এসএসসি এক্সাম ফাইনালি শেষ। সামনে বেশ বড় একটা সময় ব্রেক পাবে তোমরা। এই ফ্রি টাইমটা তোমার লাইফের বেস্ট একটা সময়। সামনের সময়গুলোকে যদি ঠিকভাবে কাজে লাগাও, তাহলে তোমার জীবনটা অন্যরকম হবে, ইনশাআল্লাহ।
কেন এই সময়টা তোমার কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ, দেখো বস। এখন মোটামুটি তোমরা সবাই ম্যাচিউর। আমরা জানি এবং বুঝি যে আমাদের কী করা উচিত, আমাদের কী ভালো লাগে। কিন্তু নানা কারণে আমরা নিজেদের ভালো লাগাগুলোকেই এতদিন প্রায়োরিটি দিতে পারি নাই।
কিছু করতে গেলেই তোমাদেরকে শুনতে হয়েছে—“কি করবি? এসএসসির পর করিস।” এখন কিন্তু সেই সময়ই চলে আসছে। এরপর শুরু হবে এইচএসসির পড়াশোনা। মারার উপর মারা, তারপরে এডমিশন, ভার্সিটির জীবনটা শেষ। এইরকম ফ্রি টাইম তুমি আর কখনোই পাবে না আসলে।
এসএসসি এক্সাম যেমনই হোক, যায় আসে না। সামনে যে সময়গুলো পাচ্ছ, সেই সময়গুলোতে নিজেকে পরিবর্তন করার শপথ নাও। বেস্ট কিছু হবে, ইনশাআল্লাহ। আজকে আমি তোমাকে বলবো কিভাবে তুমি বেস্ট ওয়েতে এই সময়গুলো কাজে লাগাবে আর কী কী জিনিস তোমার শেখা উচিত।
অবশ্যই একটা কমপ্লিট গাইডলাইন পাবে তুমি। আর তোমাদের জন্য বেস্ট একটা এনাউন্সমেন্ট আছে, বস। তোমরা যেন সামনের সময়গুলাকে প্রপারলি কাজে লাগাইতে পারো, সেইজন্য এখন থেকে আমি প্রতি ফ্রাইডে একটা করে ভিডিও আপলোড দেওয়ার ট্রাই করব, ইনশাআল্লাহ।
আজকে থেকে শুরু হলো আলটিমেট এআই ওয়ার্কশপ। এখানে তুমি জানতে পারবে কিভাবে তুমি এআই কাজে লাগিয়ে বাকি সব এভারেজ পোলাপানের থেকে এগিয়ে থাকবে। সো, সাবস্ক্রাইব করে রাখো টু জয়েন দ্য রেভোলিউশন।
দেখো বস, প্রথমে তোমাকে এইটা মানিয়ে নিতে হবে যে ১০ বছর আগে আর্নিংয়ের যে ওয়েগুলা ছিল, তার মধ্যে অনেকগুলোই এখন আর রিলেভেন্ট না। এআই-এর যুগে টিকে থাকতে হলে এভারেজ হয়ে থাকা চলবে না—এটাই বাস্তব।
চিন্তা করো তো, কেউ তোমাকে কেন টাকা দেবে? তুমি তাকে একটা ভ্যালু প্রোভাইড করবে। সে ওই ভ্যালুর বিনিময়ে তোমাকে একটা স্যালারি দেবে। কিন্তু এআই টুলসগুলো ইউজ করে মানুষ অনেক কাজ খুব ইজিলি আর দ্রুত করে ফেলতে পারছে।
এইটা খুবই লজিক্যাল যে প্রতি মাসে একটা হাই স্যালারি দিয়ে তোমাকে কেউ রাখবে না, যদি ওই কাজ সে ইজিলি এআই টুল দিয়ে করে ফেলতে পারে। সো, এখন তোমাকে বুঝতে হবে যে ওভারঅল সিচুয়েশনটা কী, আর তোমার এই রকম একটা সিচুয়েশনে কী করা উচিত।
অনেক কনভেনশনাল জব চলে যাবে। কিন্তু নতুন নতুন জব ক্রিয়েট হবে। সব জায়গায় হিউম্যান ডিপেন্ডেন্সি ধীরে ধীরে কমে আসবে। আগে হয়তো একটা বিসিএস রান করতে ১০ জন লাগতো। এখন তুমি এআই টুলসগুলো ইউজ করে সেই দশজনের কাজ একাই করে ফেলতে পারছো।
তাই বলি, এতদিন যারা নানা কারণে কিছুই করতে পারোনি, হতাশ হয়ো না। একটা নতুন রেভোলিউশন শুরু হচ্ছে—এআই রেভোলিউশন। এর সাথে নিজেকে আপডেট করার ট্রাই করো, দেখবে যে বেস্ট কিছু হচ্ছে, ইনশাআল্লাহ।
তোমার ওভারঅল জার্নি টাকে স্মুথ করার জন্য তোমাকে প্রথমে জানতে হবে যে কিভাবে তুমি প্রপারলি এআই টুলসগুলো ইউজ করবে। চ্যাটজিপিটি তো সবাই ইউজ করছে। কিন্তু কয়জন আমরা জানি যে চ্যাটজিপিটি থেকে কিভাবে আমি বেস্ট একটা আউটপুট নিবো?
