আপনি হয়তো বাংলাদেশ থেকে আমেরিকার ইবি-৩ ভিসা সম্পর্কে শুনেছেন। আমেরিকায় স্থায়ী হওয়া এবং গ্রিন কার্ড (Green Card) অর্জন করা অনেক বাংলাদেশিরই স্বপ্ন। অসংখ্য সুযোগ ও সম্ভাবনার দেশ আমেরিকাতে লেখাপড়া বা কাজের অভিজ্ঞতা না থাকলেও ফুল-টাইম চাকরির মাধ্যমে গ্রিন কার্ড নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের একটি সুনিশ্চিত রাস্তা হলো ইবি-৩ (USA EB-3 VISA) ভিসা প্রোগ্রাম।
এই বিশদ গাইডটি ইবি-৩ ভিসার পুরো প্রক্রিয়া, বিশেষ করে আনস্কিল্ড (Unskilled) ক্যাটাগরি, চ্যালেঞ্জ এবং ২০২৩-২০২৫ সালের হালনাগাদ তথ্য নিয়ে সাজানো হয়েছে।
ইবি-৩ ভিসা কী এবং কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?
ইবি-৩ ভিসা হলো এমপ্লয়মেন্ট-বেসড থার্ড প্রেফারেন্স (Employment-Based Third Preference) ভিসা, যা মূলত চাকরি বা কাজের সূত্রে আমেরিকায় গ্রিন কার্ড পাওয়ার একটি মাধ্যম।
এটি আমেরিকান এমপ্লয়ারদের (Employer) জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ, স্বল্প-দক্ষ (Skilled) বা অদক্ষ (Unskilled) বিদেশি কর্মীদের নিয়ে আসার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ইবি-৩ ভিসা হলো আমেরিকায় গ্রিন কার্ড পাওয়ার পাঁচটি এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরির (EB-1 থেকে EB-5) মধ্যে অন্যতম সহজ ও নিরাপদ একটি পথ, যা মার্কিন সরকার কর্তৃক ১৯৯০ সালে চালু হয়।
| EB-3 ক্যাটাগরি | প্রয়োজনীয় দক্ষতা/যোগ্যতা |
| ১. প্রফেশনাল (Professional) | কমপক্ষে ব্যাচেলর ডিগ্রি বা সমমানের বিদেশি ডিগ্রি। |
| ২. স্কিল্ড ওয়ার্কার (Skilled Worker) | কমপক্ষে ২ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা বা প্রশিক্ষণ। |
| ৩. আদার ওয়ার্কার্স/আনস্কিল্ড (Unskilled) | ২ বছরের কম অভিজ্ঞতা; কাজের জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ (On-the-job training) দিলেই চলে। |
আনস্কিল্ড (Unskilled) ট্র্যাকে আবেদনের প্রাথমিক যোগ্যতা কী?
আনস্কিল্ড ট্র্যাকে আবেদনের জন্য আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, আইইএলটিএস (IELTS) পরীক্ষার স্কোর বা পূর্ববর্তী কাজের অভিজ্ঞতার কোনো প্রয়োজন নেই।
এই ক্যাটাগরি বিশেষভাবে সেইসব কর্মক্ষম ব্যক্তিদের জন্য তৈরি যারা খুবই স্বল্প দক্ষ এবং আমেরিকায় যেসব চাকরিতে স্থানীয় আমেরিকানরা আগ্রহী নয়, সেগুলোতে কাজ করতে প্রস্তুত।
আনস্কিল্ড EB-3 ভিসার মূল প্রয়োজনীয়তা:
- শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্রয়োজন নেই।
- ভাষাগত দক্ষতা (IELTS/TOEFL): প্রয়োজন নেই, তবে টুকটাক ইংরেজি জ্ঞান থাকলে সুবিধা।
- পূর্ব অভিজ্ঞতা: প্রয়োজন নেই।
- স্বাস্থ্য: কর্মক্ষম ও শারীরিকভাবে সুস্থ হতে হবে।
- বয়স: সাধারণত ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে হতে হবে।
ইবি-৩ ভিসার মাধ্যমে গ্রিন কার্ডের সুবিধা কী কী?

