর্সে আমরা যারা মেন্টর, তারা তোমাকে যেভাবে বলতেছে যে, পড়তে হবে, সেটা হচ্ছে একটা ইউনিভার্সাল পিডিএফ দেখে পড়ো।

    একটা মেটেরিয়ালের লয় থাকো। একটা বই, কিউ-এন-এম-জিরা অ্যানালাইসিস ফলো করো, একটা মেইন ভাইটার এটা ফলো করো। ঠিক আছে? ১০০ রাইটার থেকে কতটুকু পড়তে হবে, যেগুলো বলে দিচ্ছি, শুধু ততটুকুই পড়লা। ইনশাআল্লাহ, দেখবা খুব ভালো একটা রেজাল্ট তুমি করতে পারবা।

    ঠিক আছে? সো, মেডিকেল অ্যাডমিশনে দেখা যাচ্ছে কী, তুমি শুধুমাত্র নিজের ইম্পর্টেন্সের উপর বিশ্বাস করে সব কিছু করতে যেও না। কারণ, যারা হচ্ছে এক্সপেরিয়েন্সড এই ফিল্ডে, তাদের কথার একটা মূল্য আছে। তারা কোনো না কিছু একটা কথা বললে তারা কোনো না কোনো কারণে বলতেছে। সেই কথাটা আমলে নেওয়ার চেষ্টা করবা। এই হলো মূল কথা।

    তাহলে আমি আশা করি মোটামুটি সামারি করতে পারছি। তো, লাস্টে যদি একটা কথা বলি, উপরে যে বললাম তিরিশে তিরিশ, তিরিশে তিরিশ নিশ্চিত করাটা একটু কঠিন। কিন্তু এটা সত্য, তুমি যদি তিরিশে ২৭-২৮ তুলতে পারো, মোটামুটি ডিএমসিতেও চান্স হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

    সো, তোমার টার্গেট থাকা উচিত, গোল থাকবে তিরিশ। বাট, তিরিশ তুলতে না পারলে এখানে কোনো মানে ডিজঅ্যাপয়েন্টেড হওয়ার কিছু নাই। কারণ, তোমাকে ডিএমসিতে চান্স পাইতে হলে কী কী করতে হবে? ৮০ প্লাস পাওয়া লাগবে। একটু হিসাব করে দেখো, বায়োলজিতে কত পাওয়া লাগবে? তিরিশ কি পাওয়াই লাগবে না?

    সবকিছু মিলে আমার ৮০ প্লাস থাকলেই তো হলো। তাই তো? সো, এই জন্য জাস্ট কথা বলে রাখলাম। যে থাম্বনেইলটা একটু, মানে কী বলবো, চটকদার হইলো। কথা সত্য। তুমি যদি এভাবে পড়ো, তিরিশে তিরিশ না হলেও অ্যাটলিস্ট ২৭-২৮ ইনশাআল্লাহ, তোমরা নিশ্চিত করতে পারবা।

    আর এক্সট্রা ইনফরমেশনের একটা কথা বলব, আলিম স্যারের বই। তাই বলে পুরোটা পড়তে যেও না। আমাদের ইউনিভার্সাল পিডিএফে আমরা যতটুকু অংশ বলছি যে, আলিম স্যার থেকে এতটুকু পড়তে হবে, ততটুকু অংশ পড়ো। ততটুকু অংশ বললেই ইনশাআল্লাহ, কাভার হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ।

    সো, আজকের জন্য এতটুকু। আর কোনো কোয়েরি থাকলে তোমরা জানাতে পারো। আবারও ফিরে আসব ইনশাআল্লাহ তোমাদের সাথে। ততদিন পর্যন্ত ভালো থাকো, সুস্থ থাকো। আল্লাহ হাফেজ।

    Admission Test Medical Admission
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Previous Articleঢাকা ইউনিভার্সিটি ভর্তি প্রস্তুতি A to Z মাষ্টার প্লান – Complete Guide for Dhaka University Admission Preparation Master Plan
    Next Article ইউনিভার্সিটি ভর্তি সিজনে মনোবল ধরে রাখার ৫ প্রমাণিত কৌশল!
    NiceTrix (Admin)
    • Website
    • Facebook
    • X (Twitter)
    • Pinterest
    • Instagram
    • Tumblr
    • BlogLovin
    • LinkedIn

    I am an education administrator and digital entrepreneur with 12+ years of experience in school management, IT, and digital services. I have founded SoftDows and BidyaShikhi, working on impactful web projects to empower education, technology, and business communities.

    Related Posts

    Academic Tricks

    ইউনিভার্সিটি ভর্তি সিজনে মনোবল ধরে রাখার ৫ প্রমাণিত কৌশল!

    September 14, 2025
    Academic Tricks

    ঢাকা ইউনিভার্সিটি ভর্তি প্রস্তুতি A to Z মাষ্টার প্লান – Complete Guide for Dhaka University Admission Preparation Master Plan

    September 14, 2025
    Academic Tricks

    নার্সিং ভর্তি প্রস্তুতি ও বিস্তারিত গাইড লাইন – 3 Proven & Successful Nursing Admission Preparation and Detailed Guideline

    September 14, 2025
    View 3 Comments

    3 Comments

    1. Pingback: Winning Formula to BUET, Medical & DU Admission Preparation Strategy | ট্রিপলেট অ্যাডমিশন গাইড - NiceTrix

    2. Pingback: ৭ ধরণের স্টুডেন্ট যারা কোনোদিনও পাবলিকে চান্স পায় না! - Why 7 Types of Student Never Get Chance in Public University! - NiceTrix

    3. Pingback: নার্সিং ভর্তি প্রস্তুতি ও বিস্তারিত গাইড লাইন - 3 Proven & Successful Nursing Admission Preparation and Detailed Guideline - NiceTrix

    Leave a ReplyCancel reply

    Demo
    Top Posts

    ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া – প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফল!

    August 27, 20254,611 Views

    গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio): সকল এআই মডেল একসাথে ব্যবহারের সুযোগ

    September 14, 2025144 Views

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 202592 Views
    Stay In Touch
    • Facebook
    • YouTube
    • TikTok
    • WhatsApp
    • Twitter
    • Instagram
    Latest Reviews

    Subscribe to Updates

    Get the latest tech news from FooBar about tech, design and biz.

    Demo
    Most Popular

    ডিজিটাল অ্যামনেশিয়া – প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফল!

    August 27, 20254,611 Views

    গুগল এআই স্টুডিও (Google AI Studio): সকল এআই মডেল একসাথে ব্যবহারের সুযোগ

    September 14, 2025144 Views

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 202592 Views
    Our Picks

    দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম

    October 20, 2025

    ক্রোয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সর্বশেষ তথ্য

    October 19, 2025

    বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা নিয়ে ইউরোপ প্রবেশের পূর্ণাঙ্গ গাইড লাইন

    October 17, 2025

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    NiceTrix
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube LinkedIn WhatsApp TikTok Telegram Threads
    • Home
    • Contact Us
    • Our Authors
    © 2026 Copyright @ NiceTrix. Designed by SoftDows

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Ad Blocker Enabled!
    Ad Blocker Enabled!
    Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please support us by disabling your Ad Blocker.