সো, প্রথমেই তোমাকে শিখতে হবে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং। সিম্পল কথা—তুমি চ্যাটজিপিটিকে যা বলো, সেটাই প্রম্পট। এখন যত ভালোভাবে তুমি চ্যাটজিপিটিকে বোঝাতে পারবে যে তুমি কী চাইছো, চ্যাটজিপিটি তত বেস্ট একটা রেসপন্স তোমাকে দেবে।
একটা বেসিক প্রম্পটের স্ট্রাকচার হলো—রোল, টাস্ক, ডিটেইলস, ফরম্যাট। এটা নিয়ে ডিটেইলস আগামী ভিডিওতে কথা হবে, ইনশাআল্লাহ। তো সাবস্ক্রাইব করে রাখো। তারপর তোমার প্রতিটা কাজে চ্যাটজিপিটিকে পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট বানিয়ে ফেলো।
তোমার এক্সামের প্রিপারেশন নেয়া থেকে শুরু করে বিজনেস আইডিয়া জেনারেশন—প্রতিটা কাজে হেল্প নাও। চ্যাটজিপিটি বাদেও আরো অনেক এআই টুলস আছে, যেগুলো সম্পর্কে আমরা জানিই না। সেগুলো এক্সপ্লোর করার ট্রাই করো।
তুমি তখনই বেস্ট ওয়েতে এআই টুলসগুলো ইউজ করতে পারবে, যখন তুমি বুঝবে যে এআই মডেলগুলো কাজ করছে কিভাবে। কিভাবে একটা এআই মডেলকে ট্রেন করা হয়, কিভাবে ধীরে ধীরে তার নলেজ বাড়তে থাকে। মেশিন লার্নিং, ডিপ লার্নিং, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল—এগুলো সম্পর্কে বেসিক একটা ধারণা তোমার অবশ্যই থাকতে হবে।
চ্যাটজিপিটিকে তোমার বেস্ট ফ্রেন্ডের মতো ট্রিট করো। বেস্ট ফ্রেন্ডকে যেমন আমরা সব কিছু বলি, সেমভাবে প্রতিটা কাজে চ্যাটজিপিটির হেল্প নাও। এই টুলগুলো যত বেশি ইউজ করবে, তত নতুন পসিবিলিটি ক্রিয়েট হবে তোমার জন্য।
বস, দুনিয়া কিন্তু চেঞ্জ হয়েছে। এখন কেউ আর শুধু ডিগ্রির জন্য হায়ার করে না। হায়ার করে অ্যাটেনশন। ২০২৫ সালে এসে অ্যাটেনশন সবথেকে এক্সপেনসিভ কারেন্সি হয়ে গেছে। বড় বড় টেক জায়ান্টরা বিলিয়ন ডলার স্পেন্ড করছে—কেন? গেট ইউর অ্যাটেনশন।
একটু আশেপাশটা দেখো তো। লাখ লাখ এভারেজ পোলাপান ঘুরে বেড়াচ্ছে। না আছে তাদের কোনো একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড, না আছে কোনো স্কিল। ওইদিকে আবার অনেকেই এই অ্যাটেনশন কারেন্সিটাকে কাজে লাগিয়ে আরও বেশি মানুষের কাছে রিচ করার ট্রাই করছে।
দেখবে, হাজার হাজার ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার বের হচ্ছে, টিকটক ইনফ্লুয়েন্সার বের হচ্ছে। ছাপ্রিগিরি করেই হোক বা যা করেই হোক, সবাই ট্রাই করছে কিভাবে সবচেয়ে বেশি মানুষের অ্যাটেনশন গ্র্যাব করা যায়।
ওরা চায় তুমি তাদেরকে ট্রল করো, হাসাহাসি করো। তুমি যখন তাদেরকে ট্রল করছো, তখনও সে তোমার অ্যাটেনশন পেয়ে গেছে।