ইবি-৩ ভিসার মাধ্যমে আপনি শুধু একা নন, আপনার পুরো পরিবার আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পায়। এই ভিসার সুবিধাগুলো একজন সাধারণ গ্রিন কার্ড হোল্ডারের মতোই।
- পারিবারিক গ্রিন কার্ড: আপনার স্ত্রী/স্বামী (স্পাউজ) এবং ২১ বছরের নিচে অবিবাহিত সন্তানরা (Child) আপনার সাথে একযোগে গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
- মুক্ত কাজের সুযোগ: প্রধান আবেদনকারীকে স্পন্সর করা এমপ্লয়মেন্ট বা চাকরিতে যোগ দিতে হবে, কিন্তু তার স্পাউজ আমেরিকায় যেকোনো ধরনের অন্য চাকরি বা ব্যবসা করতে পারবেন।
- বিনামূল্যে শিক্ষা: সন্তানরা আমেরিকান পাবলিক স্কুলে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পড়ালেখার সুযোগ পাবে।
- গ্রিন কার্ড স্ট্যাটাস: চাকরি চলে গেলেও গ্রিন কার্ড স্ট্যাটাসের কোনো ক্ষতি হবে না। এক বছর কাজ করার পরে আপনি আইনগতভাবে চাকরি বদল করতে পারবেন।
- নাগরিকত্ব (Citizenship): গ্রিন কার্ড পাওয়ার পাঁচ বছর পর আপনি আমেরিকান পাসপোর্টের জন্য সিটিজেন হিসেবে আবেদন করতে পারবেন।
ইবি-৩ ভিসা প্রক্রিয়া: ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ পদ্ধতি
ইবি-৩ হলো একটি এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ভিসা, তাই পুরো প্রক্রিয়াটি শুরু হয় একজন আমেরিকান এমপ্লয়ারের পক্ষ থেকে।

১. প্রথম ধাপ: প্রিভেলিং ওয়েজ ডিটারমিনেশন (Prevailing Wage) ও বিজ্ঞাপন
প্রথমেই আমেরিকান শ্রম মন্ত্রণালয় (Department of Labor – DOL) নিশ্চিত করে যে বিদেশি কর্মী এনে স্থানীয় আমেরিকান শ্রমিকদের প্রতি কোনো অবিচার করা হচ্ছে না। এই ধাপের নাম “প্রোগ্রাম ইলেকট্রনিক রিভিউ ম্যানেজমেন্ট” বা পার্ম (PERM)।
- প্রিভেলিং ওয়েজ: DOL প্রথমে কাজের জন্য ন্যূনতম বেতন (Prevailing Wage Determination) নির্ধারণ করে, যা ওই নির্দিষ্ট এলাকায় একই ধরনের কাজের জন্য আমেরিকান কর্মীদের দেওয়া বেতনের চেয়ে কম হবে না।
- নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি (Recruitment): এমপ্লয়ারকে স্থানীয় আমেরিকানদের জন্য নির্দিষ্ট সময় ধরে বিজ্ঞাপন দিতে হয়। যদি দেখা যায় কোনো স্থানীয় প্রার্থী যোগ্য নয় বা আগ্রহ দেখায়নি, তবেই বিদেশি কর্মীর জন্য আবেদন করা যায়।
২. দ্বিতীয় ধাপ: লেবার সার্টিফিকেশন বা PERM আবেদন
স্থানীয়ভাবে যোগ্য কর্মী না পাওয়ার প্রমাণ সাপেক্ষে এমপ্লয়ার DOL-এর কাছে লেবার সার্টিফিকেট (Labor Certification – LC)-এর জন্য আবেদন করেন।
- ফর্ম: ইটা ৯০৮৯ (ETA 9089) ফর্ম ব্যবহার করে “ফ্ল্যাগ (FLAG)” নামক পোর্টালে এই আবেদন জমা দেওয়া হয়।
- উদ্দেশ্য: এটি প্রমাণ করে যে, একজন বিদেশি কর্মীকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ করলে স্থানীয় শ্রমিক বাজারে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।
৩. তৃতীয় ধাপ: ইউএসসিআইএস-এ পিটিশন জমা (I-140)
লেবার সার্টিফিকেট অনুমোদনের পর এমপ্লয়ার আমেরিকান নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (USCIS) এর কাছে আবেদনকারীর পক্ষে পিটিশন জমা দেন।
- ফর্ম: আই-১৪০ (Form I-140, Immigrant Petition for Alien Worker)
- ফি: $৭১৫ (সাধারণ প্রক্রিয়াকরণ)।