এখন কথা হচ্ছে, এভারেজ থেকে এক্সট্রা অর্ডিনারি হওয়ার জন্য সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট হলো—তোমার একটা ইউনিক পার্সোনালিটি। মানুষ যেন তোমাকে চিনে, ট্রাস্ট করে। মানুষকে ভ্যালু প্রোভাইড করো, যা পারো সেটা অন্যকে শেখাও।
নিজের কমিউনিকেশন স্কিল দিন দিন ডেভেলপ করার ট্রাই করো। কথা হচ্ছে, তুমি তিনটা ইজি স্টেপে নিজের পার্সোনাল ব্র্যান্ড ক্রিয়েট করে ফেলতে পারবে।
স্টেপ ওয়ান—আর্থিকভাবে, তোমার যেই জিনিসটা সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে এবং যেটাতে তোমার ইন্টারেস্ট সবচেয়ে বেশি, সেটা পিক করো।
ধরো তুমি এই এআই শিখছো। ভিডিও বানাও, টিউটোরিয়ালস শেয়ার করো। বই পড়তে ভালো লাগে তোমার, বুক রিভিউ করা শুরু করে দাও। ব্লগিং ভালো লাগে? তোমার ডেটুডে লাইফের ব্লক করে সেটা শেয়ার করো। জিম নিয়েও ডেটিকেট্ তুমি; তাহলে সবার সামনে নিজের ফিটনেস জাঙ্গিয়া শেয়ার করো।
সিম্পল স্টেপ টু স্টার্ট ক্রিয়েটিং: তুমি যে কোনো একটা প্ল্যাটফর্ম চুজ করো — ফেসবুক হতে পারে, ইনস্টাগ্রাম হতে পারে, ইউটিউব হতে পারে; কিন্তু অবশ্যই ইউটিউব বেটার, কারণ তুমি চিন্তা করো যে ফেসবুকে একটা মানুষ কেন ঢোকে — একটু রিলাক্স করতে, এন্টারটেইনমেন্টের জন্য, আজাইরা জিনিস দেখতে। কিন্তু ইউটিউবে আমরা অফার হয় একটু সিরিয়াস কনটেন্ট দেখি, লার্নিং।
এখন যেহেতু শর্ট কনটেন্ট মানুষ বেশি কোন জুম করতেছে, তাই ইউটিউব শর্টস বা ইনস্টাগ্রাম রিলসে ফোকাস করো। নিজের একটা ইউনিক ভয়েস ক্রিয়েট করার ট্রাই করো। তুমি অন্যান্য সাকসেসফুল ইউটিউবারদের ফলো করতে পারো; কোনো কপি নয়, কিন্তু তোমার কনটেন্টে যেন একটা ইউনিকনেস থাকে। ট্যাপ থ্রি লাল স্টোরি-টেলিং দেখো, বস।
মানুষের সাথে প্রপারলি কথা বলতে পারাটা অনেক বড় একটা স্কিল। শুধু নরমালি কথা বলা যথেষ্ট নয় — মানুষের মন জয় করতে হবে তোমাকে। তোমাকে প্রপার হিউম্যান সাইকোলজি বুঝে কথা বলা শিখতে হবে। একটা জিনিসকে এমনভাবে বলা শিখো যেন সবাই সেটা শুনতে চায়। কথা বলার মধ্যে একটা ইউনিকনেস থাকবে, একটা হুক থাকবে। নিজের প্রেজেন্টেশন স্কিল হতে হবে টপ না’জ।
আমাদের কিন্তু স্টোরি শুনতে ভালো লাগে। এটা-ওয়াটা কাহিনী শুনতে ভালো লাগে। তোমার স্পীচের মধ্যে কিছু স্টোরি সিম্পলড করার ট্রাই করো — এমন স্টোরি গুলো যা মানুষকে ইমোশনালি টাচ করবে। মোট কথা হচ্ছে তোমার স্পীচকে এমনভাবে সাজাতে হবে যেন তোমার প্রত্যেকটা কথার সাথে মানুষ প্রপারলি কানেক্ট করতে পারে।
দেখো বস, প্রতিদিন হাজার হাজার নতুন বিজনেস শুরু হচ্ছে, স্টার্টআপ শুরু হচ্ছে। এখন একটু চিন্তা করো তো প্রতিটা বিজনেসের মাস্ক কি লাগবে? একটা ওয়েবসাইট। ওই যে এই আইডি ভলিউশনের কারণে অনেক মানুষ চাইবে নিজে থেকে কিছু করতে। জব ডিপেনডেন্সি ধীরে ধীরে কমে আসবে, স্টার্টআপ কমিউনিটি আরও বেশি স্ট্রং হবে। মানুষ নিজে থেকে কিছু করার সাহস পাবে।
আর সবাই চাইবে নিজের ব্র্যান্ড আর বিজনেসের একটা অনলাইন প্রেজেন্স থাকুক। আর এই ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের কোনো বিকল্প নাই। কিন্তু ট্র্যাডিশনালভাবে একটা ওয়েবসাইট বিল্ড করতে বড় টেকনিক লাগে, অনেক সময় দরকার হয় এই দিকে। তুমি ওয়ার্ডপ্রেস ইউজ করে একদিনের মধ্যে একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে ফেলতে পারবে; তোমার কোনো কঠিন স্কিল লাগবে না — ড্র্যাগ-অ্যান্ড-ড্রপ।
এই পৃথিবীর মোটামুটি ফোরটি থ্রি পার্সেন্ট ওয়েবসাইটস ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে বানানো। ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে তোমার বেশি টাইম লাগবে না। ইউটিউবে অনেক ফ্রি রিসোর্স আছে। কিন্তু যারা আমার থেকে শিখতে চাও, লাইক দাও ভিডিও। এই ভিডিওতে ১০,০০০ লাইক ক্রস করলে আমি ওয়ার্ডপ্রেসের একটা টিউটোরিয়াল আপলোড করে দেবো, ইনশাআল্লাহ।
আর একবার এটা প্রপারলি শিখে গেলে নিজের ক্রিয়েটিভিটি কাজে লাগায়; কিছুটা ওয়েবসাইট বানিয়ে ফেলো — বিজনেস ওয়েবসাইট বানাও, পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানাও, ইকোপার্ক ওয়েবসাইট বানাও যত পারো বানাও। এখানে তোমার ক্রিয়েটিভিটি তোমাকে অন্যদের থেকে আলাদা করবে।
আর যখন বুঝবে যে তুমি মার্কেটে নামার জন্য প্রস্তুত, তখন নিজের কাজগুলো দিয়ে সুন্দরভাবে একটা পোর্টফুলিও তৈরি করো; কোয়েন আউটরিচ শুরু করে দাও। এখন এইরকম একটা লোক খুঁজে পাওয়া টাফ যার ফেসবুক একাউন্ট নাই — সবথেকে বেশি ট্রাফিক সোশ্যাল মিডিয়াগুলোর মধ্যে।
কিন্তু ফেসবুকে আর যেখানে ট্রাফিক, সেইখানেই বিজনেস। চিন্তা করছো: একবার যে ফেসবুকে একটা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে কিভাবে সবথেকে বড় মার্কেটপ্লেস হয়ে গেল? আমরা ফেসবুকে ঢুকি বিনোদনের জন্য। কিন্তু ফেসবুকে অ্যাডগুলো আমাদেরকে এমনভাবে শো করায় যে আমরা না চাইতেই কিছু একটা অর্ডার দিয়ে ফেলি।