- প্রিমিয়াম প্রসেসিং: অতিরিক্ত $২,৮০৫ ফি দিয়ে প্রিমিয়াম প্রসেসিং (Premium Processing) এর মাধ্যমে ৩-৪ সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল পাওয়া যায়। সাধারণ প্রক্রিয়াকরণে ৬ মাস বা তার বেশি সময় লাগতে পারে।
৪. চতুর্থ ধাপ: প্রায়োরিটি ডেট কারেন্ট হওয়া (Visa Bulletin)
আপনার I-140 অনুমোদিত হওয়ার পর ফাইলটি ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট (Department of State)-এ চলে যায়। এখানে ভিসা উপলব্ধ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয়, যাকে প্রায়োরিটি ডেট (Priority Date) কারেন্ট হওয়া বলে।
- সময়কাল: আনস্কিল্ড ক্যাটাগরিতে এই অপেক্ষার সময় বর্তমানে ২ থেকে ৩ বছর বা তারও বেশি হতে পারে। প্রতি মাসে প্রকাশিত ভিসা বুলেটিনে (Visa Bulletin) আপনার দেশের জন্য কবে থেকে ভিসা উপলব্ধ হবে, তা জানা যায়।
- কোটা: ইবি-৩ ক্যাটাগরিতে বছরে মোট ৪০,০০০ ভিসা দেওয়া হয়, যার মধ্যে আনস্কিল্ড ক্যাটাগরির জন্য বছরে প্রায় ১০,০০০ গ্রিন কার্ডের আলাদা কোটা থাকে।
৫. পঞ্চম ধাপ: গ্রিন কার্ডের চূড়ান্ত আবেদন
প্রায়োরিটি ডেট কারেন্ট হওয়ার পর আবেদনকারী অবস্থান অনুযায়ী চূড়ান্ত গ্রিন কার্ডের আবেদন জমা দেন।
| অবস্থান | ফর্ম | ফি |
| আমেরিকার মধ্যে থাকলে (Adjustment of Status) | আই-৪৮৫ (I-485) | $১,৪৪০ (প্রাপ্তবয়স্ক) |
| আমেরিকার বাইরে থাকলে (Consular Processing) | ডিএস-২৬০ (DS-260) | $৩২৫ (জনপ্রতি) |
- মেডিকেল ও ইন্টারভিউ: এরপর অনুমোদিত প্যানেল ফিজিশিয়ানের কাছে মেডিকেল টেস্ট করাতে হয় এবং বাংলাদেশে আবেদন করলে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে ইন্টারভিউ দিতে হয়।
EB-3 ভিসার চ্যালেঞ্জ, সময়কাল এবং আনুমানিক খরচ
ইবি-৩ ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হলেও এটি সময়সাপেক্ষ এবং বেশ ব্যয়বহুল হতে পারে।
১. EB-3 ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে মোট সময়কাল
| ধাপ | প্রক্রিয়া | আনুমানিক সময়কাল |
| ১. PERM/LC (লেবার সার্টিফিকেশন) | প্রিভেলিং ওয়েজ, বিজ্ঞাপন, আবেদন | ৯ – ১৮ মাস |
| ২. I-140 (পিটিশন) | USCIS প্রক্রিয়াকরণ | ৩ – ৬ মাস (প্রিমিয়াম ছাড়া) |
| ৩. DOS (প্রায়োরিটি ডেট কারেন্ট হওয়া) | ভিসার জন্য অপেক্ষা | ২ – ৩ বছর বা তার বেশি |
| ৪. I-485/DS-260 (চূড়ান্ত আবেদন) | চূড়ান্ত অনুমোদন ও ইন্টারভিউ | ৬ – ১২ মাস |
| মোট আনুমানিক সময়: | ৩.৫ থেকে ৫ বছর |
২. আনুমানিক মোট খরচ (২০২৩-২০২৫)
মোট খরচ আবেদনকারী ও এমপ্লয়ারের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির উপর নির্ভর করে। তবে এই খরচের বড় অংশ এজেন্সি ফি।
- মোট খরচ: সাধারণত $১৫,০০০ থেকে $৫০,০০০ (USD) এর মধ্যে হতে পারে।
- এজেন্সি ফি: এই প্রক্রিয়ায় একটি তৃতীয় পক্ষ, অর্থাৎ এজেন্সি, আবেদনকারী ও এমপ্লয়ারের মধ্যে সংযোগ ঘটায়। সঠিক ও বিশ্বস্ত এজেন্সি খুঁজে বের করা এই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ভালো এজেন্সিগুলো ভিসা না হলে টাকা ফেরত (Refund) দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে।
বিশেষজ্ঞ পরামর্শ (Expert Advice for USA EB-3 Visa)