এই যে তোমার একটা জিনিস লাগবে না, কিন্তু সেই জিনিসটাকে তোমার সামনে এমনভাবে রিপ্রেজেন্ট করা হয়েছে যে তোমার মনে হচ্ছে না এটা তোমার লাগবেই — এটাই তোমার কেটিং। এরা সবকিছুর রিপ্লেস করলেও মানুষের ইমোশনালি কানেক্ট করার যে ব্যাপারটা — সেটি কিন্তু মানুষকেই করতে হবে, বস।
তাই এই টাইমে ফেসবুক মার্কেটিং সবথেকে ইম্পরট্যান্ট একটা স্কিল, জাস্ট বলছি। এই ওই টুল শিখে কোনো লাভ নেই — তোমাকে ফাইন্ড আউট করতে হবে কেন একটা কাস্টমার তোমার থেকে এই প্রোডাক্টটা নিবে? কারণ সে প্রোডাক্ট অন্য দশজনকে বিক্রি করেছে, সে কেন তোমাকেই চূস করবে?
সোজা কথায়, ফেসবুক মার্কেটিং মানে হলো — তোমার বিজনেস প্রোডাক্ট বা সার্ভিস প্রমোশন করবে। ফেসবুকে ছুঁতে এখানে তোমার মেইন চ্যালেঞ্জ থাকবে — কিভাবে তুমি রাইট পার্সনের কাছে তোমার প্রোডাক্টটাকে শো করাবে; কিভাবে তুমি কম ডলার খরচ করে বেশি মানুষের কাছে রিচ করতে পারবে; কিভাবে তুমি একটা লয়াল কাস্টমার বেস্ট ক্রিয়েট করতে পারবে।
দেখো বস, প্রতিটা স্কিল কিন্তু একটা আরেকটার সাথে রিলেটেড। তোমার বিজনেসের আইডিয়া জেনারেশন থেকে শুরু করে তুমি কোন কোন প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করবে — এই জিনিসগুলোর জন্য তুমি এই এআইয়ের হেড নিতে দে না; তোমার লাগবে একটা ওয়েবসাইটস।
সো হোয়াইটপ্রেস দিয়ে তুমি ওয়েবসাইটটা বানিয়ে ফেলো; আর তারপরে প্রোডাক্ট প্রমোশনের জন্য ফেসবুক মার্কেটিং। এখন ফেসবুকে একটা প্রোডাক্ট কাস্টমারের কাছে বেস্ট টুয়েতে রিপ্রেজেন্ট করার জন্য তোমার কিন্তু ভালো ডিজাইনিং-নলেজ থাকা লাগবে।
এই জন্য ক্যানভা বেস্ট। হাজার হাজার কাস্টম টেমপ্লেট ক্যাম্প্লেস আছে; ওইখানে ওভারআল খুব কম সময় তুমি ডিজাইনিংয়ের কাজগুলো করে ফেলতে পারবে ক্যানভা দিয়ে।
কেউ যে কাজ এক সপ্তাহ করতেছে, তোমার টার্গেট থাকবে কিভাবে — তুমি ওই কাজ একদিনে করে ফেলতে পারবে; এমন না করলে ওই এভার ছুঁয়ে থাকতে হবে সারা জীবন। এখন প্রায় প্রতিটা ছোট-বড় ব্র্যান্ডের ফেসবুক পেজ আছে; ইউটিউবেও। ব্র্যান্ডগুলো তাদের প্রোডাক্ট প্রমোশন করতেছে, সবাই চাইতেছে আরও বেশি গ্রো করার।
এই যে একটা পেজ, ওর প্রোফাইলকে গ্রো করার জন্য কোম্পানিগুলো কিন্তু বাইরে থেকে অনেক লোক হায়ার করে; তাদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলো ম্যানেজ করার জন্য আলাদাভাবে টিম থাকে — কনটেন্টের প্ল্যানিং থেকে শুরু করে সেটা ক্রিয়েট করা ও শিডিউল করা ম্যানেজ করার জন্য তাদের লোকজনের প্রয়োজন হয়।
এই জিনিসগুলো প্রপারলি বোঝার জন্য তোমাকে প্রতিটি প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে বেসিক আইডিয়া থাকা লাগবে; এসবের বেসিক অ্যালগোরিদমগুলোর সম্পর্কে আইডিয়া থাকা লাগবে। দেখো, কোন প্ল্যাটফর্মে কি টাইপের মানুষ বেশি ইউজ করতেছে, এসব বুঝে-শোনে তোমাকে কাজ করতে হবে।
দেখো বস, সবাই চাইতেছে নিজের অনলাইন প্রেজেন্স থাকুক; কিন্তু অনেকের এই নলেজ নাই যে কিভাবে তারা প্রপারলি এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে গ্রো করতে পারবে — কারণ তাদের কোনো স্ট্র্যাটেজি নাই, কোনো প্ল্যান নাই। একদম সোশ্যাল মিডিয়া গ্রোথ এক্সপার্ট হিসাবে তুমি তাদেরকে হেল্প করতে পারো।
এই সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট বলতে আমি বোঝাচ্ছি তুমি অন্য কারো পেজ বা প্রোফাইলের সব কিছু ম্যানেজ করবে, তাকে গ্রো করতে হেল্প করবে; আর এই নলেজটা পরবর্তীতে তুমি নিজের পার্সোনাল ব্র্যান্ড ক্রিয়েশনেও কাজে লাগাইতে পারবে।
এতক্ষণ যে স্কিলগুলোর কথা বললাম, তোমার মধ্যে যদি প্রপার ডেডিকেশন থাকে, তাহলে এগুলো শিখতে কিন্তু বেশিদিন লাগবে না। এখনকার যুগে বিজনেস বোঝাটা খুব জরুরি; ফিউচারে যদি নিজের স্টাইল বা বিজনেস শুরু করতে চাও, তাহলে উপরে প্রত্যেকটা স্কিল হেল্প করবে তোমাকে।
আসলে বিজনেস মানে কী — শুধু কিছু সেল করা আর প্রফিট করা একদমই না। তোমাকে আশেপাশে দেখতে হবে যে মানুষ কি কি প্রবলেম ফেস করতেছে; এই প্রবলেম সলভ করার জন্য একটা বেস্ট সলিউশন খুঁজে বের করতে হবে তোমাকে। আর এই সলিউশনের থ্রুতে তুমি একটা বিজনেস দাঁড় করিয়ে ফেলতে পারবে।
যত বড় প্রবলেম তুমি সলভ করবে, তত বড় হবে তোমার বিজনেস। শেষ কথা হলো — সামনে একটা মারাত্মক অপূর্ণ চেন্নিট আছে তোমাদের জন্য; সো প্লিজ এই ফ্রি টাইমটাকে ভালোভাবে কাজে লাগাও।
আর যারা নামাজ পড়ো না — এটা গোল্ডেন অপূর্ণ চেন্নিট: নামাজ শুরু করার। এতদিন তো আজাইরা স্কুল-কোচিং, অনলাইন ভাইদের পিছনে ঠিকই দৌড়াইছো; কিন্তু তোমার রুটিন থেকে নামাজটাই বাদ হয়ে গেছে। এখন আজাইরা সব কাজ বাদ দিয়ে সবার আগে নামাজ শুরু করো, ইনশাআল্লাহ এমন নিয়তে শুরু করবে যে যাই হয়ে যাক না কেন, নামাজ ছাড়া যাবে না কোনো দিন।
একটা প্রপার রুটিন ফলো করে জিনিসগুলো শেখার ট্রাই করো; দেখবে যে হাজার হাজার এভারেস্ট পোলাপানের থেকে তোমার জীবন অনেক ভালো কাটবে, ইনশাআল্লাহ। সো, লিভি দ্য ড্রিম লাইফ এভরি সিঙ্গেল ডে। আল্লাহ হাফেজ।