এই ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় আসতে হলে আপনার দুটি প্রধান বিষয় প্রয়োজন: অর্থনৈতিক সংস্থান এবং অক্লান্ত ধৈর্য।
- বিনিয়োগের প্রকৃতি: মনে রাখবেন, আপনার এই বিপুল খরচ কেবল একটি চাকরির জন্য নয়, এটি আপনার এবং আপনার পরিবারের জন্য আমেরিকান গ্রিন কার্ডের একটি নিশ্চিত বিনিয়োগ।
- কাজের ক্ষেত্র: ইবি-৩ আনস্কিল্ড ভিসা সাধারণত রেস্টুরেন্টে সার্ভার, কুক, ডিশওয়াশার, মিট প্রসেসিং সেন্টারে প্যাকেজিং, বা বড় ওয়্যারহাউজে লোড-আনলোডের মতো কাজে ব্যবহার হয়। এই কাজগুলো সাধারণত গ্রামীণ বা ছোট শহর অঞ্চলে বেশি পাওয়া যায়।
- চাকরি পরিবর্তন: গ্রিন কার্ড নিয়ে আমেরিকায় আসার পর স্পন্সর করা এমপ্লয়ারের কাছে কমপক্ষে এক বছর কাজ করতে হবে। এরপর আপনি অন্য যেকোনো বৈধ চাকরি বা ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।
আমেরিকার ভিসা নীতিগুলো ক্রিস্টাল ক্লিয়ার। সরকারি পরিবর্তন আসলেও, ইবি-৩ ভিসার মৌলিক নিয়মাবলী বরাবর একই থাকে। সতর্কতার সাথে প্রস্তুতি নিন এবং একটি বিশ্বস্ত এজেন্সির সাথে চুক্তি করে আপনার ইবি-৩ ভিসার এই গ্রিন কার্ডের যাত্রা সফল করুন।
আরও পড়ুনঃ চাকরি নাকি উচ্চশিক্ষা কোনটি আগে করবেন?
প্রশ্নোত্তর বিভাগ (FAQ Section)
ইবি-৩ ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় কি ধরনের কাজ করতে হয়?
ইবি-৩ আনস্কিল্ড ট্র্যাকে সাধারণত রেস্টুরেন্ট, ওয়্যারহাউস, প্যাকেজিং বা মিট প্রসেসিং সেন্টারে লো-স্কিল কাজের জন্য আসতে হয়, যা স্থানীয় আমেরিকানরা করতে আগ্রহী নয়।
EB-3 ভিসায় আবেদনের জন্য কি IELTS পরীক্ষা দেওয়া বাধ্যতামূলক?
না, আনস্কিল্ড EB-3 ভিসায় আবেদনের জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক ইংরেজি ভাষার পরীক্ষা যেমন আইইএলটিএস (IELTS) বা টোফেল (TOEFL) দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
EB-3 ভিসা প্রক্রিয়ার সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ কী?
সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো $১৫,০০০ থেকে $৫০,০০০ (USD) এর মতো বড় অঙ্কের খরচ ম্যানেজ করা এবং ভিসা পেতে প্রায় ৩ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করা।
গ্রিন কার্ড পাওয়ার কত দিন পর আমি সিটিজেনশিপের জন্য আবেদন করতে পারব?
আমেরিকান গ্রিন কার্ড হাতে পাওয়ার পর, সাধারণত আইন অনুযায়ী, আপনি টানা পাঁচ বছর (৫ বছর) গ্রিন কার্ড হোল্ডার হিসেবে বসবাসের পরে সিটিজেন (নাগরিক) হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন।


4 Comments
Pingback: ইউরোপে নাগরিকত্ব যে ৬টি দেশে দ্রুত ও সহজে লাভ করা যায় - NiceTrix
Pingback: জার্মানি অপরচুনিটি কার্ড ভিসা: সম্পূর্ণ A to Z গাইড - Ultimate A to Z Guide for Germany Opportunity Card Visa - NiceTrix
Pingback: বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা নিয়ে ইউরোপ প্রবেশের পূর্ণাঙ্গ গাইল লাইন - Complete Croatia Visa Guide for Legal Entry & Success
Pingback: দালাল ছাড়া আয়ারল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম - Apply for Ireland Work Permit in Just 7 Simple Steps (No Agent Needed) - NiceTrix